উপসাগরীয় দেশগুলোর শীর্ষ কূটনীতিকরা বৃহস্পতিবার বলেছেন, স্থায়ী শান্তির জন্য ইরানের প্রক্সি ও ক্ষেপণাস্ত্র সমস্যার সমাধান করা খুবই জরুরি।
দেশ-বিদেশের খবর হোয়াটসঅ্যাপে পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে
তেহরানের সাথে যেকোনো বাণিজ্য বা বিনিয়োগ বাতিলযোগ্য হতে পারে। এটি পুরোপুরি নির্ভর করবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে করা চুক্তিটি মেনে চলছে কি না, তার ওপর।
বাহরাইনের রাজধানী মানামায় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বৈঠকের পর মন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতি দেন। সেখানে তারা বলেন, অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য ইরানের সব ধরনের হুমকির সমাধান করা দরকার। এর মধ্যে রয়েছে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং এই অঞ্চলে তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি।
তারা আরও বলেন, ইরানের সাথে যেকোনো বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শর্তযুক্ত এবং বাতিলযোগ্য। এটি নির্ভর করবে ইরান সমঝোতা স্মারক ও চূড়ান্ত চুক্তি কতটা মেনে চলছে তার ওপর। পাশাপাশি তাদের অস্থিতিশীল আচরণ বন্ধ করতে হবে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে একটি চুক্তি করতে চায়, তবে তা যেকোনো মূল্যে নয়। তিনি উপসাগরীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করে বলেন, তাদের স্বার্থের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করার জন্য সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এর পরপরই এই কথাগুলো সামনে এলো।
রুবিও জোর দিয়ে বলেন, আমরা একটি চুক্তি চাই, কিন্তু যেকোনো মূল্যে নয়। আমরা এমন একটি চুক্তি চাই যা ভালো, যা বাস্তব, যা যাচাই করা যায় এবং যা সবাই মেনে চলবে।