২৫ জুলাই ২০২৬

তৃতীয় বিয়ের খবর নিশ্চিত করলেন আমির খান

প্রকাশ: শনিবার, জুন ০৬, ২০২৬
তৃতীয় বিয়ের খবর নিশ্চিত করলেন আমির খান

তৃতীয় বিয়ের খবর নিয়ে গতকাল থেকেই তুমুল আলোচনায় ছিলেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান। ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৫ জুলাই প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি। একদিন পর সেই খবরে সিলমোহর দিলেন অভিনেতা। জানালেন, গৌরী স্প্র্যাটকে আগামী ৫ জুলাই বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি।

ভারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘আমি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে আছি। বিয়ের খবরটি সত্যি। আগামী ৫ জুলাই আমাদের বিয়ে হবে।’

জানা গেছে, পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে একান্ত ব্যক্তিগত আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে এই বিয়ে। আমিরের তৃতীয় বিয়ের খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা।

গত বছর নিজের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো গৌরী স্প্র্যাটকে পরিচয় করিয়ে দেন আমির খান। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁদের পরিচয় নতুন নয়। প্রায় ২৫ বছর আগে প্রথম পরিচয় হয়েছিল। দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও প্রায় দেড় বছর আগে আবার তাঁদের যোগাযোগ শুরু হয়। সেই বন্ধুত্বই ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

গৌরী স্প্র্যাটের বেড়ে ওঠা মূলত বেঙ্গালুরুতেই। তার মা রিটা স্প্র্যাট শহরের পরিচিত এক সেলুন ব্যবসায়ী ছিলেন। গৌরীর শিক্ষাজীবনের একটি অংশ কেটেছে ব্লু মাউন্টেন স্কুলে। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব আর্টস লন্ডন থেকে ফ্যাশন স্টাইলিং ও ফটোগ্রাফি বিষয়ে পড়াশোনা করেন। গৌরী স্প্র্যাট এর আগে বিয়ে করেছিলেন।সেই সংসারের সাত বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির খান জানান, গৌরী তার জীবনে আসার পর তিনি মানসিকভাবে অনেক শান্তি খুঁজে পেয়েছেন।

অভিনেতা বলেন, ‘আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি যে গৌরীর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে। তার সঙ্গে থাকলে আমি অনেক শান্তি অনুভব করি। কিরণ ও রীনার সঙ্গেও আমার গভীর সম্পর্ক ছিল, কিন্তু সেগুলো শেষ পর্যন্ত টেকেনি। গৌরী আমার জীবনে আসায় আমি নিজেকে আশীর্বাদপুষ্ট মনে করি। আমরা একসঙ্গে খুব ভালো আছি।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে শৈশবের বন্ধু রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির খান। ১৬ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় তাদের। তাদের সংসারে জন্ম নেয় ছেলে জুনাইদ খান এবং মেয়ে ইরা খান।

এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। ‘লগান’ সিনেমা শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় হয়েছিল। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও ছেলে আজাদের দায়িত্ব এখনও যৌথভাবেই পালন করছেন তারা।

তারকাদের পাশে পেয়ে গতিশীল ভারতের জেনজি আন্দোলন

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬
তারকাদের পাশে পেয়ে গতিশীল ভারতের জেনজি আন্দোলন

ভারতে দিল্লির রাজপথে প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এর আগে পাশে পেয়েছেন শাবানা আজমী, প্রকাশ রাজসহ জনপ্রিয় সব বলিউড তারকাকে। যত সময় গাড়াচ্ছে, আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন বর্ষীয়ান তারকারা।

নাসিরুদ্দিন শাহ, সালমান খান, প্রীতি জিনতাসহ জনপ্রিয় সব তারকাকে পাশে পেয়ে আন্দোলন বেগবান হচ্ছে। অন্যদিকে জেনজিদের দল ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থনে মুখ না খোলায় সামাজিকমাধ্যমে সমালোচনার শিকার হচ্ছেন অনেক তারকা। বলিউডের বিখ্যাত খান, কাপুর ও বচ্চন পরিবারের সদস্যরা আন্দোলন নিয়ে চুপ থাকায় কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন। তবে সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সালমান খান। শাহরুখ-আমির থেকে অমিতাভ কিংবা কাপুর পরিবারের সদস্যরা যখন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে একেবারে চুপ, তখন নিজের ছাত্রজীবনের ছবি দিয়ে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ালেন ‘ভাইজান’, যা দেখে অনুরাগীরা বলছেন, ‘টাইগার আভি জিন্দা হ্যায়’।

গত বুধবার গভীর রাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে কলম ধরেন সালমান। সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের ছাত্রজীবনের সাদা-কালো একটি ছবি শেয়ার করে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেমন সহিংস রূপ নিল, সেটা সত্যিই দুঃখজনক! যারা আহত হয়েছেন, সেসব শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি রইল। প্রশ্নপত্র ফাঁস আদতেই শিক্ষাব্যবস্থার এক গুরুতর সমস্যা। তবে আমাকে এটা আনন্দ দিচ্ছে যে, উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা একজোট হয়েছে এবং তাদের অভিভাবকরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ওরা দৃঢ় কণ্ঠে যে অবস্থান নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

শুধু তা-ই নয়, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েও কিন্তু সতর্কবাণী দিয়েছেন সালমান। বলিউডের এই সুপারস্টারের ভাষ্য, ‘এ আন্দোলন মূলত শিক্ষার্থী ও দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যকার একটি বিষয়, তাই এ আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। এর কৃতিত্ব শুধু শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য। আমার বিশ্বাস, সরকারও তাদের পূর্ণ সহায়তা করবে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে। আখেরে এটা সবার জন্যই ফলপ্রসূ হবে। ইতিবাচক ফলের আশাই রাখছি আমি। যারা শিক্ষিত হতে চায়, সৃষ্টিকর্তা তাদের সবার মঙ্গল করুন।’

জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা উদ্বেগ প্রকাশের পর তোপের মুখে পড়েন। তবে সেটার বিপরীতে তিনি পুনরায় আরো স্পষ্ট প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রীতি তার পোস্টে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমর্থন করা এবং শিক্ষার সংস্কার দাবি করা অত্যন্ত জরুরি, যা তরুণদের ভবিষ্যতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যেন কোনো দেশবিরোধী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। অনলাইনে এত ঘৃণা ও বিভাজন দেখে আমার মনে প্রশ্ন জাগছে—দেশের ভেতরের ও বাইরের কিছু অপশক্তি কি আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও হতাশাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে কাজ করা শুরু করেছে?’

অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিও বার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশ পরিচালনাকারীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনায় জড়িত দিল্লির পুলিশদের ‘গুণ্ডা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। তাদের তুলনা করেছেন একটি বিদেশি সংস্থার এজেন্টের সঙ্গেও। পাশাপাশি আশা না ছেড়ে শিক্ষার্থীদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।

ভারতীয় শিল্পী অরিজিৎ সিং সরকারের মন্ত্রী ও দলের নেতারা নিজেদের ভগবান ভাবছেন কী না, সে প্রশ্ন তুলেছেন। অরিজিৎ এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আরে, এখন তো আপনারা শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছেন! আপনারা এতটুকুও লজ্জিত নন? এই যে নেতা-মন্ত্রীরা, নিজেদের কি ভগবান মনে করছেন? সব মনে থাকবে। মনে রাখবেন, পরিবর্তনই হলো একমাত্র নিয়ম।’

পুলিশের হামলার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে অভিনেতা রাজকুমার রাও এক লিখিত বার্তায় বলেন, ‘তরুণরা যখন নিজেদের অবহেলিত মনে করে, তখন সমাজ ও রাষ্ট্রের উচিত তাদের কথা শোনা। প্রতিটি কণ্ঠস্বরের সম্মান, ন্যায্যতা ও মর্যাদার সঙ্গে শোনার অধিকার রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে কথা বলা আমাদের আসল শক্তি। সহিংসতা কেবল কষ্ট বাড়ায়, যেকোনো সঠিক সমাধান থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে দেয়।’

জনপ্রিয় র‍্যাপার হানি সিং এক বার্তায় লিখেছেন, ‘আমাদের দেশের তরুণরা অমর।’ বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নেহা কক্কর সম্প্রতি ‘জাস্টিস ফর স্টুডেন্টস’ লেখা একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে আমি আছি। আমি তোমাদের সমর্থন করি এবং তোমাদের শক্তির জন্য প্রার্থনা করি। তোমাদের স্বপ্নগুলোর গুরুত্ব অনেক। শক্ত থেকো।’

‘ধুরন্ধর’ খ্যাত অভিনেত্রী আয়েশা খান গিয়েছেন মুম্বাইয়ের দাদারে। সেখানেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছিল। কিন্তু বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার পরই পুলিশের হাতে আটক হন অভিনেত্রী। তবে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করছে দেশটির জেনজিদের নিয়ে গঠিত ককরোজ জনতা পার্টি। আন্দোলন দিনকে দিন সহিংস রূপ নিচ্ছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলের মুখে জেনজিদের আন্দোলনে বলিউড তারকাদের যোগ দেওয়াকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

বিয়ে করেছেন মিস্টার বিস্ট, লিখেছেন— 'মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি'

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬
বিয়ে করেছেন মিস্টার বিস্ট, লিখেছেন— 'মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি'

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার মিস্টার বিস্ট, যার প্রকৃত নাম জিমি ডোনাল্ডসন, দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে বিয়ে করেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের সঙ্গে সুখবরটি ভাগ করে নেন তিনি।

ছবির ক্যাপশনে মিস্টার বিস্ট লেখেন, ‘আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি, আর এটাই ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।’বড় বাজেট ও জাঁকজমকপূর্ণ ভিডিও নির্মাণের জন্য পরিচিত হলেও নিজের বিয়ের আয়োজনটি ছিল একান্ত ব্যক্তিগত। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে নিরিবিলি পরিবেশে সম্পন্ন হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

বিয়ের অনুষ্ঠানে থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড রঙের ওপর ফুল ও লেসের সূক্ষ্ম নকশায় তৈরি একটি গাউন। অন্যদিকে মিস্টার বিস্টের পরনে ছিল সাদা টাক্সেডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার এবং কালো বো-টাই।এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাগদান সম্পন্ন করেন এই যুগল।

সে সময় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিস্টার বিস্ট জানিয়েছিলেন, অনেকে ধারণা করেছিলেন তিনি হয়তো কোনো বড় অনুষ্ঠানে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। তবে তিনি চেয়েছিলেন সেই মুহূর্তটি ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ থাকুক।দক্ষিণ আফ্রিকায় এক অভিন্ন বন্ধুর মাধ্যমে জিমি ডোনাল্ডসন ও থিয়া বয়সেনের পরিচয় হয়।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) থিয়ার লেখা The Marked Children বই নিয়ে আলাপের সূত্র ধরে তাদের সম্পর্কের শুরু।সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন জিমি। তবে থিয়া এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন না করা পর্যন্ত তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেন।

বিয়ের আগে এক সাক্ষাৎকারে থিয়া বয়সেন বলেছিলেন, আমার মনে হয় আমরা মানসিকভাবে অনেক আগেই বিবাহিত। আমাদের ভবিষ্যৎ, সন্তান এবং ৭০ বছর বয়সেও একসঙ্গে থাকার স্বপ্ন নিয়ে আমরা নিয়মিত কথা বলি। এই বিয়ে আমাদের সম্পর্কের আরেকটি সুন্দর ধাপ।

শাকিব কি অপু ও বুবলি দুজনকে নিয়েই সংসার করছেন?

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬
শাকিব কি অপু ও বুবলি দুজনকে নিয়েই সংসার করছেন?

শাকিব খান কি নতুন করে অপু বিশ্বাসের সাথে সংসার করছেন? এমন প্রশ্ন এখন সিনেমাঙ্গণে ঘুরপাক খাচ্ছে। অথচ শাকিব ও অপু বিশ্বাসের সংসার প্রায় দশ বছর আগে ভেঙ্গে গেছে। সে ঘরে রয়েছে এক পুত্র সন্তান।

তারপর শাকিব বিয়ে করেন চিত্রনায়িকা বুবলিকে। এ ঘরেও এক পুত্র সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়াছাড়ি না হলেও তারা আলাদা বসবাস করছেন। তবে বুবলি নতুন করে মা হওয়ার পর জানা যায়, তাদের সন্তানের পিতা শাকিব খান। সেপারেশনে থেকেই তারা সন্তানের পিতা-মাতা হয়েছেন।

এদিকে, চলচ্চিত্রাঙ্গণে কানাঘুসা চলছে, অপু বিশ্বাসও নাকি মা হতে চলেছেন! সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে সন্তান জন্ম দিতে তিনি নাকি যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন। শাকিব খান এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। এ নিয়ে এখন নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। কারণ, বুবলি মা হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে শাকিব খানের সঙ্গে অবস্থান করেছিলেন।

শাকিব ও বুবলি দুজনেই তাদের একসঙ্গে তোলা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। এবার অপু বিশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন বলে চলচ্চিত্রাঙ্গণে জোর গুঞ্জন রয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, অপু বিশ্বাস যদি নতুন করে মা হন, তাহলে তার সন্তানের পিতা কে হবেন?

এমন প্রশ্নের উত্তরে অনেকে বলছেন, শাকিব খানই হবেন। যদি তাই হয়, তাহলে প্রশ্ন আসে, শাকিব ও অপু বিশ্বাসের মধ্যে কি নতুন করে বিয়ে হয়েছে? অনেকে মনে করেন, হতে পারে। নাহলে, অপু বিশ্বাসের সন্তানের পিতা হবে কে? কারণ, শাকিবের সাথে ডিভোর্স হওয়ার পর অপু একা জীবনযাপন করছেন।

বিয়েও করেননি কিংবা অন্য কাউকে বিয়ে করেছেন, এমন সংবাদও পাওয়া যায় না। কাজেই ধরে নেয়া যায়, শাকিব ও অপু পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এটা হলে ভালো হয়। দুই পরিবারের একটা গতি হয়।

পিতা-মাতার সান্নিধ্যে দুই পুত্রের জীবনও সুন্দর হবে। এদিকে, বহু বছর ধরেই শাকিব খানকে নিয়ে অপু ও বুবলির মধ্যে ‘টাগ অফ ওয়ার’ চলে আসছে। দুই সতীন একজন আরেকজনকে দুই চোখে দেখতে পারেন না। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ‘পোস্ট ওয়ার’ চলত। একজন আরেকজনকে খোঁচা দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করতেন।

সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়েও একে অপরের বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে তির্যক মন্তব্য করতেন। তবে এ দৃশ্য বরাবরই দেখা গেছে, শাকিব, অপু ও বুবলির সাথে আলাদাভাবে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন।

বিভিন্ন উৎসব-পার্বনে শাকিব তাদের সাথে বাসায় আলাদাভাবে সময় কাটান। সেসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টও করেন। তার ভক্তরা শাকিবের এ ভূমিকার প্রশংসাও করেন। এখন যদি শাকিব অপু বিশ্বাস ও বুবলি দুজনের সাথেই আলাদা সংসার করেন, তাহলে তা ইতিবাচক হিসেবেই দেখা উচিৎ বলে চলচ্চিত্রাঙ্গণের লোকজন মনে করেন।

কুয়েতের কণ্ঠশিল্পী বাসমার ইসলাম ত্যাগ; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
কুয়েতের কণ্ঠশিল্পী বাসমার ইসলাম ত্যাগ; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড়

পশ্চিম কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে অনেক তারকাই নানা ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে খবর শোনা যায় প্রায়ই। তবে এবার ইসলাম থেকে ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে হৈচৈ ফেলে দিলেন কুয়েতি গায়িকা বাসমা-আল-কুয়েতি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও শেয়ার করে তিনি নিজেই তার ধর্মান্তরিত হওয়ার খবরটি প্রকাশ্যে আনেন।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাসমা-আল-কুয়েতির পোস্ট করা ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘প্রথমেই সন্ত্রাস এবং ভণ্ডামির প্ররোচণায় চলতে থাকা এক ধর্ম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে পেরে খুব আনন্দবোধ করছি। আপনারা সকলেই জানেন আমার ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করার কথা। ইসলাম মেয়েদের নানা অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। তাই এই ধর্ম থেকে বের হয়ে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করছি।’

নিজের পরিবার এবং দেশের ভাবনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি আরও জানান, ‘আমার পরিবার আমাকে গ্রহণ করবে কিনা আমি জানি না। তবে এ নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। সবারই নিজের একটি চিন্তাশক্তির জায়গা রয়েছে। দেশ নিয়ে বললে, আমি এর আগেও কুয়েতের রাজতন্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে নিন্দা করেছি। এমনকি আমাদের দেশের সাথে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করার ব্যপারটিও ঘৃণার চোখে দেখি।’

প্রসঙ্গত, কুয়েতি মায়ের কাছে বড় হওয়া বাসমা জন্মসুত্রেও একজন কুয়েতের নাগরিক। কিন্তু অনেকর মতে নাগরিক হিসেবে তিনি ইরাকের জাতীয় পরিচয়পত্র বহন করেন। তবে একটি সুত্র জানিয়েছে, বাসমা বর্তমানে কুয়েত সরকারের কড়া নজরদাড়িতে রয়েছেন। তার টুইট একাউন্টসহ সবকিছুতেই খেয়াল রাখা হচ্ছে। বাসমার কারণে জনগণ বিভ্রান্ত হলে শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুয়েতের নারী কণ্ঠশিল্পী ইবতিসাম হামিদ ঘোষণা করেছেন, তিনি ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন। ইসলাম ছেড়ে দেওয়ার পেছনের কারণগুলোও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার আরটির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে মিডিল ইস্ট মনিটর।

মিডিল ইস্ট মনিটর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইবতিসাম হামিদ ‘বাসমা আল-কুয়েতি’ নামে সুপরিচিত। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিওয় তিনি বলেছেন, আমি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছি। গর্বের সঙ্গে ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরের ঘোষণা করছি।

অভিমান নিয়ে রোজিনা বললেন মরদেহ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয়

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ০৭, ২০২৬
অভিমান নিয়ে রোজিনা বললেন মরদেহ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয়

২০২৬-২৮ মেয়াদের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোজিনা। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ এই প্যানেলের বেশির ভাগ প্রার্থী বড় ব্যবধানে জয়ী হলেও পরাজিত হয়েছেন তিনি। আর এই পরাজয়ের পেছনে নিজের প্যানেলেরই ‘চক্রান্ত’ দেখছেন রোজিনা। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের এই তিক্ত অভিজ্ঞতার পর আর কখনো শিল্পী সমিতিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোজিনা। অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাব কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারব না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাব। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’

অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।

রোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’

রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তাঁর ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।

ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল।

নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’