১ নভেম্বর ২০২৬

ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি সমাধান? জেনে নিন প্রতিকার

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি সমাধান? জেনে নিন প্রতিকার

স্মার্টফোন ধীরগতিতে কাজ করলে কিংবা হ্যাং হয়ে গেলে অনেকেই দ্রুত রিস্টার্ট করেন। এতে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধানও হয়। তবে ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি কার্যকর সমাধান? নাকি এতে প্রকৃত সমস্যাটি আড়ালেই থেকে যাচ্ছে? বিষয়টি জানা জরুরি।

রিস্টার্ট করলে ফোনে কী ঘটে?

অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন রিস্টার্ট করলে অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে আবার চালু হয়। একই সঙ্গে চলমান অ্যাপ ও সাময়িক সিস্টেম প্রক্রিয়াগুলো নতুন করে শুরু হয়। ফলে কোনো অ্যাপ আটকে গেলে, ফোন হঠাৎ হ্যাং করলে কিংবা সফটওয়্যারে সাময়িক ত্রুটি দেখা দিলে রিস্টার্টের মাধ্যমে তা ঠিক হতে পারে।

তবে রিস্টার্ট করলেই ফোনের প্রসেসর আরও দ্রুত কাজ করতে শুরু করে, বিষয়টি এমন নয়। এটি মূলত সাময়িক সফটওয়্যারজনিত সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। তাই ফোন ধীরগতিতে কাজ করলেই বারবার রিস্টার্ট করার প্রয়োজন নেই।

কখন ফোন রিস্টার্ট করা উচিত?

কোনো অ্যাপ বারবার বন্ধ হয়ে গেলে, স্ক্রিনে সমস্যা দেখা দিলে কিংবা ফোন অস্বাভাবিকভাবে আটকে গেলে একবার রিস্টার্ট করে দেখতে পারেন। সফটওয়্যার আপডেটের পরও অনেক সময় ফোন পুনরায় চালু করার প্রয়োজন হয়।

তবে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ফোন রিস্টার্ট করতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। আধুনিক স্মার্টফোনে মেমোরি ও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপ পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী রিস্টার্ট করাই যথেষ্ট।

ফোন ধীরগতির হওয়ার পেছনে যেসব কারণ

স্মার্টফোন স্লো হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে যাওয়া: ফোনের স্টোরেজে জায়গা কমে গেলে বিভিন্ন অ্যাপ ও সিস্টেমের কাজ ব্যাহত হতে পারে।

ভারী অ্যাপের ব্যবহার: বেশি মেমোরি ও প্রসেসিং ক্ষমতা প্রয়োজন হয়, এমন অ্যাপ ফোনের কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

পুরোনো সফটওয়্যার: অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপের পুরোনো সংস্করণে ত্রুটি থাকলে ফোনের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে।

ব্যাটারির সমস্যা: ব্যাটারি পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ হলে কিছু ফোনে কার্যক্ষমতা সীমিত হয়ে যেতে পারে।

হার্ডওয়্যারের সীমাবদ্ধতা: পুরোনো ফোনে আধুনিক ও ভারী অ্যাপ চালানোর সময় ধীরগতি দেখা দিতে পারে।

ফোনের গতি বাড়াতে কী করবেন?

ফোন ধীরগতিতে কাজ করলে প্রথমেই অপ্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ও ফাইল সরিয়ে স্টোরেজ খালি করুন। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করেন না, সেগুলো আনইনস্টল করতে পারেন। পাশাপাশি অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপের হালনাগাদ সংস্করণ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।

কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সময় ফোন স্লো হয়ে গেলে সেটি আপডেট করা বা অ্যাপটির ক্যাশ পরিষ্কার করে দেখতে পারেন। তবে ক্যাশ পরিষ্কার করার সঙ্গে অ্যাপের ডেটা মুছে ফেলার বিষয়টি এক নয়—তাই সেটিংস পরিবর্তনের আগে সতর্ক থাকুন।

এসব পদক্ষেপ নেওয়ার পরও ফোন বারবার হ্যাং করলে ব্যাটারি, সফটওয়্যার কিংবা হার্ডওয়্যারের সমস্যা পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারের সহায়তা নিন।

বারবার রিস্টার্ট করলেই কি ফোনের ক্ষতি হয়?

সাধারণভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী ফোন রিস্টার্ট করলে ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে ঘন ঘন রিস্টার্ট করেও যদি ফোনের ধীরগতি না কমে, তাহলে একই কাজ বারবার করে খুব একটা লাভ হবে না। বরং সমস্যার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা জরুরি।

মনে রাখতে হবে, রিস্টার্ট সাময়িক সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে কার্যকর হলেও স্টোরেজের ঘাটতি, ব্যাটারির ত্রুটি কিংবা হার্ডওয়্যারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। তাই ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট না করে আগে সমস্যার কারণ খুঁজে বের করুন।

ক্রিপ্টো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হ্যাক: বাইন্যান্স থেকে ৬৩৬ কোটি ডলার চুরি

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
ক্রিপ্টো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হ্যাক: বাইন্যান্স থেকে ৬৩৬ কোটি ডলার চুরি

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স থেকে ৬৩৬ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি করেছে হ্যাকাররা। বিশ্লেষকদের মতে, ক্রিপ্টোকারেন্সির ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় হ্যাকের ঘটনা। এ ঘটনায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ডিজিটাল সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্লকচেইন বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান টিআরএম ল্যাবস ও চেইন্যালাইসিসের দাবি অনুযায়ী, এ হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা জড়িত। টিআরএম ল্যাবস জানিয়েছে, ১০টি ব্লকচেইনে থাকা বাইন্যান্সের বিভিন্ন ওয়ালেট লক্ষ করে হামলা চালানো হয়। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে চুরি হওয়া অর্থের বেশিরভাগ সরিয়ে নেয় হামলাকারীরা। এ ঘটনায় সব লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে।

বাইন্যান্স জানিয়েছে, বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় চুরি হওয়া সম্পদের মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ কোটি ডলার জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ৩৩০ কোটি ডলারের বিষয়ে কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। তবে বাইন্যান্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা ই হে বলেছেন, হ্যাকিংয়ের কারণে হওয়া সব ক্ষতির দায় নেবে এক্সচেঞ্জটি।

বাইন্যান্স থেকে ৬৩৬ কোটি ডলার চুরির নেপথ্যে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা!

বাইন্যান্স আরও জানিয়েছে, গ্রাহকদের জমা রাখা অর্থ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আবারও অর্থ উত্তোলনের সেবা চালু করার আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। টিআরএম ল্যাবস বলছে, হামলার ধরন ও কৌশলের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্ট আগের কয়েকটি সাইবার হামলার মিল রয়েছে।

এর মধ্যে ২০২৫ সালে ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বাইবিটে চালানো হামলার কথাও রয়েছে। ওই হামলার জন্য উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। এক বিবৃতিতে টিআরএম ল্যাবস বলেছে, উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তাদের মূল্যায়ন উচ্চ মাত্রায় নিশ্চিত। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে রয়টার্সের পক্ষ থেকে জেনেভায় উত্তর কোরিয়ার মিশন ও চীনে দেশটির দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ফোল্ডেবল ফোন এনে হোঁচট খেল প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল

এ ঘটনার পর শুক্রবার এশিয়ার বাজারে ক্রিপ্টোকারেন্সির দামে বড় ধরনের পতন দেখা যায়। বিটকয়েনের দাম ৩ শতাংশের বেশি কমে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন ৭৬ হাজার ৩৬৮ ডলারে নেমে আসে। ইথারের দামও ৩ শতাংশের বেশি কমে দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ২ হাজার ১৭৮ ডলারে দাঁড়ায়। বাইন্যান্সের নিজস্ব ক্রিপ্টো টোকেন বিএনবির দামও গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ শতাংশ কমে ৭০৯ ডলার ৭০ সেন্টে নেমে আসে।

ক্রিপ্টো বাজারের তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কয়েনগেকোর হিসাবে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ কয়েনবেসের শেয়ারের দাম ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে যায়। বিটকয়েনে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান স্ট্র‍্যাটেজির শেয়ারের দামও প্রায় ৬ শতাংশ কমে।

বাইন্যান্সের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটির একজন প্রকৌশলীর হ্যাক হওয়া ল্যাপটপের মাধ্যমে এ হামলার সূত্রপাত হতে পারে। ওই ল্যাপটপ ব্যবহার করে হামলাকারীরা বাইন্যান্সের একটি সিস্টেমে প্রবেশের সুযোগ পায় এবং অনুমতি ছাড়া অর্থ সরিয়ে নেয়। বাইন্যান্স জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। হ্যাক হওয়া কম্পিউটারটি কীভাবে হামলার প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা দল।

হংকংভিত্তিক হ্যাশকি গ্রুপের জ্যেষ্ঠ গবেষক টিম সান বলেন, এ ঘটনা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ আরও কমিয়ে দিতে পারে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত এক্সচেঞ্জে রাখা সম্পদের নিরাপত্তা, প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা এবং তারল্য নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারেন বিনিয়োগকারীরা।

বিশ্বজুড়ে বাইন্যান্সের নিবন্ধিত ব্যবহারকারী ৩৩ কোটি ৫০ লাখ। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের হেফাজতে থাকা সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৬ হাজার ২৮০ কোটি ডলার। বাইন্যান্সের গ্রাহকদের সম্পদ সুরক্ষায় একটি বিশেষ তহবিল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বিটকয়েনে রাখা এ তহবিল নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় গ্রাহকদের সম্পদ সুরক্ষায় ব্যবহারের জন্য গঠন করা হয়েছে।

এদিকে, স্টেবলকয়েন ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান টেথার জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৫৭ কোটি ডলারের সম্পদ তারা জব্দ করেছে। আরেক প্রতিষ্ঠান সার্কেল জব্দ করেছে ৮০ কোটি ডলারের বেশি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যানশিয়াল জানিয়েছে, চুরি হওয়া অর্থ জব্দ করতে তারা ক্রিপ্টো সম্পদ সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান বিটগোর সঙ্গে কাজ করেছে।

বাইন্যান্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা ই হে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের স্টেবলকয়েন এবং ওয়ার্ল্ড লিবার্টির প্রায় ২০ লাখ ডলারের টোকেন জব্দ করা হয়েছে। ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান রিপলও প্রায় ২০ কোটি ডলারের সম্পদ জব্দ করেছে বলে জানিয়েছেন ই হে।

ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি সমাধান? জেনে নিন প্রতিকার

রিপলের স্টেবলকয়েন বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যাক ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ জব্দে কাজ করছেন। রয়টার্সকে ক্রিপ্টো বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আর্কহ্যামের প্রধান নির্বাহী মিগুয়েল মোরেল বলেন, তাদের তথ্য-উপাত্তে দেখা যাচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো পক্ষ বাইন্যান্স থেকে কয়েকশ কোটি ডলারের সম্পদ চুরি করেছে।

ক্রিপ্টো খাতে ধারাবাহিক চুরির ঘটনার মধ্যে সর্বশেষ এ হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। টিআরএম ল্যাবসের গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর প্রায় ১৫০টি পৃথক হামলায় ২৯০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি হয়েছিল। গত সেপ্টেম্বরে ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বিটগেটও জানিয়েছিল, তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি হয়েছে।

ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি সমাধান? জেনে নিন প্রতিকার

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি সমাধান? জেনে নিন প্রতিকার

স্মার্টফোন ধীরগতিতে কাজ করলে কিংবা হ্যাং হয়ে গেলে অনেকেই দ্রুত রিস্টার্ট করেন। এতে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধানও হয়। তবে ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট করা কি কার্যকর সমাধান? নাকি এতে প্রকৃত সমস্যাটি আড়ালেই থেকে যাচ্ছে? বিষয়টি জানা জরুরি।

রিস্টার্ট করলে ফোনে কী ঘটে?

অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন রিস্টার্ট করলে অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে আবার চালু হয়। একই সঙ্গে চলমান অ্যাপ ও সাময়িক সিস্টেম প্রক্রিয়াগুলো নতুন করে শুরু হয়। ফলে কোনো অ্যাপ আটকে গেলে, ফোন হঠাৎ হ্যাং করলে কিংবা সফটওয়্যারে সাময়িক ত্রুটি দেখা দিলে রিস্টার্টের মাধ্যমে তা ঠিক হতে পারে।

তবে রিস্টার্ট করলেই ফোনের প্রসেসর আরও দ্রুত কাজ করতে শুরু করে, বিষয়টি এমন নয়। এটি মূলত সাময়িক সফটওয়্যারজনিত সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। তাই ফোন ধীরগতিতে কাজ করলেই বারবার রিস্টার্ট করার প্রয়োজন নেই।

কখন ফোন রিস্টার্ট করা উচিত?

কোনো অ্যাপ বারবার বন্ধ হয়ে গেলে, স্ক্রিনে সমস্যা দেখা দিলে কিংবা ফোন অস্বাভাবিকভাবে আটকে গেলে একবার রিস্টার্ট করে দেখতে পারেন। সফটওয়্যার আপডেটের পরও অনেক সময় ফোন পুনরায় চালু করার প্রয়োজন হয়।

তবে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ফোন রিস্টার্ট করতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। আধুনিক স্মার্টফোনে মেমোরি ও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপ পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী রিস্টার্ট করাই যথেষ্ট।

ফোন ধীরগতির হওয়ার পেছনে যেসব কারণ

স্মার্টফোন স্লো হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে যাওয়া: ফোনের স্টোরেজে জায়গা কমে গেলে বিভিন্ন অ্যাপ ও সিস্টেমের কাজ ব্যাহত হতে পারে।

ভারী অ্যাপের ব্যবহার: বেশি মেমোরি ও প্রসেসিং ক্ষমতা প্রয়োজন হয়, এমন অ্যাপ ফোনের কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

পুরোনো সফটওয়্যার: অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপের পুরোনো সংস্করণে ত্রুটি থাকলে ফোনের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে।

ব্যাটারির সমস্যা: ব্যাটারি পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ হলে কিছু ফোনে কার্যক্ষমতা সীমিত হয়ে যেতে পারে।

হার্ডওয়্যারের সীমাবদ্ধতা: পুরোনো ফোনে আধুনিক ও ভারী অ্যাপ চালানোর সময় ধীরগতি দেখা দিতে পারে।

ফোনের গতি বাড়াতে কী করবেন?

ফোন ধীরগতিতে কাজ করলে প্রথমেই অপ্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ও ফাইল সরিয়ে স্টোরেজ খালি করুন। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করেন না, সেগুলো আনইনস্টল করতে পারেন। পাশাপাশি অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপের হালনাগাদ সংস্করণ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করুন।

কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সময় ফোন স্লো হয়ে গেলে সেটি আপডেট করা বা অ্যাপটির ক্যাশ পরিষ্কার করে দেখতে পারেন। তবে ক্যাশ পরিষ্কার করার সঙ্গে অ্যাপের ডেটা মুছে ফেলার বিষয়টি এক নয়—তাই সেটিংস পরিবর্তনের আগে সতর্ক থাকুন।

এসব পদক্ষেপ নেওয়ার পরও ফোন বারবার হ্যাং করলে ব্যাটারি, সফটওয়্যার কিংবা হার্ডওয়্যারের সমস্যা পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারের সহায়তা নিন।

বারবার রিস্টার্ট করলেই কি ফোনের ক্ষতি হয়?

সাধারণভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী ফোন রিস্টার্ট করলে ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে ঘন ঘন রিস্টার্ট করেও যদি ফোনের ধীরগতি না কমে, তাহলে একই কাজ বারবার করে খুব একটা লাভ হবে না। বরং সমস্যার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা জরুরি।

মনে রাখতে হবে, রিস্টার্ট সাময়িক সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে কার্যকর হলেও স্টোরেজের ঘাটতি, ব্যাটারির ত্রুটি কিংবা হার্ডওয়্যারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। তাই ফোন স্লো হলেই বারবার রিস্টার্ট না করে আগে সমস্যার কারণ খুঁজে বের করুন।

কাতারে সম্পন্ন হলো 'মিলিপোল কাতার ২০২৬': ৮১৯.৭৭ মিলিয়ন রিয়ালের চুক্তি সই

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
কাতারে সম্পন্ন হলো 'মিলিপোল কাতার ২০২৬': ৮১৯.৭৭ মিলিয়ন রিয়ালের চুক্তি সই

কাতারে শেষ হয়েছে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষাবিষয়ক প্রদর্শনী ‘মিলিপোল কাতার ২০২৬’-এর ১৬তম আসর।

তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ২৭০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রদর্শনী চলাকালে মোট ৯৬টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ৮১৯.৭৭ মিলিয়ন কাতারি রিয়াল।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রদর্শনীটির সমাপ্তির তথ্য জানায়। রাজধানী দোহার দোহা এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ১৬ হাজারের বেশি দর্শনার্থী অংশ নেন, যা আগের আসরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।

সমাপনী সংবাদ সম্মেলনে মিলিপোল কাতার কমিটির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসের বিন ফাহাদ আল থানি বলেন, বর্তমান সময়ের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি নিরাপত্তা সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এবারের প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘আন্তর্জাতিক দোহা সম্মেলন অন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি’। সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, প্রযুক্তির ওপর আস্থা, সুশাসন, সার্বভৌমত্ব এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এ ছাড়া প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় ‘এলিট চ্যাম্পিয়নশিপ ফর দ্য ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জ’। শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, শৃঙ্খলা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বিকাশে এ আয়োজন ভূমিকা রাখে।

মিলিপোল এক্সিবিশনসের পরিচালক কারেন গালস্তিয়ান বলেন, এ প্রদর্শনী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি নীতিনির্ধারক এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, তিন দশক ধরে গড়ে ওঠা এ অংশীদারত্ব আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি সফল দৃষ্টান্ত।

আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, মিলিপোল কাতারের পরবর্তী আসর অনুষ্ঠিত হবে ২০২৮ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত।

অফলাইনেও সময়মতো পৌঁছে যাবে আপনার জরুরি বার্তা

প্রকাশ: শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
অফলাইনেও সময়মতো পৌঁছে যাবে আপনার জরুরি বার্তা

ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকলেও নির্ধারিত সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজ পৌঁছে যাবে প্রাপকের কাছে—জনপ্রিয় বার্তা আদান-প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হতে যাচ্ছে এমনই এক চমকপ্রদ সুবিধা। নতুন এই ‘মেসেজ শিডিউলিং’ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বার্তা, ছবি বা ভিডিও আগে থেকেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শিডিউল করে রাখতে পারবেন।

ফলে প্রিয়জনের জন্মদিনে রাত ১২টায় শুভেচ্ছা পাঠানো কিংবা জরুরি কোনো তথ্য সময়মতো জানাতে আর নির্দিষ্ট মুহূর্তে অনলাইনে থাকার প্রয়োজন হবে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড বিটা সংস্করণ ২.২৬.৪০.৭-এ নতুন ফিচারটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি চালু হলে ব্যবহারকারীরা কাঙ্ক্ষিত চ্যাটে গিয়ে মেসেজ লেখার পর সেন্ড বাটন কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখলেই একটি পপ-আপ উইন্ডো দেখতে পাবেন। সেখান থেকে মেসেজ পাঠানোর নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় নির্বাচন করা যাবে।

শুধু লিখিত বার্তা নয়, ছবি, ভিডিও ও লিংকও নির্ধারিত সময়ে পাঠানোর জন্য শিডিউল করা যাবে। ছবি বা ভিডিও পাঠানোর আগে তাতে ফিল্টার, ক্যাপশন কিংবা ড্রয়িং যুক্ত করার সুবিধাও থাকবে। এতে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বার্তা তৈরি করে আগেই পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

নতুন ফিচারের মাধ্যমে অন্তত ১০ মিনিট পর থেকে শুরু করে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে যেকোনো সময়ের জন্য মেসেজ শিডিউল করা যাবে। নির্ধারিত সময় আসার ব্যবহারকারীরা আগপর্যন্ত চাইলে শিডিউল করা বার্তা সম্পাদনা কিংবা মুছে ফেলাও সম্ভব হবে। ফলে পরিকল্পনা পরিবর্তন হলে নতুন করে বার্তা তৈরি করার প্রয়োজন পড়বে না।

ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও ব্যবহার করা যাবে এ সুবিধা। গ্রুপে জরুরি ঘোষণা, প্রয়োজনীয় তথ্য কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে পাঠানোর মতো বার্তা আগেই তৈরি করে রাখা যাবে। এতে ব্যস্ততার কারণে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠাতে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে।

ফিচারটির উল্লেখযোগ্য দিক হলো, নির্ধারিত সময়ে ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ খোলা না থাকলেও বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই বার্তা পাঠানোর বিষয়টি প্রযুক্তিগতভাবে কীভাবে কাজ করবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিডিউল করা বার্তাগুলো এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের আওতায় থাকবে বলে জানা গেছে। ফলে নতুন সুবিধা চালু হলেও বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিরাপত্তাব্যবস্থা বজায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে প্ল্যাটফর্মটির।

বর্তমানে ফিচারটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের নির্দিষ্টসংখ্যক বিটা ব্যবহারকারী পরীক্ষামূলকভাবে এটি ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। পরীক্ষা শেষ করে কবে নাগাদ ফিচারটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বজুড়ে ট্যুরিজম শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির বিপ্লব

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০১, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে ট্যুরিজম শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির বিপ্লব

বর্তমান বিশ্বে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তথ্য খোঁজা বা ভাষা অনুবাদের গণ্ডি পেরিয়ে এখন ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি সেবা প্রদান এবং পর্যটনকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তায় প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রযুক্তির নানা ব্যবহার ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট:

  • নিরাপত্তা ও যোগাযোগ: সিঙ্গাপুরে মানুষের চলাচল বিশ্লেষণ করে অতিরিক্ত ভিড় এড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ভাষা সংক্রান্ত বাধা দূর করতে এআই অনুবাদসেবা ও চ্যাটবট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ও বিশেষ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পর্যটকরা জরুরি সহায়তা ও দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন।

  • ডিজিটাল অ্যাপ ও এআই যন্ত্র: থাইল্যান্ডে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পর্যটকদের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি কোনো পর্যটক বিপদে পড়লে এআই-সক্ষম পরিধানযোগ্য যন্ত্রের সাহায্যে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সতর্ক করা সম্ভব।

  • ভিড় ব্যবস্থাপনা: ইতালির ভেনিসে অতিরিক্ত পর্যটকদের চাপ ও চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে ভিড় বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • ড্রোন নজরদারি: দুবাই, গ্রিস ও চীনের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও ঐতিহাসিক স্থানে আকাশপথে নিরাপত্তা ও নজরদারির কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্মার্ট পর্যটনের উত্থান ও বৈশ্বিক পরিবর্তন:

২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক পর্যটনখাত মূলত চারটি ধাপ—কোভিড-পূর্ব শক্তিশালী অবস্থান, ২০২০ সালের মহামারীজনিত ধস, ২০২১-২৩ সালের দ্রুত পুনরুত্থান এবং ২০২৪ সাল থেকে মহামারী পূর্ববর্তী অবস্থাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। এই পুনরুদ্ধারের সাথে সাথেই পর্যটনখাতে ডিজিটাল সেবা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের জন্য করণীয়:

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নেও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার বাড়াতে হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা, সঠিক তথ্যপ্রাপ্তি, ভিড় ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি সেবার মান উন্নত করতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন জরুরি। প্রশিক্ষিত জনবল এবং সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্যে রূপান্তর করা সম্ভব।