১০ জুলাই ২০২৬

কুয়েতের কণ্ঠশিল্পী বাসমার ইসলাম ত্যাগ; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
কুয়েতের কণ্ঠশিল্পী বাসমার ইসলাম ত্যাগ; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড়

পশ্চিম কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে অনেক তারকাই নানা ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে খবর শোনা যায় প্রায়ই। তবে এবার ইসলাম থেকে ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে হৈচৈ ফেলে দিলেন কুয়েতি গায়িকা বাসমা-আল-কুয়েতি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও শেয়ার করে তিনি নিজেই তার ধর্মান্তরিত হওয়ার খবরটি প্রকাশ্যে আনেন।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাসমা-আল-কুয়েতির পোস্ট করা ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘প্রথমেই সন্ত্রাস এবং ভণ্ডামির প্ররোচণায় চলতে থাকা এক ধর্ম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে পেরে খুব আনন্দবোধ করছি। আপনারা সকলেই জানেন আমার ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করার কথা। ইসলাম মেয়েদের নানা অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। তাই এই ধর্ম থেকে বের হয়ে নিজেকে অনেক গর্বিত মনে করছি।’

নিজের পরিবার এবং দেশের ভাবনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি আরও জানান, ‘আমার পরিবার আমাকে গ্রহণ করবে কিনা আমি জানি না। তবে এ নিয়ে আমি শঙ্কিত নই। সবারই নিজের একটি চিন্তাশক্তির জায়গা রয়েছে। দেশ নিয়ে বললে, আমি এর আগেও কুয়েতের রাজতন্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে নিন্দা করেছি। এমনকি আমাদের দেশের সাথে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করার ব্যপারটিও ঘৃণার চোখে দেখি।’

প্রসঙ্গত, কুয়েতি মায়ের কাছে বড় হওয়া বাসমা জন্মসুত্রেও একজন কুয়েতের নাগরিক। কিন্তু অনেকর মতে নাগরিক হিসেবে তিনি ইরাকের জাতীয় পরিচয়পত্র বহন করেন। তবে একটি সুত্র জানিয়েছে, বাসমা বর্তমানে কুয়েত সরকারের কড়া নজরদাড়িতে রয়েছেন। তার টুইট একাউন্টসহ সবকিছুতেই খেয়াল রাখা হচ্ছে। বাসমার কারণে জনগণ বিভ্রান্ত হলে শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুয়েতের নারী কণ্ঠশিল্পী ইবতিসাম হামিদ ঘোষণা করেছেন, তিনি ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন। তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন। ইসলাম ছেড়ে দেওয়ার পেছনের কারণগুলোও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার আরটির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে মিডিল ইস্ট মনিটর।

মিডিল ইস্ট মনিটর এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইবতিসাম হামিদ ‘বাসমা আল-কুয়েতি’ নামে সুপরিচিত। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিওয় তিনি বলেছেন, আমি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছি। গর্বের সঙ্গে ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরের ঘোষণা করছি।

অভিমান নিয়ে রোজিনা বললেন মরদেহ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয়

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ০৭, ২০২৬
অভিমান নিয়ে রোজিনা বললেন মরদেহ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয়

২০২৬-২৮ মেয়াদের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোজিনা। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ এই প্যানেলের বেশির ভাগ প্রার্থী বড় ব্যবধানে জয়ী হলেও পরাজিত হয়েছেন তিনি। আর এই পরাজয়ের পেছনে নিজের প্যানেলেরই ‘চক্রান্ত’ দেখছেন রোজিনা। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের এই তিক্ত অভিজ্ঞতার পর আর কখনো শিল্পী সমিতিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোজিনা। অভিমানী কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জীবনে আর কখনো শিল্পী সমিতিতে যাব কি না, আমার জানা নেই। তবে এফডিসি থেকে যেহেতু আমার পরিচয়, সে কারণে এফডিসিকে তো ভুলতে পারব না। যদি পরিচালক কিংবা প্রযোজক সমিতিতে কোনো অনুষ্ঠান হয় কিংবা কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে আমার ডাক পড়ে; তবে অবশ্যই যাব। তা ছাড়া কখনোই আমি এফডিসিতে পা রাখব না।’

অভিমানের পারদ এতটাই আকাশচুম্বী যে মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ যেন কোনো অবস্থাতেই এফডিসিতে নিয়ে যাওয়া না হয়—পরিবারের সদস্যদের এমন কঠোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন রোজিনা। এর কারণ হিসেবে এফডিসির বর্তমান পরিবেশ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবকে দায়ী করেছেন তিনি।

রোজিনা বলেন, ‘আমার পরিবারকে অনেক আগেই বলে রেখেছি যে মৃত্যুর পর আমাকে তোমরা এফডিসিতে নেবে না। এ সিদ্ধান্ত কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট থেকে নয়। সেখানে এখন আর সেসব মানুষ নেই, যারা শিল্পীদের ন্যূনতম শ্রদ্ধা করবে। এখন সেখানে সেই সম্মান, মূল্যবোধ কিংবা শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না।’

রোজিনা জানান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তাঁর ছিল না। জয় চৌধুরীর অনুরোধ ও পীড়াপীড়িতেই তিনি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু যাদের ওপর ভরসা করেছিলেন, সেই প্যানেলই তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে।

ক্ষোভ উগরে দিয়ে এই গুণী অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আসলেই খুব মর্মাহত। এভাবে প্ল্যানিং করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার প্যানেলেও যারা ছিল, তাদের অনেকে আমাকে ভোট দেয়নি। কাকে কাকে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে, ওরা আগে থেকেই তা সিলেক্ট করে রেখেছিল।

নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য আমাকে কেবল একটা ট্রাম্পকার্ড বানিয়ে এভাবে হেয় করাটা তাদের মোটেও উচিত হয়নি।’

তিন সন্তানকে পাশে রেখে, তৃতীয় বিয়ে করলেন আমির খান

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ০৬, ২০২৬
তিন সন্তানকে পাশে রেখে, তৃতীয় বিয়ে করলেন আমির খান

বলিউড সুপারস্টার আমির খানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলা দীর্ঘ জল্পনাকল্পনার অবশেষে অবসান ঘটল। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে সম্পূর্ণ ঘরোয়া ও ছিমছাম আয়োজনে দীর্ঘদিনের প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেছেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ খ্যাত এই অভিনেতা।

কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা বা বলিউড তারকাদের উপচে পড়া ভিড় ছাড়াই কেবল দুই পরিবারের সদস্য এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাঁদের এই আইনি বিয়ে ও ছোট উদ্‌যাপন সম্পন্ন হয়।

আমির খানের মুখপাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। এই অন্তরঙ্গ ও পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমিরের তিন সন্তান—জুনায়েদ খান, ইরা খান এবং ছোট ছেলে আজাদ। এছাড়াও দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সুপারহিট সিনেমা ‘লগান’-এর পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকার এবং অভিনেত্রী এলি আব্রামকেও এই ছিমছাম অনুষ্ঠানে দেখা গেছে।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ীই বড় কোনো আয়োজনের বদলে কেবল কাছের মানুষদের নিয়ে এই নিবন্ধিত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন আমির।

আমির ও গৌরীর পরিচয়ের সূত্রপাত নতুন নয়, আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে তাঁদের প্রথম দেখা হয়েছিল। তবে তখন তাঁদের সম্পর্ক খুব একটা এগোয়নি। বহু বছর পর ২০২৪ সালে আমিরের কাজিন নুজহাত খানের মাধ্যমে বেঙ্গালুরুতে তাঁদের পুনরায় যোগাযোগ হয়, যা ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়।

শুরুতে বেঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের মধ্যে তাঁদের ‘লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ’ বা দূরত্বের সম্পর্ক থাকলেও, প্রায় এক বছর পর গৌরী তাঁর আগের সংসারের ছেলেকে নিয়ে মুম্বাইয়ে চলে আসেন এবং আমিরের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। এরপর গত বছরের (২০২৫) মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো সংবাদমাধ্যমের সামনে গৌরীকে প্রেমিকা হিসেবে প্রকাশ্যে এনেছিলেন আমির।

গৌরী স্প্র্যাট পূর্বে একটি আন্তর্জাতিক হেয়ারকেয়ার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলেও, বর্তমানে তিনি ‘আমির খান প্রোডাকশনস’-এর নানা পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। উল্লেখ্য, এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। ১৯৮৬ সালে তিনি প্রথম বিয়ে করেছিলেন রীনা দত্তকে, যাঁদের সংসারে জুনায়েদ ও ইরা জন্ম নেয়। ২০০২ সালে তাঁদের বিচ্ছেদের পর ২০০৫ সালে পরিচালক কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির।

২০১১ সালে সারোগেসির মাধ্যমে তাঁদের ছেলে আজাদের জন্ম হয়। ২০২১ সালে কিরণের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও আজও সাবেক দুই স্ত্রীর সঙ্গেই চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ ও পেশাদার সম্পর্ক বজায় রেখেছেন আমির খান। এমনকি সাবেক দুই স্ত্রী কিরণ ও রীনার সঙ্গে ‘পানি ফাউন্ডেশন’ ও প্রযোজনা সংস্থার নানা কাজে আজও একসঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এই বলিউড তারকা।

ব্রাজিলের বিদায়ে খুশি মেহজাবীন চৌধুরী

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ০৬, ২০২৬
ব্রাজিলের বিদায়ে খুশি মেহজাবীন চৌধুরী

ব্রাজিলে বিদায়ে খুশি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুুরী। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসে ব্রাজিলের হার উদযাপন করলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ১৬তে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় ব্রাজিল। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিলকে নিয়ে খোঁচা দিচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। সামাজিক মাধ্যমে তার একাধিক পোস্টের চিত্র তাই বলছে।

আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রী যুক্তরাষ্ট্রে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে সরাসরি ম্যাচটি উপভোগ করেন, এবং ব্রাজিলের পরাজয় ও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বেশ যেন আনন্দের মেজাজেই উদযাপন করেন।

ম্যাচ চলাকালীন ও ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বেশ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন মেহজাবীন চৌধুরী। গ্যালারি থেকে শেয়ার করা নিজের কিছু ছবির ক্যাপশনে তিনি রসিকতা করে লেখেন, ‘ব্রাজিলকে দু-একটা ফুটবলের টিপস দিতে এলাম। আমি কিন্তু আর্জেন্টিনা।’

লাল রঙের টপস ও সবুজ স্কার্ট পরা মেহজাবীনকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও ওড়াতেও দেখা যায়। ম্যাচ চলাকালে ভক্তদের উদ্দেশে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তোমার ফোনের চার্জ যত পার্সেন্ট মানে ব্রাজিলের হারার চান্স! কমেন্ট দ্য পার্সেন্টেজ।’

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর ব্রাজিলের বিদায় নিশ্চিত হলে গ্যালারিতে হাত উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন এই তারকা। স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় নরওয়ের জয় এবং ব্রাজিলের বিদায়ের দৃশ্যপটকে পেছনে রেখে তৈরি একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে মেহজাবীন লেখেন, ‘বাই বাই ব্রাজিল।’


প্রিয় দলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের এমন নাটকীয় বিদায়ে মেহজাবীনের এই ট্রল ও উল্লাস ভরা পোস্টগুলো সামাজিক মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলে।

প্রসঙ্গত, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে স্তব্ধ করে দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে নরওয়ে।

ন্যাড়া মাথায় অসুস্থ সালমান, চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন আমেরিকা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬
ন্যাড়া মাথায় অসুস্থ সালমান, চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন আমেরিকা

বলিউড তারকা সালমান খানের নতুন লুক ঘিরে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। সম্প্রতি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মাথা ন্যাড়া অবস্থায় দেখা যাওয়ার পর তার স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে চিকিৎসার জন্য শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার গুঞ্জনও।

সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা সুপ্রিয়া সুলের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হন সালমান খান। সেখানে অভিনেতাকে আগের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন লুকে দেখা যায়। মাথা ন্যাড়া এবং শারীরিক গঠনে পরিবর্তন নজরে আসার পর থেকেই তার স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শারীরিক কিছু জটিলতার কারণে সালমানকে নিয়মিত স্টেরয়েড নিতে হতে পারে। এর প্রভাব হিসেবে ওজন বৃদ্ধি ও চুল পড়ার মতো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। তবে এ বিষয়ে সালমান খান বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিনেতার পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। অতীতেও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

যদিও এসব গুঞ্জনের বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি সালমান, তবে কাজের ব্যস্ততায় কোনো ছেদ পড়েনি। ৬০ বছর বয়সের কাছাকাছি পৌঁছেও তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা করেন এবং নিজের অ্যাকশন দৃশ্য নিজেই করার চেষ্টা করেন।

এদিকে ২০২৬ সালের অক্টোবরে পরিচালক জুটি রাজ ও ডিকের নতুন অ্যাকশন চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন সালমান খান। এর আগে তার অভিনীত সিকান্দার সিনেমার শুটিং চলাকালে পেশির ব্যথার কারণে কয়েক মাস কাজ থেকে বিরতি নিতে হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। ফলে সালমানের স্বাস্থ্য নিয়ে চলমান আলোচনা আপাতত গুঞ্জনের পর্যায়েই রয়েছে।

সৌদি আরবে শুটিংয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
সৌদি আরবে শুটিংয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা

জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জিয়ানকার্লো এসপোসিতো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান তুর্কি আল–শেখ।

গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক পোস্টে তুর্কি আল-শেখ জানান, সৌদি আরবে একটি সিনেমার শুটিং চলাকালে এসপোসিতো মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি একটি মসজিদে প্রযোজনা দলের সদস্যদের সঙ্গে নামাজও আদায় করেন। তুর্কি আল-শেখ এ ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।

৬৮ বছর বয়সী এসপোসিতো বর্তমানে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘৭ ডগজ’–এর শুটিংয়ের সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। সিনেমাটিতে মিসরের জনপ্রিয় অভিনেতা আহমেদ ইজ ও করিম আবদেল আজিজও। এ ছাড়া এতে আরও কয়েকজন আন্তর্জাতিক তারকাও যুক্ত রয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবে অবস্থানকালে মুসলিম সম্প্রদায়ের আতিথেয়তা, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এসপোসিতোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। তিনি মুসলিমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং শুটিং চলাকালে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন।

ইতালীয় ও আফ্রো-আমেরিকান বংশোদ্ভূত জিয়ানকার্লো এসপোসিতোর অভিনয় ক্যারিয়ার দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত। মাত্র আট বছর বয়সে ব্রডওয়ের ‘ম্যাগি ফ্লিন’ মিউজিক্যালে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর যাত্রা শুরু। পরে তিনি বিখ্যাত নির্মাতা স্পাইক লির ‘ডু দ্য রাইট থিং’, ‘স্কুল ডেজ’, ‘মো বেটার ব্লুজ’ ‘ম্যালকম এক্স’ ইত্যাদি সিনেমায় অভিনয় করেন।

তবে তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি এনে দেয় ‘ব্রেকিং ব্যাড’। সেখানে তিনি গাস ফ্রিঞ্জের চরিত্রে অভিনয় করেন—একজন ভদ্র, শান্ত স্বভাবের রেস্তোরাঁমালিক, যিনি গোপনে পরিচালনা করেন বিশাল মাদকসাম্রাজ্য। টেলিভিশনের ইতিহাসে অন্যতম সেরা খলচরিত্র হিসেবে গাস বিবেচনা করা হয়।

পরবর্তী সময়ে তিনি একই চরিত্রে অভিনয় করেন ‘বেটার কল সল’ সিরিজও। এ ছাড়া তিনি ‘দ্য ম্যানডালোরিয়ান’, ‘দ্য বয়েজ’সহ আরও অনেক জনপ্রিয় প্রকল্পে অভিনয় করেছেন।