১ জুলাই ২০২৬

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬

নাটকীয় টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে রীতিমতো চমক দেখিয়েছে প্যারাগুয়ে। অতিরিক্ত সময় শেষেও খেলা ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। আর সেখানেই বাজিমাত করে প্যারাগুয়ে।

খেলার শুরুটা জার্মানির জন্য মোটেও ভালো ছিল না। প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে জুলিও এনসিসোর দারুণ এক হেডে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় জার্মানরা। বিরতির আট মিনিট পরই গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কাই হাভার্টজ।

এরপর কর্নার থেকে জার্মানি একটি গোল করেছিল। কিন্তু প্যারাগুয়ের গোলরক্ষককে ফাউল করায় ‘ভিএআর’ রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল হয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ে কোনো দলই আর গোল করতে না পারায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে জার্মানির হয়ে প্রথম শটটিই মিস করেন হাভার্টজ। ইতিহাসে এই প্রথমবার বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে হারল জার্মানি।

টুর্নামেন্টের শুরুতে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে জার্মানি ছিল ১০ নম্বরে। অন্যদিকে প্যারাগুয়ের অবস্থান ছিল ৪১-এ। তাই এই হারকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের অন্যতম বড় অঘটন বলা হচ্ছে। এর আগে ১৯৯৪ সালে জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল বুলগেরিয়া। তবে প্যারাগুয়ের এই জয় যেন সেই ইতিহাসকেও ছাপিয়ে গেল।

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬

নাটকীয় টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে রীতিমতো চমক দেখিয়েছে প্যারাগুয়ে। অতিরিক্ত সময় শেষেও খেলা ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। আর সেখানেই বাজিমাত করে প্যারাগুয়ে।

খেলার শুরুটা জার্মানির জন্য মোটেও ভালো ছিল না। প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে জুলিও এনসিসোর দারুণ এক হেডে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় জার্মানরা। বিরতির আট মিনিট পরই গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কাই হাভার্টজ।

এরপর কর্নার থেকে জার্মানি একটি গোল করেছিল। কিন্তু প্যারাগুয়ের গোলরক্ষককে ফাউল করায় ‘ভিএআর’ রিভিউয়ের পর গোলটি বাতিল হয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ে কোনো দলই আর গোল করতে না পারায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে জার্মানির হয়ে প্রথম শটটিই মিস করেন হাভার্টজ। ইতিহাসে এই প্রথমবার বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে হারল জার্মানি।

টুর্নামেন্টের শুরুতে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে জার্মানি ছিল ১০ নম্বরে। অন্যদিকে প্যারাগুয়ের অবস্থান ছিল ৪১-এ। তাই এই হারকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের অন্যতম বড় অঘটন বলা হচ্ছে। এর আগে ১৯৯৪ সালে জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল বুলগেরিয়া। তবে প্যারাগুয়ের এই জয় যেন সেই ইতিহাসকেও ছাপিয়ে গেল।

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

জাপানের আঁচে হতাশা নিয়ে প্রথমার্ধে ১-০তে পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে গিয়েছিল ব্রাজিল! তবে ৫৬ মিনিটে ডেডলক ভেঙে ব্রাজিলকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন ক্যাসিমিরো। তার ১-১ গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে ব্রাজিলকে জয়সূচক গোলটি এনে দেন মার্তিনেল্লি।

যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গোল পায় গেল ব্রাজিল। গিমারাইজের বাড়ানো বলে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে জালে জড়িয়েছে। রেফারি ছয় মিনিটের ‘ইনজুটি টাইম’ দিয়েছিলেন।

এর আগে ফুটবল বিশ্বের পরাশক্তি ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দিয়ে দুর্দান্ত এক গোল করে ম্যাচে এগিয়ে যায় জাপান। ২৯ মিনিটে সানোর নিখুঁত এক শটে পিছিয়ে পড়ে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক পরপরই নাটকীয়ভাবে আসা এই গোলটি ম্যাচের চিত্রপট পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিল নিজেদের চেনা ছন্দে ছিল। বল দখলের লড়াইয়ে ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের পায়েই। ম্যাচের শুরুর দিকের স্নায়ুচাপের কারণে জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি কিছুটা অস্বস্তিতে থাকলেও ব্রাজিলের আক্রমণগুলো বারবার তার হাত কিংবা রক্ষণভাগের দেয়ালে বাধা পাচ্ছিল। ৩ মিনিটে গিমারায়েসের শট কিংবা ৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে বল ক্লিয়ার করা—সব মিলিয়ে ব্রাজিল গোল পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। কিন্তু একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা।

১০ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বলে ব্রাজিলিয়ানদের নিজেদের মধ্যেই ভুল বোঝাবুঝির কারণে একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়। এরপর কুনহা ও পাকেতার শটগুলোও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়। জাপান শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও ১৬ মিনিটে কামাদার ফ্রি কিক থেকে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে পুরো দৃশ্যপট বদলে দেন সানো। মাঝমাঠে দানিলোর নিয়ন্ত্রণ হারানো লুজ বলটি লুফে নিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান তিনি। অভিজ্ঞ কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার ডান পায়ের শটটি সরাসরি খুঁজে নেয় পোস্টের নিচের বাম কোণ। গোলরক্ষকের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে বল জালে জড়িয়ে গেলে গ্যালারিতে থাকা জাপানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

গোল হজম করার পর ব্রাজিল আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয়। সমতা ফেরাতে মরিয়া সেলেসাওরা বারবার জাপানের রক্ষণভাগে হানা দিতে থাকে। পাকেতার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর পরপরই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহা দূরপাল্লার শট নিলেও জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি এবার আর কোনো ভুল করেননি। রক্ষণভাগকে সুসংগঠিত রেখে প্রথমার্ধের বাকি সময়টা পার করে দেয় জাপান। বিরতির আগে ১-০ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।

তবে ৫৬ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে জাপানের জালে বল জড়ান ক্যাসিমিরো। এরপর ভিনি দারুণ অ্যাটাক করলেও গোলের দেখা পানননি। শেষ মুহূর্তে ফের ডেডলক ভাঙেন মার্তিনেল্লি। জয় পেয়ে শেষ ষোলেতে নাম লেখায় ব্রাজিল আর চোখের জলে বিশ্ব মঞ্চ ছাড়ে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান।

জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬
জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে বিশ্রাম দিয়ে ম্যাচ শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। তবে তার অনুপস্থিতিতেও দলের আক্রমণভাগ ছিল ধারালো। পরে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিজের স্বাক্ষর রেখে যান মেসি। দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ডও নিজের নামে লিখে নেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

রোববার (২৮ জুন) গ্রুপ ‘জে’-এর শেষ ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবেই নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলের হয়ে গোল করেন জিওভান্নি লো সেলসো, লাউতারো মার্তিনেজ এবং লিওনেল মেসি। জর্ডানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মুসা আল তামারি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় আর্জেন্টিনা। অষ্টম মিনিটেই বল জালে পাঠিয়েছিলেন লো সেলসো, কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ১৯তম মিনিটে বক্সের বাইরে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে দারুণ শটে জর্ডানের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার।

প্রথম গোলের পর আক্রমণের গতি আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ৩১তম মিনিটে ভিএআরের সহায়তায় পাওয়া পেনাল্টি থেকে লাউতারো মার্তিনেজ সহজেই ব্যবধান ২-০ করেন। এই স্কোরলাইন নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জর্ডান কিছুটা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ৫৬তম মিনিটে এহসান হাদ্দাদের পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে ব্যবধান কমান মুসা আল তামারি। এতে কিছু সময়ের জন্য ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ তৈরি হয়।

এরপর ম্যাচের ৬১তম মিনিটে লিওনেল মেসিকে মাঠে নামান কোচ লিওনেল স্কালোনি। বদলি হিসেবে নেমেই ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। প্রথম ফ্রি-কিকটি লক্ষ্যে রাখতে না পারলেও ৮০তম মিনিটে আর ভুল করেননি। নিজের আদায় করা ফ্রি-কিক থেকে নিচু শটে জর্ডানের জালে বল পাঠিয়ে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই রেকর্ডের মালিক এখন একমাত্র তিনিই।

ম্যাচের শেষদিকে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও স্কোরলাইন আর পরিবর্তন হয়নি। নির্ধারিত সময় শেষে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করে আর্জেন্টিনা।

ব্রাজিল কিংবদন্তির ৫৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন মেসি

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬
ব্রাজিল কিংবদন্তির ৫৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন মেসি

গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই গোলের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। ফ্রি কিক থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান তিনি।

এতেই বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়লেন মেসি। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের দিনে টানা ৬ ম্যাচে গোল করে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) ও ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন।

৬০ মিনিটে লাওতারো মার্টিনেজের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি। ২০ মিনিটের ব্যবধানে ফ্রি-কিক থেকে এবারের বিশ্বকাপের ৬ নম্বর গোলের দেখা পান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

প্রতিপক্ষ ফুটবলারকে কাটিয়ে জর্ডানের বক্সে ঢোকা কিংবা শট নেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন মেসি। আমের জামুস তাকে থামাতে গিয়ে টেনে ধরেন। এরপর রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজালে ২৫ গজ দূরত্বে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা।

মানবদেয়ালের পাশে দাঁড়ানো অ্যালেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টার, মার্কোস সেনেসি ও নিকোলাস ওটামেন্ডি কৌশলে সরে গেলে মেসি নিচু শটে বল জালে জড়ান।

পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬
পর্তুগালকে রুখে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে কলম্বিয়া

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে শক্তিশালী পর্তুগালের মুখোমুখি হয়েছিল কলম্বিয়া। মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ‘কে’ গ্রুপের এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমজমাট হলেও শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছেড়েছে দু’দল।

এই ড্রয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে পা রাখল কলম্বিয়া। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২ তথা নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করেন। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই বড় সুযোগ পায় কলম্বিয়া, তবে জন কর্ডোবার হেড গোলবারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়। ১৬ মিনিটে কর্ডোবার আরেকটি জোরালো শট চমৎকার দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিওগো কোস্তা।

প্রথমার্ধের ২২ মিনিটে জেন আরিয়াসের শট গোললাইনের ওপর থেকে ক্লিয়ার করে পর্তুগালকে রক্ষা করেন রুবেন নেভেস। অন্যদিকে, ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের বুলেট গতির শট রুখে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ভার্গাস।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পুরো ম্যাচে কড়া পাহারায় রাখেন কলম্বিয়ার ডিফেন্ডাররা, যার ফলে বেশ কয়েকবার অফসাইডের ফাঁদে পড়ে তিনি কাঙ্ক্ষিত সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে হামেস রদ্রিগেসের একটি চমৎকার নিচু শট কোস্তা লুফে নিলে ০-০ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে ম্যাচের গতি আরও বাড়িয়ে দেয় কলম্বিয়া। তবে ম্যাচের ৭১ মিনিটে পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্টিনেজ জোয়াও ফেলিক্স ও ভিতিনহাকে তুলে নিয়ে রাফায়েল লিয়াও এবং সামু কোস্তাকে মাঠে নামালে পর্তুগালের আক্রমণে ধার বাড়ে।

৮১ মিনিটে রোনালদোর পাস থেকে ব্রুনোর বাড়ানো ক্রস ডেভিনসন সানচেজ হেডের সাহায্যে ক্লিয়ার না করলে গোল পেতে পারত পর্তুগাল। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ৯২ মিনিটে কলম্বিয়ার সানচেজ হেডের সাহায্যে বল জালে পাঠালে উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি, তবে রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করে দেন।

অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে রাফায়েল লিয়াও সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করলে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রতেই শেষ হয় ম্যাচ। নকআউট পর্বের নতুন সমীকরণ অনুযায়ী, শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে কলম্বিয়া মুখোমুখি হবে ঘানার এবং পর্তুগালকে লড়তে হবে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে।