১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হুথিদের ঠেকাতে সৌদিকে গোয়েন্দা ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
হুথিদের ঠেকাতে সৌদিকে গোয়েন্দা ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইরান-সমর্থিত হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা গত এক সপ্তাহে নতুন মাত্রা পেয়েছে। হুথিদের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে হুথি যোদ্ধারা। এতে রিয়াদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ার পর সৌদি আরব তাদের জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ বাব আল-মান্দেব নৌপথ দিয়ে রপ্তানি করছিল। ফলে হুথিদের হাতে এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ার দাবি সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তা চেয়ে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে ট্রাম্প তাকে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে এই মুহূর্তে সরাসরি সামরিক অভিযান পরিচালনার অবস্থানে নেই যুক্তরাষ্ট্র। তবে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন সহযোগিতা করবে।

এদিকে মার্কিন সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রিয়াদ সফর করেছে। সেখানে সৌদি সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হুথি পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, এই মুহূর্তে ইরান ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেই তাদের প্রধান মনোযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ ও অবাধ চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সৌদি আরব ও ইয়েমেনে যত দ্রুত সম্ভব স্থিতিশীল পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।

সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যকার সংঘাতের শুরু ২০১৪ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সময়। পরের বছর হুথি যোদ্ধারা রাজধানী সানা দখল করে নিলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বু মনসুর হাদি সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। এরপর হাদি সরকারের সমর্থনে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় অর্ধেক এলাকা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশটির অবশিষ্ট অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সৌদি-সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের হাতে। এই সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।

২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও তা স্থায়ী হয়নি। গত জুলাইয়ে সানার বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যকার সম্পর্ক আবারও অবনতির দিকে যায়। সাম্প্রতিক ঘটনাবলি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

হুথিদের ঠেকাতে সৌদিকে গোয়েন্দা ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
হুথিদের ঠেকাতে সৌদিকে গোয়েন্দা ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু শনাক্তে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইরান-সমর্থিত হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা গত এক সপ্তাহে নতুন মাত্রা পেয়েছে। হুথিদের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে হুথি যোদ্ধারা। এতে রিয়াদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ার পর সৌদি আরব তাদের জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ বাব আল-মান্দেব নৌপথ দিয়ে রপ্তানি করছিল। ফলে হুথিদের হাতে এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ার দাবি সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তা চেয়ে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে ট্রাম্প তাকে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে এই মুহূর্তে সরাসরি সামরিক অভিযান পরিচালনার অবস্থানে নেই যুক্তরাষ্ট্র। তবে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন সহযোগিতা করবে।

এদিকে মার্কিন সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রিয়াদ সফর করেছে। সেখানে সৌদি সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হুথি পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, এই মুহূর্তে ইরান ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরেই তাদের প্রধান মনোযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ ও অবাধ চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সৌদি আরব ও ইয়েমেনে যত দ্রুত সম্ভব স্থিতিশীল পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।

সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যকার সংঘাতের শুরু ২০১৪ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সময়। পরের বছর হুথি যোদ্ধারা রাজধানী সানা দখল করে নিলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বু মনসুর হাদি সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। এরপর হাদি সরকারের সমর্থনে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় অর্ধেক এলাকা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশটির অবশিষ্ট অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সৌদি-সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের হাতে। এই সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।

২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও তা স্থায়ী হয়নি। গত জুলাইয়ে সানার বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যকার সম্পর্ক আবারও অবনতির দিকে যায়। সাম্প্রতিক ঘটনাবলি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সৌদিতে হুতিদের হামলায় মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ২

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
সৌদিতে হুতিদের হামলায় মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ২

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাজান এলাকায় ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের নিক্ষিপ্ত প্রজেক্টাইলের আঘাতে একটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত দুজন।

সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের বরাতে আল জাজিরা জানায়, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাজানের আল-তুওয়াল গভর্নরেটে এ হামলা চালানো হয়। প্রজেক্টাইলের আঘাতে মসজিদের পাশাপাশি বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সৌদি সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র বেসামরিক এলাকায় এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।

তবে হুতিদের দাবি, তাদের আক্রমণের নিশানা ছিল নাজরান প্রদেশের শারুরায় অবস্থিত একটি সৌদি সামরিক ঘাঁটি। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক সংঘাতের জের ধরে সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় আবহা, খামিস মুশাইত ও নাজরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়েছে গোষ্ঠীটি।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় প্রায় চার বছর তুলনামূলক শান্ত থাকার পর গত জুলাইয়ে ইয়েমেনে আবারও সংঘাত তীব্র রূপ নেয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ে ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ঘরবাড়ি হারা হয়েছেন হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক।

ইয়েমেনের কারাগারে সৌদি জোটের বিমান হামলা: শিশুসহ ৭ জন নিহত

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
ইয়েমেনের কারাগারে সৌদি জোটের বিমান হামলা: শিশুসহ ৭ জন নিহত

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় আল-হাজম শহরের একটি কারাগারে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। এই হামলায় এক শিশুসহ অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।

হুথি নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসবাহি জানান, সোমবার আল-জাওফ প্রদেশের ‘সেন্ট্রাল কারেকটিভ ফ্যাসিলিটি’ নামে ওই কারাগারে হামলা চালানো হয়। হামলায় এক নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।

হুথি নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেল আল মাসিরাহ হামলার পরের কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে একটি ভবন ধসে পড়তে এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লোকজনকে উদ্ধারকাজ চালাতে দেখা যায় বলে চ্যানেলটি দাবি করেছে।

তবে সৌদি আরব এ অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আল মাসিরাহ টিভি আরও কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, ইয়েমেনের হাদরামাউত প্রদেশের একটি সীমান্ত ক্রসিংয়ে সৌদি সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী সরবরাহ ট্রাকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে হুথি বাহিনী।

হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি অভিযোগ করে বলেন, আল-জাওফে সৌদি আরব ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে, নজরদারি ড্রোন উড়াচ্ছে এবং ভাড়াটে যোদ্ধাদের অস্ত্র সরবরাহ করছে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে হামলার জন্য শাস্তি দেওয়া হবে এবং এর পরিণতি সৌদি আরবকেই বহন করতে হবে।’

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবের চারটি নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে হুথিরা। এর মধ্যে একটি সিএইচ-৪ ড্রোন ছিল বলে জানান ইয়াহিয়া সারি।

তার দাবি, ড্রোনটি আল-জাওফে ‘শত্রুতামূলক অভিযান’ চালাচ্ছিল। গত ১২ ঘণ্টায় এ ধরনের দ্বিতীয় এবং গত ২৪ ঘণ্টায় চতুর্থ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগেরও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি রিয়াদ।

আরও পড়ুন

সৌদি আরবে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সৌদি আরবে রেড অ্যালার্ট জারি

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সৌদি আরবে রেড অ্যালার্ট জারি

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
বৈরী আবহাওয়ার কারণে সৌদি আরবে রেড অ্যালার্ট জারি

সৌদি আরবের বিভিন্ন অংশে বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাস থাকায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। আগামী শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এই আবহাওয়া-সংক্রান্ত সতর্কবার্তা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)।

এনসিএম-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাজান, আসির, আল বাহা এবং মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে টানা বজ্রঝড় এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

জাজান এবং আসিরের কিছু অংশে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নাজরানের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

জাজান প্রদেশের আল রাইত, হারুব, আল দাইর, আল হাইদাবি, ফাইফা, আল আরিদাহ, আল হারিস, আল তুওয়াল, আল দারব, বাইশ, সাবিয়া, দামাদ, আবু আরিশ, আহাদ আল মাসারিহাহ এবং সামতাহ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া জাজান শহর এবং ফরাসান দ্বীপপুঞ্জেও থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আসির প্রদেশের আভা, খামিস মুশাইত, আহাদ রুফাইদাহ, সারাত উবাইদাহ, আল হারজাহ, দাহরান আল জানুব, আল নামাস, আল ফারশাহ, তানোমাহ, রিজাল আলমা, বারিক, মাহায়িল আসির, আল মাজারদাহ এবং বলকারন এলাকায়ও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

এই বৈরী আবহাওয়ার সঙ্গে বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি এবং নিম্নাঞ্চল ও উপত্যকাগুলোতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল বা জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে।

ভারী বৃষ্টিপাতের সময় উপদ্রুত এলাকার বাসিন্দা এবং গাড়িচালকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আবহাওয়ার সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা এবং উপত্যকা ও বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
সৌদি আরবে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে রিয়াদস্থ মার্কিন দূতাবাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে ওই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিবেশ অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে এবং যেকোনো সময় অপ্রত্যাশিতভাবে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ অবস্থায় সৌদি আরবসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং যাতায়াত ব্যবস্থায় যেকোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে প্রতিনিয়ত সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

কুয়েতে শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ, হামলা চালাল ইরান