১১ অক্টোবর ২০২৬

দোহা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬: নারী নির্মাতা ও বৈচিত্র্যময় গল্পের চমক

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

দোহা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (DFF) আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর জন্য মনোনীত ১৫টি চলচ্চিত্রের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। আরব বিশ্ব, এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং আমেরিকা অঞ্চল থেকে আসা স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সাহসী, বৈচিত্র্যময় ও স্বতন্ত্র নির্মাণশৈলী স্থান পেয়েছে এবারের সংক্ষিপ্ত তালিকায়।

মনোনীত ১৫টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ১১টি চলচ্চিত্রই দোহা ফিল্ম ইনস্টিটিউটের (DFI) অনুদান প্রোগ্রামের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন নারী পরিচালকরা। কম প্রতিনিধিত্বশীল বা পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অপ্রকাশিত গল্পগুলোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে আনার প্রতিশ্রুতি হিসেবেই এই ছবিগুলোকে নির্বাচন করা হয়েছে।

ফাতেমা হাসান আল-রুমাইহির বার্তা:

দোহা ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সিইও এবং উৎসব পরিচালক ফাতেমা হাসান আল-রুমাইহি বলেন, "সীমানা পেরিয়ে মানুষের মাঝে সংযোগ তৈরি করার এক অদ্ভুত শক্তি রয়েছে চলচ্চিত্রের। ভৌগোলিক দূরত্ব ও পার্থক্য যেখানে দূরত্ব তৈরি করে, চলচ্চিত্র সেখানে মানুষকে একসূত্রে গাঁথে। দোহা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল মূলত সেই সব নির্মাতাদের একটি নিজস্ব ঠিকানা দেওয়ার জন্যই তৈরি হয়েছে, যারা গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে অদেখা ও আনকোরা গল্পগুলো পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন।"

তিনি আরও যোগ করেন যে, নির্বাচিত এই ১৫টি চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সাহস, কল্পনাশক্তি এবং সময়ের তাগিদ প্রকাশ করে। এই শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলো বৈশ্বিক দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় দোহা অংশ হতে পেরে গর্বিত।

পুরস্কার ও বিচারক প্যানেল:

আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম প্রতিযোগিতা ক্যাটাগরিতে মনোনীত কথাসাহিত্য নির্ভর (Narrative) এবং তথ্যচিত্রগুলো (Documentary) মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (MENA) অঞ্চলে প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার হবে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতের পাঁচজন খ্যাতিমান পেশাদারের সমন্বয়ে গঠিত একটি জুরি বোর্ড নিম্নলিখিত পুরস্কারগুলো প্রদান করবেন:

সেরা ফিকশন/ন্যারেটিভ পুরস্কার: ৭৫,০০০ মার্কিন ডলার

সেরা তথ্যচিত্র পুরস্কার: ৫০,০০০ মার্কিন ডলার

সেরা শৈল্পিক কৃতিত্ব পুরস্কার: ৪৫,০০০ মার্কিন ডলার

সেরা অভিনয় পুরস্কার: ১৫,০০০ মার্কিন ডলার

এছাড়াও, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ফিল্ম ক্রিটিকস (FIPRESCI) তিন সদস্যের এক পৃথক জুরি বোর্ড নিয়ে এবারের উৎসবে যোগ দিচ্ছে। প্রতিযোগিতায় সেরা ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখা চলচ্চিত্রটিকে তারা বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করবে।

উৎসবের সময়সূচি:

আগামী ১৯ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দোহায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র উৎসব। যেখানে বিশ্বজুড়ে স্বাধীন চলচ্চিত্রের মূলধারার সাথে যুক্ত নির্মাতা, দর্শক এবং ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এক প্ল্যাটফর্মে সমবেত হবেন।

দোহা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬: নারী নির্মাতা ও বৈচিত্র্যময় গল্পের চমক

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬

দোহা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (DFF) আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর জন্য মনোনীত ১৫টি চলচ্চিত্রের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। আরব বিশ্ব, এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং আমেরিকা অঞ্চল থেকে আসা স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সাহসী, বৈচিত্র্যময় ও স্বতন্ত্র নির্মাণশৈলী স্থান পেয়েছে এবারের সংক্ষিপ্ত তালিকায়।

মনোনীত ১৫টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ১১টি চলচ্চিত্রই দোহা ফিল্ম ইনস্টিটিউটের (DFI) অনুদান প্রোগ্রামের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন নারী পরিচালকরা। কম প্রতিনিধিত্বশীল বা পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অপ্রকাশিত গল্পগুলোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে আনার প্রতিশ্রুতি হিসেবেই এই ছবিগুলোকে নির্বাচন করা হয়েছে।

ফাতেমা হাসান আল-রুমাইহির বার্তা:

দোহা ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সিইও এবং উৎসব পরিচালক ফাতেমা হাসান আল-রুমাইহি বলেন, "সীমানা পেরিয়ে মানুষের মাঝে সংযোগ তৈরি করার এক অদ্ভুত শক্তি রয়েছে চলচ্চিত্রের। ভৌগোলিক দূরত্ব ও পার্থক্য যেখানে দূরত্ব তৈরি করে, চলচ্চিত্র সেখানে মানুষকে একসূত্রে গাঁথে। দোহা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল মূলত সেই সব নির্মাতাদের একটি নিজস্ব ঠিকানা দেওয়ার জন্যই তৈরি হয়েছে, যারা গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে অদেখা ও আনকোরা গল্পগুলো পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন।"

তিনি আরও যোগ করেন যে, নির্বাচিত এই ১৫টি চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সাহস, কল্পনাশক্তি এবং সময়ের তাগিদ প্রকাশ করে। এই শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলো বৈশ্বিক দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় দোহা অংশ হতে পেরে গর্বিত।

পুরস্কার ও বিচারক প্যানেল:

আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম প্রতিযোগিতা ক্যাটাগরিতে মনোনীত কথাসাহিত্য নির্ভর (Narrative) এবং তথ্যচিত্রগুলো (Documentary) মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (MENA) অঞ্চলে প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার হবে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতের পাঁচজন খ্যাতিমান পেশাদারের সমন্বয়ে গঠিত একটি জুরি বোর্ড নিম্নলিখিত পুরস্কারগুলো প্রদান করবেন:

সেরা ফিকশন/ন্যারেটিভ পুরস্কার: ৭৫,০০০ মার্কিন ডলার

সেরা তথ্যচিত্র পুরস্কার: ৫০,০০০ মার্কিন ডলার

সেরা শৈল্পিক কৃতিত্ব পুরস্কার: ৪৫,০০০ মার্কিন ডলার

সেরা অভিনয় পুরস্কার: ১৫,০০০ মার্কিন ডলার

এছাড়াও, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ফিল্ম ক্রিটিকস (FIPRESCI) তিন সদস্যের এক পৃথক জুরি বোর্ড নিয়ে এবারের উৎসবে যোগ দিচ্ছে। প্রতিযোগিতায় সেরা ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখা চলচ্চিত্রটিকে তারা বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করবে।

উৎসবের সময়সূচি:

আগামী ১৯ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দোহায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র উৎসব। যেখানে বিশ্বজুড়ে স্বাধীন চলচ্চিত্রের মূলধারার সাথে যুক্ত নির্মাতা, দর্শক এবং ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এক প্ল্যাটফর্মে সমবেত হবেন।

মারা গেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০৮, ২০২৬
মারা গেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ার ডোনা পাওলায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ বাসভবনে আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। দ্রুত তাকে মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা দীর্ঘ ৪৫ মিনিট যাবৎ সিপিআর দিয়ে তাকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তবে সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে ভোর ৫:২০ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার গণমাধ্যমকে জানান, ‘টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়ার পরও তার কোনো সাড়া মেলেনি। একটি মেডিকো-লিগ্যাল কেস (MLC) দায়ের করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে।

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, মুখ খুললেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ খ্যাত অভিনেতা পাভেল

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, মুখ খুললেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ খ্যাত অভিনেতা পাভেল

আলোচিত ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর অভিনেতা সাইদুর রহমান পাভেল। তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি আপত্তিকর ভিডিও।
ভিডিওটি নিয়ে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন এই অভিনেতা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে থাকা নারী সম্পর্কে পাভেল জানান, তিনি তার বান্ধবী।

তবে তাদের সম্পর্ককে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ধরনের আলোচনা হচ্ছে, সেটির সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই বলে জানিয়েছেন অভিনেতা।

পাভেলের কথায়, ভিডিওতে থাকা ওই নারী তার বান্ধবী। এর বাইরে তাদের মধ্যে অন্য কোনো সম্পর্ক নেই।

ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা তৈরি হলেও পাভেলের বক্তব্যে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। তার দাবি, ওই নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধুত্ব ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও আলোচনা তৈরি হয়। পাভেলের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে ভিডিওটি ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনার প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকে ‘বজরা বাজারের জাকির’ চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি খ্যাতি লাভ করেন পাভেল। বর্তমানে নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি।

ফাঁসতে পারেন জয়া, চঞ্চল ও শাওনসহ ৯০ জন, দুদকে অনুসন্ধানের আবেদন

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ফাঁসতে পারেন জয়া, চঞ্চল ও শাওনসহ ৯০ জন, দুদকে অনুসন্ধানের আবেদন

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মদদপুষ্ট হয়ে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার অভিযোগে অভিনেত্রী জয়া আহসান, অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অনুসন্ধানের আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের’ সভাপতি আলম আয়াসের নেতৃত্বে সংগঠনটির সদস্যরা দুদক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন জমা দেন।

আবেদনে বলা হয়, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুবিধাপ্রাপ্ত গণমাধ্যমকর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়াবিদ ও শিক্ষাবিদ রয়েছেন। গত ১৭ বছরে সরকারি সুনজরে থেকে তারা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অর্জিত অর্থের একটি অংশ রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্টদের সম্পদের উৎস যাচাই, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং তদন্ত করে দুদক আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আবেদনটি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দুদক সচিব।

আবেদনে বিনোদন অঙ্গনের তালিকায় সাবেক সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, জয়া আহসান, চঞ্চল চৌধুরী, মেহের আফরোজ শাওন, সুবর্ণা মুস্তাফা, রোকেয়া প্রাচী, জায়েদ খান, তারানা হালিম, প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, নিপুণ আক্তার, তানভিন সুইটি, মাহিয়া মাহি, ভাবনা, স্বাগতা, জ্যোতিকা জ্যোতি, সাইমন সাদিক ও পরিচালক বজলুর রশিদ চৌধুরীসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া গণমাধ্যম অঙ্গনে নাইমুল ইসলাম খান, সুভাষ সিংহ রায়, সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, নাসিমা খান মন্টি ও আশরাফুল আলম খোকন এবং ক্রীড়া অঙ্গনে মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, নাইমুর রহমান দুর্জয়, কাজী নাবিল আহমেদ ও আরিফ খান জয়সহ কয়েকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ডিসেম্বরে বিয়ে করছেন মিমি, পাত্র নৌবাহিনীর সদস্য!

প্রকাশ: রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
ডিসেম্বরে বিয়ে করছেন মিমি, পাত্র নৌবাহিনীর সদস্য!

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী চলতি বছরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন—এমন খবর প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম আনন্দবাজার ও সংবাদ প্রতিদিন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ডিসেম্বরেই পাহাড়ি শহর কালিম্পঙে বসতে পারে মিমির বিয়ের আসর।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। চলছে শপিং ও নিমন্ত্রণপত্র বিলির কাজ। এমনকি বিয়ের আগে নভেম্বরেই আংটিবদল হতে পারে বলেও জানা গেছে। তবে বিয়ে নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি মিমি।

গুঞ্জনের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে অভিনেত্রীর হবু স্বামীর পরিচয়ও। শোনা যাচ্ছে, সিদ্ধার্থ নামের এক ব্যক্তি মিমির জীবনসঙ্গী হতে যাচ্ছেন, যিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর সদস্য। টালিপাড়ার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে মিমি কিংবা সিদ্ধার্থ—কেউই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।

মিমির প্রেম ও বিয়ে নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন সময় গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে অভিনেত্রী বরাবরই এসব বিষয়ে নীরব থেকেছেন। কয়েক বছর আগে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ে করতে হলে আগে পাত্র খুঁজতে হবে, দেখা-সাক্ষাতের জন্যও সময় প্রয়োজন—যেটা তখন তাঁর ছিল না। এবার সেই ব্যস্ত অভিনেত্রীর জীবনেই নাকি চুপিসারে এসেছেন বিশেষ কেউ।

২০১০ সালে ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকে ‘পুপে’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান মিমি। ২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। এরপর ‘বোঝে না সে বোঝে না’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। ২০২৪ সালে শাকিব খানের বিপরীতে রায়হান রাফীর ‘তুফান’ সিনেমায় অভিনয়ের পর বাংলাদেশেও তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়।

অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৯ সালে রাজনীতিতেও পা রাখেন মিমি। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন তিনি। বর্তমানে অভিনয়ের কাজ নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেত্রী। পূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’।