১১ অক্টোবর ২০২৬

প্রবাসীদের সুবিধার্থে ১০ অক্টোবরের কারেন্সি রেট: কোন মুদ্রার বিপরীতে কত টাকা মিলছে?

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬
প্রবাসীদের সুবিধার্থে ১০ অক্টোবরের কারেন্সি রেট: কোন মুদ্রার বিপরীতে কত টাকা মিলছে?

প্রবাসী ভাইয়েরা আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা। তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক মূল্য জানতে প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ পাওয়া দর তুলে ধরা হলো।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত ও ওমানসহ বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর আগে এই তালিকা দেখে ধারণা নিতে পারবেন। তবে ব্যাংক, মানি এক্সচেঞ্জ ও রেমিট্যান্স সেবাদাতাভেদে প্রকৃত লেনদেনের হার ভিন্ন হতে পারে।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট

নিচে ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনলাইনে পাওয়া বিনিময় হার দেওয়া হলো।

মুদ্রার নাম কোড বাংলাদেশি টাকা
সৌদি রিয়াল SAR ৳৩২.৮৫
ইউএই দিরহাম AED ৳৩৩.৫৭
কাতারি রিয়াল QAR ৳৩৩.৮৭
কুয়েতি দিনার KWD ৳৩৯৬.২৫
ওমানি রিয়াল OMR ৳৩২০.৪৭
বাহরাইনি দিনার BHD ৳৩২৬.৪৮
মার্কিন ডলার USD ৳১২৩.৩০
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত MYR ৳৩০.১৮
সিঙ্গাপুর ডলার SGD ৳৯৬.২৩
ব্রিটিশ পাউন্ড GBP ৳১৬৩.০৭
ইউরো EUR ৳১৩৮.২০
কানাডিয়ান ডলার CAD ৳৮৬.৪৫
অস্ট্রেলিয়ান ডলার AUD ৳৮৫.৯৬
চীনা ইউয়ান CNY ৳১৮.৪০
জাপানি ইয়েন JPY ৳০.৭৮
দক্ষিণ কোরিয়ান ওন KRW ৳০.০৯
ভারতীয় রুপি INR ৳১.২৭
মালদ্বীপের রুফিয়া MVR ৳৭.৯৮
থাই বাত THB ৳৩.৬৭
রুশ রুবল RUB ৳১.৪৫
পাকিস্তানি রুপি PKR ৳০.৪৫
শ্রীলঙ্কান রুপি LKR ৳০.৩৭
নেপালি রুপি NPR ৳০.৮০
হংকং ডলার HKD ৳১৫.৭১
আফগানি AFN ৳১.৯০

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই তালিকা অনলাইনে প্রকাশিত বিনিময় হারের ভিত্তিতে তৈরি; এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের নিশ্চিত রেমিট্যান্স রেট নয়। বিশেষ করে কুয়েতি দিনার, কাতারি রিয়াল ও ওমানি রিয়ালের ক্ষেত্রে লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সর্বশেষ দর যাচাই করুন।

প্রবাসীরা কীভাবে সঠিক রেট পাবেন?

প্রবাসীদের দেশে টাকা পাঠানোর আগে অনুমোদিত ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের রেমিট্যান্স রেট যাচাই করা উচিত। একই মুদ্রার বিপরীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত দর এবং প্রযোজ্য ফি আলাদা হতে পারে।

সরকারি প্রণোদনা প্রযোজ্য হলে নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রণোদনার যোগ্যতা ও পরিমাণ সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা এবং লেনদেনের শর্তের ওপর নির্ভরশীল।

হুন্ডি নয়, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠান

প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর জন্য অনুমোদিত ব্যাংক ও বৈধ রেমিট্যান্স সেবা ব্যবহার করা উচিত। হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো এড়িয়ে চলুন। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠালে অর্থের লেনদেনের রেকর্ড থাকে এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও অর্থনীতিতে অবদান রাখা যায়।

প্রবাসীদের পাঠানো প্রতিটি বৈধ রেমিট্যান্স তাঁদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সতর্কতা: বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। টাকা পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে চূড়ান্ত রেট জেনে নিন।

আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০৮, ২০২৬
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এর আগে এ মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা।

১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দামও কমেছে। এ মানের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগের দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা।

অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, এ ধরনের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। আগে দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে বাজুসের এই নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর হয়েছে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ৩৭০ টাকায়।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩০৫ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ২৩০ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রৌপ্যের অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সাথে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এ ছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

মার্কিন ডলারের শক্ত অবস্থান ও ট্রেজারি বন্ডের চড়া সুদের চাপ থাকা সত্ত্বেও চলতি মাসে ব্যাংক সুদহার না বাড়ার আশ্বাসে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বেড়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে চার হাজার ১৬৮ দশমিক ৮৯ ডলারে পৌঁছেছে।

স্যাক্সো ব্যাংকের পণ্য কৌশল প্রধান ওলে হ্যানসেন জানান, ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ও ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা কমলেও স্বর্ণ চার হাজার ১০০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। ইউরোজোনের রাজনৈতিক সংকট ও সরকারি ঋণ বৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেও স্বর্ণের বিনিয়োগ ধরে রাখছেন অনেকে।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা চলতি অক্টোবরে ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন মাত্র ২১ শতাংশ। তবে আগামী ডিসেম্বরে এটি বাড়ার সম্ভাবনা এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ ধরে রাখা হয়েছে।

এদিকে ডলার সূচক ও ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার ২৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকায় অন্যান্য দেশের মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা কিছুটা ব্যয়বহুল হয়ে গেছে।

অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রূপার দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে প্ল্যাটিনামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে এক হাজার ৭১২ দশমিক ০১ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে এক হাজার ১৬৪ দশমিক ৭৩ ডলারে নেমেছে।

বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,২২৩.৯৫ ডলারে নেমে আসে। একই সাথে মার্কিন গোল্ড ফিউচার্সের দামও ১.৫ শতাংশ কমে ৪,২৫৭.৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, উচ্চ বন্ড ইল্ড এবং তেলের চড়া দাম একসাথে স্বর্ণের বাজারের জন্য বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। তেল সরবরাহের মিশ্র সংকেতের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের ভাবনায় মূল্যস্ফীতিকে একেবারে সামনে নিয়ে এসেছে।

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী পুনর্উমুক্ত করা এবং লড়াই বন্ধ করার ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর ইরান জোর দিয়ে বলেছিল যে, একমাত্র কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে তাদের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে পারে। এর ফলে তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়।

ওয়াটারার সতর্ক করে বলেন, প্রত্যাশিতের চেয়ে শক্তিশালী মূল্যস্ফীতি বা কর্মসংস্থানের ডেটা বন্ডের সুদের হারের ওপর ঊর্ধ্বমুখী চাপ বজায় রাখতে পারে এবং স্বর্ণের দামের ওপর আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে, স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন দেখা গেছে। স্পট সিলভার বা রূপার দাম ২.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬২.৬৪ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ২.১ শতাংশ কমে ১,৭৪১.৪৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.১ শতাংশ কমে ১,২৩৯.৯৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।