২২ অক্টোবর ২০২৬

গৃহহীন হয়ে রাস্তায় বহু প্রবাসী বাংলাদেশী, দূতাবাসের সহযোগিতা না পাওয়ার দাবি

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬
গৃহহীন হয়ে রাস্তায় বহু প্রবাসী বাংলাদেশী, দূতাবাসের সহযোগিতা না পাওয়ার দাবি

কুয়েতে বাসস্থান হারিয়ে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী শ্রমিকের দিন-রাত কাটছে রাস্তা কিংবা খোলা জায়গায়। গত বুধবার (১৫ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এ সংকট এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে গতকাল দেশটির তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র এ গরমে অনেক প্রবাসী অসুস্থ হয়ে পড়লেও বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা মিলছে না বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।

কুয়েতের সরকারি পরিসংখ্যানের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, কুয়েতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক বসবাস করছেন। এসব শ্রমিকের অনেকেই এখন বাসস্থান সংকটের মুখে। গত ১৫ জুলাই রাতে আকস্মিকভাবে দেশটির জিলিব আল-শুয়ুখ, হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন উচ্ছেদ এবং অবৈধ অভিবাসীবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়।

কুয়েতের প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহর সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ অভিযানে সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, ফায়ার ফোর্স, বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় যৌথভাবে অংশ নেয়। অভিযানে আইন লঙ্ঘনকারী ভবনগুলোর বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। একই সঙ্গে ভবনের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) কুয়েত প্রবাসীরা ১৬১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কুয়েত থেকে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৬৩ কোটি ডলার। রেমিট্যান্স আহরণের ক্ষেত্রে কুয়েতের অবস্থান অষ্টম স্থানে রয়েছে।

টানা তিনদিন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করা কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশী আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘বুধবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। ওই সময় থেকে রাস্তায় রাত-দিন কাটছে। ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গায়ের চামড়া পুড়ে যাচ্ছে। টানা তিনদিন ঘুমহীন, গোসল ও পানিছাড়া। এ পরিস্থিতির মধ্যে আর টিকে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।’ আবদুল কাইয়ুম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘শুনেছি বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে কেউ একজন এ এলাকায় এসেছিল। কিন্তু এখানে থাকা শত শত বাংলাদেশীর কেউ তাদের দেখেনি। দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি।’

কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযানে মূলত অনিরাপদ ও অবৈধ ভবন, রাষ্ট্রীয় জমিতে অবৈধ দখলদারত্ব, অতিরিক্ত ঘনবসতিপূর্ণ আবাসন, আকামা (বসবাসের অনুমতি) লঙ্ঘনকারী, পলাতক ব্যক্তি এবং আবাসিক এলাকায় লাইসেন্সবিহীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

অভিযানের পর অনেক বাড়িওয়ালা রাতারাতি ঘর ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন, যার ফলে অনেক প্রবাসী আশ্রয় হারিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। বাসা ভাড়াও বাড়ার পাশাপাশি হঠাৎ সামর্থ্যের মধ্যে বাসা খুঁজে পাচ্ছেন না অনেকে। এসব এলাকায় আগে যেখানে কুয়েতি ২০০ দিনার (৮০ হাজার টাকা) থেকে ২৫০ দিনার (প্রায় ১ লাখ টাকা) এর মধ্যে বাসা ভাড়া পাওয়া যেত, এখন সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০০-৫০০ দিনার। বাংলাদেশী টাকায় দেড় লাখ থেকে ২ লাখ টাকার সমপরিমাণ অর্থে বাসা ভাড়া নেয়া অনেক প্রবাসীরই আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

উচ্ছেদের শিকার এসব এলাকার প্রবাসীরা জানান, হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া—এ দুই এলাকায় সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশী থাকেন। আনুমানিক ১০ হাজারেরও বেশি প্রবাসী থাকেন এখানে। গত বুধবার মাঝরাতে হঠাৎ পুলিশ এসে প্রায় সবাইকে বের করে দেয়। এরপর থেকেই দিন কাটছে অনিশ্চয়তায়। ভবঘুরের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন রাস্তাঘাটে। কেউ কেউ নতুন বাসা খোঁজার চেষ্টা করছেন, কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় বেশির ভাগ প্রবাসীই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।

উচ্ছেদ করা আব্বাসিয়া এলাকায় দুই বছর ধরে বসবাস করছিলেন নড়াইলের রিয়াজুল ইসলাম। এখন কাটছে খোলা আকাশের নিচে। রিয়াজুল বলেন, ‘রাত ৩টার দিকে হঠাৎ দরজায় লাথির শব্দ শুনে খুলে দেখি পুলিশ। তারা সবাইকে পাসপোর্ট, মোবাইল আর আকামা নিয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে রুম থেকে বের হওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর পানি, বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কে বৈধ বা অবৈধ সেটা দেখার জন্য সবার আইডিও চেক করে। ভোর ৬টা পর্যন্ত সবাইকে এক জায়গায় বসিয়ে রাখে। অনেকেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বের হতে পারেনি। তাই পরদিন আবার এসব ভবনে এসে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেন। এ সময় অনেকে কোথাও যাওয়ার উপায় না পেয়ে ভবনের ছাদে রাতে আশ্রয় নেন। তবে পুলিশ লাঠিচার্জ করে সবাইকে বের করে দিয়েছে।’

বাড়ি ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম আরো বলেন, ‘আগে যেখানে আমরা ২০০-২৫০ দিনার খরচ করে বাসায় থাকতাম, এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম দুই-তিন রুমের একই ফ্ল্যাটের ভাড়া ৪০০-৫০০ দিনার। এটা অনেকেরই সামর্থ্যের বাইরে।’

উচ্ছেদের পরদিন ১৬ জুলাই কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, উচ্ছেদের শিকার প্রবাসীদের একটি সরকারি স্কুলে অস্থায়ী শেল্টার হাউজে থাকার ব্যবস্থা করেছে দেশটির সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানের ফলে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি ও পরিবারগুলো তাদের বৈধ অবস্থানের প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে শেল্টার হাউজে অবস্থান করতে পারবে। তবে সেখানে অবস্থানকালে তারা কর্মস্থলে যোগদান বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে শেল্টার হাউজ ত্যাগ করতে পারবেন না।’

এছাড়া বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সেলর (শ্রম) শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারসহ একটি প্রতিনিধি দল ওই শেল্টার হাউজে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের সার্বিক অবস্থা সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

অস্থায়ীভাবে শেল্টার হাউজে অবস্থানকালে কর্মস্থলে যোগদান বা কোনো উদ্দেশ্যে শেল্টার হাউজ ত্যাগ করার সুযোগ না থাকায় অনেক প্রবাসীই এ আশ্রয় কেন্দ্রে যাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী বলেন, ‘আমরা যেসব প্রবাসী এখানে থাকতাম তারা কম খরচে থাকতে পারতাম। যেহেতু ভবনগুলো পুরনো, তাই ভাড়াও কম ছিল। উচ্ছেদের বিষয়ে আমাদের মালিক পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তারা হয়তো ভাড়ার জন্য আমাদের উচ্ছেদের তথ্য গোপন রেখেছে। দূতাবাস থেকেও কিছু জানতে পারিনি। তাহলে বাসা ছাড়ার একটা প্রস্তুতি থাকত। এসব ভবনে আমাদের মতো সাধারণ কর্মজীবী লোকজন থাকে। হঠাৎ করে রাতের মধ্যে সবাইকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এত পরিমাণ বাংলাদেশীর জন্য দূতাবাসের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। তারা শুধু শেল্টারে গিয়ে পরিদর্শন করেছেন কিন্তু যারা ভবঘুরের মতো রাস্তায় থাকছেন তাদের খবর কেউ নিচ্ছে না।’

কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীরা যেসব ভবনে থাকতেন সেখানে উচ্ছেদের বিষয়টি অনেক পুরনো। যেহেতু সরকার বাড়ির মালিকের কাছে নোটিস পাঠায়, তাই মালিকরা ভাড়া হারানোর ভয়ে হয়তো ভাড়াটিয়াদের কোনো তথ্য জানায়নি। তাই হঠাৎ উচ্ছেদে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা।

সরকারিভাবে যে শেল্টারে অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখান থেকে বের হওয়া বা কাজে যোগ দেয়ার সুযোগ নেই। শেল্টার থেকে বের হতে হলে উচ্ছেদ করা এলাকার ভবনের বাইরে থাকার জায়গা আছে মর্মে মুচলেকা দিয়ে বের হতে হবে প্রবাসীদের। তাই অনেকেই শেল্টারে আসেননি। আবার শেল্টারে না আসা উদ্বাস্তু অবস্থায় থাকা প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো একটি ভবন ভাড়া নিয়ে সেখানে রাখার ব্যবস্থা করার মতোও পরিস্থিতিও নেই বলে জানায় দূতাবাস সূত্রটি।

কুয়েতের বর্তমান এ পরিস্থিতির বিষয়ে ভালোভাবে অবগত নন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ‘আমাদের দূতাবাসের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব, সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে।

কুয়েত সরকার যদি কোনো ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সেখানে বসবাসে নিষেধাজ্ঞা দেয়, সেটি তাদের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত। আমাদের দেশেও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অনেক সময় সরকার সিলগালা করে দেয়। কুয়েতেও যদি এমন কোনো বিষয় হয়ে থাকে, তাহলে বিস্তারিত জেনে আমাদের পক্ষ থেকে যা করণীয়, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে। আলোচনার মাধ্যমে যতটুকু সহায়তা করা সম্ভব, আমরা তা করব।’

ভিক্ষা করায় সৌদিতে বাংলাদেশি ও ভারতীয় গ্রেপ্তার

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২৬
ভিক্ষা করায় সৌদিতে বাংলাদেশি ও ভারতীয় গ্রেপ্তার

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ভিক্ষাবৃত্তির অভিযোগে চার বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিক বলে জানিয়েছে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-সাবক।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রিয়াদ অঞ্চলে ভিক্ষা করার সময় ওই চারজনকে আটক করে নিরাপত্তা বাহিনী। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকের সংখ্যা কত, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

সৌদি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশটিতে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ মানুষকে অনুমোদিত মাধ্যম ব্যবহার করে দান-খয়রাত করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, নির্ধারিত ও বৈধ ব্যবস্থার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হলে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে অর্থ পৌঁছানো সহজ হবে। একই সঙ্গে ভিক্ষাবৃত্তির মতো অবৈধ কর্মকাণ্ডও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সমাজের সর্বস্তরে সব ধরনের ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করা এবং প্রকৃত অসচ্ছল ব্যক্তিদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতায় তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির

রাজমিস্ত্রির হাত ধরে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
রাজমিস্ত্রির হাত ধরে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী

জীবিকার তাগিদে সুদূর দুবাইয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল, প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়বেন, স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার সাজাবেন। কিন্তু সেই স্বপ্নের সংসার ঘিরেই এবার দেখা দিয়েছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কামুল্ল্যা গ্রামের প্রবাসী শাকিল হোসেন ওরফে কাবিলের স্ত্রী লাভলী খাতুনের বিরুদ্ধে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে একই গ্রামের আজিজুলের সঙ্গে চলে যান লাভলী খাতুন। এ সময় বাড়ি থেকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সম্পদ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে শাকিল হোসেন ওরফে কাবিলের সঙ্গে লাভলী খাতুনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে রয়েছে দুই ছেলে সন্তান।

পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ও সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় দীর্ঘদিন ধরে দুবাইয়ে কাজ করছেন কাবিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্রবাসে থেকে কষ্টার্জিত অর্থ পাঠিয়ে সংসার পরিচালনা ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক এ ঘটনায় পরিবারটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, একই গ্রামের ইরফান হোসেনের ছেলে আজিজুল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

দীর্ঘদিন ধরে কাবিলের বাড়িতে নির্মাণকাজ করার সুবাদে লাভলী খাতুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। তাঁদের আরও দাবি, বিষয়টি জানার পর কাবিল ও তাঁর দুই সন্তান লাভলী খাতুনকে ওই সম্পর্ক থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছিলেন।

কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে লাভলী খাতুন আজিজুলের সঙ্গে চলে যান।

এ সময় নগদ পাঁচ লাখ টাকা, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার ও বাড়িতে থাকা মূল্যবান সম্পদ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে, আজিজুলের সংসারেও এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে আজিজুলের স্ত্রীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি, তিনি গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।

ঘটনার পর দুই সন্তানকে ঘিরে তৈরি হয়েছে পারিবারিক অনিশ্চয়তা। কাবিলের ছেলেরা জানান তারা বর্তমানে মায়ের কাছে ফিরতে চায় না। তাদের চাওয়া, বাবার কষ্টার্জিত টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখা কাবিলের সংসারে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।

এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে।

বেড়া দিয়ে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
বেড়া দিয়ে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের গাজিরগাছখোলা গ্রামে সৌদি আরবপ্রবাসী মামুন মোল্লার বসতবাড়িতে প্রবেশের পথে বাঁশের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতা ও ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আবদুল হাই শিকদারের বিরুদ্ধে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বাড়িতে যাতায়াতের পথ উন্মুক্ত রাখা এবং স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, বাড়ির প্রবেশমুখে বাঁশের বেড়া দেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া সন্তানদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

প্রবাসী মামুন মোল্লার স্ত্রী আঁখি আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন। অনেক কষ্টে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তারা বাড়িটি নির্মাণ করেছেন। বাড়িতে প্রবেশের জন্য গেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার সময় প্রবেশমুখে বাঁশের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা বিপাকে পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ নেই। বেড়া দেওয়ার কারণে ছেলে সাইকেল নিয়ে বের হতে পারছে না। স্কুলে যেতে তাকে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিতে হচ্ছে।

মামুন মোল্লার সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল জানায়, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বাড়ির সামনে বেড়া দেওয়ায় সাইকেল নিয়ে বের হতে পারছে না সে। স্কুল ও কোচিংয়ে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে তাকে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হেঁটে স্কুলে যেতে হচ্ছে।

অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে আবদুল হাই শিকদার বলেন, জমি আমার। এখানে কবরস্থান রয়েছে। কবরস্থানের নিরাপত্তার জন্য বেড়া দিয়েছি।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার (ওসি) মানস বড়ুয়া জানান, বিষয়টি সম্পর্কে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে। জমির মালিকানা ও চলাচলের পথ নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে আইনিভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কেউ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটালে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্যারিসে লুটপাটে বাংলাদেশি আট দোকান ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
প্যারিসে লুটপাটে বাংলাদেশি আট দোকান ক্ষতিগ্রস্ত

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘটিত লুটপাটে বাংলাদেশি মালিকানাধীন অন্তত আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই মোবাইল ফোন বিক্রি ও অর্থ স্থানান্তরের (মানি ট্রান্সফার) সেবা দিতো। প্রাথমিক হিসাবে, প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৭ লাখ ইউরো ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জিএসআর ইনফোরমেটিক, থ্রি-জি ইনফরমেটিক, প্যারিস টেলিকম, আয়মান সার্ভিস, থ্রি-ডি ইনফোরমেটিক, ফোন স্টোর, বদি টেলিকম ও রাফিদ ইলেকট্রনিকস। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, এসব দোকান থেকে মোবাইল ফোন, অন্যান্য পণ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, দোকান বন্ধ রাখা এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাহারার ব্যবস্থা করেও লুটপাট ঠেকানো সম্ভব হয়নি। জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশকে ফোন করেও তাৎক্ষণিক সহায়তা পাননি বলে দাবি তাঁদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুই দোকানে ক্ষতি ১ লাখ ৮০ হাজার ইউরো

ক্ষতিগ্রস্ত রাফিদ ইলেকট্রনিকসের স্বত্বাধিকারী রবিউল হাসান জানান, তাঁর দোকানে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ইউরো মূল্যের পণ্যসামগ্রী ছিল। দোকান তালাবদ্ধ থাকা অবস্থায় সেগুলো লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রবিউল হাসান বলেন, আমার প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ইউরোর পণ্যসামগ্রী দোকানে ছিলো। এখন ব্যবসা আবার শুরু করার মতো সম্বল নেই।

ব্যবসায়ী আজিম উদ্দিনের ফোন স্টোর ও বদি টেলিকমেও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, দুই প্রতিষ্ঠানে মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ইউরোর ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে একটি দোকান মাত্র তিন মাস আগে চালু করেছিলেন তিনি।

আজিম উদ্দিন বলেন, দুটি দোকান থেকেই পণ্যসামগ্রী লুট করা হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে রিয়া মানি ট্রান্সফারের কাউন্টারে প্রায় ৩০ হাজার ইউরো নগদ অর্থ ছিলো বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, ঘটনার সময় পুলিশকে একাধিকবার ফোন করেও সহায়তা পাননি।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

প্যারিসের সামাজিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আইসার সভাপতি ওবায়দুল্লাহ কয়েছের অভিযোগ, বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র বাংলাদেশি মালিকানাধীন মোবাইল ফোন ও মানি ট্রান্সফারের দোকানগুলোতে লুটপাট চালিয়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রবাসী ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তার আশঙ্কা, সহিংসতার ঘটনাগুলো ফ্রান্সে অভিবাসনবিরোধী রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিলো কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মোবাইল ফোন ও মানি ট্রান্সফার ব্যবসায়ী মুহিবুর রহমান বলেন, পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় অনেক ব্যবসায়ী নিজেদের প্রতিষ্ঠান রক্ষায় ব্যক্তিগতভাবে পাহারার ব্যবস্থা করেছিলেন। তারপরও বিভিন্ন স্থানে লুটপাট ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে তাদের বিনিয়োগ, জীবিকা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়বে।

বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতা

প্রতিবেদনে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির উচ্চমূল্য, ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস এবং সরকারি সেবার মান নিয়ে অসন্তোষের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়। শ্রমিক ও শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে মজুরি, পেনশন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশজুড়ে ১১০টি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন। আয়োজক সংগঠনগুলোর দাবি ছিল, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ। বিক্ষোভের বেশির ভাগ শান্তিপূর্ণ থাকলেও প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র জানা যাবে।

অভিমান করে ছাদ থেকে ঝাঁপ দিলেন প্রবাসীর স্ত্রী

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৬
অভিমান করে ছাদ থেকে ঝাঁপ দিলেন প্রবাসীর স্ত্রী

মাদারীপুরের কালকিনিতে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে মিম আক্তার (১৮) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রী আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে।

রোববার ভোরে উপজেলার মিয়ারহাট বাজারের আনসার উদ্দিন মৃধার বাড়ির তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে ওই প্রবাসীর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূ মিম আক্তার খুনেরচর গ্রামের প্রবাসী রাশেদ সরদারের স্ত্রী। ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসীর স্ত্রী মিম আক্তার অল্প কিছুদিন ধরে তার বাবা-মাকে নিয়ে মিয়ারহাট বাজারের আনসার উদ্দিন মৃধার বাড়ির দুইতলায় ভাড়া থাকতেন।

বেড়া দিয়ে প্রবাসী স্ত্রীর বাড়িকে ‘কবরস্থান ঘোষণা’

কিন্তু পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে তার মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ওই ভাড়া বাড়ির তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে মাটিতে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কালকিনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মিম আক্তারের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিহতের বাবা আলামিন খান বলেন, কী কারণে আমার মেয়ে মারা গেছে- তা এখন বলতে পারছি না।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, খবর পেয়ে আমি পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছে। কী কারণে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন- তা সঠিকভাবে বলতে পারব না। আমরা জেনেছি মিম আক্তারের অল্প কিছুদিন আগে বিয়ে হয়েছে। স্বামী বিদেশ আছেন।

ভিডিওতে প্রেমিককে দায়ী করে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

রিয়াদে কাভার্ড ভ্যানের আগুনে পুড়ে প্রাণ হারালেন প্রবাসী

কিং খালিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসীর মৃত্যু: দেশে শোকের ছায়া