৮ নভেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের কাছে ৫১ বিলিয়ন ডলার চায় হুতিরা

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
সৌদি আরবের কাছে ৫১ বিলিয়ন ডলার চায় হুতিরা

সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত বন্ধ করতে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ইয়েমেনে নিজেদের সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্তও দিয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের হামলা ও পাল্টা হামলার পর সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে। লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা বন্ধ এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে হুতিদের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় সৌদি আরব।

এর জবাবে হুতিরা ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তাদের দাবি, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের বোমাবর্ষণ ও নৌ অবরোধে ইয়েমেনে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করতেই এ অর্থ প্রয়োজন। তবে আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে দাবির পরিমাণ পরিবর্তিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল।

হুতিদের সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্তটিও সৌদি আরবের জন্য বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ। এমন স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ হবে, ইয়েমেনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব মেনে নেওয়া।

২০১৫ সালে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হয়। এরপর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

সৌদি যুবরাজের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান হুতিদের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ আলোচনায় যাওয়ার আগে যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চান। তবে ইয়েমেনে নতুন করে সেনা পাঠানোর বিষয়ে তাঁর প্রশাসনের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। কারণ, এতে সংঘাত আরও রক্তক্ষয়ী হয়ে উঠতে পারে এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরেও চাপ তৈরি হতে পারে।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের দাবি, ইয়েমেনে সৌদি আরবের কয়েকজন সেনা নিহত হলেও দেশটির সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

সৌদি কর্মকর্তাদের একাংশের আশঙ্কা, হুতিদের দাবিমতো বিপুল অর্থ দেওয়া হলে ভবিষ্যতে অর্থ আদায়ের জন্য তারা আবারও উত্তেজনা বাড়াতে পারে। এতে নতুন করে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মদিনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি

এদিকে সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় পবিত্র নগরী মদিনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা বলে দাবি করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

বৃহস্পতিবার ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয় বলে জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, হুতিদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি মাঝ আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে।

পর্যটন ভিসায় নতুন চার দেশকে যুক্ত করল সৌদি আরব

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
পর্যটন ভিসায় নতুন চার দেশকে যুক্ত করল সৌদি আরব

পর্যটন ও ভ্রমণ খাতকে আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চার দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা সুবিধা বাড়িয়েছে সৌদি আরব।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে মেক্সিকো, উত্তর মেসিডোনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং সার্বিয়ার নাগরিকেরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সৌদি আরবে পর্যটন ভিসার আবেদন করতে পারবেন।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন করে চারটি দেশের নাম ঘোষণা করেছে। এসব দেশের যোগ্য নাগরিকেরা এখন সৌদি আরবে ভ্রমণের জন্য পর্যটন ভিসার সুযোগ পাবেন।

এই ভিসার মাধ্যমে পর্যটকেরা বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ওমরাহ পালন করতে পারবেন। এ ছাড়া প্রদর্শনী ও সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং সৌদি আরবে বসবাসরত আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও থাকবে।

অফিশিয়াল ‘ভিজিট সৌদি’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশের যোগ্য নাগরিকেরা কয়েক ধরনের ভিসা সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে ই-ভিসা, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বিমানবন্দরে পৌঁছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা এবং ট্রানজিট ভিসা।

তবে প্রতিটি ভিসার ক্ষেত্রেই আলাদা যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্দিষ্ট নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হবে।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য ভ্রমণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশটিতে যাতায়াত আরও সহজ করার চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পর্যটন, ধর্মীয় সফর ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সৌদি আরবকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আরও আকর্ষণীয় করে তোলাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
সৌদি আরব ও সিরিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত

সৌদি আরব এবং সিরিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সম্প্রতি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে সৌদি আরব যখন নিজেদের নিরাপত্তা জোরদার করছে, ঠিক তখনই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এলো।

সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা রিয়াদ সফরে এসে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এক মাসের মধ্যে তাদের এটি দ্বিতীয় সাক্ষাৎ।

বৈঠকেই উভয় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার এই চুক্তিতে সই হয়।

সামরিক চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হুথি বিরোধী এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সিরিয়া সৌদি আরবকে কী ধরনের সাহায্য করতে পারে, চুক্তিটির মাধ্যমে সেই ভিত্তি তৈরি হলো।

এর আগে সিরীয় এক কূটনীতিক জানিয়েছিলেন, দুই দেশের যেকোনো সামরিক কিংবা অভিজ্ঞতা বিনিময় সরকারি চুক্তির মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।

প্রতিরক্ষা ছাড়াও সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন জোরদার করতে সৌদি আরব ৪০ কোটি ডলারের বেশি ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্পর্ক পুনর্গঠনে শুরু থেকেই সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি সরকার।

ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০
সানার একটি স্থাপনা থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হুথি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো। দেশটির আল-জাওফ, আল-বায়দা, সা’দা ও তাইজ প্রদেশে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। খবর আল জাজিরার

হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকায় ১০৪টি হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে বেসামরিক স্থাপনাও ছিল। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলা চালানো হয় বলে জানান তিনি।

এদিকে বুধবার এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, আল-জাওফ প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত আল-দাহিদা পর্বতমালায় তারা আরও অগ্রসর হয়েছে। হুথিদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ অগ্রগতি অর্জন করেছে তারা। এর আগের দিনই ওই পর্বতমালার গুরুত্বপূর্ণ উচ্চভূমিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল সরকারি বাহিনী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন স্থানে হুথিদের সমাবেশ ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় হুথি যোদ্ধাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এ ছাড়া ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগ বুধবার কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে অবরুদ্ধ তাইজ শহর ও আল-হাজম এলাকায় হুথি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর হামলার দৃশ্য দেখা গেছে।

জমজমের পানি পাচারের চেষ্টা, সৌদিতে শাস্তির মুখে অভিযুক্ত

প্রকাশ: বুধবার, নভেম্বর ০৪, ২০২৬
জমজমের পানি পাচারের চেষ্টা, সৌদিতে শাস্তির মুখে অভিযুক্ত

সৌদি আরব থেকে ৩৮০ লিটার জমজমের পানি পাচারের চেষ্টার দায়ে এক ব্যক্তিকে ৩ হাজার ৮০০ সৌদি রিয়াল (এক লাখ ২৫ হাজার ৭০০ বাংলাদেশি টাকা) জরিমানা করেছেন দেশটির শুল্ক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি জব্দ করা হয়েছে পানির পুরো চালান।

সোমবার (২ নভেম্বর) খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত দ্বিতীয় প্রাথমিক শুল্ক কমিটির এক রায়ে এ আদেশ দেওয়া হয়।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে কিং ফাহদ কজওয়ে শুল্ক চেকপোস্টে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এর পেছনের ডিকিতে লুকিয়ে রাখা ৩৮০ লিটার জমজমের পানি উদ্ধার করেন শুল্ক কর্মকর্তারা।

শুল্ক কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সৌদি আরবের বিধি অনুযায়ী জমজমের পানি দেশটির বাইরে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। যথাযথ ঘোষণা ছাড়াই এসব পানি বহনের চেষ্টা করায় ঘটনাটিকে শুল্ক পণ্য পাচার হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

রায়ে ওই ব্যক্তিকে জব্দ পানির সমমূল্য ৩ হাজার ৮০০ রিয়াল জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা পানির চালান বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সরকারি কৌঁসুলির পক্ষ থেকে জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ড এবং জব্দ করা পণ্য বাজেয়াপ্ত করার আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তির আগে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড না থাকায় কারাদণ্ডের আবেদন নাকচ করেন কমিটি। তাদের মতে, আরোপিত অন্যান্য শাস্তিই এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট।

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর অভিন্ন শুল্ক আইনের ১৪২, ১৪৪ ও ১৪৫ নম্বর ধারার আওতায় এ রায় দেওয়া হয়েছে। এসব ধারায় শুল্ক পণ্য পাচারের সংজ্ঞা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের শাস্তির বিধান উল্লেখ রয়েছে।

সূত্র: খালিজ টাইমস

কেনিয়া ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি সৌদি আরবের

প্রকাশ: সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
কেনিয়া ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি সৌদি আরবের

ইবোলা ভাইরাসের বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কেনিয়ার নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সাথে কেনিয়া থেকে আগত ভ্রমণকারীদের সব ধরনের ভিসা প্রদান বন্ধ এবং দেশটিতে তাদের প্রবেশও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)-র বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, সৌদিতে পৌঁছানোর আগের ২১ দিনের মধ্যে কেনিয়া বা ইবোলা উপদ্রুত অঞ্চলে অবস্থান করেছিলেন—এমন ভ্রমণকারীদের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ইবোলা প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের জুলাই থেকে এই নীতিমালা অনুসরণ করে আসছে দেশটি।

এর আগে চলতি বছরের জুনে ইবোলা নিয়ে উদ্বেগের কারণে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে নিজেদের নাগরিকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি ওই দেশগুলো থেকেও সৌদিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল রিয়াদ।

সৌদির জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কর্তৃপক্ষ ‘ওয়েগায়া’ জানিয়েছে, দেশটির সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।