৮ নভেম্বর ২০২৬

কুয়েতে শিক্ষার্থীদের কাছে গোপনে ই-সিগারেট বিক্রি: ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
কুয়েতে শিক্ষার্থীদের কাছে গোপনে ই-সিগারেট বিক্রি: ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার

কুয়েতের সাদ আল-আবদুল্লাহ এলাকায় স্কুলের শিক্ষার্থী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরদের কাছে বেআইনিভাবে ই-সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য বিক্রির অভিযোগে ৫ জন বাংলাদেশী নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট।

কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম ‘অ্যারাব টাইমস’ জানায়, অভিযুক্তরা একটি আবাসিক ভবনে অবৈধ ও অননুমোদিত মুদি দোকান (বাকালা) পরিচালনা করছিলেন। তারা টেলিফোনে ও হোম ডেলিভারি অর্ডারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে গোপনে ই-সিগারেট সরবরাহ ও বেচাকেনা করতেন।

ওত পেতে হাতেনাতে আটক ও বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দনিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি জোরদার করে এবং এক শিক্ষার্থীর কাছে ই-সিগারেট হস্তান্তরের সময় প্রথম অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত বাসস্থানে অভিযান চালিয়ে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযানকালে ওই বাসা থেকে তল্লাশি চালিয়ে জব্দ করা হয়:

ই-সিগারেটের বড় বাক্স: ১৩টি

ই-সিগারেটের ছোট বাক্স: ২৩টি

তামাকপণ্যের ছোট প্যাকেট: ২১৯টি

নগদ অর্থ: বিক্রির ১,৭২২ কুয়েতি দিনার

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র গঠন করে অবৈধভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা এবং দায়িত্ব ভাগ করে পণ্য বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন। আটক ব্যক্তিদের এবং জব্দকৃত মালামাল আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য কুয়েত প্রশাসনের বার্তা ও সতর্কতাকুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ প্রজন্মের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ বাণিজ্যিক কার্যকলাপ বন্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এমন অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা, লাইসেন্সহীন বাকালা চালানো এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বা মাদকদ্রব্য বিক্রি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। সামান্য আর্থিক প্রলোভনে পড়ে এ জাতীয় আইনি জটিলতায় না জড়াতে এবং প্রবাস জীবনের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে না ফেলতে প্রবাসীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় / Arab Times)

কুয়েতে শিক্ষার্থীদের কাছে গোপনে ই-সিগারেট বিক্রি: ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
কুয়েতে শিক্ষার্থীদের কাছে গোপনে ই-সিগারেট বিক্রি: ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার

কুয়েতের সাদ আল-আবদুল্লাহ এলাকায় স্কুলের শিক্ষার্থী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরদের কাছে বেআইনিভাবে ই-সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য বিক্রির অভিযোগে ৫ জন বাংলাদেশী নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট।

কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম ‘অ্যারাব টাইমস’ জানায়, অভিযুক্তরা একটি আবাসিক ভবনে অবৈধ ও অননুমোদিত মুদি দোকান (বাকালা) পরিচালনা করছিলেন। তারা টেলিফোনে ও হোম ডেলিভারি অর্ডারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে গোপনে ই-সিগারেট সরবরাহ ও বেচাকেনা করতেন।

ওত পেতে হাতেনাতে আটক ও বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দনিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি জোরদার করে এবং এক শিক্ষার্থীর কাছে ই-সিগারেট হস্তান্তরের সময় প্রথম অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত বাসস্থানে অভিযান চালিয়ে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযানকালে ওই বাসা থেকে তল্লাশি চালিয়ে জব্দ করা হয়:

ই-সিগারেটের বড় বাক্স: ১৩টি

ই-সিগারেটের ছোট বাক্স: ২৩টি

তামাকপণ্যের ছোট প্যাকেট: ২১৯টি

নগদ অর্থ: বিক্রির ১,৭২২ কুয়েতি দিনার

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র গঠন করে অবৈধভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা এবং দায়িত্ব ভাগ করে পণ্য বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন। আটক ব্যক্তিদের এবং জব্দকৃত মালামাল আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য কুয়েত প্রশাসনের বার্তা ও সতর্কতাকুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ প্রজন্মের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ বাণিজ্যিক কার্যকলাপ বন্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এমন অভিযান কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা, লাইসেন্সহীন বাকালা চালানো এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বা মাদকদ্রব্য বিক্রি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। সামান্য আর্থিক প্রলোভনে পড়ে এ জাতীয় আইনি জটিলতায় না জড়াতে এবং প্রবাস জীবনের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে না ফেলতে প্রবাসীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় / Arab Times)

কুয়েতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা: বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কুয়েতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা: বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড

বিরোধের জেরে বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত।

কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনের তথ্যের বরাতে আজ বুধবার গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল দেশটির আদালত এ রায় দেন।

ওই ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

কৌঁসুলিরা জানান, নিহত ব্যক্তি আসামির স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন এবং বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও সেগুলো ডিলিট করতে অস্বীকৃতি জানান।

আসামি আদালতকে জানান, তার বন্ধু তার স্ত্রীর সম্মতি ছাড়াই তাদের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ছবিগুলো তুলেছিলেন।

তার স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য পোস্ট করার পর তিনি বন্ধুকে বারবার ছবিগুলো ডিলিট করার অনুরোধ করেন।

আসামি বলেন, তার বন্ধু আগের ছবিগুলোও ডিলিট করেননি, বরং পরে আরও ছবি পোস্ট করেন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার টানপোড়েন বেড়ে যায়।

তিনি আদালতকে বলেন, এই বিরোধের জেরে তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

কৌঁসুলিরা জানান, আসামি একটি ছুরি দিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং তার বন্ধু কর্মস্থলের ভেতরে আছেন নিশ্চিত হওয়ার পর বাইরে কাছাকাছি জায়গায় অপেক্ষা করতে থাকেন।

ভুক্তভোগী বাইরে বেরিয়ে এলে আসামি তার ওপর হামলা চালান এবং মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বারবার ছুরিকাঘাত করেন।

আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আসামি অভিযোগ স্বীকার করে নেন।

নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করায় কুয়েতে ৮৮৪৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ

প্রকাশ: সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করায় কুয়েতে ৮৮৪৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ

কর্মীদের নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করাসহ বিভিন্ন আর্থিক জটিলতায় জড়িত থাকার দায়ে পাঁচ বা ততোধিক শ্রমিক রয়েছে—এমন ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইল আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করেছে কুয়েতের পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার (প্যাম)।

একই ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত থাকা ৩৯ হাজার ৫৫৯টি প্রতিষ্ঠান সরকারি নীতিমালা মেনে সময়মতো বেতন পরিশোধ করায় সেগুলোকে নিয়মনিষ্ঠ বা কমপ্লায়েন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা যায়, প্যামের ডিজিটাল মজুরি পর্যবেক্ষণ বা ওয়েজ-পেমেন্ট মনিটরিং সিস্টেমে বর্তমানে সর্বমোট নিবন্ধিত ফাইলের সংখ্যা ১ লাখ ২৫২টি। এর মধ্যে পাঁচজনের কম কর্মী রয়েছে এমন ক্ষুদ্র ব্যবসা বা নিয়োগকর্তাদের ফাইলের সংখ্যা ৫১ হাজার ৮৪৪টি।

অন্যদিকে পাঁচ বা তার বেশি কর্মী রয়েছে এমন মাঝারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের মোট ফাইল সংখ্যা ৪৮ হাজার ৪০৮টি; যার মধ্যে থেকেই ৮ হাজার ৮৪৯টি প্রতিষ্ঠানের ফাইলে বেতন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে কর্মীদের বেতন থেকে অর্থ কাটার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে সর্বোচ্চ ১৩টি সুনির্দিষ্ট ও বৈধ কারণ নির্ধারণ করে দিয়েছে প্যাম।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশে বা বিদেশে কাটানো অবৈতনিক ছুটি (আনপেইড লিভ), সন্তান প্রতিপালনের ছুটি (চাইল্ডকেয়ার লিভ), অসুস্থতাজনিত ছুটি (সিক লিভ), আংশিক বেতনভুক্ত ছুটি, সাময়িক বরখাস্ত বা সাসপেনশন, কর্মক্ষেত্র থেকে অনুমতি ছাড়া প্রস্থান, কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং নোটিশ ছাড়া অনুপস্থিতিসহ কর্মীদের পেশাগত মর্যাদাসংক্রান্ত অন্যান্য বৈধ কারণ।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মীর বেতন থেকে অর্থ কর্তন করতে হলে সেই পদক্ষেপের আইনগত যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ও বৈধ নথিপত্র কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ ছাড়া কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়ে প্যাম স্পষ্ট করেছে, কোনো অবস্থাতেই এক মাসে কোনো কর্মীর মূল বেতনের ২৫ শতাংশের বেশি অর্থ কাটা যাবে না। এই সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কর্তনের ক্ষেত্রেও কর্তনের বৈধতা নিশ্চিতকারী সুনির্দিষ্ট নথিপত্র সংযুক্ত করা আবশ্যক।

হরমুজ প্রণালিতে কুয়েতি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে কুয়েতি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়েছে একটি কুয়েতি পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকার। ‘এমটি আল দাসমা’ নামের ট্যাংকারটিতে ২১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন।

এই ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং জাহাজে থাকা সব নাবিকই নিরাপদে আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল।

হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় বুধবার (২১ অক্টোবর) ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল’ আঘাত হানে ট্যাংকারটিতে। ওমানের বুখা থেকে প্রায় ১১ সামুদ্রিক মাইল পশ্চিমে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ট্র্যাক করে যুক্তরাজ্যের সামরিক নজরদারি সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।

কুয়েতি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস কুয়েত’-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, হামলার পরপরই ট্যাংকারটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে জাহাজের ক্রুরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ঘটনার পর থেকে জাহাজটি ওই স্থানেই অবস্থান করছে এবং ক্রুদের সবাই নিরাপদে রয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ভারতের নৌমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জানান, ‘২১ অক্টোবর ২১ জন ভারতীয় নাবিককে বহনকারী কুয়েতি পতাকাবাহী তেল ট্যাংকার এমটি আল দাসমা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল দ্বারা আক্রান্ত হয়। আমাদের ২১ জন ভারতীয় ক্রু সদস্যসহ জাহাজে থাকা অন্য সব ক্রুই সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন।’

সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলা আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

কুয়েতে সড়কে ময়লা ফেলায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি ট্রাকচালক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
কুয়েতে সড়কে ময়লা ফেলায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি ট্রাকচালক গ্রেপ্তার

কুয়েতের জাবরিয়া এলাকায় সড়ক নোংরা করার দায়ে এক প্রবাসী বাংলাদেশি ট্রাকচালককে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েত পুলিশ।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাধারণ ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার চালককে দেশে ফেরত পাঠানোর আগ পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে। তার গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার বাংলাদেশি চালকের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি কুয়েত পুলিশ।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ বিভাগের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ শাখা একটি অভিযোগ পাওয়ার পর ওই চালককে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত অনুযায়ী, চালক এমন একটি লাইসেন্স নিয়ে ট্রাক চালাচ্ছিল যেটি তাকে চালানোর অনুমতি দেয়নি।

তাকে দুটি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে—সড়কে আবর্জনা ফেলা এবং এমন লাইসেন্স নিয়ে ট্রাক চালানো যেটি ট্রাক চালানোর অনুমতি দেয় না। তাকে ট্রাফিক আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে এবং নির্বাসন কার্যক্রমের আগে হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী তার গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

বিভাগটি বলেছে, তারা এ ধরনের আচরণ বরদাস্ত করবে না এবং সড়ক নিরাপত্তা ও দেশের সড়কের সৌন্দর্য রক্ষায় আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।