২১ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলের ঝুঁকিতে ৩ আর্জেন্টাইন তারকা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬
যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলের ঝুঁকিতে ৩ আর্জেন্টাইন তারকা

সদ্য সমাপ্ত ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর বিতর্কিত ‘ফকল্যান্ডস’ (মালভিনাস) ব্যানার প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আর্জেন্টিনার তিন তারকা ফুটবলার লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও এনজো ফার্নান্দেজ। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ ফুটবল ভক্তদের তোপের মুখে পড়া এই তিন প্রিমিয়ার লিগ তারকার ব্রিটিশ ভিসা বাতিলের দাবি উঠেছে।

এই তিন তারকার মধ্যে লিসান্দ্রো মার্তিনেস ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার, এনজো ফার্নান্দেজ চেলসির মিডফিল্ডার ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরো টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার।

যুক্তরাজ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র জাতীয় ক্ষোভ তৈরি হওয়ার পর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশানোর অপরাধে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার (FIFA) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ফিফা জানিয়েছে তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক শাস্তি ঘোষণা করেনি। তবে আর্জেন্টিনা দল ফিফার শাস্তি থেকে রেহাই পেলেও মার্তিনেজ, রোমেরো ও ফার্নান্দেজকে নিয়ে তাদের নিজ নিজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবগুলো বড় ধরনের বিপদে পড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি এক্সপ্রেসের (Daily Express) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন আইনি বিশেষজ্ঞ খতিয়ে দেখেছেন যে প্রিমিয়ার লিগে খেলা এই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ভিসা আসলেই বাতিল হতে পারে কি না। আর তেমনটা হলে ২০২৬-২৭ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে তারা নিজ নিজ ক্লাবে যোগ দেওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।

‘কোনো ছাড় নয়’: ভিসা বাতিলের সোচ্চার দাবি

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সাবেক সহকারী নাইল গার্ডিনার এই আর্জেন্টাইন তারকাদের ভিসা অবিলম্বে বাতিলের দাবি তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যেসব আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন ও এই বিশ্রী যুক্তরাজ্যবিরোধী প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন, তাদের সবার যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করা উচিত। এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া উচিত নয়।

এই নাইল গার্ডিনার ১৯৮২ সালে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপটি পুনর্দখল করতে ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী পাঠিয়েছিলেন।

যুক্তরাজ্যের ফুটবল সমর্থকরাও এই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের আচরণে চরম ক্ষুব্ধ। এক ক্ষুব্ধ ব্রিটিশ ভক্ত কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, আমি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বলছি, যে সব আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় এই ব্যানার সম্পর্কে জানত, তারা সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তাদের ভিসা বাতিল করা উচিত।

সেমিফাইনালে ঠিক কী ঘটেছিল?

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর আর্জেন্টিনার তিন প্রিমিয়ার লিগ তারকা- লিসান্দ্রো মার্তিনেস, এনজো ফার্নান্দেস ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে উদযাপনের সময় একটি ব্যানার ধরে থাকতে দেখা যায়।

ব্যানারটিতে লেখা ছিল ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’, যার ইংরেজি অনুবাদ হলো ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ভূরাজনৈতিক স্পর্শকাতর ইস্যুটি মাঠে টেনে আনায় যুক্তরাজ্য জুড়ে ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।

আইনি জটিলতা ও বিশেষজ্ঞদের মত

বিতর্ক ও জাতীয় ক্ষোভ সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যের একজন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ নিশ্চিত করেছেন যে, কেবল একটি রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শনের ওপর ভিত্তি করে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের ভিসা বাতিল করা আইনের দৃষ্টিতে বেশ জটিল।

তিনি জানান, কেবল বিশ্বকাপের সময় ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ ব্যানার প্রদর্শন করার অপরাধে আইনগতভাবে একজন প্রিমিয়ার লিগ খেলোয়াড়ের ভিসা বাতিল করার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। তাই রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ থাকলেও আইনি প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত তাদের ভিসা বাতিল হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলের ঝুঁকিতে ৩ আর্জেন্টাইন তারকা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬
যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলের ঝুঁকিতে ৩ আর্জেন্টাইন তারকা

সদ্য সমাপ্ত ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর বিতর্কিত ‘ফকল্যান্ডস’ (মালভিনাস) ব্যানার প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আর্জেন্টিনার তিন তারকা ফুটবলার লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও এনজো ফার্নান্দেজ। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ ফুটবল ভক্তদের তোপের মুখে পড়া এই তিন প্রিমিয়ার লিগ তারকার ব্রিটিশ ভিসা বাতিলের দাবি উঠেছে।

এই তিন তারকার মধ্যে লিসান্দ্রো মার্তিনেস ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার, এনজো ফার্নান্দেজ চেলসির মিডফিল্ডার ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরো টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার।

যুক্তরাজ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র জাতীয় ক্ষোভ তৈরি হওয়ার পর বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশানোর অপরাধে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার (FIFA) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ফিফা জানিয়েছে তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক শাস্তি ঘোষণা করেনি। তবে আর্জেন্টিনা দল ফিফার শাস্তি থেকে রেহাই পেলেও মার্তিনেজ, রোমেরো ও ফার্নান্দেজকে নিয়ে তাদের নিজ নিজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবগুলো বড় ধরনের বিপদে পড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি এক্সপ্রেসের (Daily Express) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন আইনি বিশেষজ্ঞ খতিয়ে দেখেছেন যে প্রিমিয়ার লিগে খেলা এই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের ভিসা আসলেই বাতিল হতে পারে কি না। আর তেমনটা হলে ২০২৬-২৭ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে তারা নিজ নিজ ক্লাবে যোগ দেওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।

‘কোনো ছাড় নয়’: ভিসা বাতিলের সোচ্চার দাবি

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সাবেক সহকারী নাইল গার্ডিনার এই আর্জেন্টাইন তারকাদের ভিসা অবিলম্বে বাতিলের দাবি তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যেসব আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন ও এই বিশ্রী যুক্তরাজ্যবিরোধী প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন, তাদের সবার যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক ভিসা বাতিল করা উচিত। এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া উচিত নয়।

এই নাইল গার্ডিনার ১৯৮২ সালে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপটি পুনর্দখল করতে ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী পাঠিয়েছিলেন।

যুক্তরাজ্যের ফুটবল সমর্থকরাও এই আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের আচরণে চরম ক্ষুব্ধ। এক ক্ষুব্ধ ব্রিটিশ ভক্ত কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, আমি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বলছি, যে সব আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় এই ব্যানার সম্পর্কে জানত, তারা সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত তাদের ভিসা বাতিল করা উচিত।

সেমিফাইনালে ঠিক কী ঘটেছিল?

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর আর্জেন্টিনার তিন প্রিমিয়ার লিগ তারকা- লিসান্দ্রো মার্তিনেস, এনজো ফার্নান্দেস ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরোকে উদযাপনের সময় একটি ব্যানার ধরে থাকতে দেখা যায়।

ব্যানারটিতে লেখা ছিল ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’, যার ইংরেজি অনুবাদ হলো ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ভূরাজনৈতিক স্পর্শকাতর ইস্যুটি মাঠে টেনে আনায় যুক্তরাজ্য জুড়ে ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে।

আইনি জটিলতা ও বিশেষজ্ঞদের মত

বিতর্ক ও জাতীয় ক্ষোভ সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যের একজন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ নিশ্চিত করেছেন যে, কেবল একটি রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শনের ওপর ভিত্তি করে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের ভিসা বাতিল করা আইনের দৃষ্টিতে বেশ জটিল।

তিনি জানান, কেবল বিশ্বকাপের সময় ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ ব্যানার প্রদর্শন করার অপরাধে আইনগতভাবে একজন প্রিমিয়ার লিগ খেলোয়াড়ের ভিসা বাতিল করার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। তাই রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ থাকলেও আইনি প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত তাদের ভিসা বাতিল হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

‘বিশ্বকাপ ট্রফি’ প্লাস্টিকের ব্যাগে নিয়ে গেলো স্পেন, ঘটনা কী?

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬
‘বিশ্বকাপ ট্রফি’ প্লাস্টিকের ব্যাগে নিয়ে গেলো স্পেন, ঘটনা কী?

এতো কষ্ট করে অর্জন করা ‌‘বিশ্বকাপ ট্রফি’ স্পেনের ফুটবলার মার্ক কুকুরেয়া একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে অন্যান্য জিনিসপত্রের সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার), ফেসবুকসহ অন্যান্য মাধ্যমে। এতে সবার চোখ কপালে। আসলে কী তাই?

বিশ্বকাপ-২০২৬ এ স্পেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখালো। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ ঘরে তুললো লামিন ইয়ামালরা।

অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নিলো স্পেন। ফাইনালে এনজো ফার্নান্দেসের লাল কার্ড এবং আর্জেন্টিনার খেলার পারফরম্যান্স নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনি কুকুরেয়ার এই ঘটনাও মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।

ঐতিহাসিক জয়ের পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন স্টেডিয়াম ছাড়ছিলেন, তখন ক্যামেরায় ধরা পড়ে কুকুরেয়ার হাতে থাকা সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগটি। ব্যাগের ভেতরে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো একটি বস্তু দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। মুহূর্তেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং স্পেনের স্মরণীয় জয়ের রাতে এটি হয়ে ওঠে আরেকটি আলোচিত ঘটনা।

কী আছে ওই ভিডিওতে?
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, স্পেনের ফুটবলার মার্ক কুকুরেয়া একটি সাধারণ সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো দেখতে একটি বস্তু বহন করছেন। চেলসি ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়াকে এভাবে স্টেডিয়াম ছাড়তে দেখে সেখানে উপস্থিত সবাই অবাক হন। পরে সেই ঘটনা ভাইরাল।

অনেকে এটিকে নিছক মজার ঘটনা মনে করলেও অনেকে আবার তীব্র সমালোচনা করে বলছেন, ‘যে ট্রফি কোটি কোটি টাকা মূল্যের, জয়ের পর সেই ট্রফির কি না জায়গা হলো ময়লা ফেলার ব্যাগে!’

তবে দ্য সানডে গার্ডিয়ান তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ওই ভিডিওর মধ্যে যে ট্রফি ছিল সেটি নিছক লেগো দিয়ে তৈরি একটি খেলনা ট্রফি, বিশ্বকাপ ট্রফি নয়।

ঘটনাটি অনেকে বিশ্বাসও করছেন না, কারণ ৬ কেজির বেশি ওজনের ট্রফি এমন পাতলা পলিথিন ব্যাগে বহন করতে পারার কথাও না।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে জানা না গেলেও স্পেনের জয়ের পর এমন ঘটনা হাস্যরস জুগিয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে।

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়: হৃদরোগে দুই সমর্থকের মৃত্যু

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়: হৃদরোগে দুই সমর্থকের মৃত্যু
বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর মাঠেই বসে ছিলেন মেসি। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা-স্পেন মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল চলাকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আর্জেন্টিনায় দুই সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা (স্যাম) জানায়, রাজধানী বুয়েনস আইরেসে পৃথক দুটি ঘটনায় ৬৭ ও ৮৮ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে (হৃদরোগ) মারা যান। একই সময়ে আরও এক ৭২ বছর বয়সী ব্যক্তি হৃদরোগজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

প্রথম ব্যক্তির মৃত্যুর খবর রোববার (১৯ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে জানা যায়। আর দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি রাত ১০টার দিকে পাওয়া যায়।

জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা স্যাম জানিয়েছে, দুইজনকেই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছিল। একই সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত আরও এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যিনি এখনো সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

স্যামের সরকারি নথি অনুযায়ী, ৬৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির জন্য জরুরি কল আসে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে। ঘটনাস্থল ছিল বুয়েনস আইরেসের মনসেরাত এলাকার সারান্দি ও আদোলফো আলসিনা সড়কের একটি বাসা। চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছানোর আগেই উপস্থিত লোকজন তাকে কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দিচ্ছিলেন।

স্যামের চিকিৎসকরা দীর্ঘ সময় ধরে পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা চালালেও তার অবস্থার উন্নতি হয়নি। শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

দ্বিতীয় ভুক্তভোগী, ৮৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি, বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে একই ধরনের হৃদরোগজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হন। জরুরি বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর তার মেয়ে জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করেন। তখন তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে ছিলেন।

সিপিআর দেওয়ার পর তাকে দ্রুত দুরান্দ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পাঁচ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা বিষয়টি বুয়েনস আইরেস সিটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নিশ্চিত করেন।

একই ঘটনায় আক্রান্ত ৭২ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি বর্তমানে আলভারেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটের দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট ও বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পর রাত ৮টা ৮ মিনিটে এই তিনটি ঘটনার তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

হৃদরোগে আক্রান্তদের পাশাপাশি ফাইনাল ঘিরে উদযাপনের সময় বুয়েনস আইরেসের ওবেলিস্ক এলাকা ও আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

স্যামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে গুরুতর দুর্ঘটনাটি ঘটে ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি লাভাইয়ে ও নুয়েভে দে হুলিও অ্যাভিনিউয়ের মোড়ে প্রায় চার মিটার উঁচু থেকে পড়ে যান। এতে তার বাঁ পায়ে গুরুতর ভাঙন ও স্থানচ্যুতি (লাক্সোফ্র্যাকচার) হয় এবং তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ছাড়া ৪০ বছর বয়সী এক নারী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে তার জ্ঞান না ফেরায় জরুরি চিকিৎসাসেবা দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উদযাপনের সময় অতিরিক্ত মদ্যপানজনিত অসুস্থতা এবং বিভিন্ন ধরনের আঘাতের ঘটনাও ঘটে। ২৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের পর হৃদ্‌স্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া (ব্র্যাডিকার্ডিয়া) ও নিম্ন রক্তচাপে আক্রান্ত হন। ২৩ বছর বয়সী আরেক তরুণ অসুস্থ হলেও চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ছাড়া বোতলের আঘাতে এক ব্যক্তির হাত ও মাথার ত্বক কেটে যায়। মারামারি ও পড়ে যাওয়ার ঘটনায় কয়েকজন মুখমণ্ডল ও নাকে আঘাত পান। সেরিতো এলাকায় ৩৪ বছর বয়সী এক নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানের ছড়ে যাওয়া ক্ষতের চিকিৎসা দেওয়া হয়। আরেক ব্যক্তি নিচের অঙ্গে আঘাত পান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৪৪ বছর বয়সী এক নারী আতঙ্কজনিত (প্যানিক অ্যাটাক) সমস্যায় আক্রান্ত হলে তাকে রামোস মেহিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পাশাপাশি হাঁপানির তীব্র আক্রমণ ও স্নায়বিক জটিলতায় আক্রান্ত আরও কয়েকজনকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

আর্মেনিয়া ইমিগ্রান্টস স্কয়ারে সংঘর্ষে আহত তিনজন পুরুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও তাদের কাউকে হাসপাতালে নিতে হয়নি।

এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। মাত্র এক সপ্তাহ আগে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ চলাকালেও স্যাম হৃদরোগে একজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল। সেদিন আরও ছয়টি হৃদরোগসংক্রান্ত জরুরি ঘটনারও তথ্য প্রকাশ করা হয়। নিহত ব্যক্তি ছিলেন ৫১ বছর বয়সী একজন পুরুষ।

সেই ম্যাচে বুয়েনস আইরেস শহরে মোট সাতজন হৃদরোগসংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্ত হন। তাদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং তিনজন নারী ছিলেন। সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের মধ্যে বুকে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট এবং প্রাণঘাতী করোনারি জটিলতার ঘটনা ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যন্ত আবেগঘন ও চাপপূর্ণ ফুটবল ম্যাচের সময় হৃদরোগসংক্রান্ত সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ইনফোবায়ে-এর সঙ্গে কথা বলা বিভিন্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলাকালে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বুকে ব্যথা, অনিয়মিত হৃদ্‌স্পন্দন (অ্যারিদমিয়া) এবং অন্যান্য হৃদরোগজনিত সমস্যার রোগীর সংখ্যা সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

মঞ্চ ছাড়তে চাচ্ছিলেন না ট্রাম্প, সরাতে গিয়ে ব্যর্থ ফিফা সভাপতি

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬
মঞ্চ ছাড়তে চাচ্ছিলেন না ট্রাম্প, সরাতে গিয়ে ব্যর্থ ফিফা সভাপতি

২০২৬ বিশ্বকাপের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও মঞ্চ ছাড়তে অনীহা দেখান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই আচরণ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

ফাইনালের শুরুতেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভিআইপি গ্যালারিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পাশে বসে খেলা উপভোগ করেন ট্রাম্প। স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় তাকে দেখানোর সঙ্গে সঙ্গেই দর্শকদের একাংশ শিস ও বিদ্রুপে প্রতিক্রিয়া জানায়। তবে এসব উপেক্ষা করে ইনফান্তিনোর সঙ্গে আলাপচারিতায় ব্যস্ত ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে বিশ্বকাপ ট্রফিও তার হাতে তুলে দেওয়া হলে কিছুক্ষণ সেটি সামনে রেখে দেখেন ট্রাম্প।

ম্যাচ শেষে ইনফান্তিনোর সঙ্গে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপর ট্রাম্প ও ইনফান্তিনো যৌথভাবে দুই দলের খেলোয়াড়দের গলায় পদক পরিয়ে দেন। পরে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি তুলে দেন তিনি।

তবে ট্রফি হস্তান্তরের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। স্পেনের ফুটবলাররা শিরোপা উদযাপনের প্রস্তুতি নিলেও ট্রাম্প মঞ্চেই দাঁড়িয়ে থাকেন। ফিফার কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান, যাতে খেলোয়াড়রা স্বাভাবিকভাবে উদযাপন করতে পারেন। তিনি কিছুটা সরে গেলেও মঞ্চ ত্যাগ করেননি।

এমনকি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও তাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প খেলোয়াড়দের পাশেই দাঁড়িয়ে উদযাপনের মুহূর্তে অংশ নেন।

অবশ্য এ ধরনের ঘটনা ট্রাম্পের ক্ষেত্রে নতুন নয়। এর আগেও ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে চেলসির শিরোপা উদযাপনের সময় খেলোয়াড়দের সঙ্গে মঞ্চে অবস্থান করেছিলেন তিনি। সে সময় চেলসি অধিনায়ক রিস জেমস তাকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে এবার স্পেনের কোনো খেলোয়াড় এ ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে কি বিদায় জানাচ্ছেন লিওনেল মেসি?

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ২০, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে কি বিদায় জানাচ্ছেন লিওনেল মেসি?

২০৭ ম্যাচ, ১২৫ গোল, একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা আর একটি ফিনালিসিমা; আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির মহাকাব্যিক ক্যারিয়ারের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে আছে কতশত রোমাঞ্চ আর গল্প। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর হয়তো আলবিসেলেস্তেদের হয়ে নিজের শেষ অধ্যায়টি লিখে ফেলেছেন তিনি । এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও, ট্রফিহীন এই সমাপ্তিই আর্জেন্টিনার জার্সিতে ৩৯ বছর বয়সী তারকার নিশ্চিত বিদায়ঘণ্টা হতে পারে।

ফাইনালে স্পেনের রক্ষণভাগের নিখুঁত পরিকল্পনার সামনে পুরোটা সময় নিষ্ক্রিয় ছিলেন মেসি। যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সহজাত ক্ষমতা থাকলেও স্প্যানিশ ডিফেন্ডাররা তাঁকে পেনাল্টি বক্স ও বলের দখল থেকে সম্পূর্ণ দূরে রেখেছিলেন। মাঠের ভেতরে তাঁকে একরকম বোতলবন্দী করে রেখেছিল স্পেনের মাঝমাঠ ও রক্ষণ।

মেসির সামনে পরবর্তী বিশ্বকাপ যখন আসবে, তখন তাঁর বয়স হবে ৪৩। কিংবদন্তি এই ফরোয়ার্ডের জন্য ৪৩ বছর বয়সে বিশ্বকাপে খেলাটা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হয়। তবে ২০২৮ কোপা আমেরিকা কিছুটা কাছে। আর্জেন্টিনার হয়ে আবারও তিনি মাঠে নামবেন কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তাঁর শারীরিক সক্ষমতা ও ফর্মের ওপর।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মতো মেসিরও এটি ছিল ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, যা ফুটবল ইতিহাসে আর কোনো ফুটবলারের নেই। এই টুর্নামেন্টে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন নিয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে মেসির এক ঐতিহাসিক লড়াই দেখা গেছে।

টুর্নামেন্ট চলাকালীন মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ভেঙে মেসি শীর্ষে উঠলেও, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের সুযোগ নিয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে ২২ গোল করে তাঁকে (২১) ছাড়িয়ে যান।

বে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসি যা অর্জন করেছেন, তা নিয়ে তিনি গর্ব করতেই পারেন, যদিও শুরুটা ছিল ভীষণ বেদনার। ২০০৬ বিশ্বকাপে সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আলো ছড়ানোর পরও জার্মানির বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে হোসে পেকারমান মেসিকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামাননি।

এরপর শুরু হয় আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আর টানা চার ফাইনাল (২০০৭, ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকা এবং ২০১৪ বিশ্বকাপ) হারের দুঃস্বপ্ন। ২০১৬ সালে তো অভিমানে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরই নিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

অবশ্য মেসি ফিরে এসেছিলেন এবং কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে নিজের ক্যারিয়ারের গতিপথ বদলে দিয়েছিলেন। করোনাকালের সেই মারাকানায় কোপা আমেরিকা জয়, এরপর ফিনালিসিমা এবং কাতার বিশ্বকাপে অধরা ট্রফি উঁচিয়ে ধরে সব সমালোচনার জবাব দেন মেসি।

২০২৪ কোপা আমেরিকা জিতে এই বিশ্বকাপে পা রাখা মেসি পুরো টুর্নামেন্টে ৮ গোল করে বিশ্বকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন। কিন্তু ফাইনালে স্পেনের কাছে স্বপ্নভঙ্গে থমকে গেল তাঁর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের ও সম্ভবত শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। এখন আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বলটি লিওনেল মেসির কোর্টেই।