৮ নভেম্বর ২০২৬

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছবি ও ভিডিও ধারণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছবি ও ভিডিও ধারণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ করা ও লাইভ স্ট্রিমিং করার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (Civil Aviation Authority)। নতুন নির্দেশনায় এসব ছবি বা ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনাটি মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং অন্যান্য সকল রেকর্ডিং ডিভাইসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। বিমানবন্দর প্রাঙ্গণ (Apron), প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত ভবনসহ কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ সকল স্থাপনা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

যেসব বিষয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে:

  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও চেকপয়েন্ট: সিকিউরিটি চেকিং, স্ক্যানার, আইডি পরিদর্শন কেন্দ্র এবং নজরদারি ক্যামেরা (CCTV)-এর কোনো অংশ ছবি বা ভিডিওতে আনা যাবে না।

  • অভ্যন্তরীণ নথি ও চিঠি: বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কাগজপত্র, গোপনীয় ফাইল বা অফিসিয়াল চিঠিপত্রের ছবি বা ভিডিও তোলা ও প্রকাশ নিষিদ্ধ।

  • রানওয়ে ও ফ্লাইট অপারেশন: রানওয়েতে উড়োজাহাজের ওঠানামা, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও কার্গো অপারেশন সম্পর্কিত কোনো ফুটেজ ধারণ বা পোস্ট করা যাবে না।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, গোপনীয়তা রক্ষা এবং অপারেশনাল কাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই নতুন সার্কুলার জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তথ্যসূত্র: কুয়েত সিভিল এভিয়েশন অথরিটি

ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্বে আইজেনকোট

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছবি ও ভিডিও ধারণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছবি ও ভিডিও ধারণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ করা ও লাইভ স্ট্রিমিং করার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (Civil Aviation Authority)। নতুন নির্দেশনায় এসব ছবি বা ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনাটি মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং অন্যান্য সকল রেকর্ডিং ডিভাইসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। বিমানবন্দর প্রাঙ্গণ (Apron), প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত ভবনসহ কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ সকল স্থাপনা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

যেসব বিষয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে:

  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও চেকপয়েন্ট: সিকিউরিটি চেকিং, স্ক্যানার, আইডি পরিদর্শন কেন্দ্র এবং নজরদারি ক্যামেরা (CCTV)-এর কোনো অংশ ছবি বা ভিডিওতে আনা যাবে না।

  • অভ্যন্তরীণ নথি ও চিঠি: বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কাগজপত্র, গোপনীয় ফাইল বা অফিসিয়াল চিঠিপত্রের ছবি বা ভিডিও তোলা ও প্রকাশ নিষিদ্ধ।

  • রানওয়ে ও ফ্লাইট অপারেশন: রানওয়েতে উড়োজাহাজের ওঠানামা, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও কার্গো অপারেশন সম্পর্কিত কোনো ফুটেজ ধারণ বা পোস্ট করা যাবে না।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, গোপনীয়তা রক্ষা এবং অপারেশনাল কাজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই নতুন সার্কুলার জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তথ্যসূত্র: কুয়েত সিভিল এভিয়েশন অথরিটি

ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্বে আইজেনকোট

শান্তি কোনো বিলাসিতা নয়: অক্সফোর্ড ইউনিয়নে কাতারের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬

বিভক্ত বিশ্বে বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর ও সমৃদ্ধ ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোকে আরও বড় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী। যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত অক্সফোর্ড ইউনিয়নে আয়োজিত এক বিশেষ বক্তৃতায় তিনি এই আহ্বান জানান।

‘একটি বিভক্ত বিশ্বে সমৃদ্ধি: ক্ষুদ্র রাষ্ট্রসমূহ এবং বৈশ্বিক প্রভাবের মানচিত্র পুনর্নির্ধারণ’ শীর্ষক এই লেকচারে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় ছোট কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন।

‘সমৃদ্ধ রাষ্ট্র’ (Prosperous States) ধারণার প্রস্তাবনা

ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের বিভাজন বর্তমান বৈশ্বিক অর্জনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নতুন একটি ধারণার প্রস্তাব করেন। তিনি এমন দেশগুলোকে ‘সমৃদ্ধ রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করেন—যেসব দেশ স্থিতিস্থাপক, অত্যন্ত স্থিতিশীল, বিশ্বস্ত এবং ক্ষুদ্র আকৃতিকে সুবিধায় রূপান্তর করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, যে দেশগুলো নিজেদের মানবসম্পদ, আধুনিক অবকাঠামো এবং টেকসই অর্থনৈতিক মডেলে বিনিয়োগ করে সফল হয়েছে, তাদের দায়িত্ব কেবল নিজের স্বার্থ দেখা নয়; বরং সম্মিলিত ও সুসংগঠিত উপায়ে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা।

আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা ও শান্তির প্রয়োজনীয়তা

১৯৪৫ সালের পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তি কেবল সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে না; বরং তা আইন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং উন্মুক্ত বাজারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ১২০টির বেশি দেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে যুক্ত হয়েছে, যা ক্ষুদ্র দেশগুলোকে আধিপত্যবাদ থেকে সুরক্ষা দিয়েছে এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।

তবে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় অর্থনৈতিক সুযোগ বিশ্বায়ন হলেও শান্তি ও নিরাপত্তার মূল সিদ্ধান্তগুলো মুষ্টিমেয় কিছু শক্তির হাতে কুক্ষিগত রয়েছে, যা বর্তমান আঞ্চলিক সংঘাতের মাধ্যমে ভারসাম্যহীনতা প্রকট করে তুলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের ফলে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া এবং বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ হুমকির মুখে পড়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যেসব রাষ্ট্র এই সংঘাতে জড়িত নয়, তাদেরও এর মূল্য চুকাতে হচ্ছে।

মধ্যস্থতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাতারের ভূমিকা

কাতারের ভূ-রাজনীতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কাতার উপলব্ধি করেছে যে দেশের ভবিষ্যৎ কেবল প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নয়, বরং বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সাথে গড়ে ওঠা সম্পর্ক এবং নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। কাতার তার এই অবস্থান থেকেই দ্বন্দ্ব নিরসনে মধ্যস্থতা এবং শান্তি বজায় রাখার কূটনৈতিক নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, শান্তিকে মানবতার স্বাভাবিক অবস্থা হিসেবে যারা বিশ্বাস করে না, কাতার এবং মধ্যস্থতাকারীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও বিভ্রান্তিকর narrativa প্রচার করা হচ্ছে। তবুও যুদ্ধ বা সংঘাতকে স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবে মেনে না নিয়ে বর্তমান নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং সমৃদ্ধ রাষ্ট্রগুলোর টেকসই উন্নয়নের প্রধান শর্ত। বর্তমান সংকটে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ও উত্তেজনা এড়াতে কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে না থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তৃতা শেষ করেন।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে দ্রুত শান্তি চুক্তির আহ্বান কাতারের

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে দ্রুত শান্তি চুক্তির আহ্বান কাতারের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে অবিলম্বে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে কাতার। পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাওয়ার আগেই দুই দেশকে সমঝোতায় আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান। এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংঘাতের অবসানে সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করার আর কোনো সুযোগ নেই। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।

এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন, চলমান আলোচনা এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় পক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছে দোহা।

শান্তি আলোচনা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অপপ্রচারেরও সমালোচনা করেন তিনি। মাজেদ আল-আনসারি বলেন, যারা যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায়, এসব অপপ্রচার কেবল তাদের স্বার্থই হাসিল করছে।

অন্যদিকে, কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে কাতারের এই উদ্যোগকে কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির শর্ত, আলোচনার অগ্রগতি কিংবা চুক্তির সময়সীমা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

কাতারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করলো দূতাবাস

প্রকাশ: শনিবার, নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কাতারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করলো দূতাবাস

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শনিবার দোহায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসের কর্মসূচির সূচনায় সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রবাসী সর্বস্তরের নাগরিকদের উপস্থিতিতে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হযরত আলী খান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও ৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদ এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-সহ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা যথাক্রমে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সরদার ইশতিয়াক আহমেদ এবং মোহাম্মদ মাশহুদুল কবির। এ সময় ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে নির্মিত দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

দূতালয় প্রধান বারিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাতারের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. হাসান মাহমুদ। তিনি ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সিপাহি-জনতার ঐক্যের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

আলোচনা পর্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, জুলাই যোদ্ধা জিহাদ নুর চেীধুরী,কাতার বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু সাইদ, কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমেদ খোকন, একেএম আমিনুল হক, শাহজাহান সাজু, জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, শফিকুল ইসলাম, ইসমাইল মনসুর, বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল এন্ড কলেজ-এর প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ হোসেন আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা ৭ই নভেম্বরের চেতনা, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব এবং দেশ গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ চেতনাই জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। তিনি সেই ঐক্য ও সংহতির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার পাশাপাশি স্বাগতিক দেশ কাতারের আইন ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশ স্কুল-এর শিক্ষার্থী, প্রবাসী বাংলাদেশী সংস্কৃতিকর্মী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ কবিতা আবৃত্তি ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। সবশেষে আমন্ত্রিত অতিথিগণকে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার-সহযোগে আপ্যায়ন করা হয় । এ মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠাল ইরান

প্রকাশ: শনিবার, নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠাল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। কাতারের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পাঠানো এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার আগে সাতটি শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

শর্তগুলো পূরণ না হলে কোনো আলোচনায় বসবে না বলেও জানিয়েছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে।

তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর দুই দেশের মধ্যে আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীরা তৎপরতা বাড়িয়েছেন।

নির্বাচনের পর ইরানে সামরিক অভিযান আবারও শুরু করার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অন্যদিকে যুদ্ধ শুরু হলে আরও বড় পরিসরে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাশিয়া সফরকালে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মহসেন রেজাই বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে সাতটি শর্ত দিয়েছে তেহরান।

এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না এবং কোনো আলোচনাতেও বসবে না ইরান।

ইরানের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছাড় এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান।

অন্যদিকে ওয়াশিংটন জানিয়েছে, কোনো শর্ত পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নয়, বরং যেকোনো প্রাথমিক আলোচনার শুরুতেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব স্থানে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান।

পরে লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠে। সম্প্রতি এ সংঘাতের বিস্তার ঘটেছে ইয়েমেনেও।

সেখান থেকে ইরানঘনিষ্ঠ হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে।