১০ জুলাই ২০২৬

স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ ট্রাম্পের

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬
স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ ট্রাম্পের

স্পেনকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ‘খুবই খারাপ অংশীদার’ বলে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। এ সময় ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

ট্রাম্প বলেন, তিনি তাঁর অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘স্পেন একটি ব্যর্থ দেশ। আমরা আর স্পেনের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য করতে চাই না। আমি স্পেনের সঙ্গে (বাণিজ্যিক) সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করতে চাই। ন্যাটোতে স্পেন খুবই খারাপ অংশীদার। তারা যথাযথভাবে অংশগ্রহণ করে না, তারা অর্থও পরিশোধ করে না। আমি স্পেনের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই রাখতে চাই না। অনুগ্রহ করে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দিন, এমনকি যাতায়াতও...তারপর দেখবেন, তারাই আবার আমাদের কাছে ফিরে আসবে।’

এদিন গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে ন্যাটোর অবস্থান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যা। আর আরেকটি বড় বিষয় হলো, একসময় আমরা তাদের বলেছিলাম, যদি তারা চায়, তাহলে তারা আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। কিন্তু তারা সবাই “না” বলেছিল।’ অবশ্য খুব জোর দিয়ে তখন বলা হয়নি বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যখন তাদের আমাদের পাশে থাকার সুযোগ ছিল, তখন তারা আমাদের পাশে ছিল না। কিন্তু আমরা সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প এদিন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ করারও ঘোষণা দেন।

স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ ট্রাম্পের

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬
স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ ট্রাম্পের

স্পেনকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ‘খুবই খারাপ অংশীদার’ বলে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। এ সময় ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

ট্রাম্প বলেন, তিনি তাঁর অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘স্পেন একটি ব্যর্থ দেশ। আমরা আর স্পেনের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য করতে চাই না। আমি স্পেনের সঙ্গে (বাণিজ্যিক) সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করতে চাই। ন্যাটোতে স্পেন খুবই খারাপ অংশীদার। তারা যথাযথভাবে অংশগ্রহণ করে না, তারা অর্থও পরিশোধ করে না। আমি স্পেনের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই রাখতে চাই না। অনুগ্রহ করে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দিন, এমনকি যাতায়াতও...তারপর দেখবেন, তারাই আবার আমাদের কাছে ফিরে আসবে।’

এদিন গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে ন্যাটোর অবস্থান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যা। আর আরেকটি বড় বিষয় হলো, একসময় আমরা তাদের বলেছিলাম, যদি তারা চায়, তাহলে তারা আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। কিন্তু তারা সবাই “না” বলেছিল।’ অবশ্য খুব জোর দিয়ে তখন বলা হয়নি বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যখন তাদের আমাদের পাশে থাকার সুযোগ ছিল, তখন তারা আমাদের পাশে ছিল না। কিন্তু আমরা সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প এদিন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ করারও ঘোষণা দেন।

হাতে কিস করতে চেয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সরিয়ে নিলেন তুর্কি ফার্স্ট লেডি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
হাতে কিস করতে চেয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সরিয়ে নিলেন তুর্কি ফার্স্ট লেডি

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের নৈশভোজের আগে লালগালিচায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ানের শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ভিডিওটি প্রকাশ করে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোয়ানের আয়োজন করা অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় ম্যাক্রোঁ তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ানের হাতে চুম্বন করতে চান। তখন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি নিজের হাত সরিয়ে নেন। এরপর দুজন স্বাভাবিকভাবেই শুভেচ্ছা বিনিময় অব্যাহত রাখেন।

এ সময় ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত ম্যাক্রোঁও ফরাসি প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ইউরোপের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার আগে ন্যাটো নেতারা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সমবেত হলে এ মুহূর্তটি ঘটে।

ইরান একটি ক্যান্সার, তাদের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা নয়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
ইরান একটি ক্যান্সার, তাদের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা নয়

ইরানের সঙ্গে আলোচনা করে কোনো সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা সময়ের অপচয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া পদক্ষেপই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। অথচ ইরান সরকার হচ্ছে একটি ক্যানসার। আর আপনারা তো জানেনই ক্যানসারের সঙ্গে কী করতে হয়, একে একদম শুরুতেই কেটে ছেঁটে ফেলে দিতে হয়।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। তার মতে, দীর্ঘ সময় ধরে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াই বেশি কার্যকর। ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাবকে তিনি সময়ক্ষেপণ হিসেবে দেখছেন বলেও জানান।

ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক অবস্থানের কারণে ইরান বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

ইরান ইস্যুতে ন্যাটো মিত্রদের ভূমিকা নিয়েও নিজের অসন্তোষের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে মিত্র দেশগুলোর অবস্থান তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা ও প্রতিশ্রুতির একটি পরীক্ষা ছিল।

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই ইরান ইস্যুতে পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে উদ্যোগের কথা বলা হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনার চেয়ে চাপ প্রয়োগের নীতিতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী কৌশল এবং ন্যাটো মিত্রদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

ইরানকে রাতারাতি শক্তিশালী করতে ২০টি সুখোই-৩৫ দিচ্ছে রাশিয়া

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ০৭, ২০২৬
ইরানকে রাতারাতি শক্তিশালী করতে ২০টি সুখোই-৩৫ দিচ্ছে রাশিয়া

ইরানের জন্য অর্ডার করা প্রথম ২০টি সুখোই-৩৫ যুদ্ধবিমানের উৎপাদন শেষ করেছে রাশিয়া। চলতি বছরের মধ্যেই এসব অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান তেহরানের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে। খবর কিয়েভ পোস্টের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিমানগুলো রাশিয়ার কোমসোমলস্ক-অন-আমুর অ্যাভিয়েশন প্ল্যান্টে তৈরি হয়েছে। বর্তমানে সেগুলো রাশিয়াতেই রয়েছে এবং চূড়ান্ত হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে।

সুখোই-৩৫ রাশিয়ার অন্যতম অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার কমব্যাট রেডিয়াসের এই ফাইটার জেট শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে প্রবেশ করে নির্ভুল হামলা চালাতে সক্ষম। পাশাপাশি অস্থায়ী বা স্বল্প দৈর্ঘ্যের রানওয়ে থেকেও উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা বাড়ায়।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এফ-৩৫-এর মতো পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান না হলেও সুখোই-৩৫ এখনো বিশ্বের অন্যতম কার্যকর ও যুদ্ধ-পরীক্ষিত ফাইটার জেট। আধুনিক আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজনের মাধ্যমে বিমানটির সক্ষমতা আরও বাড়ানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যে সুখোই-৩৫ পরিচালনার জন্য পাইলটদের প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। এ উদ্দেশ্যে আগে থেকেই রাশিয়ার তৈরি ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সুখোই-৩৫ অন্তর্ভুক্ত হলে দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো এফ-১৪, এফ-৪ ও এফ-৫ যুদ্ধবিমানের ওপর নির্ভরশীল ইরানের বিমানবাহিনীর সক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে দূরপাল্লার আকাশ অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে তেহরানের কৌশলগত শক্তি রাতারাতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, রাশিয়ার কাছে মোট ৪৮টি সুখোই-৩৫ যুদ্ধবিমানের অর্ডার দিয়েছে ইরান। ভবিষ্যতে আরও সুখোই-৩০এসএম২ এবং পঞ্চম প্রজন্মের সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়েও তেহরানের আগ্রহ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নেতানিয়াহু জানেন ‌‘বস কে’: ট্রাম্প

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
নেতানিয়াহু জানেন ‌‘বস কে’: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং নেতানিয়াহুর আসন্ন হোয়াইট হাউজ সফর নিয়ে নতুন মন্তব্য করেছেন।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আমরা খুব ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে চলি।

(নেতানিয়াহু) ভালো করেই জানেন বস কে। (এখানে বস বলতে ট্রাম্প মূলত নিজেকেই বুঝিয়েছেন।)
অ্যাক্সিওসকে ট্রাম্প আরও বলেন, নেতানিয়াহু নিজেই হোয়াইট হাউসে এই বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন এবং তুরস্কে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের পর আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন হোয়াইট হাউস সফরের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, আগামী ৭-৮ জুলাই তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন থেকে ফিরে আসার পর বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে।

তবে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা। তিনি অ্যাক্সিওসকে জানান, সফরটি এর পরের সপ্তাহে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, দুই নেতা ফোনে কথা বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত দেখা করতে সম্মত হয়েছেন।
এটি ফেব্রুয়ারির পর নেতানিয়াহুর প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর হতে যাচ্ছে। ফেব্রুয়ারির সেই সফরে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন বলে জানা যায়।