কাতারের জন্য ছিল বাঁচা-মরার ম্যাচ। বসনিয়ার জন্যও তাই। দুই দলের সামনেই ছিল বিশ্বকাপের স্বপ্নটাকে আরেকটু লম্বা করার সুযোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নের রঙ লেগেছে শুধু বসনিয়ার গায়েই।
কাতারের জন্য ছিল বাঁচা-মরার ম্যাচ। বসনিয়ার জন্যও তাই। দুই দলের সামনেই ছিল বিশ্বকাপের স্বপ্নটাকে আরেকটু লম্বা করার সুযোগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নের রঙ লেগেছে শুধু বসনিয়ার গায়েই। সিয়াটলের রাতে কাতারকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নকআউটের আশা জিইয়ে রাখল ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, বসনিয়া কোনো হিসাব-নিকাশ করতে নামেনি। তাদের লক্ষ্য কেবলই জয়ের ক্ষুধা নিবারণ করা। সেই ক্ষুধার প্রথম পুরস্কার আসে ম্যাচের ২৯ মিনিটে। কেরিম আলাইবেগোভিচের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে লিড নেয়।
গোল হজম করার ধাক্কা সামলানোর আগেই আরও বড় বিপদে পড়ে কাতার। ৩৪ মিনিটে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে বসে তারা। ডিফেন্ডার সুলতান আল-ব্রেকের সেই আত্মঘাতী গোল যেন কাতারের বুকের ভেতর ছুরি চালিয়ে দেয়।
তবে কাতার এত সহজে হার মানার দল নয়। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে তারা ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। ৪২ মিনিটে হাসান আল-হেইদোস গোল করে ব্যবধান কমান। বিরতিতে যাওয়ার সময় স্কোরবোর্ডে ২-১, ফলে দ্বিতীয়ার্ধে যে বড় লড়াই অপেক্ষা করছে সেটা বুঝতে কারও বাকি ছিল না।
কিন্তু বিরতি থেকে ফিরে কাতার আর সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। বসনিয়া ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখে দেয়। মাঝমাঠে আধিপত্য, রক্ষণে শৃঙ্খলা দেখিয়ে, ম্যাচে কাতারের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে মুছে দিতে থাকে তারা।
এরপর আসে শেষ আঘাত। ম্যাচের শেষভাগে এরমিন মাহমিচ গোল করে কাতারের আশা-ভরসার শেষ প্রদীপটাও নিভিয়ে দেন। তাঁর গোলেই স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-১। বাকি সময় আর কোনো নাটক হয়নি, কোনো অলৌকিক প্রত্যাবর্তনও নয়। শেষ বাঁশি বাজতেই বসনিয়ার জয়।