৮ নভেম্বর ২০২৬

রিয়াদ-দাম্মামগামী ফ্লাইট সঙ্কটে ভোগান্তিতে ২৩ হাজার সৌদি প্রবাসী

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রিয়াদ-দাম্মামগামী ফ্লাইট সঙ্কটে ভোগান্তিতে ২৩ হাজার সৌদি প্রবাসী

ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন অব্যাহত রয়েছে। গত ১০ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এ দুই গন্তব্যের ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২৩ হাজার ৮৫ জন যাত্রী।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ১৮০টি ফ্লাইটের মধ্যে ১০৩টি সরাসরি এবং ৭৭টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫১টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২১টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ২১টি রয়েছে।

অন্যদিকে, বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।

এসব ফ্লাইটের যাত্রীদের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে রিয়াদ ও দাম্মামে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এসব উড়োজাহাজ ঢাকা থেকে যাত্রী পরিবহন করেনি। ফলে সৌদি আরবগামী বিপুলসংখ্যক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এর আগে হুতিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে দাম্মামেও হামলার ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রথমে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখে। পরে সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়। ফলে দুই রুটে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ার কথা শুনলেই এখন গায়ে জ্বর ওঠে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

রিয়াদ-দাম্মামগামী ফ্লাইট সঙ্কটে ভোগান্তিতে ২৩ হাজার সৌদি প্রবাসী

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
রিয়াদ-দাম্মামগামী ফ্লাইট সঙ্কটে ভোগান্তিতে ২৩ হাজার সৌদি প্রবাসী

ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন অব্যাহত রয়েছে। গত ১০ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এ দুই গন্তব্যের ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২৩ হাজার ৮৫ জন যাত্রী।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ১৮০টি ফ্লাইটের মধ্যে ১০৩টি সরাসরি এবং ৭৭টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫১টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২১টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ২১টি রয়েছে।

অন্যদিকে, বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।

এসব ফ্লাইটের যাত্রীদের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে রিয়াদ ও দাম্মামে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় এসব উড়োজাহাজ ঢাকা থেকে যাত্রী পরিবহন করেনি। ফলে সৌদি আরবগামী বিপুলসংখ্যক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এর আগে হুতিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে দাম্মামেও হামলার ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রথমে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখে। পরে সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়। ফলে দুই রুটে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ার কথা শুনলেই এখন গায়ে জ্বর ওঠে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

মালয়েশিয়ার কথা শুনলেই এখন গায়ে জ্বর ওঠে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

প্রকাশ: রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
মালয়েশিয়ার কথা শুনলেই এখন গায়ে জ্বর ওঠে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

মালয়েশিয়ার কথা শুনলেই আমার এখন আসলে গায়ে জ্বর ওঠে যায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘মালয়েশিয়া নিয়ে এত আলোচনা শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছি। এখানেও ক্যানসারের মতো সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে।’

গতকাল শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) দেশের বেসরকারী স্যাটেলাইটভিত্তিক টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলতে শোনা যায়।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “মালয়েশিয়ার কথা শুনলেই এখন আমার গায়ে জ্বর ওঠে যায়।

কারণ, মালয়েশিয়া নিয়ে এত আলোচনা শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেছি। এখানেও ক্যানসারের মতো সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে। কে কার পক্ষে, আর কে কার পকেটে—তা বোঝা মুশকিল।”

ডিসেম্বর থেকে বিনা খরচে বিদেশে যাবেন প্রবাসী কর্মী

প্রকাশ: শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬
ডিসেম্বর থেকে বিনা খরচে বিদেশে যাবেন প্রবাসী কর্মী

আগামী ডিসেম্বর বিজয়ের মাস থেকেই বিনা খরচে বিদেশে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানান, এ মাসে দুটি বা তিনটি ফ্লাইটের মাধ্যমে বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগটি চালু করা হবে। পাশাপাশি অন্যান্য চাহিদাপত্রের ভিত্তিতেও কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের মিলনায়তনে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণকারী তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্টদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী জানান, নতুন এই ব্যবস্থায় কর্মীদের বিদেশ যেতে কোনো অর্থ দিতে হবে না। সব খরচ বিদেশি নিয়োগকর্তা বা তাদের প্রতিষ্ঠান বহন করবে। প্রক্রিয়াটি সহজ করতে বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কিছু সার্ভিস চার্জও বাদ দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর কাজ নির্দিষ্ট কয়েকটি এজেন্সির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি যাতে সমান সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ বিষয়ে একটি নতুন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হবে। এছাড়া কর্মীদের বিদেশে যেকোনো সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে আলাদা সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

মেডিকেল পরীক্ষার ফি প্রসঙ্গে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য মেডিকেল ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যবসাকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে। গুটিকয়েক ব্যক্তির অনিয়মের কারণে পুরো খাত যেন বিতর্কিত না হয়। ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি মানুষের কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং কর্মীদের বিদেশের আইনকানুন সম্পর্কে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ভূমিকাই মুখ্য। কোনো এজেন্সির অবহেলা বা অনিয়মের কারণে যেন দরিদ্র মানুষ ভোগান্তিতে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেন।

মতবিনিময় সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমাদুল হক, রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কাতার সশস্ত্র বাহিনীতে বাংলাদেশিদের নিয়োগে কাতারের প্রতিনিধি দল ঢাকায়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডাব্লিউসি, পিএসসি-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতার মিলিটারি পুলিশ ফোর্সেস-এর কমান্ডার মেজর জেনারেল রশীদ মোহাম্মদ মাসুদ আল-হবাব আল-হাজরী।

আজ বুধবার (০৪ নভেম্বর ২০২৬) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এই উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। মেজর জেনারেল রশীদ আল-হাজরী এই সাক্ষাতে কাতার সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দেশ থেকে টাকা পাচার করে কাতারে শীর্ষ ব্যবসায়ী সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান হান্নান

সামরিক সহযোগিতা ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার

সাক্ষাৎকালে উভয় সামরিক কর্মকর্তা পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি কাতার ও বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্ক এবং কৌশলগত কৌশলগত বন্ধনকে আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

বাংলাদেশে কাতার প্রতিনিধি দলের সফরের উদ্দেশ্য

উল্লেখ্য, কাতার সশস্ত্র বাহিনীতে প্রেষণে নিয়োজিত হওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অভিজ্ঞ সদস্যদের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় জনবল বাছাইয়ের অংশ হিসেবে কাতার মিলিটারি পুলিশ ফোর্সেস-এর এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছে।

দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার এই পারস্পরিক আস্থা ও জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া বাংলাদেশ ও কাতারের ঐতিহাসিক সামরিক সহযোগিতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন ইরানের রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন ইরানের রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন ইরানের রাষ্ট্রদূত

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ নিরাপদে পারাপার করতে ঢাকাকে অবশ্যই তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

আজ বুধবার ঢাকায় ইরান দূতাবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, হরমুজে তেহরানের নির্দেশনা মেনেই জাহাজ চালাতে হবে।

তিনি বলেন, ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া কোনো দেশই এই কৌশলগত নৌপথ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি পরিবহন করতে পারবে না।

তিনি বলেন, ‘হরমুজ পার হতে অবশ্যই ইরানের বেঁধে দেওয়া নির্দেশনা মানতে হবে।’

বাংলাদেশের জন্য জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করেন।

কোনো বাংলাদেশি জাহাজ প্রণালি পার হয়েছে কি না, জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, গোপনীয় এই তথ্য শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছেই আছে।

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, ইরান, কাতার ও ওমানের এ বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং আর কোনো হামলা না করার নিশ্চয়তা এর প্রধান শর্ত।

জলিল রহিমি আরও বলেন, রোহিঙ্গা মুসলিমরা যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ইরান তাদের সমর্থন করবে।

ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, যেকোনো সংঘাতের জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের ওপর পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সমান জবাব দেওয়া হবে।