৪ নভেম্বর ২০২৬

কাতারের হাত ধরে ফের শান্তি চুক্তি? মার্কিন-ইরান চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায়

প্রকাশ: বুধবার, নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কাতারের হাত ধরে ফের শান্তি চুক্তি? মার্কিন-ইরান চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায়

কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে উপস্থাপিত একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়ায় যুক্তরাষ্ট্র অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। আনাদোলু এজেন্সি মঙ্গলবার এই খবর নিশ্চিত করেছে।

কাতারি সংবাদপত্র 'আল-আরাবি আল-জাদিদ'-কে সূত্রগুলো জানিয়েছে, 'মধ্যস্থতাকারী দলটি সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও এই সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং তারাও এতে সম্মতি প্রকাশ করেছে।'

সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অবরুদ্ধ (ফ্রিজ করা) অর্থসম্পদের বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই কিছুটা ছাড় দিয়েছে।

'তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দেবে, যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন ইরানের অবরুদ্ধ অর্থসম্পদের একটি অংশ মুক্ত করার ঘোষণা দেবে,' সূত্রগুলো উল্লেখ করে যে, দুটি ঘোষণাই একই সাথে দেওয়া হবে।

প্রাথমিক পদক্ষেপ এবং একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির ঘোষণাসহ উভয় পক্ষ কীভাবে একই সাথে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে—যা নতুন করে আলোচনার পথ উন্মুক্ত করবে—সে সংক্রান্ত প্রস্তুতি ও বন্দোবস্ত নিয়ে আলোচনা চলছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি অর্জিত হওয়ার আগে তেহরান ইসরাইল এবং ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন স্বার্থে পাল্টা হামলা চালিয়ে জবাব দিয়েছিল।

পরে ১৮ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেও, প্রণালীর নিরাপত্তা সম্পর্কিত দ্বিমতের কারণে এর বাস্তবায়ন থমকে যায়।

কাতারের হাত ধরে ফের শান্তি চুক্তি? মার্কিন-ইরান চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায়

প্রকাশ: বুধবার, নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কাতারের হাত ধরে ফের শান্তি চুক্তি? মার্কিন-ইরান চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায়

কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে উপস্থাপিত একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়ায় যুক্তরাষ্ট্র অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। আনাদোলু এজেন্সি মঙ্গলবার এই খবর নিশ্চিত করেছে।

কাতারি সংবাদপত্র 'আল-আরাবি আল-জাদিদ'-কে সূত্রগুলো জানিয়েছে, 'মধ্যস্থতাকারী দলটি সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও এই সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং তারাও এতে সম্মতি প্রকাশ করেছে।'

সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অবরুদ্ধ (ফ্রিজ করা) অর্থসম্পদের বিষয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই কিছুটা ছাড় দিয়েছে।

'তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দেবে, যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন ইরানের অবরুদ্ধ অর্থসম্পদের একটি অংশ মুক্ত করার ঘোষণা দেবে,' সূত্রগুলো উল্লেখ করে যে, দুটি ঘোষণাই একই সাথে দেওয়া হবে।

প্রাথমিক পদক্ষেপ এবং একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির ঘোষণাসহ উভয় পক্ষ কীভাবে একই সাথে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে—যা নতুন করে আলোচনার পথ উন্মুক্ত করবে—সে সংক্রান্ত প্রস্তুতি ও বন্দোবস্ত নিয়ে আলোচনা চলছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালানোর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি অর্জিত হওয়ার আগে তেহরান ইসরাইল এবং ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন স্বার্থে পাল্টা হামলা চালিয়ে জবাব দিয়েছিল।

পরে ১৮ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতার বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেও, প্রণালীর নিরাপত্তা সম্পর্কিত দ্বিমতের কারণে এর বাস্তবায়ন থমকে যায়।

যুদ্ধ বন্ধে ইরান-কাতার আলোচনায় যা উঠে এলো

প্রকাশ: মঙ্গলবার, নভেম্বর ০৩, ২০২৬
যুদ্ধ বন্ধে ইরান-কাতার আলোচনায় যা উঠে এলো

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষ করে দোহা ত্যাগ করেছেন ইরানি আলোচকরা। আলোচনায় অর্জিত অগ্রগতির ভিত্তিতে তৈরি সম্ভাব্য চুক্তির একটি খসড়া প্রস্তাব এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে দুই পক্ষ আবারও বৈঠকে বসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করে এক কর্মকর্তা জানান, ইরানি প্রতিনিধি দল দোহা ছাড়লেও আলোচনার পরিবেশ ইতিবাচক ছিল। কোনো মতভেদের কারণে বৈঠক থেমে যায়নি, বরং খসড়া প্রস্তাবটি পর্যালোচনার জন্যই এ বিরতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেপ্টেম্বরে তেহরানের দেওয়া ৭ দফার পরিকল্পনা নিয়েই কথা হয়েছে।

দোহা বৈঠকের প্রসঙ্গে বাঘাই জানান, কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরোক্ষ বার্তা আদান-প্রদান সহজ করতে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি দোহায় অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। এসব দাবি যৌক্তিক এবং ন্যায়সঙ্গত।

মার্কিন নৌ অবরোধের অবসান, ইরানের সব দাবির প্রতি সম্মান এবং ইরানের ন্যায্য প্রয়োজনীয়তা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও চুক্তি সই হবে না। এমনকি এসব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত বা সুরক্ষিত করাও সম্ভব নয়।

অবশ্য তেহরানের শুরুতেই দেওয়া প্রাথমিক প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর নতুন করে সংঘাত শুরু হতে পারে- এমন আশঙ্কায় দোহায় এ কূটনৈতিক তৎপরতা। মার্কিন নির্বাচন নিয়ে ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হলে বাঘাই বলেন, নির্বাচনে নতুন একটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম হবে বলে তেহরান মনে করে না।

অন্যদিকে ট্রাম্পও নিজের অবস্থানে নমনীয় ও অনড়- দুই রূপই বজায় রেখেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন কোনো হামলা চালানো হবে না এবং আলোচনা বেশ ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিতে আবারও সামরিক পথ বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা তিনি পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি।

আল জাজিরার ৩০ বছর পূর্তি: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আমীর শেখ তামিম

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬

"গল্পের পথচলা অব্যাহত..." প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আন্তর্জাতিক শীর্ষ সংবাদ মাধ্যম ‘আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক’-এর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

গত সন্ধ্যায় আল জাজিরা সদর দপ্তরে আয়োজিত বর্ণাঢ্য এই বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানী।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর আমীর আল জাজিরার গত তিন দশকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, ইতিহাস ও অগ্রযাত্রার ওপর নির্মিত একটি বিশেষ ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এছাড়া নেটওয়ার্কটির প্রতিষ্ঠাতা, মরহুম ফাদার আমীর শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানীর দৃষ্টিভঙ্গি ও গণমাধ্যমে আল জাজিরার ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

নতুন ডিজিটাল স্টুডিও ও নিউজ রুম পরিদর্শন

অনুষ্ঠান শেষে আমীর শেখ তামিম আল জাজিরার নতুন হাই-টেক স্টুডিও এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ নিউজ রুম পরিদর্শন করেন। এ সময় সম্প্রচার ও টেলিভিশন সংবাদ পরিবেশনায় ব্যবহৃত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্বমানের প্রযুক্তি সম্পর্কে তাঁকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী, আল জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান শেখ হামাদ বিন সামের আল-থানী, ডিরেক্টর জেনারেল শেখ নাসের বিন ফয়সাল আল-থানী, দেশি-বিদেশি মন্ত্রী, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

তিন দশকের সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের ইতিহাস

১৯৯৬ সালে ফাদার আমীর শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানীর হাত ধরে মাত্র ৬ ঘণ্টার সম্প্রচার দিয়ে শুরু হওয়া আল জাজিরা আজ বিশ্ব গণমাধ্যমের অন্যতম পরাশক্তি।

গ্লোবাল নেটওয়ার্ক: বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে ৪৩ কোটি (৪৩০ মিলিয়ন) পরিবারে পৌঁছে যায় আল জাজিরা। বিশ্বের ৭০টিরও বেশি ব্যুরোতে ৯৫টি দেশের প্রায় ৩,০০০-এর বেশি কর্মী কাজ করছেন।

বিপ্লব ও সম্মাননা: ২০০১ সালে কাবুল ও ২০০৩ সালে বাগদাদে আল জাজিরার কার্যালয়ে হামলা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের সাহসী সাংবাদিকতা থামায়নি। ২০১১ সালের ‘আরব বসন্ত’-এর কভারেজের জন্য চ্যানেলটি মর্যাদাপূর্ণ ‘পীবডি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে।

সাংবাদিকদের আত্মত্যাগ: পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত আল জাজিরার ২৪ জনেরও বেশি সংবাদকর্মী শহীদ হয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম ২০২২ সালে জেনিনে নিহত শিরিন আবু আকলেহ এবং ২০২৫ সালে গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত আনাস আল-শরীফ।

৩০ বছর পূর্তির এই বিশেষ মুহূর্তে আল জাজিরা তাদের নতুন ডিজিটাল চ্যানেল ‘আল জাজিরা নাও’ (Al Jazeera Now) এবং ৩০টিরও বেশি নতুন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানটির ৫ কোটি ২০ লাখ (৫২ মিলিয়ন) অনুসারী রয়েছে।

কমিউনিটি সংবাদ

৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কাতার যুবদলের অনুষ্ঠান

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কাতার যুবদলের অনুষ্ঠান

কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলো যুবদল কাতার শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন কাতার যুবদল নেতা রাজু ফরাজি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুবদল নেতা গাজী কাউসার।

এ সময় বক্তব্য রাখেন যুব নেতা আদনান কবির, সাইফুল ইসলাম, ইমরান হোসেন রাজু , আব্দুল মালেক, জুবায়ের সিদ্দিকী, কবির হোসেন বাবুসহ আরো অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রবাসের মাটিতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।

কাতারের মধ্যস্থতা: যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
কাতারের মধ্যস্থতা: যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান

হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের প্রস্তাব ও প্রশ্নের জবাব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আরাঘচি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরামর্শ ও যোগাযোগ চলছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কারণ, পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের ওপর।

এ সফরে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তেহরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আগে ঘোষণা করা সাতটি শর্তে অটল রয়েছে। এসব শর্তের বিষয়ে ওয়াশিংটনের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটি।

আরাঘচি জানান, কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দিন ধরে টানা যোগাযোগ চলছে। এতে চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনো রয়েছে। তবে ইরানের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিন সময় দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সময়সীমা কমিয়ে এখন দুই দিন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব এবং তাদের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ওপরই পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে বলে জানান আব্বাস আরাঘচি।