৬ নভেম্বর ২০২৬

কাতার যাওয়ার আগেই সড়কে প্রাণ গেল তরুণের

প্রকাশ: শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬
কাতার যাওয়ার আগেই সড়কে প্রাণ গেল তরুণের

কাতার যাওয়ার দিন তারিখ প্রায়ই চুড়ান্ত। আর মাত্র ১২ দিন পর ১৫ নভেম্বর কাতারের উদ্দেশ্য যাওয়ার কথা ছিল মোঃ তরিক (৩২) নামক যুবকের। স্ত্রী সন্তান ও বাবা -মায়ের স্বপ্ন ছিল তরিকের পাঠানো টাকা দিয়ে বাড়ী- গাড়ি করবে। কিন্তু বিধাতার নিয়তির কাছে হার মানতে হলো তরিকের।

একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তার তাজা প্রাণ মুহুর্তের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে যায়। পরিবারের সকল স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে যায়। এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের মেনাপুর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে।

নিহত তরিক মতলব দক্ষিণ উপজেলার ডিঙ্গাভাঙ্গা গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তরিক ওইদিন সকালে মতলবের ডিংগাভাংগা নিজ বাড়ী থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলার মেনাপুর গ্রামে তার মামা শ্বশুর বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

মেনাপুর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে যাওয়ার পর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতিতে চালিয়ে আসা মোটরসাইকেলটি তাকে ধাক্কা দেয়। সাথে সাথে তরিক রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায় এবং মাথায় প্রচন্ড আঘাত পায়।

স্থানীয় এলাকাবাসী সাথে সাথে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেল চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও পরে তার পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম মোস্তাফিজুর রহমান (২২),পিতা-বাবুল প্রধানিয়া, মাতা- শাহিনুর বেগম, গ্রাম- মকুন্দশার।

এদিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পংকজ জানান, যুবককে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। নিহতের পারিবারিক সূত্র গেছে,তরিক চলতি মাসের ১৫ তারিখ কাতার যাওয়ার সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে ছিল।

তরিকের মৃত্যুতে পরিবার পরিজন ছাড়াও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রবাসীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা

প্রকাশ: শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬
প্রবাসীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা
দুবাইয়ে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিআইপি (এনআরবি) সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী/ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশিদের মর্যাদা রক্ষা ও পরিচয় নিশ্চিত করতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা সহজে সরকারি সেবা ও সহযোগিতা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম শক্তি। তাদের বিনিয়োগে শিল্প, কৃষি, পর্যটন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিআইপি (এনআরবি) সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

দেশের শ্রম পরিস্থিতির কারণে সরাসরি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারলেও ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সম্মাননাপ্রাপ্ত সিআইপিসহ উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রী। প্রবাসী ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতি ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অবদান রাখছেন উল্লেখ করে তাদের প্রশংসা করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীরা পরিবার-পরিজন ছেড়ে বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের লাখ লাখ পরিবার উপকৃত হচ্ছে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে। রেমিট্যান্স পাঠানোর পাশাপাশি প্রবাসীরা বিদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে দেশটির রাষ্ট্রপতি, সরকারপ্রধান ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান মন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়বে।

সম্মাননাপ্রাপ্ত সিআইপিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু বাড়িঘর নির্মাণে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কৃষি, পর্যটন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বিদেশের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের পরিধি বাড়ানো, বিভিন্ন দেশে কর্মীর চাহিদা সম্পর্কে সরকারকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশের আইনকানুন মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যেন দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ না হয়। সফল আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রবাসীদের মেধা, শ্রম ও বিনিয়োগ কাজে লাগিয়ে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ডিসেম্বর থেকে বিনা খরচে বিদেশে কর্মী পাঠানো শুরু: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক, আবুধাবিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ড. মোহাম্মেদ সাঈদ আল কিন্দি এবং দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান।

কাতার যাওয়ার আগেই সড়কে প্রাণ গেল তরুণের

প্রকাশ: শুক্রবার, নভেম্বর ০৬, ২০২৬
কাতার যাওয়ার আগেই সড়কে প্রাণ গেল তরুণের

কাতার যাওয়ার দিন তারিখ প্রায়ই চুড়ান্ত। আর মাত্র ১২ দিন পর ১৫ নভেম্বর কাতারের উদ্দেশ্য যাওয়ার কথা ছিল মোঃ তরিক (৩২) নামক যুবকের। স্ত্রী সন্তান ও বাবা -মায়ের স্বপ্ন ছিল তরিকের পাঠানো টাকা দিয়ে বাড়ী- গাড়ি করবে। কিন্তু বিধাতার নিয়তির কাছে হার মানতে হলো তরিকের।

একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তার তাজা প্রাণ মুহুর্তের মধ্যেই নিঃশেষ হয়ে যায়। পরিবারের সকল স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে যায়। এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের মেনাপুর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে।

নিহত তরিক মতলব দক্ষিণ উপজেলার ডিঙ্গাভাঙ্গা গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তরিক ওইদিন সকালে মতলবের ডিংগাভাংগা নিজ বাড়ী থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলার মেনাপুর গ্রামে তার মামা শ্বশুর বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

মেনাপুর বাদশা মিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে যাওয়ার পর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতিতে চালিয়ে আসা মোটরসাইকেলটি তাকে ধাক্কা দেয়। সাথে সাথে তরিক রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায় এবং মাথায় প্রচন্ড আঘাত পায়।

স্থানীয় এলাকাবাসী সাথে সাথে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেল চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও পরে তার পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম মোস্তাফিজুর রহমান (২২),পিতা-বাবুল প্রধানিয়া, মাতা- শাহিনুর বেগম, গ্রাম- মকুন্দশার।

এদিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পংকজ জানান, যুবককে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। নিহতের পারিবারিক সূত্র গেছে,তরিক চলতি মাসের ১৫ তারিখ কাতার যাওয়ার সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে ছিল।

তরিকের মৃত্যুতে পরিবার পরিজন ছাড়াও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্কিন নির্বাচনে জয়, ফের স্টেট সিনেটর হলেন বাংলাদেশি শেখ রহমান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
মার্কিন নির্বাচনে জয়, ফের স্টেট সিনেটর হলেন বাংলাদেশি শেখ রহমান

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন। শেখ রহমান নামে পরিচিত এই রাজনীতিক ডেমোক্র্যাটিক পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছেন। সাধারণ নির্বাচনে তার বিপরীতে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি।

শেখ মুজাহিদুর রহমানের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর গ্রামে। তার এই অর্জনে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

জর্জিয়া স্টেট সিনেটের নির্বাচনি ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যটির ডিস্ট্রিক্ট-৫ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ রহমান। প্রাথমিক ফলাফলে তার নামে ৩৫ হাজার ১০১ ভোট দেখানো হয়েছে। তবে সাধারণ নির্বাচনে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় নিশ্চিত হয়।

এর আগে গত ১৯ মে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন তিনি। ওই নির্বাচনে শেখ রহমান পেয়েছিলেন ৬ হাজার ১৮৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাককয় পেয়েছিলেন ৫ হাজার ১৬৬ ভোট।

২০১৮ সালে প্রথমবার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন শেখ রহমান। তিনি অঙ্গরাজ্যটির প্রথম মুসলিম ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর হিসেবে পরিচিতি পান। এরপর থেকে সিনেটের ৫ নম্বর আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

শেখ রহমান কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজিবুর রহমানের ছেলে। তার বাবা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের আগরতলায় ‘জয় বাংলা যুব শিবির’-এর ক্যাম্প সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শেখ রহমান কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের বড় ভাই। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।

শেখ রহমানের জয়ের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তার মা সৈয়দা হাজেরা খাতুন। ছেলের সাফল্যে আনন্দিত মা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলে একদিন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হবে।’

ছোট ভাই ও সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, বড় ভাইয়ের এই বিজয়ে তারা আনন্দিত। তিনি, তার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা শেখ রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। মাসের শেষ দিকে তার বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

শেখ রহমানের ভাতিজা শেখ রাফিদ রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় তার চাচার সিনেটর নির্বাচিত হওয়ায় পরিবার ও এলাকাবাসী গর্বিত। একজন বাংলাদেশি মুসলিম হিসেবে এই অর্জনের পথ সহজ ছিল না। ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় দায়িত্বে উন্নীত হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

১৯৮১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান শেখ রহমান। পরে জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে পরাজিত করে জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন শেখ মুজাহিদুর রহমান।

মালয়েশিয়া কর্মী পাঠাতে অননুমোদিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
মালয়েশিয়া কর্মী পাঠাতে অননুমোদিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে শুরু হবে। এর আগে কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা বা করানো যাবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা খুব শিগ‌গিরই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈ‌দে‌শিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এই তথ‌্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

বিজ্ঞ‌প্তি‌তে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত মেডিকেল সেন্টারগুলোর বিষয়ে খোঁজখবর রাখার জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হলো। কোনো মেডিকেল সেন্টার সরকারি নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

৩১ অক্টোবরের আগে করা কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না এবং ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না।

কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। কিছু দালাল ও অসাধু এজেন্সি অনুমতি ছাড়া মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের নিকট থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। কর্মীদের এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার এবং অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র এবং ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাসম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাতিল করা হতে পারে।

অবৈধ বা অনুমোদনহীন স্বাস্থ্য পরীক্ষা কিংবা এ ধরনের কার্যক্রমের তথ্য জানা থাকলে ঘটনার তারিখ, স্থান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম এবং প্রমাণসহ মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হচ্ছে (ইমেইল[email protected])।

কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় মন্ত্রণালয় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত রাখবে। সব সংশ্লিষ্ট কর্মী, রিক্রুটিং এজেন্সি ও মেডিকেল সেন্টারকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।

জনস্বার্থে সরকারি এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ প্রবাসী বাংলাদেশি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ প্রবাসী বাংলাদেশি
লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ মিসরাতা শহরে প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন

লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালায় আটক থাকা আরও ১৭২ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে তাঁদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় মিসরাতা শহর থেকে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন। তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে সম্মত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন অসুস্থ রয়েছেন।

দেশে ফেরার আগে লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ মিসরাতা শহরে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রি-ডিপার্চার ব্রিফিংয়ে তিনি অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি এবং এর শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষতিকর দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিবিয়ায় আটক এবং স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দূতাবাস কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা বন্দিশালায় আটক বাংলাদেশিসহ অন্যান্য বিপদগ্রস্ত অভিবাসীদের দ্রুত দেশে ফেরাতে আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হচ্ছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরেন।