২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মরক্কোর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্কের পথে ইসরায়েল

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
মরক্কোর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্কের পথে ইসরায়েল

মরক্কোর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে ইসরায়েল। নিজ নিজ মিশনকে দূতাবাসে উন্নীত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়েও সম্মত হয় দুই পক্ষ। এ সম্পর্কের আওতায় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়েও একমত তারা।

বুধবার জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়ালজের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে বৈঠক করেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসিম বৌরিতা।

সেখানেই কূটনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসে। এসংক্রান্ত দুটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে সই করেন তাঁরা।

বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের ব্যাপারেও সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ। পাশাপাশি আগামী মাসগুলোতে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের পরিকল্পনা নিয়েছে ইসরায়েল এবং মরক্কো।

আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ২০২১ সালে মরক্কোর সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্কোন্নয়ের সূত্রপাত হয়।

ইউরোপের ক্রেতাদের অক্টোবরে ‘তেল দেবে না’ সৌদি আরামকো

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
ইউরোপের ক্রেতাদের অক্টোবরে ‘তেল দেবে না’ সৌদি আরামকো

লোহিত সাগরে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল পাইপলাইনে হামলার পর ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারকে অক্টোবর মাসে কোনো অপরিশোধিত তেল না দেওয়ার কথা জানিয়েছে সৌদি আরামকো।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান।

ইউরোপের ক্রেতারা সাধারণত সৌদি আরব থেকে তেল কেনে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়। এসব চুক্তিতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকে।

তবে আগামী মাসে সেই সরবরাহ রিফাইনাররা পাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্য, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের সব ক্রেতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

তবে এ বিষয়ে ব্লুমবার্গের মন্তব্যের অনুরোধে সৌদি আরামকো তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

গত সপ্তাহে হুতিদের ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

বিষয়টি সঙ্গে অবগত এক ব্যক্তির বরাতে ব্লুমবার্গ বলছে, কয়েক দিনের মধ্যে পাইপলাইনটির আংশিক কার্যক্রম আবার শুরু হতে পারে। তবে পুরোপুরি চালু হতে সময় লাগতে পারে ছয় সপ্তাহ।

ইউরোপের তেল শোধনাগারগুলো সাধারণত মিশরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর সিদি কেরির থেকে সৌদি অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ করে। ওই বন্দরটি একটি পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সৌদি আরামকোর কিছু ক্রেতার মধ্যে বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা দেখা যায়।

পোল্যান্ডের জ্বালানি কোম্পানি ওরলেন গত শুক্রবারের পর থেকে বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের জন্য দশটির বেশি দরপত্র ডেকেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের মাসিক অয়েল মার্কেট রিপোর্টে জানিয়েছে, জুনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) অন্তর্ভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলো সৌদি আরব থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে।

মক্কায় হামলাকে ‘মহাপাপ’ বললেন মসজিদে নববী ও আল-হারামের ইমাম

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
মক্কায় হামলাকে ‘মহাপাপ’ বললেন মসজিদে নববী ও আল-হারামের ইমাম
মসজিদে নববী ও আল-হারামের ইমাম।

মক্কাকে লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণকে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যের ওপর আঘাত এবং একটি ‘মহাপাপ’ বলে অভিহিত করেছেন দুই পবিত্র মসজিদের ইমামগণ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সৌদি গেজেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

মক্কার মসজিদ আল-হারামের ইমাম ও খতিব শেখ বান্দার বালিলা শুক্রবারের খুতবায় জানান, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও নির্দোষ মানুষের জীবন রক্ষা করা একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা। তিনি বলেন, আল্লাহর ঘর ও নবীর মসজিদকে লক্ষ্য বস্তু বানানোর স্পর্ধা যাদের রয়েছে, ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ধ্বংসাত্মক কাজ ঢাকতে হুথিরা ধর্মীয় স্লোগানকে ব্যবহার করছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

অন্যদিকে মদিনার মসজিদে নববীর ইমাম শেখ আবদুল মহসিন আল-কাসিম বলেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা হুথিদের এই আক্রমণগুলো তাদের সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিকতারই অংশ। এই হামলাগুলো নিরপরাধ মুসলিমদের রক্তপাত ঘটানো এবং শান্তিতে থাকা মানুষকে আতঙ্কিত করার অপচেষ্টা মাত্র।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই মক্কার দক্ষিণে একটি হুথি ড্রোন চিহ্নিত করে ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তাকারী সামরিক জোট জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ছটা ৫০ মিনিটে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি হুথিদের দ্বিতীয় আক্রমণ ছিল।

শেখ বালিলা আরও বলেন, এসব হামলা সৌদি আরবের নেতৃত্ব ও জনগণের ঐক্যকে কেবল শক্তিশালীই করবে এবং দেশটি চিরকাল মুসলিমদের কিবলা হিসেবে অটুট থাকবে।

রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আরামকোর ট্যাংকে আগুন

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আরামকোর ট্যাংকে আগুন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর একটি জ্বালানি ট্যাংকে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। শহরের বাসিন্দারা প্রথমে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন। এর কিছুক্ষণ পরই ট্যাংকে আগুন ধরতে দেখা যায়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রিয়াদ থেকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি নিজের চোখে আরামকোর ওই জ্বালানি ট্যাংকে আগুন দেখেছেন। স্থানীয়রাও একই কথা বলছেন। তবে কী কারণে আগুন লাগল, সে বিষয়ে আরামকো বা সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু নিশ্চিত করেনি।

এএফপির ওই প্রতিনিধি আরও জানান, আরামকোর লোগোসংবলিত পুড়ে যাওয়া ট্যাংকটির আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

এর আগে বিমানবন্দরের কাছে মনুষ্যবিহীন ড্রোন আঘাত হানার কথা জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সেই হামলার পর আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়। ফলে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অনেক ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে।

বিমান ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। ওয়েবসাইটটি বিমানবন্দরটিকে ফ্লাইট ডিসরাপশন ইনডেক্সে ৫.০-এ রেখেছে, যার মানে ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও বিমানবন্দরের আশপাশ থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন।

রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে উড়ছে ধোঁয়া, বাতিল ও বিলম্ব বহু ফ্লাইট

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে উড়ছে ধোঁয়া, বাতিল ও বিলম্ব বহু ফ্লাইট

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা।

এর জেরে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক বিমান চলাচল। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরটি থেকে বহু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইটের সূচি।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার ২৪ জানিয়েছে, বিমানবন্দরে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তারা তাদের ডিসরাপশন ইনডেক্সে এটিকে ৫.০ তে রেখেছে। অর্থাৎ ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের মাত্রা অনেক বেশি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের দিক থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি ও আগুন দেখা গেছে। এক বাসিন্দা এএফপিকে বলেন, বিমানবন্দরের দিকে আমরা কালো ধোঁয়া আর আগুন দেখতে পাচ্ছি।

এর আগে সৌদি আরব বিমান হামলার সতর্কতা জারি করেছিল। তার পরপরই রিয়াদ বিমানবন্দরে এই সমস্যা শুরু হয়। গত দুই সপ্তাহ ধরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত চলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন

রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আরামকোর ট্যাংকে আগুন

ইরানে জনসমাবেশ: দেশরক্ষায় অস্ত্র হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত ৬ লাখ ইরানি

এআইয়ের ভুলে চীনের সঙ্গে প্রায় যুদ্ধে জড়াতে যাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র: সিএনএন

ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের তীব্র সংঘর্ষ: ২৪ ঘণ্টায় ২৬টি বিমান হামলা

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের তীব্র সংঘর্ষ: ২৪ ঘণ্টায় ২৬টি বিমান হামলা

ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ২৬টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এএফপি বার্তা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের উত্তেজনার মধ্যেই দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।

আল জাজিরার বরাত দিয়ে শুক্রবার হুথি গোষ্ঠী দাবি করেছে যে, শুধু গত এক সপ্তাহেই তাদের নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডে সৌদি বিমান হামলার সংখ্যা ৩০০টিতে পৌঁছেছে।

এদিকে, সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে, তায়েজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ জেলায় সংঘর্ষের সময় তাদের বাহিনী ৩০ জন হুথি বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে এবং ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছে। এই সপ্তাহেই যেসব ফ্রন্টে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে, তার মধ্যে আল-ওয়াজিয়াহ অন্যতম। সরকারি সামরিক বাহিনী ও হুথি যোদ্ধাদের মধ্যকার এই সংঘাত ইয়েমেনজুড়ে আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে।

ইয়েমেনের লোহিত সাগরের উপকূলের বড় একটি অংশ এবং কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালী হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর, শুক্রবার রাজধানী সানার রাজপথে হাজার হাজার মানুষ ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিদের সমর্থনে এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেয়।

এর আগে, চলতি সপ্তাহে উভয় পক্ষের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেন সরকার ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ে তিন শিশুসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সৌদি আরব জানিয়েছে, একটি হুথি ড্রোন ভূপাতিত করার পর তায়েফ গভর্নরেটে একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে হুথি-সংযুক্ত গণমাধ্যমগুলো তায়েজ এবং আব্স শহরে সৌদি হামলায় হতাহতের খবর জানিয়েছে।

এই সংঘাত অনিচ্ছাসত্ত্বেও ওয়াশিংটনকে জড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের সাথে ওমানের রাজধানী মাস্কাটে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হুথি প্রতিনিধিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক হয়, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করিডোর।

হুথিরা ওয়াশিংটনকে আশ্বস্ত করেছে যে, সৌদি আরবের সাথে যুক্ত নয় এমন জাহাজগুলোকে তারা লক্ষ্যবস্তু করবে না। সৌদি আরব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুথিদের ওপর হামলা চালানোর আহ্বান জানালেও, ইরানের সাথে ব্যয়বহুল সংঘাতে জড়িয়ে থাকায় ওয়াশিংটন নতুন কোনো ফ্রন্ট খুলতে সতর্ক থেকে এ পর্যন্ত তা থেকে বিরত রয়েছে।

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস শুক্রবার রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, অঞ্চলের পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় ইইউ-এর লোহিত সাগরভিত্তিক নৌ মিশন ‘অপারেশন অ্যাসপাইডস’-এর সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কাজা কালাস এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, সৌদি আরবের ওপর হুথি হামলা অগ্রহণযোগ্য এবং তা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ব্যাহত করছে।

তিনি আরও জানান, ইয়েমেনে লড়াইয়ের অবসান এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে তিনি সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সাথে কথা বলেছেন।