চলতি বছর কাতার এনার্জি থেকে বাংলাদেশ এলএনজি কার্গো পাবে ২০টি, যেখানে পাওয়ার কথা ছিল ৪০টি। এর ফলে দেশের জ্বালানি খাত বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এখন উৎপাদন স্বাভাবিকভাবে শুরু হওয়ার ওপর এই সরবরাহ নির্ভর করবে।
এই পরিস্থিতি আগামী তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত চলতে পারে বলেও সতর্ক করেছে কাতারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি।
চলতি মাসের শুরুতে পেট্রোবাংলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডকে (আরপিজিসিএল) ই-মেইলে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে পূর্ণ সরবরাহ আবার কবে থেকে শুরু হবে, সে বিষয়ে চিঠিতে সুস্পষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।
কাতার এনার্জির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছর কাতার এনার্জি থেকে বাংলাদেশ এলএনজি কার্গো পাবে ২০টি, যেখানে পাওয়ার কথা ছিল ৪০টি।
এর ফলে দেশের জ্বালানি খাত বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, যে ২০টি কার্গো কম পাওয়া যাবে, সেগুলো ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মোট পরিকল্পিত ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানির ৩৪.৮ শতাংশ।
সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কাতার এনার্জির উৎপাদন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এরপর প্রতিষ্ঠানটি 'ফোর্স ম্যাজিউর' ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য, ফোর্স ম্যাজিউর হলো একটি চুক্তিগত সুরক্ষা, যা কোনো পক্ষকে তার বাধ্যবাধকতা পূরণ থেকে মুক্তি দেয়, যখন তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু এবং ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ২ মার্চ কাতার এনার্জি প্রথম দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহকারী হিসেবে ফোর্স ম্যাজিউর ঘোষণা করে।
গত বুধবার দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, "২০২৬ সালের জন্য কাতার এনার্জির এলএনজি কার্গো সরবরাহ কমানোর বিষয়ে আমরা একটি ই-মেইল পেয়েছি। কাতার এনার্জি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে তারা আগের নির্ধারিত কার্গোর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ সরবরাহ করতে পারবে।"
ঢাকা এ বিষয়ে দোহার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে বলেও জানান তিনি। বলেন, "বিষয়টি নিয়ে আমরা কাতার এনার্জির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তারা এও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, কম সরবরাহের এই পরিস্থিতি ২০২৭ সাল এমনকি এর পরেও অব্যাহত থাকতে পারে।''
সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি বিভাগ একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি সরবরাহ ঘাটতির প্রভাব মূল্যায়ন করবে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থেকে বিকল্প এলএনজি সরবরাহের উৎস খুঁজতে জ্বালানি বিভাগ জোরালোভাবে কাজ করছে।
এদিকে কাতার এনার্জির পর ৫ মার্চ ওমানভিত্তিক ওকিউটি এবং ৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জিও ফোর্স ম্যাজিউর ঘোষণা করে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, কাতার এনার্জির ঘোষিত ফোর্স ম্যাজিউর আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাংলাদেশকে এখন স্পট মার্কেটের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, কাতার এনার্জি আরপিজিসিএলকে এও জানিয়েছে, উৎপাদন আবার স্বাভাবিক হওয়ার পরেও ভবিষ্যতে এলএনজি সরবরাহ পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ও আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, কাতার এনার্জি থেকে আগে যে পরিমাণ এলএনজি কার্গো পাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তার অন্তত ৮০ শতাংশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে সরকার।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরপিজিসিএলের এক কর্মকর্তা বলেন, "কাতার এনার্জি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে তারা সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ এলএনজি সরবরাহ করতে পারে। তবে আমরা আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি অনুযায়ী পুরো সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করব। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত ৮০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য জোরালোভাবে আলোচনা চালিয়ে যাব।"
এলএনজিতে ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় তিন গুণ
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এলএনজি খাতে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ বেড়ে ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত ৬ হাজার কোটি টাকার মূল বরাদ্দের প্রায় তিন গুণ। মূলত বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার জন্যই ভর্তুকি বেড়েছে।
সম্প্রতি পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান এই গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, "ইরান যুদ্ধের কারণে আমাদের অতিরিক্ত ১০ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। মার্চ থেকে অধিকাংশ দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহকারী ফোর্স ম্যাজিউর বজায় রেখেছে। ফলে আমাদের বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হয়েছে।"
এছাড়া কিছু স্বল্পমেয়াদি সরবরাহ চুক্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারণ, সেসব চালানের লোডিং বন্দর ও জাহাজ চলাচলের পথ কাতার এবং হরমুজ প্রণালির সঙ্গে যুক্ত ছিল।
সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে
২০২৬ সালের বার্ষিক সরবরাহ পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই বছরে বাংলাদেশের মোট ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানির কথা ছিল। এর মধ্যে কাতার এনার্জি থেকে ৪০টি, ওকিউটি থেকে ১৬টি, কাতার এনার্জি ট্রেডিং থেকে ১২টি, ওকিউ ট্রেডিং এলএলসি থেকে ৪টি এবং এক্সিলারেট গ্যাস মার্কেটিং থেকে ১৪টি কার্গো সরবরাহের কথা ছিল।
এছাড়া স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১২টি এবং স্পট মার্কেট থেকে আরও ১৭টি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা ছিল।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কাতার এনার্জি মাত্র ৮টি কার্গো সরবরাহ করেছে। এরপর ইরান যুদ্ধ শুরু হলে সরবরাহ বিঘ্নিত হয়।
সংঘাতের পর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে নির্ধারিত ৯টি কার্গো কাতার এনার্জি ফোর্স ম্যাজিউরের আওতায় স্থগিত করে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যদি আগস্ট থেকে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ আবার শুরু হয়, তবুও কাতার এনার্জির নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত ১৮টি কার্গোর মধ্যে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১২টি কার্গো পেতে পারে।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ২২ জুন কাতার এনার্জির রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ১৩ জন নিহত হন। আহত হন আরও বহু মানুষ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এ ঘটনার কারণে এলএনজি উৎপাদন পুনরায় শুরু হতে আরও সময় লাগতে পারে।
কাতার এনার্জির সম্ভাব্য সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি, এলএনজি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং লিমিটেড এবং এক্সিলারেট গ্যাস মার্কেটিংয়ের ফোর্স ম্যাজিউর বহাল থাকাও নীতিনির্ধারকদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে।
জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম এসব প্রতিষ্ঠানের ফোর্স ম্যাজিউর বহাল রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, "এসব প্রতিষ্ঠান মূলত পুনঃবিক্রেতা (রিসেলার)। তারা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কিনে বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকাকালে ফোর্স ম্যাজিউর ঘোষণা করা যৌক্তিক ছিল। কিন্তু প্রণালিটি আবার চালু হওয়ার পরও এটি বহাল রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ, তাদের নিজস্ব কোনো উৎপাদন স্থাপনায় হামলা হয়নি।"
কমিটি গঠন
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়া এবং এলএনজি ব্যবসায়ীদের ফোর্স ম্যাজিউর বহাল রাখার কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় পেট্রোবাংলা গত সপ্তাহে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) হায়াত মো. ফিরোজকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
কমিটিকে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি উভয় ধরনের এলএনজি চুক্তিতে থাকা ফোর্স ম্যাজিউর সংক্রান্ত ধারাগুলো পর্যালোচনা করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। গত বুধবার কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব সরবরাহকারী বর্তমানে ফোর্স ম্যাজিউর ঘোষণা করে সরবরাহ বন্ধ রেখেছে, তাদের সঙ্গে করা চুক্তি সংশোধন বা বাতিল করা যায় কি না, তা কমিটি পর্যালোচনা করবে। এছাড়া অস্থির স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প উপায়ে এলএনজি সংগ্রহ করা সম্ভব কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর ফোর্স ম্যাজিউর বহাল
বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ শুধু কাতার এনার্জিকে ঘিরেই নয়। ওকিউ ট্রেডিং লিমিটেড ও এক্সিলারেট গ্যাস মার্কেটিং লিমিটেডের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও এখনো ফোর্স ম্যাজিউর বহাল রেখেছে। এর ফলে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকাকালীন ফোর্স ম্যাজিউর ঘোষণা যৌক্তিক ছিল। কারণ, এসব প্রতিষ্ঠানকে ওই সময় কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি সংগ্রহের ওপর নির্ভর করতে হতো।
তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চুক্তিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরের বিকল্প লোডিং বন্দর থেকেও এলএনজি সরবরাহের সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরপিজিসিএলকে শেষবার যোগাযোগে এক্সিলারেট জানিয়েছে, রাস লাফান থেকে এলএনজি সরবরাহ পুনরায় শুরু না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে এলএনজি দিতে পারবে না।
অন্যদিকে, ওকিউ ট্রেডিংও তাদের চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ কবে আবার শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময় জানাতে সম্মত হয়নি।
জ্বালানি বিভাগের সূত্র জানায়, এক্সিলারেট ও ওকিউ ট্রেডিং এই দুই প্রতিষ্ঠানই তাদের সরবরাহ পরিকল্পনায় রাস লাফানকেই নির্ধারিত লোডিং বন্দর হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, যেহেতু রাস লাফানকে লোডিং পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, তাই ওই বন্দর থেকে তাদের কাছে আবার সরবরাহ শুরু না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিজেদের সরবরাহ স্থগিত রাখার অধিকার রয়েছে।
তবে আরেক কর্মকর্তা বলেন, চুক্তিতে রাস লাফানের বাইরে অন্য স্থান থেকেও এলএনজি সরবরাহের সুযোগ রয়েছে। ফলে ফোর্স ম্যাজিউর বহাল রাখার দাবির আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্বল্পমেয়াদি এলএনজি চুক্তির পথে বাংলাদেশ
সম্ভাব্য এলএনজি ঘাটতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের নতুন বাজার থেকে স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।
এজন্য যেসব দেশ বিবেচনায় রয়েছে, সেগুলো হলো— অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, অ্যাঙ্গোলা, নাইজেরিয়া ও আলজেরিয়া।
জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, "সরবরাহের উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশলের অংশ হিসেবে আমরা মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর দিকে নজর দিচ্ছি।"
তিনি আরও বলেন, "দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহকারীদের কাছ থেকে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণে শুধু স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভর না করে স্বল্পমেয়াদি সরবরাহ চুক্তির কথা বিবেচনা করছি। স্পট মার্কেটের তুলনায় স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে দামের ওঠানামার ঝুঁকি কম থাকে।"
বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে মালয়েশিয়া থেকেও এলএনজি আমদানি সহজ হতে পারে।