২৫ জুন ২০২৬

দুবাই বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিপর্যয়, শতাধিক বিলম্ব

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
দুবাই বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিপর্যয়, শতাধিক বিলম্ব

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিলম্বে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিলম্বে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। ২২ জুন একদিনেই বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের শতাধিক ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং অন্তত একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই বিমানবন্দরে সৃষ্ট এ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী যাত্রীদের ওপর।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এমিরেটস, স্পাইসজেট, ফ্লাইনাস, ইজিপ্টএয়ার, রয়্যাল জর্ডানিয়ানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারেনি। বিলম্বিত ফ্লাইটের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়েছে এবং অনেকের সংযোগ ফ্লাইটও বিঘ্নিত হয়েছে।

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব হওয়ায় এখানকার যেকোনো বড় ধরনের বিলম্ব দ্রুত বৈশ্বিক রুট নেটওয়ার্কে প্রভাব ফেলে। এবারের বিলম্বের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, ইতালি, তিউনিসিয়া, ইসরায়েল, ভারত, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র এবং আরও অনেক আন্তর্জাতিক গন্তব্যের ফ্লাইট সূচিতে প্রভাব পড়েছে।

বিমান সংস্থাগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প সময়সূচি নির্ধারণ, যাত্রীদের পুনরায় বুকিং এবং সংযোগ ফ্লাইট সমন্বয়ের কাজ শুরু করেছে। তবে এত বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে। ফলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পরিচালনাগত সমস্যা দেখা দিলে তা দ্রুত অন্যান্য রুটেও ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে দূরপাল্লার ফ্লাইট, ট্রানজিট যাত্রী এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি অনুভূত হয়।

এদিকে যাত্রীদের সর্বশেষ ফ্লাইট তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে এবং বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাদের সংযোগ ফ্লাইট রয়েছে, তাদেরও বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে আগে থেকেই নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

যদিও বিলম্বের সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে বিমান সংস্থাগুলো দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর হওয়ায় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই ধরনের বড় আকারের ফ্লাইট বিলম্ব আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার ওপরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুবাই বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিপর্যয়, শতাধিক বিলম্ব

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
দুবাই বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিপর্যয়, শতাধিক বিলম্ব

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিলম্বে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ফ্লাইট বিলম্বে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। ২২ জুন একদিনেই বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের শতাধিক ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং অন্তত একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই বিমানবন্দরে সৃষ্ট এ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী যাত্রীদের ওপর।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এমিরেটস, স্পাইসজেট, ফ্লাইনাস, ইজিপ্টএয়ার, রয়্যাল জর্ডানিয়ানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারেনি। বিলম্বিত ফ্লাইটের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়েছে এবং অনেকের সংযোগ ফ্লাইটও বিঘ্নিত হয়েছে।

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব হওয়ায় এখানকার যেকোনো বড় ধরনের বিলম্ব দ্রুত বৈশ্বিক রুট নেটওয়ার্কে প্রভাব ফেলে। এবারের বিলম্বের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভ্যন্তরীণ রুটের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, ইতালি, তিউনিসিয়া, ইসরায়েল, ভারত, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র এবং আরও অনেক আন্তর্জাতিক গন্তব্যের ফ্লাইট সূচিতে প্রভাব পড়েছে।

বিমান সংস্থাগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প সময়সূচি নির্ধারণ, যাত্রীদের পুনরায় বুকিং এবং সংযোগ ফ্লাইট সমন্বয়ের কাজ শুরু করেছে। তবে এত বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে। ফলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পরিচালনাগত সমস্যা দেখা দিলে তা দ্রুত অন্যান্য রুটেও ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে দূরপাল্লার ফ্লাইট, ট্রানজিট যাত্রী এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি অনুভূত হয়।

এদিকে যাত্রীদের সর্বশেষ ফ্লাইট তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে এবং বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাদের সংযোগ ফ্লাইট রয়েছে, তাদেরও বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে আগে থেকেই নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

যদিও বিলম্বের সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে বিমান সংস্থাগুলো দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে। বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর হওয়ায় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই ধরনের বড় আকারের ফ্লাইট বিলম্ব আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ব্যবস্থার ওপরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য আরব আমিরাতে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
১৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য আরব আমিরাতে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি, ক্ষতিকর কনটেন্ট এবং ডিজিটাল আসক্তি থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে দেশটির মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ১৫ বছরের নিচে কোনো শিশু ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, এক্স (সাবেক টুইটার) কিংবা স্ন্যাপচ্যাটে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলতে বা ব্যবহার করতে পারবে না।

তারা পোস্ট করা, মন্তব্য করা, পাবলিক গ্রুপে অংশ নেওয়া কিংবা অনলাইন আলোচনায় যুক্ত হওয়ার সুযোগও পাবে না। এমনকি অভিভাবকের অনুমতিও এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে না।

তবে ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের জন্য সীমিত আকারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ বয়সী ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকিপূর্ণ ফিচার নিষ্ক্রিয়করণ এবং বাধ্যতামূলক প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ব্যবস্থার মতো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে নির্ভরযোগ্য বয়স যাচাই পদ্ধতি চালু করতে হবে। এ জন্য ডিজিটাল আইডি, পরিচয়পত্র যাচাই, বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি অথবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বয়স নির্ধারণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা যেতে পারে। শুধু ব্যবহারকারীর দেওয়া বয়স বা তথ্যের ভিত্তিতে অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ থাকবে না।

নতুন নীতিমালায় শিশুদের অনলাইন কার্যকলাপ বা আগ্রহের ভিত্তিতে লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিয়মবহির্ভূত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা এবং বয়সসীমা এড়ানোর চেষ্টা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরব আমিরাতের কাছে সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে ভারত

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
আরব আমিরাতের কাছে সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করবে ভারত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মোস সহ কয়েকটি প্রধান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করতে চায় ভারত। এজন্য আমিরাতের সাথে আলোচনাও চালাচ্ছে ভারত সরকার। চারটি ভারতীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্স বলছে, উপসাগরীয় দেশটি অস্ত্র ক্রয় বাড়িয়ে দেয়ায় ভারত সরকার সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে এ নিয়ে আলোচনা করছে।

এই আলোচনাগুলো এর আগে কোথাও প্রকাশ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। এই আলোচনাগুলোর মধ্যে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশতীর বিক্রির সম্ভাব্য বিষয়টিও রয়েছে বলে অবগত দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত তৃতীয় একটি সূত্র জানায়, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রহ্মোস ও আকাশতীরসহ আমাদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত এগোচ্ছে।’

এদিকে, মন্তব্যের অনুরোধে ভারতীয় কর্মকর্তা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো সাড়া দেয়নি।

ভারত ও রাশিয়ার যৌথভাবে তৈরি ব্রহ্মোস বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগামী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এটি স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—সব প্ল্যাটফর্ম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়। অন্যদিকে, আকাশতীর হলো ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা নির্মিত একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

যুদ্ধের সময় ইরানের হামলায় ব্যাপক আক্রমণের শিকার হওয়ার পর এবং উদীয়মান হুমকি মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারত ও অন্যান্য উৎস থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার কথা বিবেচনা করছে। এছাড়াও, দেশটির জ্বালানি রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীকে রক্ষা করাও প্রয়োজন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।

এদিকে, এই বছরের শুরুতে, সংযুক্ত আরব আমিরাত দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ৩৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রসারের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

৪৮ ঘণ্টায় দুবাই টুরিস্ট ভিসা, পর্যটকদের জন্য হোটেল ও ভ্রমণে বিশেষ ছাড়

প্রকাশ: রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
৪৮ ঘণ্টায় দুবাই টুরিস্ট ভিসা, পর্যটকদের জন্য হোটেল ও ভ্রমণে বিশেষ ছাড়

পর্যটন খাতকে গতিশীল করতে নতুন সুবিধা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এখন দেশটিতে মাত্র ৪৮ কর্মঘণ্টার মধ্যেই টুরিস্ট ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হোটেল, বিনোদন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন ভ্রমণ প্যাকেজে বিশেষ ছাড় চালু করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে পর্যটক সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল এজেন্টদের তথ্য অনুযায়ী, দ্রুত ভিসা সুবিধার পাশাপাশি আবাসন ও বিভিন্ন আউটডোর কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে দুবাইয়ের কিছু হোটেলে মাত্র ১৩৯ দিরহামেই কক্ষ ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় অনেক কম। এছাড়া পর্যটকদের জন্য ডেজার্ট সাফারি, জেট স্কি রাইড এবং বাগি রাইডসহ জনপ্রিয় বিনোদন কার্যক্রমেও বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার দেওয়া হচ্ছে।

ভ্রমণ ব্যয়ের ক্ষেত্রে আবাসন সাধারণত বড় অংশ দখল করে। তবে এই মৌসুমে অনেক হোটেল পর্যটক আকর্ষণে মূল্যছাড় ও বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করায় তুলনামূলক কম খরচে ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, শুধুমাত্র অনলাইন বুকিংয়ের ওপর নির্ভর না করে ভ্রমণকারীদের উচিত বিভিন্ন হোটেলের চলমান অফার যাচাই করা। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি যোগাযোগ বা নির্দিষ্ট সময়ের প্রচারণার মাধ্যমে আরও সাশ্রয়ী দামে কক্ষ পাওয়া যেতে পারে। কারণ চাহিদা, মৌসুম এবং প্রচারণাভেদে হোটেল ভাড়া পরিবর্তিত হয়ে থাকে।

কোনো নথিপত্র ছাড়াই করা যাবে আবেদন:

আমিরাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে নতুন নীতিমালা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুন ১১, ২০২৬
আমিরাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে নতুন নীতিমালা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কার এনেছে দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতিয়াকরণ মন্ত্রণালয়। এখন থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে, কোনো সহায়ক নথিপত্র ছাড়াই শতভাগ কাগজবিহীন উপায়ে কর্মসংস্থান অনুমতির আবেদন করা যাবে।

‘জিরো গভর্নমেন্ট ব্যুরোক্রেসি প্রোগ্রাম’-এর আওতায় নেওয়া এ উদ্যোগের লক্ষ্য সরকারি জটিলতা কমানো এবং শ্রমবাজারকে আরও গতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক করা। নতুন ব্যবস্থায় কিছু নির্দিষ্ট পারমিটের ক্ষেত্রে তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা ৭৫ থেকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে, ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বর্তমান ওয়ার্ক পারমিট সেবার কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে ৩০ জুলাই পর্যন্ত একটি অনলাইন গণপরামর্শ চালু করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নাগরিক ও সেবাগ্রহীতারা ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মে মতামত ও প্রস্তাব দিতে পারবেন।

ডিজিটাল সেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে একটি সমন্বিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মও চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়োগকর্তা ও কর্মীরা দূর থেকে আবেদন ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

নতুন নীতিমালায় মোট ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিট চালু রয়েছে। এর মধ্যে দুই বছর মেয়াদি ‘বাহিরাগত কর্মী নিয়োগ পারমিট’-এর মাধ্যমে বিদেশ থেকে কর্মী আনা যাবে। দেশটির ভেতরে চাকরি পরিবর্তনের জন্য রয়েছে দুই বছর মেয়াদি ‘ট্রান্সফার ওয়ার্ক পারমিট’।

এ ছাড়া পারিবারিক স্পনসরের অধীনে থাকা ব্যক্তিদের জন্য ‘ফ্যামিলি স্পনসরড পারমিট’, নির্দিষ্ট কাজের জন্য ‘মিশন ওয়ার্ক পারমিট’ এবং স্বল্পমেয়াদি কাজের জন্য ‘টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিট’ চালু আছে।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ‘ফ্রিল্যান্স ওয়ার্ক পারমিট’ এবং প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের দক্ষ কর্মীদের জন্য ‘পার্ট-টাইম ওয়ার্ক পারমিট’ চালু করা হয়েছে, যাতে তারা একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন। শিক্ষকতার ক্ষেত্রে ‘প্রাইভেট টিউটরিং পারমিট’ এবং গোল্ডেন ভিসাধারীদের জন্য বিশেষ অনুমতির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তরুণ ও শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য ‘জুভেনাইল ওয়ার্ক পারমিট’ এবং ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্টুডেন্ট ট্রেইনিং অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট পারমিট’ রয়েছে। এ ছাড়া আমিরাত ও জিসিসি নাগরিকদের জন্য সাধারণ কর্মসংস্থান পারমিট এবং স্থানীয় গ্র্যাজুয়েটদের প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষ ‘ট্রেইনি ওয়ার্ক পারমিট’ চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।