২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে বোয়িংয়ের সঙ্গে কয়েক শ কোটি ডলারের উড়োজাহাজ চুক্তির সম্ভাবনা

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে বোয়িংয়ের সঙ্গে কয়েক শ কোটি ডলারের উড়োজাহাজ চুক্তির সম্ভাবনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন নিউইয়র্ক সফরের সময় বোয়িংয়ের সঙ্গে কয়েক শ কোটি ডলারের উড়োজাহাজ ক্রয়সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

প্রত্যাশা অনুযায়ী আলোচনা শেষ হলে আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে চুক্তিটি সই হতে পারে। উড়োজাহাজগুলোর ধরন, মোট মূল্য, অর্থায়নের কাঠামো ও সরবরাহের সময়সূচিসহ বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

গত এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য বোয়িংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে। ওই চুক্তির মূল্য ৩৭০ কোটি ডলার বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র টাইমসকে জানিয়েছে, অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে শুরু হয়েছিল। সূত্রটি বলেছে, ‘আশা করছি, নিউইয়র্কে চূড়ান্ত চুক্তি সই হবে।’

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডন নেলসন আগামী সপ্তাহে চুক্তিতে সই করতে পারেন।

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর গত ৩০ আগস্ট জানান, বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন এ প্রতিশ্রুতি ২০২৬ সালের এপ্রিলে বিমানের ৩৭০ কোটি ডলারে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির ধারাবাহিকতা।

বিমানের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি টার্বোপ্রপ, চারটি বোয়িং ৭৭৭, চারটি ৭৮৭-৮, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ।

চুক্তিগুলো সম্পন্ন হলে এটি হবে বিমানের ইতিহাসে বহরের সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ।

জাতিসংঘ অধিবেশনে ব্যস্ত সূচি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে তারেক রহমানের সোমবার ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি নিউইয়র্কে চার রাত অবস্থান করে ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরতে পারেন।

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ভাষণে তিনি বহুপক্ষীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি তার সরকারের লক্ষ্য, অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো উপস্থাপন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি অঞ্চলজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

সেখানে বাংলাতেই ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ আয়োজিত দুটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং রোহিঙ্গা সংকট ও ধাত্রীসেবা নিয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত দুটি অনুষ্ঠানেও তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠক

বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সমন্বয় করছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন।

কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, মালদ্বীপের ভাইস-প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেসহ অন্য নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ এবং মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্কসহ অন্যদের সঙ্গেও তার বৈঠক হতে পারে।

এসব সম্ভাব্য বৈঠকের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, হাইতি, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানদের সঙ্গেও তার বৈঠক হতে পারে।

বেসরকারি খাতের সঙ্গে যোগাযোগ

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ উৎসাহিত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

এর মধ্যে মেটার চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলান, ভিওনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেপিমরগান আয়োজিত ‘ব্রেকফাস্ট মিটিং উইথ ওয়াল স্ট্রিট’-এ অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বৈঠক থাকতে পারে।

কেপিসি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান কালী প্রদীপ চৌধুরীসহ অন্যদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

সমন্বিত হামলার জন্য অস্ত্রসস্ত্র ও যুদ্ধবিমান জড়ো করছে সৌদি ও মিত্ররা

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
সমন্বিত হামলার জন্য অস্ত্রসস্ত্র ও যুদ্ধবিমান জড়ো করছে সৌদি ও মিত্ররা

সৌদি আরবে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে তাদের ওপর বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আঞ্চলিক দেশগুলো। সৌদি ও তার মিত্ররা সমন্বিত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের জ্যেষ্ঠ গবেষক নওয়াফ ওবায়েদ আজ রোববার এসব কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, আঞ্চলিক সামরিক জোট হুথিদের হুমকির বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে এবং হুথিরা যা করছে তার সঠিক জবাব কীভাবে দেওয়া যায় সেটির পরিকল্পনা করছে। হুথিদের বিরুদ্ধে জবাব আসছে। এই জবাব হবে বিশাল। হামলা হবে একসঙ্গে— স্থলে, সমুদ্রে এবং আকাশে।

এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, দেশগুলো ইতিমধ্যে সৌদি আরবে তাদের অস্ত্রসস্ত্র জড়ো করা শুরু করেছে এবং লোহিত সাগরে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। এর মধ্যে তুরস্ক অন্যতম অংশগ্রহণকারী দেশ। এছাড়া সীমিতভাবে মিসরও এতে যুক্ত হতে পারে। এছাড়া সৌদি ও ইয়েমের সীমান্তে বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

নওয়াফ ওবায়েদ বলেছেন, সাধারণ দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরব একা। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। অদক্ষ চোখে যদি আপনি দেখেন তাহলে মনে হবে সৌদি একা। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে আসলে কী হচ্ছে, আপনি যদি গভীরভাবে দেখেন, তাহলে ভিন্ন চিত্র দেখতে পারবেন।

আর হুথিদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতিতে সময় নেওয়া হচ্ছে, কারণ এত তীব্রতর অভিযানের ক্ষেত্রে, যেখানে একাধিক বাহিনী অংশ নেবে, সেটি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই ধীরেসুস্থে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

ইউরোপের ক্রেতাদের অক্টোবরে ‘তেল দেবে না’ সৌদি আরামকো

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
ইউরোপের ক্রেতাদের অক্টোবরে ‘তেল দেবে না’ সৌদি আরামকো

লোহিত সাগরে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল পাইপলাইনে হামলার পর ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারকে অক্টোবর মাসে কোনো অপরিশোধিত তেল না দেওয়ার কথা জানিয়েছে সৌদি আরামকো।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান।

ইউরোপের ক্রেতারা সাধারণত সৌদি আরব থেকে তেল কেনে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়। এসব চুক্তিতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকে।

তবে আগামী মাসে সেই সরবরাহ রিফাইনাররা পাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্য, এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের সব ক্রেতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

তবে এ বিষয়ে ব্লুমবার্গের মন্তব্যের অনুরোধে সৌদি আরামকো তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

গত সপ্তাহে হুতিদের ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

বিষয়টি সঙ্গে অবগত এক ব্যক্তির বরাতে ব্লুমবার্গ বলছে, কয়েক দিনের মধ্যে পাইপলাইনটির আংশিক কার্যক্রম আবার শুরু হতে পারে। তবে পুরোপুরি চালু হতে সময় লাগতে পারে ছয় সপ্তাহ।

ইউরোপের তেল শোধনাগারগুলো সাধারণত মিশরের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর সিদি কেরির থেকে সৌদি অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ করে। ওই বন্দরটি একটি পাইপলাইনের মাধ্যমে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সৌদি আরামকোর কিছু ক্রেতার মধ্যে বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা দেখা যায়।

পোল্যান্ডের জ্বালানি কোম্পানি ওরলেন গত শুক্রবারের পর থেকে বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের জন্য দশটির বেশি দরপত্র ডেকেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের মাসিক অয়েল মার্কেট রিপোর্টে জানিয়েছে, জুনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) অন্তর্ভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলো সৌদি আরব থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে।

মক্কায় হামলাকে ‘মহাপাপ’ বললেন মসজিদে নববী ও আল-হারামের ইমাম

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
মক্কায় হামলাকে ‘মহাপাপ’ বললেন মসজিদে নববী ও আল-হারামের ইমাম
মসজিদে নববী ও আল-হারামের ইমাম।

মক্কাকে লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণকে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যের ওপর আঘাত এবং একটি ‘মহাপাপ’ বলে অভিহিত করেছেন দুই পবিত্র মসজিদের ইমামগণ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সৌদি গেজেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

মক্কার মসজিদ আল-হারামের ইমাম ও খতিব শেখ বান্দার বালিলা শুক্রবারের খুতবায় জানান, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা ও নির্দোষ মানুষের জীবন রক্ষা করা একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা। তিনি বলেন, আল্লাহর ঘর ও নবীর মসজিদকে লক্ষ্য বস্তু বানানোর স্পর্ধা যাদের রয়েছে, ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ধ্বংসাত্মক কাজ ঢাকতে হুথিরা ধর্মীয় স্লোগানকে ব্যবহার করছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

অন্যদিকে মদিনার মসজিদে নববীর ইমাম শেখ আবদুল মহসিন আল-কাসিম বলেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা হুথিদের এই আক্রমণগুলো তাদের সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিকতারই অংশ। এই হামলাগুলো নিরপরাধ মুসলিমদের রক্তপাত ঘটানো এবং শান্তিতে থাকা মানুষকে আতঙ্কিত করার অপচেষ্টা মাত্র।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই মক্কার দক্ষিণে একটি হুথি ড্রোন চিহ্নিত করে ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তাকারী সামরিক জোট জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ছটা ৫০ মিনিটে ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি হুথিদের দ্বিতীয় আক্রমণ ছিল।

শেখ বালিলা আরও বলেন, এসব হামলা সৌদি আরবের নেতৃত্ব ও জনগণের ঐক্যকে কেবল শক্তিশালীই করবে এবং দেশটি চিরকাল মুসলিমদের কিবলা হিসেবে অটুট থাকবে।

রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আরামকোর ট্যাংকে আগুন

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আরামকোর ট্যাংকে আগুন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর একটি জ্বালানি ট্যাংকে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। শহরের বাসিন্দারা প্রথমে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন। এর কিছুক্ষণ পরই ট্যাংকে আগুন ধরতে দেখা যায়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রিয়াদ থেকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি নিজের চোখে আরামকোর ওই জ্বালানি ট্যাংকে আগুন দেখেছেন। স্থানীয়রাও একই কথা বলছেন। তবে কী কারণে আগুন লাগল, সে বিষয়ে আরামকো বা সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু নিশ্চিত করেনি।

এএফপির ওই প্রতিনিধি আরও জানান, আরামকোর লোগোসংবলিত পুড়ে যাওয়া ট্যাংকটির আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

এর আগে বিমানবন্দরের কাছে মনুষ্যবিহীন ড্রোন আঘাত হানার কথা জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সেই হামলার পর আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়। ফলে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অনেক ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে।

বিমান ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। ওয়েবসাইটটি বিমানবন্দরটিকে ফ্লাইট ডিসরাপশন ইনডেক্সে ৫.০-এ রেখেছে, যার মানে ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও বিমানবন্দরের আশপাশ থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন।

রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে উড়ছে ধোঁয়া, বাতিল ও বিলম্ব বহু ফ্লাইট

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে উড়ছে ধোঁয়া, বাতিল ও বিলম্ব বহু ফ্লাইট

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা।

এর জেরে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক বিমান চলাচল। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরটি থেকে বহু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইটের সূচি।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার ২৪ জানিয়েছে, বিমানবন্দরে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তারা তাদের ডিসরাপশন ইনডেক্সে এটিকে ৫.০ তে রেখেছে। অর্থাৎ ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের মাত্রা অনেক বেশি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের দিক থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি ও আগুন দেখা গেছে। এক বাসিন্দা এএফপিকে বলেন, বিমানবন্দরের দিকে আমরা কালো ধোঁয়া আর আগুন দেখতে পাচ্ছি।

এর আগে সৌদি আরব বিমান হামলার সতর্কতা জারি করেছিল। তার পরপরই রিয়াদ বিমানবন্দরে এই সমস্যা শুরু হয়। গত দুই সপ্তাহ ধরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত চলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন

রিয়াদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আরামকোর ট্যাংকে আগুন

ইরানে জনসমাবেশ: দেশরক্ষায় অস্ত্র হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত ৬ লাখ ইরানি

এআইয়ের ভুলে চীনের সঙ্গে প্রায় যুদ্ধে জড়াতে যাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র: সিএনএন