৫ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের শঙ্কা: এরদোয়ান

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের শঙ্কা: এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রতি তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পর শনিবার (০৪ জুলাই) ইস্তাম্বুলে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা এমন একটি পরিবেশ চাই, যেখানে এ অঞ্চলের সব মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করবে।’

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে আসক্ত’ ইসরায়েলকে আরেকবার এই অঞ্চলকে বারুদের গন্ধ ও রক্তপাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা এমন প্রতিটি উদ্যোগকে সমর্থন করি, যা এ অঞ্চলে উত্তেজনা কমাতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি করতে হবে।’

এর আগে, চলতি মাসের শুরুতেও ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে নাৎসি জার্মানির তুলনা টেনে বলেন, যারা ‘অ্যাডলফ হিটলারকে অনুসরণ করবে’ তাদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এরদোয়ান আরও সতর্ক করে বলেন, ‘যারা রক্তের গন্ধ পেয়ে হাঙরের মতো এ অঞ্চলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে, তাদের শিগগিরই এর মূল্য দিতে হবে।’

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক ১১ জুলাই, থাকছে পরমাণু ইস্যু

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক ১১ জুলাই, থাকছে পরমাণু ইস্যু

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ১১ জুলাই আবারও আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

শনিবার (০৪ জুলাই) টাইমস অব ইসরায়েলের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নতুন দফার আলোচনায় ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা, জব্দ থাকা সম্পদ ছাড় এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে, গত বুধবার কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠককে ‘খুবই ভালো’ বলে মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের দাবি, ওই বৈঠকে দেশটির কয়েকশ কোটি ডলারের জব্দ থাকা সম্পদের একটি অংশ ছাড়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো সমঝোতা হয়নি।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার পর দুই দেশের মধ্যে নতুন এই আলোচনা শুরু হচ্ছে। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে উভয় পক্ষকে ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের শঙ্কা: এরদোয়ান

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ০৫, ২০২৬
ইসরায়েলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের শঙ্কা: এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তবে উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রতি তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পর শনিবার (০৪ জুলাই) ইস্তাম্বুলে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা এমন একটি পরিবেশ চাই, যেখানে এ অঞ্চলের সব মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করবে।’

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে আসক্ত’ ইসরায়েলকে আরেকবার এই অঞ্চলকে বারুদের গন্ধ ও রক্তপাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা এমন প্রতিটি উদ্যোগকে সমর্থন করি, যা এ অঞ্চলে উত্তেজনা কমাতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি করতে হবে।’

এর আগে, চলতি মাসের শুরুতেও ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে নাৎসি জার্মানির তুলনা টেনে বলেন, যারা ‘অ্যাডলফ হিটলারকে অনুসরণ করবে’ তাদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এরদোয়ান আরও সতর্ক করে বলেন, ‘যারা রক্তের গন্ধ পেয়ে হাঙরের মতো এ অঞ্চলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে, তাদের শিগগিরই এর মূল্য দিতে হবে।’

আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সময় তেহরানে ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০২, ২০২৬
আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সময় তেহরানে ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে ব্যাপকভাবে ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা।

সংস্থাটির প্রধান আবুজার শিরুডি জানিয়েছেন, মেহরাবাদ বিমানবন্দর শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল থেকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত থাকবে না এবং ওই দিন ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী সোমবার জানাজার কারণে তেহরানের আকাশ সম্পূর্ণভাবে ফ্লাইটশূন্য থাকবে।

শিরুডি বলেন, সোমবার তেহরানের দুটি প্রধান বিমানবন্দর থেকেই ‘কোনো ফ্লাইট’ পরিচালিত হবে না।

৪ থেকে ৮ই জুলাইয়ের মধ্যে তেহরান, কুম ও মাশহাদে আলী খামেনেই-এর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। ইরাকের বাগদাদ, কাজমিন, কারবালা ও নাজাফ শহরেও আনুষ্ঠানিকতা হবে।

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধের ঘোষণা হিজবুল্লাহর

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধের ঘোষণা হিজবুল্লাহর

ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত ইসরায়েল-লেবানন ঐতিহাসিক ‘ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি’র কয়েক ঘণ্টার মাথায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে গৃহযুদ্ধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তিকে ‘অবমাননাকর, লজ্জাজনক এবং বৈরুতের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন’ আখ্যা দিয়ে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনের প্রধান নঈম কাসেম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর অস্ত্র সমর্পণ করার কোনো প্রশ্নই আসে না এবং মাঠের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

এদিকে চুক্তি সইয়ের পর শনিবারই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন, যা চুক্তি-পরবর্তী প্রথম প্রাণহানির ঘটনা। হিজবুল্লাহ সমর্থকদের বিক্ষোভে বৈরুতসহ পুরো লেবানন এখন উত্তাল।

গত শুক্রবার ওয়াশিংটনে মার্কিন মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে এই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সই হয়। চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী— দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি হিজবুল্লাহর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের (অস্ত্র সমর্পণ) সাথে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার এক কড়া বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ প্রধান নঈম কাসেম বলেন, দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে আমরা মাঠের প্রতিরোধ লড়াই চালিয়ে যাব। কঠিন পরিস্থিতিতেও আমরা মাঠ ছেড়ে যাইনি, আর এখনো যাব না। এই চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে লেবানন সরকার আগামী বহু বছরের জন্য ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে বৈধতা দিল, যা ভবিষ্যতে এই ভূমিকে জায়নবাদী রাষ্ট্রের অংশ করে নেওয়ার পথ সুগম করবে।

হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ আরও চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, লেবানন সেনাবাহিনী যদি ওয়াশিংটনের এই চুক্তি জোর করে বাস্তবায়ন করতে চায়, তবে দেশে ‘গৃহযুদ্ধ’ বেঁধে যাবে।

চুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুক্রবার রাত থেকে রাজধানী বৈরুতের রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার হিজবুল্লাহ সমর্থক। তারা শহরের বিভিন্ন সড়ক ও বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার মূল রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লেবানন সেনাবাহিনী দেশবাসীকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। সেনা কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি বা নাগরিক শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা সহ্য করা হবে না। এরই মধ্যে বিক্ষোভকারীদের দমনে এবং দাঙ্গাবাজদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন পাবলিক প্রসিকিউটর বিচারক আহমাদ রামি আল-হাজ।

চুক্তিতে কাগজে-কলমে শান্তির কথা বলা হলেও, বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আল-জাজিরার লেবানন প্রতিনিধি জিনা খোদর জানিয়েছেন, চুক্তির মূল টেক্সটে ইসরায়েলি সেনা ‘প্রত্যাহার’ শব্দটিই নেই। এটি মূলত দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের পরোক্ষ সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথ।

তাছাড়া ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ইঙ্গিত দিয়েছেন, হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ করলেও সুরক্ষার স্বার্থে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে থেকে যেতে পারে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ইতিমধ্যে দেশটির বাহিনীকে দক্ষিণ লেবাননের তথাকথিত ‘নিরাপত্তা জোনে’ দীর্ঘমেয়াদে অবস্থানের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এই চুক্তিকে কেন্দ্র করে লেবাননের রাজনৈতিক মহল দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। দেশটির সাবেক বিচারমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আশরাফ রিফি চুক্তির প্রশংসা করে বলেছেন, লেবানন অবশেষে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মতো আচরণ করছে। লেবাননের সিদ্ধান্ত আর ইরানের এজেন্ডার কাছে জিম্মি থাকতে পারে না। ফ্রি প্যাট্রিয়টিক মুভমেন্টের নেতা জিবরান বাসিলও চুক্তিটি ইতিবাচকভাবে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে সাবেক মার্কিন কূটনীতিক নাবিল খুরি আল-জাজিরাকে বলেন, এই চুক্তিটি পুরোপুরি ইসরায়েলের স্বার্থরক্ষা করেছে, কিন্তু লেবাননের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং আত্মঘাতী।

কুয়েত-বাহরাইনের ৮ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬
কুয়েত-বাহরাইনের ৮ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের সিরিক শহর ও কেশম দ্বীপে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালানোর দাবি করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। স্থানীয় সময় শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান চালায় বলে জানিয়েছে তারা। খবর প্রেস টিভির।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরসহ আটটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা’ হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরানের এই সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এর আগে দিনটির শুরুতে ‘শত্রুপক্ষ’ ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে মার্কিন হামলা চালানোর পরই এই পাল্টা অভিযান পরিচালিত হয়।

আইআরজিসি বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বভাবই হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও চুক্তি লঙ্ঘন করা। তারা ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। তারা এ হামলাকে হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসি নৌবাহিনীর একটি অনুপ্রবেশকারী জাহাজের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের জবাব হিসেবে দাবি করেছে।’

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সামুদ্রিক নৌযানের তদারকির দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ‘এখন থেকে নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনও নৌযানের বিরুদ্ধে আগের তুলনায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শত্রুপক্ষ ভবিষ্যতে যেকোনও অজুহাতে নতুন করে আগ্রাসন চালালে তার জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর ও বিধ্বংসী।’

আইআরজিসির এই বিবৃতি এমন সময় এল, যখন এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালানোর দাবি ওঠে। এরপর পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানায় ইরান।