১ জুলাই ২০২৬

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট (কাজের অনুমতি) নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘কিওয়া’ প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, আগামী ৩০ জুন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত নিয়োগকর্তারা কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা তাদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন।

সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম ‘সৌদি গেজেটে’র প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কিওয়া প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ রয়েছে, তাদের নিয়োগকর্তার প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অর্থাৎ কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে নবায়ন করা না হলে তাকে প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দেওয়া হবে। তবে কর্মীকে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া যে সময় পর্যন্ত কাজ করানো হয়েছে, সেই সময় পর্যন্ত অর্জিত সব বকেয়া আর্থিক দায় ও ফি নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়সীমার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাগজপত্র বৈধ করার আহ্বান জানিয়ে কিওয়া একটি ব্যতিক্রমী নিয়মের কথা উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে নিয়মটি হলো, যদি কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, কিন্তু তার ইকামার (বাসস্থান অনুমতি) মেয়াদ এখনও কমপক্ষে ১৮০ দিন বৈধ থাকে, তবে ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন সম্ভব না হলেও তাকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে তাৎক্ষণিক অপসারণ করা হবে না।

কিন্তু ইকামার অবশিষ্ট মেয়াদ যদি ১৮০ দিনের কম হয়, তবে পরবর্তী প্রশাসনিক জটিলতা ও জরিমানা এড়াতে নিয়োগকর্তাকে একসঙ্গে ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট দুটিই নবায়ন করতে হবে।

কিওয়া আরও জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মী তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ বা বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছেন, তাদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি দ্রুত পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পারমিট নবায়ন অথবা তাদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত আর্থিক জরিমানা এড়াতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সৌদির নিয়োগকর্তাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। সূত্র: সৌদি গেজেট

সৌদি আরবে তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ১৪ আরোহী সবাই নিহত

প্রকাশ: সোমবার, জুন ২৯, ২০২৬
সৌদি আরবে তেল কোম্পানির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ১৪ আরোহী সবাই নিহত

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের রাস তানুরা এলাকায় রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর মালিকানাধীন একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে আরোহী ১৪ জনের সবাই নিহত হয়েছেন।

রবিবার (২৮ জুন) সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ ও আরব নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর এতে থাকা ১৪ আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। আরামকোর এই হেলিকপ্টারটি ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে। রাস তানুরায় আরামকোর বড় ধরনের তেল শোধনাগার ও টার্মিনাল রয়েছে, যেখানে হেলিকপ্টারটি যাতায়াত করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৩ দেশের নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল সৌদি আরব

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬
৩ দেশের নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল সৌদি আরব

আফ্রিকা মহাদেশে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তিন দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে দেশগুলো থেকে আসা ভ্রমণকারীদের ভিসা প্রদান ও সৌদিতে প্রবেশও স্থগিত করা হয়েছে।

দেশ-বিদেশের খবর হোয়াটসঅ্যাপে পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে

শুক্রবার (২৬ জুন) আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআরসি), উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদান থেকে আসা ব্যক্তিদের সৌদি আরবের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

সৌদিতে প্রবেশের আগে ২১ দিনের মধ্যে এই তিনটি দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করা অথবা অন্য কোনো দেশের মাধ্যমে (ভায়া) আসা ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবের পাবলিক হেলথ অথরিটি (ওয়াকায়া) জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে দেশটির স্বাস্থ্য নজরদারি ও মহামারি মোকাবিলা ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো-ব্রাজাভিল থেকে আসা ভ্রমণকারীদের জন্য উন্নত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে ওয়েকায়া। ইবোলায় আক্রান্ত এই দেশগুলো থেকে আসা দর্শনার্থীদের সীমান্তে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান-প্রক্রিয়া আরও উন্নত করা হয়েছে।

ওয়াকায়া জানিয়েছে, সৌদি আরবের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল। এসব পদক্ষেপ নেওয়ার পর থেকে ২০১৯ সালের পর এখন পর্যন্ত কোনো ইবোলা-সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা রোগী শনাক্ত হয়নি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১৯৭৬ সালে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ইবোলা রোগ প্রথম শনাক্ত হয়। এতে মৃত্যুর হার ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ। তখন থেকে এই রোগে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে।

২০৩৪ বিশ্বকাপ সৌদি আরবে, প্রয়োজন লাখ লাখ দক্ষ কর্মী

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
২০৩৪ বিশ্বকাপ সৌদি আরবে, প্রয়োজন লাখ লাখ দক্ষ কর্মী

২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে সৌদি আরব। এই বিশ্বযজ্ঞকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে বিশাল উন্নয়নযজ্ঞে অংশ নিতে প্রয়োজন লাখ লাখ দক্ষ কর্মী। সেদিকে নজর রেখে এরই মধ্যে বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে পাকিস্তান।

সৌদির বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে প্রায় তিন থেকে চার লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ইসলামাবাদ। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২০২৬ থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে সৌদি আরবে আবাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিমান চলাচল, পর্যটন ও সেবা খাতে বিপুল পরিমাণ শ্রমিকের চাহিদা তৈরি হবে। সেই চাহিদা অনুযায়ী পাকিস্তানি কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মেয়াদে প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ৭১৯ জন কর্মীকে বিভিন্ন ‘সফট স্কিলস’ বা আচরণগত ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা আন্তর্জাতিক কর্মপরিবেশে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন।

পাকিস্তানের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো জনশক্তি রপ্তানি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় কোটিরও বেশি পাকিস্তানি কর্মী বিভিন্ন দেশে গিয়েছেন। এর মধ্যে ৯৬ শতাংশের বেশি কর্মী কাজ করছেন উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতে, যার শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

২০২২ সালের পর থেকে সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ প্রকল্পের কারণে দেশটিতে পাকিস্তানি কর্মীদের কর্মসংস্থান ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু ২০২৫ সালেই রেকর্ড ৫ লাখ ৩০ হাজার ২৫৬ জন পাকিস্তানি কর্মী সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন, যা দেশটির মোট নিবন্ধিত জনশক্তি রপ্তানির প্রায় ৭০ শতাংশ।

উপসাগরীয় অঞ্চলের পাশাপাশি পাকিস্তান এখন ইউরোপের শ্রমবাজারেও নিজেদের পরিধি বাড়াচ্ছে। ‘পাকিস্তান-ইইউ মাইগ্রেশন অ্যান্ড মোবিলিটি ডায়ালগ’-এর অধীনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আইনি উপায়ে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে ইতালি আগামী তিন বছরের জন্য ১০ হাজার ৫০০ জন পাকিস্তানি কর্মীর কোটা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি, জার্মানি ও গ্রিসও দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে পাকিস্তান সরকার ডিজিটাল এইচআর পুল ও বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করেছে, যা দালালের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি নিয়োগ নিশ্চিত করবে।

মক্কায় কোরআনের ৪০০ বছরের পুরোনো পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২০, ২০২৬
মক্কায় কোরআনের ৪০০ বছরের পুরোনো পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন

সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত ‘হলি কোরআন মিউজিয়ামে’ ৪০০ বছরেরও বেশি পুরোনো পবিত্র কোরআনের একটি বিরল পাণ্ডুলিপি প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ইসলামি সভ্যতার শৈল্পিক উৎকর্ষ ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে অনন্য ধারণা লাভের সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রদর্শিত পাণ্ডুলিপিটি হিজরি ১১শ শতাব্দীর, যা সূক্ষ্ম সোনালি অলঙ্করণ, উজ্জ্বল রঙের নকশা এবং নিপুণ ক্যালিগ্রাফির জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

পাণ্ডুলিপিটিতে সে সময়কার ইসলামি শিল্পকলা, কারুশিল্প এবং নান্দনিকতার উচ্চমান ফুটে উঠেছে। প্রদর্শনীটি ইসলামি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী দর্শনার্থীদের কাছে তা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পাণ্ডুলিপিটির প্রতিটি পাতা সূক্ষ্ম পুষ্পশোভিত নকশা এবং কারুকার্যময় অলঙ্করণে সাজানো হয়েছে। এটির শুরুতে সূরা আল-ফাতিহা সংবলিত অংশটিতে জ্যামিতিক নিখুঁততা এবং বিস্তারিত সোনালি কারুকাজের এক চমৎকার সমন্বয় রয়েছে।

জাদুঘরের কর্মকর্তারা বলছেন, পাণ্ডুলিপিটি মূলত ইসলামি ক্যালিগ্রাফার এবং অলঙ্করণ শিল্পীদের দক্ষতার পরিচায়ক। এর মাধ্যমে ওই সময়ের শিল্পীরা নিপুণ হস্তাক্ষর ও আলঙ্কারিক সৌন্দর্যের মিশেলে কোরআনের লিখনশৈলীকে এক অনন্য শৈল্পিক ঐতিহ্যে রূপান্তর করেছেন।

মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত এই জাদুঘরটিতে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে কয়েক শতাব্দী ধরে কোরআনের লিখন এবং অলঙ্করণ শৈলীর বিবর্তনকে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ইসলামি পাণ্ডুলিপি, শিল্পের বিকাশ এবং পবিত্র কোরআনের প্রতি মুসলমানদের চিরন্তন শ্রদ্ধাবোধ অনুধাবনের সুযোগ পাচ্ছেন। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে কোরআন যে শুধু একটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থই নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক অনুপ্রেরণারও এক অন্যতম উৎস, সেই বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

শতবর্ষী এই নিদর্শনটি ইসলামি ঐতিহ্যের সমৃদ্ধির এক জীবন্ত দলিল হিসেবে প্রদর্শিত হচ্ছে। এটি বর্তমানে জাদুঘরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে সারাবিশ্বের দর্শনার্থীদের কাছে কারুশিল্পের এক অনন্য উত্তরাধিকার হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে।

সৌদি রাজকুমারীর মৃত্যুতে কাতারের আমির ও শীর্ষ নেতাদের শোক

সৌদি রাজকুমারী সারা বিনতে আহমেদ আল আব্দুল রহমান আল সৌদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি।
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬
সৌদি রাজকুমারীর মৃত্যুতে কাতারের আমির ও শীর্ষ নেতাদের শোক

তিনি সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। বার্তায় তিনি রাজকুমারীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত রাজপরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আমিরের পাশাপাশি পৃথক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কাতারের উপ-আমির শেখ আব্দুল্লাহ বিন হামাদ আল-থানি। তিনিও সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের কাছে নিজের আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন।

এদিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল-থানিও রাজকুমারী সারার মৃত্যুতে সৌদি বাদশাহর কাছে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন।

সৌদি রাজপরিবারের অন্যতম জ্যেষ্ঠ সদস্যের এই প্রয়াণে মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই কূটনৈতিক সমবেদনা ও শোকবার্তা বিনিময়কে তাদের মধ্যকার সুদৃঢ় ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।