৫ জুলাই ২০২৬

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ০৩, ২০২৬
জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব। জেদ্দায় ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করতে সমঝোতা চুক্তি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও সৌদি আরবের ক্রিকেট ফেডারেশন (এসএসিএফ)।

বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজকের এই অংশীদারিত্ব কেবল জেদ্দায় একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি হলো যৌথ আকাঙ্ক্ষা, বিশ্বস্ত অংশীদারিত্ব এবং টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবে ক্রিকেটের একটি দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।’

সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর করেন দুই বোর্ডের সভাপতি। পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভি ও এসএসিএফের সভাপতি প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল বিন মোহাম্মদ আল সৌদ।

চুক্তির বিষয়ে নাকভি বলেছেন, ‘সৌদি আরবের এই রোমাঞ্চকর ক্রিকেটযাত্রায় অবদান রাখতে পেরে সম্মানিত বোধ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। একসঙ্গে এমন এক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি যা খেলাটিকে আরও শক্তিশালী করবে। আমাদের ক্রিকেটপ্রেমী জনগোষ্ঠীকে কাছাকাছি নিয়ে আসবে এবং ভবিষ্যতে এক দীর্ঘস্থায়ী গৌরবময় অধ্যায় রেখে যাবে।’
১৯৬০ সালের শুরুর দিকে পাকিস্তান ও ভারতের অভিবাসীদের হাত ধরে সৌদি আরবে ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়।

পরে ২০০৩ সালে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) এফিলিয়েট (অনুমোদিত) সদস্যপদ লাভ করে। আর ২০১৬ সালে তা সহযোগী সদস্যপদ পায়।

সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার হুমকি

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সৌদি যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করে একটি ইরানি বেসামরিক বিমানকে সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হুথি মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি বলেন, ভবিষ্যতে সৌদি আরব যদি ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে বা দেশটির বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তার জবাবে সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং স্থল ও সমুদ্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানো হবে।

হুথিদের দাবি, স্থানীয় সময় ওই দিন ভোর ৫টা ২০ মিনিটে সৌদি যুদ্ধবিমান হুথি-নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের প্রতিরোধ করা হয়। ওই ইরানি বিমানে ২০০ জনের বেশি আটকে পড়া, আহত ও অসুস্থ ইয়েমেনি নাগরিক ছিলেন বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

হুথিরা আরও জানিয়েছে, সানা ও তেহরানের মধ্যে বিমান চলাচল সম্ভাব্য যেকোনো পরিণতি সত্ত্বেও অব্যাহত থাকবে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট বিমানটি নিরাপদে সানায় অবতরণ করেছে এবং পরে হুথি প্রতিনিধিদলকে নিয়ে তেহরানে ফিরে গেছে।

এদিকে, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হুথিদের এসব অভিযোগ ও হুমকির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। হুথিদের দাবিগুলোও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

খামেনির জানাজায় সৌদি প্রতিনিধিদল, সমবেদনা বাদশাহ সালমান ও যুবরাজের

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
খামেনির জানাজায় সৌদি প্রতিনিধিদল, সমবেদনা বাদশাহ সালমান ও যুবরাজের

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে সমবেদনা জানিয়েছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খুরাইজি রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিয়ে সৌদি নেতৃত্বের এই সমবেদনার বার্তা প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের কাছে পৌঁছে দেন বলে শনিবার ভোরে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শেষ বিদায় জানানার জন্য সপ্তাহব্যাপী আয়োজন করেছে ইরান। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এটি শুরু হয়েছে। তবে শুধুমাত্র বিদেশি প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খামেনির মরদেহ রাখা হয়েছে। কাল শনিবার থেকে সাধারণ মানুষ দেখার জন্য তার কফিন উন্মুক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

এতে করে এসব দেশের সঙ্গে সৌদির সম্পর্কে অবনতি ঘটে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে দেশটি।

হামলার দিনই খামেনি তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন। কিন্তু গালফ অঞ্চলের দেশগুলো এখন পর্যন্ত তার মৃত্যুতে আনুষ্ঠানিক শোক জানায়নি। এরমাধ্যমে তারা মূলত মোজতবা খামেনিকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে অস্বীকৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকছে বলে ধারণা করা হয়।

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সাথে দূরত্ব, নতুন পথে সৌদি আরব!

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ০৩, ২০২৬
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সাথে দূরত্ব, নতুন পথে সৌদি আরব!

ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের কৌশলগত অবস্থানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা গেছে। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানালেও পরে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একপর্যায়ে উত্তেজনাপূর্ণ মতবিনিময়ও হয় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযানে সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চাইলেও রিয়াদ তা নাকচ করে দেয়।

এরপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক জরুরি ফোনালাপ করেন। তবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করতে বাধ্য হয় ট্রাম্প প্রশাসন।

ওয়াশিংটনের আরব গালফ স্টেটস ইনস্টিটিউটের গবেষক হুসেইন ইবিশের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সুবিধা দিলে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে—এমন আশঙ্কাই সৌদি নেতৃত্বকে সতর্ক অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে। এ কারণে তারা ওয়াশিংটনের প্রতি আগের মতো আস্থা রাখতে পারেনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর সৌদি আরব একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেছে, অন্যদিকে নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে মধ্যপন্থী কৌশল অনুসরণ করেছে। পাশাপাশি সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষেও অবস্থান নেয় দেশটি।

এ সময় আঞ্চলিক কূটনীতিতেও নতুন উদ্যোগ নেয় রিয়াদ। চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো হয়। ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় তেহরান ও রিয়াদের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সংলাপ অব্যাহত রয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি নেতৃত্ব এখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়ে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থনকে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছে।

তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে ‘চমৎকার সম্পর্ক’ রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের মতামতকে গুরুত্ব দিলেও শেষ পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, সৌদি আরব এখন এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অগ্রাধিকারের চেয়ে নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ০৩, ২০২৬
জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব, স্টেডিয়াম নির্মাণে সমঝোতা স্মারক সই

জুটি বাঁধছে পাকিস্তান-সৌদি আরব। জেদ্দায় ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি করতে সমঝোতা চুক্তি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও সৌদি আরবের ক্রিকেট ফেডারেশন (এসএসিএফ)।

বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজকের এই অংশীদারিত্ব কেবল জেদ্দায় একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি হলো যৌথ আকাঙ্ক্ষা, বিশ্বস্ত অংশীদারিত্ব এবং টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবে ক্রিকেটের একটি দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।’

সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর করেন দুই বোর্ডের সভাপতি। পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভি ও এসএসিএফের সভাপতি প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল বিন মোহাম্মদ আল সৌদ।

চুক্তির বিষয়ে নাকভি বলেছেন, ‘সৌদি আরবের এই রোমাঞ্চকর ক্রিকেটযাত্রায় অবদান রাখতে পেরে সম্মানিত বোধ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। একসঙ্গে এমন এক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি যা খেলাটিকে আরও শক্তিশালী করবে। আমাদের ক্রিকেটপ্রেমী জনগোষ্ঠীকে কাছাকাছি নিয়ে আসবে এবং ভবিষ্যতে এক দীর্ঘস্থায়ী গৌরবময় অধ্যায় রেখে যাবে।’
১৯৬০ সালের শুরুর দিকে পাকিস্তান ও ভারতের অভিবাসীদের হাত ধরে সৌদি আরবে ক্রিকেট যাত্রা শুরু হয়।

পরে ২০০৩ সালে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) এফিলিয়েট (অনুমোদিত) সদস্যপদ লাভ করে। আর ২০১৬ সালে তা সহযোগী সদস্যপদ পায়।

প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে সৌদি সরকারের জরুরি নির্দেশনা

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট (কাজের অনুমতি) নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘কিওয়া’ প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, আগামী ৩০ জুন (মঙ্গলবার) পর্যন্ত নিয়োগকর্তারা কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অথবা তাদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন।

সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম ‘সৌদি গেজেটে’র প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কিওয়া প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ রয়েছে, তাদের নিয়োগকর্তার প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অর্থাৎ কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে নবায়ন করা না হলে তাকে প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দেওয়া হবে। তবে কর্মীকে বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া যে সময় পর্যন্ত কাজ করানো হয়েছে, সেই সময় পর্যন্ত অর্জিত সব বকেয়া আর্থিক দায় ও ফি নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়সীমার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কাগজপত্র বৈধ করার আহ্বান জানিয়ে কিওয়া একটি ব্যতিক্রমী নিয়মের কথা উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে নিয়মটি হলো, যদি কোনও কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, কিন্তু তার ইকামার (বাসস্থান অনুমতি) মেয়াদ এখনও কমপক্ষে ১৮০ দিন বৈধ থাকে, তবে ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন সম্ভব না হলেও তাকে প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে তাৎক্ষণিক অপসারণ করা হবে না।

কিন্তু ইকামার অবশিষ্ট মেয়াদ যদি ১৮০ দিনের কম হয়, তবে পরবর্তী প্রশাসনিক জটিলতা ও জরিমানা এড়াতে নিয়োগকর্তাকে একসঙ্গে ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট দুটিই নবায়ন করতে হবে।

কিওয়া আরও জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মী তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ বা বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করছেন, তাদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

বকেয়া ওয়ার্ক পারমিট ফি দ্রুত পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পারমিট নবায়ন অথবা তাদের সেবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত আর্থিক জরিমানা এড়াতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সৌদির নিয়োগকর্তাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। সূত্র: সৌদি গেজেট