২ অক্টোবর ২০২৬

হজযাত্রীদের জন্য নতুন অল-ইন-ওয়ান প্যাকেজ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
হজযাত্রীদের জন্য নতুন অল-ইন-ওয়ান প্যাকেজ

২০২৭ সালের হজ মৌসুমের জন্য একটি নতুন প্যাকেজ নিয়ে এসেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এখন থেকে থাকা, খাওয়া, যাতায়াত এবং পবিত্র স্থানগুলোর সব সেবা একটিমাত্র চুক্তির মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। যা হজযাত্রীদের যাত্রা আরো সহজ ও গোছালো করবে।

ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই প্যাকেজটি দেয়া হবে, যা হাজিরা দেশটিতে পা রাখার পর থেকে শুরু করে দেশে ফেরা পর্যন্ত পুরো সময়টায় দারুণভাবে কাজে লাগবে। এই প্যাকেজে মূলত রয়েছে মক্কা-মদিনায় থাকার ব্যবস্থা, যাতায়াত, ক্যাটারিং বা খাওয়ার বন্দোবস্ত এবং পবিত্র স্থানগুলোর সেবা।

ইতোমধ্যে ৭৫টিরও বেশি দেশের হজ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া পুরো হজ প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও ঝামেলামুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরেই আধুনিক অনলাইন সিস্টেম ব্যবহার করে আসছে সৌদি আরব।

হুথিদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে সৌদি আরব : মোহাম্মদ বিন সালমান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
হুথিদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে সৌদি আরব : মোহাম্মদ বিন সালমান

ইয়েমেনের হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার মুখে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করবে না সৌদি আরব। দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) বলেছেন, হুথিরা ‘বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসের’ পথ বেছে নিয়েছে। এর ফলে ইয়েমেনের জনগণ ও পুরো অঞ্চল হুমকির মুখে পড়ছে।

গতকাল বুধবার সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এমবিএস। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে কোনো হুমকি বা হামলা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দিতে দেশটি দ্বিধা করবে না।

সৌদি যুবরাজ আগস্টে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই জোট আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদারে সৌদি নেতৃত্বের অঙ্গীকারের প্রকাশ। উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রভাব থেকে অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোও এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

তবে নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি উত্তেজনা কমাতেও সৌদি আরব সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানান এমবিএস। তার ভাষায়, কূটনৈতিক সমাধানের পথকে সমর্থন করতে সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব। তবে দেশের নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

লোহিত সাগরে জাহাজ রক্ষায় জোট

লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদাব প্রণালিতে হুথিদের জাহাজে হামলার বিষয়েও কথা বলেন সৌদি যুবরাজ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে আন্তর্জাতিক নৌপথ ব্যবহার করা গ্রহণযোগ্য নয়।

আন্তর্জাতিক নৌপথে সবার অভিন্ন স্বার্থ রক্ষায় একটি ‘বহুজাতিক প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক জোট’ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি-সমর্থিত সরকারের বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে হুথিরা। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি আরবে হামলা আরো বাড়িয়েছে গোষ্ঠীটি।

গত সপ্তাহে সৌদি আরব জানিয়েছিল, পশ্চিমাঞ্চলীয় তায়েফ ও লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের দিকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে। এর পাশাপাশি হুথিরা সৌদি রাজধানী রিয়াদে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু’ এবং ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে।

হুথিদের হামলা অব্যাহত থাকলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে ‘যে কোনো উপায়ে’ সহায়তা করা হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ।

যুদ্ধে সেনাদের ‘প্রাণ উৎসর্গের’ প্রস্তুতির আহ্বান সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
যুদ্ধে সেনাদের ‘প্রাণ উৎসর্গের’ প্রস্তুতির আহ্বান সৌদি গ্র্যান্ড মুফতির
সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রয়োজনে সেনাদের প্রাণ উৎসর্গের জন্য প্রস্তত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গ্র্যান্ড মুফতি শেখ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান এ আহ্বান জানান।

ওই বার্তায় কোরআনের আয়াত এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ত্যাগ ও আল্লাহর পথে সংগ্রাম-সংক্রান্ত হাদিসের উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা ও সংঘাত বেড়েছে। হুথিরা সৌদি আরবে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। জবাবে সৌদি আরবও বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাবে কি না, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

গ্র্যান্ড মুফতির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের সুরক্ষা এবং এর ভূখণ্ডের এক ইঞ্চি জায়গার ওপরও কেউ হাত বাড়ালে তাকে শাস্তি দেওয়া বড় দায়িত্ব ও ইবাদতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কাজ। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এ দায়িত্ব পালনে জীবন ও আত্মা উৎসর্গ করা যেতে পারে।

সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের কর্তৃত্ব পুরো দেশে প্রতিষ্ঠা করাকেও ‘অত্যন্ত জরুরি দায়িত্ব’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি হুথিদের ‘সম্পূর্ণ পরাজয়’ এবং তাদের সহযোগী ও সমর্থকদের পরাজয়ের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

এদিকে, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি কর্তৃপক্ষের ধর্মীয় ভাষ্যও জোরালো হচ্ছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সাম্প্রতিক সময়ে সৌদির দক্ষিণাঞ্চলের একটি মসজিদে হুথিদের কথিত হামলার ফুটেজ প্রচার করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ হুথিদের মক্কায় হামলার অভিযোগও করেছে।

সীমান্তে থাকা সেনাদের উদ্দেশে গ্র্যান্ড মুফতি বলেন, তাদের সবসময় দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, শাসক ও সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ মেনে চলতে হবে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে আদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মুসলমানদের পবিত্র স্থানগুলো রক্ষার দায়িত্ব পালন করে সেনারা মহানবী (সা.)-এর সাহাবিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন।

এক সপ্তাহের জন্য স্কুলে সশরীরে ক্লাস বন্ধের ঘোষণা সৌদির

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
এক সপ্তাহের জন্য স্কুলে সশরীরে ক্লাস বন্ধের ঘোষণা সৌদির

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের সমস্ত স্কুল আগামী এক সপ্তাহের জন্য সশরীরের ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইনে (রিমোট লার্নিং) পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে। অভিভাবকদের কাছে পাঠানো ইমেইল বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এএফপির হাতে আসা বেশ কিছু বার্তার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর ডনের।

অভিভাবকদের কাছে পাঠানো পৃথক দুটি বার্তায় বলা হয়েছে, সৌদি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আমাদের মাত্রই জানানো হয়েছে যে, আগামী এক সপ্তাহ স্কুলগুলো বন্ধ রাখতে হবে।

তবে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এ সিদ্ধান্তের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তা সত্ত্বেও ধারণা করা হচ্ছে যে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান তীব্র উত্তেজনা এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে প্রায় প্রতিদিনই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটেই এই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবে সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
সৌদি আরবে সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র ইয়ানবু বন্দরের সুরক্ষায় দেশটিতে সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ।

গত বৃহস্পতিবার দেশটির টেলিভিশন চ্যানেল টিএফ১ এবং ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। লোহিত সাগর তীরের এই বন্দরটি বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্প্রতি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়েছে ইয়ানবু বন্দর, যা হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার সময়ে সৌদি তেলের প্রধান বিকল্প রপ্তানি পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

ম্যাখোঁ বলেন, 'আমরা সেখানে সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে যাচ্ছি—অর্থাৎ এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি রক্ষার জন্য সেনা, রাডার ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হবে। কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং এই স্থাপনাটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আমরা এটি পাঠাচ্ছি।'

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় ম্যাখোঁ আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার যেকোনো পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতি ও স্বয়ং মার্কিন অর্থনীতির জন্য 'বিপর্যয়কর' হবে। যদিও হোয়াইট হাউস এমন কোনো পরিকল্পনা বিবেচনার কথা অস্বীকার করেছে। দেশে জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে চাপের মুখে থাকা ম্যাখোঁ ফরাসি নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, আসন্ন শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত গ্যাস ও তেলের মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ সচল রাখতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সাক্ষাৎকারে ফরাসি ভূখণ্ডে রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলার বিষয়েও সতর্ক করেন ম্যাখোঁ। তিনি স্প্যানিশ সংবাদপত্র 'এল মুন্দো'র একটি প্রতিবেদন নাকচ করে দেন, যেখানে বলা হয়েছিল যে ভূমধ্যসাগর থেকে সম্ভাব্য ড্রোন হামলার বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোকে সতর্ক করেছে মার্কিন সিআইএ।

ম্যাখোঁ বলেন, 'আমি এটি অস্বীকার করছি। সিআইএ ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থাকে এমন কোনো তথ্য দেয়নি।'

তবু ম্যাখোঁ বলেন, ইউরোপের দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়া একের পর এক শত্রুতামূলক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যর্থ লিপজিগ হামলার মতো আক্রমণের শিকার হতে পারে ফ্রান্সও। জার্মানি জানিয়েছে, আগস্টে লিপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার যে চেষ্টা হয়েছিল, এর জন্য রাশিয়াই দায়ী।

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি নিয়ে গত সপ্তাহে ম্যাখোঁ এলিসি প্রাসাদে ফ্রান্সের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোকে ড্রোন ও সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষায় একটি পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ম্যাখোঁ বলেন, ইউরোপকে ভয় দেখানো এবং ইউক্রেনকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর দৃঢ়তা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে মস্কো।

তবে ইউরোপে রাশিয়ার 'হাইব্রিড হামলা' নিয়ে ম্যাখোঁর অবস্থান এ সপ্তাহে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। কারণ, ফ্রান্সের উদ্যোগে রুশ-উজবেক ধাতু ব্যবসায়ী আলিশের উসমানভকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি কারণ হিসেবে দেখিয়েছে ফ্রান্স। এর পরিপ্রেক্ষিতে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে কারাগারে থাকা এক ফরাসি নাগরিককে ক্ষমা করে দেয় আজারবাইজান।

রাশিয়া অবশ্য ইউরোপের দেশগুলোর এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। মস্কোর ভাষ্য, এসব অভিযোগ রাশিয়াবিরোধী উন্মাদনার ফল।

হুথিদের ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদির

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
হুথিদের ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদির
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দৃশ্য।

সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় দুই শহর তায়েফ ও ইয়ানবুকে লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে—ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

বৃহস্পতিবার জোটের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে “হুথি সন্ত্রাসী মিলিশিয়াদের উৎক্ষেপণ করা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।”

সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় দুই শহর তায়েফ ও ইয়ানবুকে লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে—ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। আজ বৃহস্পতিবার জোটের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে "হুথি সন্ত্রাসী মিলিশিয়াদের উৎক্ষেপণ করা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই সময়োচিত তৎপরতার ফলে—পশ্চিম সৌদি আরবের দুই শহর তায়েফ এবং লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী ইয়ানবুতে হামলা চালানোর চেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।

হুথিদের হুশিয়ারি দিয়ে জোটের মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, "হুথি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর এই সংঘাত উস্কে দেওয়ার চেষ্টা ও যেকোনো ধরনের লঙ্ঘন অত্যন্ত কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।"

তবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশেই ধ্বংস করার পর—এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে আল-মালিকি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি।