৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগস্টে রেমিট্যান্সে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
আগস্টে রেমিট্যান্সে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

চলতি অর্থবছরের আগস্টে ২৯৭ কোটি ডলারের বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এটি গত বছরের আগস্টের চেয়ে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত রেমিট্যান্সের মাসিক হিসাবে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিদায়ী আগস্ট মাসে ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকার রেকর্ড প্রবাসী আয় পাঠালেন প্রবাসীরা

এতে দেখা যায়, আগস্টে ২৯৭ কোটি ৬৬ লাখ (২.৯৭ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পাঠিয়েছিলেন ২৮৬ কোটি ৮৭ লাখ (২.৮৬ বিলিয়ন) ডলার।

রেমিট্যান্সে ব্যাংকগুলো এখন প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা দিচ্ছে। সে হিসাবে আগস্টে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতিদিনে গড়ে এসেছে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার; টাকার অঙ্কে যা ১ হাজার ১৭৭ কোটি।

গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ (২.৪২ বিলিয়ন) পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ (৫.৮২ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

২০০ টাকায় রাতযাপন, তবুও প্রবাসীরা যান না ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
২০০ টাকায় রাতযাপন, তবুও প্রবাসীরা যান না ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে

বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন হাজারো প্রবাসী ঢাকায় আসেন। আবার মধ্যরাতে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেও অনেকে ঢাকায় অবস্থান করেন। কম খরচে নিরাপদ আবাসনের অভাবে তাদের কেউ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশের ব্যয়বহুল হোটেলে ওঠেন, আবার অনেকে বিমানবন্দরের টার্মিনালেই রাত কাটান।

অথচ এসব প্রবাসী কর্মীর জন্য মাত্র ২০০ টাকায় থাকা ও বিমানবন্দরে বিনা খরচে যাতায়াতের সুবিধা দিচ্ছে ‘ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার’। কিন্তু উদ্বোধনের পাঁচ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রচারণার অভাবে ফাঁকা পড়ে আছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সেন্টারটি।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার দূরে খিলক্ষেত থানাধীন বরুয়া এলাকার লঞ্জনীপাড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার। ২০২২ সালের ১৮ মার্চ সেন্টারটির উদ্বোধন করা হয়।

বিমানবন্দর থেকে সেন্টারে যাতায়াতে স্বাভাবিক সময়ে সড়কপথে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে। বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত কর্মীদের অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করতেই এটি নির্মাণ করা হয়। এখানে ৪০ জন পুরুষ ও ১০ জন নারীসহ মোট ৫০ জন একসঙ্গে অবস্থান করার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন

তহবিল পেলে বিনা খরচে সব প্রবাসীর লাশ দেশে আনা হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

বিমানবন্দর থেকে এ সেন্টারে যাতায়াতের রাস্তায় ড্রেন ও নালা নির্মাণে প্রায় দুই বছর ধরে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ কারণে সেন্টারে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রাস্তার এ অবস্থার কারণে সেন্টারে প্রবাসীদের ফ্রিতে যাতায়াতের জন্য যে বাসটি রয়েছে, সেটিও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।—মো. সাইদুর রহমান

কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনের পর থেকে অধিকাংশ সময় সেন্টারের ৯৯ শতাংশ শয্যাই ফাঁকা থাকে। সবশেষ গত জুনে ৮৪, জুলাইয়ে ৮০ জন প্রবাসী সেখানে অবস্থান করেন। অথচ প্রতিদিন যেখানে কয়েক হাজার বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত কর্মী ঢাকায় অবস্থান করছেন, সেখানে এ সংখ্যা ‘অত্যন্ত কম’ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রবাসীদের অভিযোগ, সেন্টারটি সম্পর্কে অধিকাংশ প্রবাসীই জানেন না। ফলে তারা বিমানবন্দরের আশপাশের হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে থাকছেন অথবা টার্মিনালে বসেই দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন। সেন্টারটির সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর দাবি তাদের।

আরও পড়ুন

মৃত ভেবেছিল পরিবার, ২৫ বছরের প্রবাস ট্র্যাজেডির অবসান!

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের কর্মকর্তাদের দাবি, সেন্টারটি উদ্বোধনের পর থেকে তারা নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু সে অনুযায়ী সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আশার দিক হচ্ছে, আগের তুলনায় সেন্টারে প্রবাসীর যাতায়াত বাড়ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, সেন্টারটি নিরিবিলি পরিবেশে নির্মিত। আবাসনের কক্ষগুলো পরিচ্ছন্ন, প্রতিটি কক্ষে তিন থেকে চারটি শয্যা রয়েছে। রয়েছে নিরাপদ লাগেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, ইন্টারনেট, টেলিফোন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, প্রাথমিক চিকিৎসা, কাউন্সেলিং, নারী-পুরুষের জন্য পৃথক নামাজের স্থান। এছাড়া বিদেশগামী কর্মীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও পুনর্বাসন-সংক্রান্ত তথ্যও দেওয়া হয় এখানে।

জানতে চাইলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন) মো. সাইদুর রহমান বলেন, প্রবাসী কর্মীদের জন্যই এ সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে খুবই কম খরচে তারা থাকতে পারবেন। কিন্তু প্রত্যাশার তুলনায় প্রবাসীরা কম আসছেন। এজন্য বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবাসী লাউঞ্জে নিয়মিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিমানবন্দর থেকে এ সেন্টারে যাতায়াতের রাস্তায় ড্রেন ও নালা নির্মাণে প্রায় দুই বছর ধরে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ কারণে সেন্টারে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। রাস্তার এ অবস্থার কারণে সেন্টারে প্রবাসীদের ফ্রিতে যাতায়াতের জন্য যে বাসটি রয়েছে, সেটিও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

দূরত্ব বড় বাধা

ওয়েজ আর্নার্স বোড সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে খিলক্ষেতের বরুয়ার লঞ্জনীপাড়ার দূরত্ব প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার। এ কারণে অনেক প্রবাসী সেখানে যেতে চান না।

তবে প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোর একটি হলো বিনামূল্যে যাতায়াত। কিন্তু সেন্টারের সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি চলায় দেড় বছর ধরে সে সেবাও পাচ্ছেন না প্রবাসীরা। ফলে বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত যাত্রীরা বিনা খরচে বিমানবন্দর থেকে সেন্টারে এবং সেন্টার থেকে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারছেন না।

অনেক সময় সড়কে যানজটসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকায় আসতে দেরি হয়। এতে ফ্লাইট মিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আগেভাগেই বিমানবন্দরে চলে এসেছি। কিন্তু এখানে এসেও বিপদে পড়লাম। এখানে তো ঠিকমতো বসারও ব্যবস্থা নেই।—তোফাজ্জল হোসেন

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০০ টাকা ফি দিয়ে সরাসরি অথবা অনলাইনে সিট বুকিং করা যায়। প্রতি রাতের ভাড়া ২০০ টাকা এবং একজন কর্মী সর্বোচ্চ দুই রাত অবস্থান করতে পারেন। বুকিংয়ের সময় পাসপোর্ট ও ফ্লাইটের টিকিটের কপি জমা দিতে হয়।

আরও পড়ুন

বিদায়ী আগস্ট মাসে ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকার রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ঢাকার সড়কে তীব্র যানজট, ফ্লাইটের কয়েক ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর চাপ এবং উচ্চমূল্যের হোটেল ভাড়া—এসব বিবেচনায় ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারটি প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি উদ্যোগ। কিন্তু যথাযথ প্রচারণার অভাবে এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অধিকাংশ প্রবাসী।

গত ২৮ আগস্ট ভোর ৪টার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৌদি আরব যান চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন। ফ্লাইটের নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগেই তিনি বিমানবন্দরে চলে আসেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগে তাকে বিমানবন্দরে ঢুকতে দেননি নিরাপত্তাকর্মীরা। পরে বহির্গমন টার্মিনালের ক্যানপি-২ এর সামনে হাঁটাচলার পথে লাগেজ রেখে বাকি সময় পার করতে হয় তাকে।

আরও পড়ুন

কাতারে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

আলাপকালে তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অনেক সময় সড়কে যানজটসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকায় আসতে দেরি হয়। এতে ফ্লাইট মিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই আগেভাগেই বিমানবন্দরে চলে এসেছি। কিন্তু এখানে এসেও বিপদে পড়লাম। এখানে তো ঠিকমতো বসারও ব্যবস্থা নেই।

ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার সম্পর্কে জানেন কি না, এমন প্রশ্নে এই প্রবাসী বলেন, এটা কী? কখনো নাম শুনিনি। তবে শুনেছি, ঢাকায় কোথায় যেন প্রবাসীদের থাকার জন্য সরকার ব্যবস্থা রাখছে। কিন্তু সেটা কোথায়, কীভাবে যেতে হয়, তা তো জানি না।

ফেসবুকের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে ওয়েজ আর্নাস সেন্টারে যান রাজশাহীর পবা উপজেলার মোজাম্মেল হক। তিনি ৯ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকেন। গত ১৯ আগস্ট মধ্যরাতে তার ফ্লাইট ছিল।

আরও পড়ুন

দালালের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় নির্যাতন ও কারাবাস শেষে দেশে ফিরলেন ১৭৪ প্রবাসী


সেন্টারের পরিবেশ ভালো। কিন্তু সেন্টারটির কথা অনেক প্রবাসী জানেন না। আবার বিমানবন্দর থেকে সেন্টারের দূরত্ব বেশি হওয়ায় অনেক প্রবাসী সেখানে যেতে চান না।—মোজাম্মেল হক

মোজাম্মেল হক বলেন, ফ্লাইটের একদিন আগেই ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে চলে এসেছি। দুই বছর আগে ছুটিতে যখন দেশে আসি, ফেরার সময়ও ওই সেন্টারে একদিন অবস্থান করেছিলাম।

তিনি বলেন, সেন্টারের পরিবেশ ভালো। কিন্তু সেন্টারটির কথা অনেক প্রবাসী জানেন না। আবার বিমানবন্দর থেকে সেন্টারের দূরত্ব বেশি হওয়ায় অনেক প্রবাসী সেখানে যেতে চান না। এ সেন্টারটি বিমানবন্দর সংলগ্ন কোথাও স্থাপন করা দরকার ছিল। তাহলে শতভাগ সেবা নেওয়ার সুযোগ পেতেন প্রবাসীরা।

‘এরমধ্যে বিমানবন্দর সংলগ্ন হাজি ক্যাম্প এলাকা থেকে খিলক্ষেতের বরুয়ার লঞ্জনীপাড়া পর্যন্ত সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। এ কারণে ঠিকমতো অটোরিকশা দিয়েও যাতায়াত করা যায় না’—যোগ করেন এ প্রবাসী।

খিলক্ষেতের বরুয়ার লঞ্জনীপাড়া সাবেক দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ছিল। বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ওয়ার্ড ও সীমানা বিন্যাসের পর এই এলাকাটি ডিএনসিসির ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের (অঞ্চল-৭) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

২০২২ সালে এমন নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডে (ওয়ার্ড নং ৩৭ থেকে ৫৪) জনদুর্ভোগ লাঘব ও টেকসই উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়ক অবকাঠামো এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। ওই কাজের মধ্যে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারের সামনের রাস্তাটিও রয়েছে।

আরও পড়ুন

কাতারে না জানিয়ে কারো ছবি বা ভিডিও ধারণ করলেই জেল-জরিমানা

সবুজে সেজে উঠছে কাতার: সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণে নতুন মাইলফলক

পাবলিক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া ট্যাক্সি, লিমুজিন ও বাস চালানো নিষিদ্ধ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মায়ের স্মরণে কাতারের আল খোরে চালু হলো মহিলাদের জন্য ফ্রি কোরআন হিফজ কেন্দ্র

শাহজালালে দুর্ঘটনায় নিহত ৩ বিমান বাহিনীর সদস্যকে শেষ শ্রদ্ধা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তিন সদস্যের জানাজা ও ফিউনারেল প্যারেড সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে নিহতদের মরদেহ দাফনের জন্য নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকা সেনানিবাসের বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকারের সি-১৩০ হ্যাঙ্গারে জানাজা ও ফিউনারেল প্যারেড সম্পন্ন হয়।

জানাজায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান নিহতদের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় কিউআরএফ (কুইক রেসপন্স ফোর্স)-এর দায়িত্ব পালনের সময় বিমান বাহিনীর সাত সদস্যকে বহনকারী একটি জিপ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওয়ারেন্ট অফিসার সুলতান মাহমুদ, কর্পোরাল মনিরুজ্জামান পিয়াস এবং এলএসি মো. জুবাইদুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরও চার সদস্য সিএমএইচে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে নিহতদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আহত সদস্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

আগস্টে রেমিট্যান্সে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রবেশের দায়ে যুবক আটক

ঢাকা-চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযান, কোটি টাকার পণ্য জব্দ

দালালের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় নির্যাতন ও কারাবাস শেষে দেশে ফিরলেন ১৭৪ প্রবাসী

কাতারে নির্মিত হচ্ছে প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ির কারখানা

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রিতে শাটল সার্ভিস চালু

কাতারে খোলা জায়গায় গাড়ি ধোয়া নিষিদ্ধ: অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা

ঢাকা-চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযান, কোটি টাকার পণ্য জব্দ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে কাস্টমসের অভিযান, কোটি টাকার পণ্য জব্দ
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে জব্দ করা পণ্য। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) ধারাবাহিক অভিযানে প্রায় ১ কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিদেশি সিগারেট, মোবাইল ফোন, মোবাইলের এলসিডি ও ডিসপ্লেসহ মাদারবোর্ড, বিদেশি মদ, ওষুধ ও স্বর্ণালংকার।

গত ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসব অভিযান চালানো হয়। সিআইআইডি সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ১০০ টাকা।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ৩১ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহজালাল বিমানবন্দরে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের (এসভি৮০৪) একটি ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় মনসুর আলম কাছ থেকে ২৩১ কার্টুন ও নওয়াজ শরিফের কাছ থেকে ২৫০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়। এসব সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৯ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

একই দিন ব্যাংকক থেকে আসা থাই এয়ারওয়েজের (টিজি৩৩৯) একটি ফ্লাইটের যাত্রী টিপু আল ইমরানের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৩৬টি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ১৯টি রেডমি টার্বো ৪ প্রো এবং ১৭টি অনর ২০০। এসব ফোনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ টাকা।

ইমরানের ব্যাগেজ থেকে আরও ৫৫০টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল এলসিডি এবং ৯৫০টি বাটন মোবাইলের ডিসপ্লেসহ মাদারবোর্ড জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য যথাক্রমে ৩৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

এ ছাড়া বিমানবন্দর এলাকায় টহলের সময় ব্যাগেজ বেল্টের পাশে একটি পরিত্যক্ত হাতব্যাগ পাওয়া যায়। সেটি থেকে আনুমানিক ৩ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

১ সেপ্টেম্বর বাহরাইন থেকে আসা গালফ এয়ারের (জিএফ২৪৮) একটি ফ্লাইটের যাত্রী আল আমিনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে প্রায় ১৮ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

অন্যদিকে, ৩১ আগস্ট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের (বিজি১৪৮) একটি ফ্লাইটের এক যাত্রীর কাছ থেকে ১২ কার্টন বিদেশি সিগারেট, রোয়াটিনেক্স ও সাবরিল নামের ওষুধ এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা।

বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারির মাধ্যমে চোরাচালান ও অবৈধ আমদানি প্রতিরোধে এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

আগস্টে রেমিট্যান্সে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
আগস্টে রেমিট্যান্সে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

চলতি অর্থবছরের আগস্টে ২৯৭ কোটি ডলারের বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এটি গত বছরের আগস্টের চেয়ে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত রেমিট্যান্সের মাসিক হিসাবে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিদায়ী আগস্ট মাসে ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকার রেকর্ড প্রবাসী আয় পাঠালেন প্রবাসীরা

এতে দেখা যায়, আগস্টে ২৯৭ কোটি ৬৬ লাখ (২.৯৭ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পাঠিয়েছিলেন ২৮৬ কোটি ৮৭ লাখ (২.৮৬ বিলিয়ন) ডলার।

রেমিট্যান্সে ব্যাংকগুলো এখন প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা দিচ্ছে। সে হিসাবে আগস্টে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতিদিনে গড়ে এসেছে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ডলার; টাকার অঙ্কে যা ১ হাজার ১৭৭ কোটি।

গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ (২.৪২ বিলিয়ন) পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ৫৮২ কোটি ৫৩ লাখ (৫.৮২ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

কাতারের গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত: সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
কাতারের গ্যাস সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত: সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদনে ধস, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতার অপচয় আর বাসাবাড়িতে নিভু নিভু চুলা—বাংলাদেশের সাম্প্রতিক এই বাস্তবতা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদেরও উদ্বেগের কারণ।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ইতিহাস দীর্ঘ নয়। দেশীয় গ্যাসের মজুত কমে আসায় চাহিদা সামলাতে এটা শুরু করা হয়। অল্প সময়েই আমদানি করা এই গ্যাস নাগরিক জীবন ও অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি এমন যে, এর সরবরাহ ব্যাহত হলেই দেশ স্থবির হয়ে পড়ছে।

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার কারণে নভেম্বর পর্যন্ত এশিয়া ও ইউরোপে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বাতিল করেছে কাতার এনার্জি। এর ফলে বাংলাদেশসহ আমদানিকারক দেশগুলোতে সংকট আরও বাড়বে।

ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে সরবরাহ বাতিলের এই প্রক্রিয়া অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন গ্লোবাল এনার্জি পলিসির বৈশ্বিক গবেষক অ্যান-সোফি কোরবাউ এই সংকটের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিপূর্ণ ও ভঙ্গুর দেশ হিসেবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতকে চিহ্নিত করেছেন।

কোরবাউয়ের মতে, বৈশ্বিক এই সংকটে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল দেশগুলো। বিশেষত যারা তাৎক্ষণিক বিকল্প কার্গো নিশ্চিত করতে পারেনি এবং আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে চড়া মূল্যে গ্যাস কেনার ওপর নির্ভর করে।

গত মার্চে কাতার এনার্জি প্রথমবারের মতো এই ফোর্স মেজার ঘোষণা করেছিল এবং অচলাবস্থা প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ হওয়ায় প্রতি মাসেই এর মেয়াদ নবায়ন করেছে।

অ্যান-সোফি কোরবাউ বলেন, রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া অথবা সংঘাতের মূল পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ না দেখা পর্যন্ত এই সংকট কাটবে না।

বিশ্ববাজারে সরবরাহের বিশাল ঘাটতি ও বিকল্পের সন্ধান
হরমুজ প্রণালির এই অচলাবস্থা বিশ্ববাজার থেকে কাতারের এলএনজি সরবরাহ একপ্রকার উধাও করে দিয়েছে। কমোডিটি ডেটা সংস্থা আইসিআইএস-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ছয় মাসে কাতার মাত্র ১৮টি এলএনজি কার্গো বিদেশে রপ্তানি করতে পেরেছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে তাদের রপ্তানিকৃত কার্গোর সংখ্যা ছিল ৫০৯।

এই ব্যাপক ধসের কারণে কাতারের গ্যাস বিক্রিতে প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের (২০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ইউরো) আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গবেষক কোরবাউ জানান, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা তাদের নতুন চালু হওয়া কারখানাগুলো থেকে অতিরিক্ত কিছু এলএনজি সরবরাহ পাঠিয়েছে। এর পাশাপাশি নাইজেরিয়া ও মালয়েশিয়াতেও গ্যাস উত্তোলন ও উৎপাদন কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। তবে বিকল্প এই সরবরাহগুলো দিয়ে পুরো বৈশ্বিক ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এশিয়ার অনেক দেশ বাধ্য হয়ে গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছে কিংবা বিকল্প জ্বালানিতে রূপান্তর করছে।

বাংলাদেশে এলএনজি: কী কেন কীভাবেপারস্য উপসাগরে এলএনজিবাহী জাহাজের প্রতীকী ছবি। রয়টার্সের সৌজন্যে
অন্যদিকে ইউরোপ চড়া মূল্যে স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস কিনতে মরিয়া না হয়ে তাদের মজুতাগারে জমা থাকা গ্যাস বেশি পরিমাণে ব্যবহার করছে।

কোরবাউ উল্লেখ করেন, বাজারে যে সামান্য কার্গো পাওয়া যাচ্ছে, তা কেবল সর্বোচ্চ দরদাতাদের কাছেই যাচ্ছে এবং কাতার ও আমিরাতের দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ ক্ষতির কারণে বিশ্বজুড়ে মোট এলএনজি বাণিজ্যের পরিমাণ ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হতে পারে।

অসম আঞ্চলিক প্রভাব ও বৈশ্বিক ভারসাম্য ফেরার সময়সীমা
এই সংকটের প্রভাব আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সমানভাবে পড়ছে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে গত এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে সামগ্রিক এলএনজি আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক কম ছিল। চীনের এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রেও একই ধরনের পতন লক্ষ করা গেছে। চীন এখন পর্যন্ত তাদের ব্যবস্থাপনা দিয়ে কাতারি এলএনজি হারানোর ক্ষতি সামাল দিয়েছে। ইউরোপ তাদের গ্যাস মজুতাগার ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে, ফলে তাদের সামগ্রিক রিজার্ভ দ্রুত নিচে নামছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নাইজেরিয়ায় বর্তমানে নির্মাণাধীন থাকা নতুন এলএনজি রপ্তানি প্রকল্পগুলো ধীরে ধীরে বাজারে বিকল্প সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হবে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার একটি স্বাভাবিক সরবরাহ-চাহিদার ভারসাম্যে ফিরে আসতে অন্তত ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।