৩১ আগস্ট ২০২৬

ইরান যুদ্ধ চলাকালে আমিরাতে আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিলাম: ইসরায়েলি মন্ত্রী

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ০৭, ২০২৬
ইরান যুদ্ধ চলাকালে আমিরাতে আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিলাম: ইসরায়েলি মন্ত্রী

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কয়েক ডজন সেনা পাঠিয়েছিল ইসরায়েল। ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল জেরুজালেম পোস্ট এবং আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ ঘটনা প্রকাশ করেছিল। তবে তখন প্রতিবেদনগুলোতে ‘সূত্রের’ বরাত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ রোববার ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ প্রকাশ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করায়, এখন আর বিদেশি সূত্রের উল্লেখের প্রয়োজন নেই।

ইসরায়েলের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের (এমবিজেড) সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার পরই ইউএইতে আয়রন ডোম ব্যাটারি ও ইন্টারসেপ্টর পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইরান উপসাগরীয় দেশটির দিকে যে কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, সেগুলো এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়।

এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাইরে প্রথমবারের মতো আয়রন ডোমের বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার। এর আগে সিঙ্গাপুর আয়রন ডোম কিনে পেয়েছে বলে জানা গিয়েছিল এবং রোমানিয়াও এটি পাওয়ার পথে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে দুই দেশ আব্রাহাম চুক্তিতে সই করার পর থেকেই ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সামরিক, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। তবে সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের সময় সেই সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে। যুদ্ধ চলাকালে ইরান, ইসরায়েলের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে কয়েক শ বেশি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। একই সঙ্গে দেশটির দিকে হাজার হাজার ড্রোনও পাঠানো হয়।

যুদ্ধে ইসরায়েলের আরও ঘনিষ্ঠ হলো আরব আমিরাতযুদ্ধে ইসরায়েলের আরও ঘনিষ্ঠ হলো আরব আমিরাত
যদিও অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছিল, তবু কিছু প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করে দেশের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় আঘাত হানে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল, যদিও প্রধান ভূমিকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের, দক্ষিণ ইরানে অবস্থানরত ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটগুলোর ওপর হামলা চালায়। এর উদ্দেশ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনা।

আয়রন ডোমের তথ্য ইরানে পাচার করেছেন ইসরায়েলি সেনাআয়রন ডোমের তথ্য ইরানে পাচার করেছেন ইসরায়েলি সেনা
অন্যদিকে, আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও সৌদি আরব সহযোগিতা করলেও, রিয়াদকে এ ধরনের কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে বলে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায়। তবে তাদের শর্ত হলো, জেরুজালেমকে অবশ্যই ফিলিস্তিনিদের জন্য দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথে উল্লেখযোগ্য ছাড় দিতে হবে।

জর্ডানের পর আমিরাতের আল মিনহাদ ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ড্রোন হামলা

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬
জর্ডানের পর আমিরাতের আল মিনহাদ ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ড্রোন হামলা

দক্ষিণ ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন সামরিক হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী।

ইরানি সংবাদ সংস্থাগুলোর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার ‘ভোর থেকেই’ ওই ঘাঁটির দিকে কয়েক ডজন ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল আল মিনহাদ ঘাঁটির সেই নির্দিষ্ট এলাকাগুলো, যেখানে মার্কিন বাহিনী এবং তাদের সামরিক হেলিকপ্টারগুলো মোতায়েন রয়েছে।
সম্প্রতি ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সদস্য এবং বেশ কয়েকজন সাধারণ নাগরিক নিহত হন। মূলত সেই হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই ড্রোন অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
এর আগে জর্ডানের কিং হুসেন এবং আল আজরাক ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। পরপর কয়েকটি দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে এই ধরনের পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল ও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই চলমান সংঘাত এখন আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিচ্ছে, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও জ্বালানি সরবরাহের শৃঙ্খলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

২০২৭ সালে কবে রোজা ও ঈদ? জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬
২০২৭ সালে কবে রোজা ও ঈদ? জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালে পবিত্র রমজান মাস ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে। ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে ৯ অথবা ১০ মার্চ, আর ঈদুল আজহা ১৬ বা ১৭ মে। তবে এসব ধর্মীয় দিবসের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে চাঁদ দেখার ওপর। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের সঙ্গে বাস্তব তারিখে কিছুটা পার্থক্য হতে পারে।

হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রতিটি মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়। নতুন চাঁদ দেখার ভিত্তিতেই মাসের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতি মাসে চাঁদ দেখার কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী রমজান, ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। তবে ৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ ২৯ শাবান সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চাঁদ দেখা সম্ভব হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ওই সময় চাঁদ সূর্যের আগে অস্ত যেতে পারে অথবা সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও সূর্যের সংযোগ ঘটতে পারে।

এ কারণে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সে ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।

হিজরি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদুল ফিতর পালিত হয়। তাই রমজান মাস ২৯ নাকি ৩০ দিনে শেষ হবে, তার ওপর ঈদের তারিখ নির্ভর করবে।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে, ২০২৭ সালের ৮ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে। সেদিন চাঁদ দেখা গেলে ৯ মার্চ মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আর ৮ মার্চ চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে ১০ মার্চ বুধবার ঈদুল ফিতর হতে পারে।

অর্থাৎ, ২০২৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঈদুল ফিতর ৯ অথবা ১০ মার্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হিজরি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালিত হয়। এর আগের দিন ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফার দিন।

জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের হিসাবে, ২০২৭ সালের ৬ মে বৃহস্পতিবার অথবা ৭ মে শুক্রবার জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সে অনুযায়ী ঈদুল আজহা ১৬ মে রোববার অথবা ১৭ মে সোমবার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চাঁদ দেখার বাস্তব ফলাফলের ওপর নির্ভর করে ঈদুল আজহার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

নতুন ইসলামি বছর শুরু হতে পারে ৫ থেকে ৭ জুন। হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররম। এ মাসের প্রথম দিন থেকেই নতুন ইসলামি বছরের সূচনা হয়।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, জিলহজ মাস ৭ মে শুরু হলে এবং ২৯ দিনে শেষ হলে ৫ জুন শনিবার থেকে মুহররম মাস শুরু হতে পারে। আর জিলহজ ৩০ দিনে পূর্ণ হলে মুহররম শুরু হতে পারে ৬ জুন রোববার।

অন্যদিকে, জিলহজ মাস ৮ মে শুরু হলে এবং ২৯ দিনে শেষ হলে ৬ জুন শনিবার মুহররমের প্রথম দিন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে জিলহজ ৩০ দিনে পূর্ণ হলে নতুন ইসলামি বছর শুরু হবে ৭ জুন।

তবে রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও মুহররমের চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে।

ইরানের সঙ্গে সব বাণিজ্য-আর্থিক লেনদেন স্থগিত আমিরাতের

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে সব বাণিজ্য-আর্থিক লেনদেন স্থগিত আমিরাতের

পারস্য উপসাগরে নৌ চলাচলের পথ লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার বিষয় পর্যবেক্ষণ করেছে।

আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনাক্ত করা ক্ষেপণাস্ত্র দুটির একটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আঞ্চলিক পানিসীমার বাইরে এবং অন্যটি পানিসীমার অভ্যন্তরে গিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পরিচালিত এক মূল্যায়নে তারা জানায়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দুটি মূলত সমুদ্র নৌ চলাচলকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সেগুলো সাগরে গিয়ে আছড়ে পড়ে।

ঘটনার প্রাথমিক ঘোষণার কিছু আগে আমিরাত কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে নাগরিকদের সতর্কবার্তা দেয়। তবে পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর দ্রুতই সেই সতর্কবার্তা তুলে নেওয়া হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আমিরাতের দিকে কোনও ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা নিশ্চিতভাবে অস্বীকার করেন।

ইসমাইল বাঘাই বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমন অভিযোগ প্রতিবেশীসুলভ আচরণের মূলনীতির পরিপন্থী। এটি আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে বিশ্বাস সুদৃঢ় করা এবং অস্থিতিশীলতা রোধে চলমান প্রচেষ্টাকে বিঘ্নিত করবে। একই সঙ্গে ইরানকে কেন্দ্র করে এই ধরনের ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ’ আনা থেকে বিরত থাকতে আঞ্চলিক সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আরব আমিরাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান

প্রকাশ: বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬
আরব আমিরাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দিকে ইরান থেকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে একটি আমিরাতের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে এবং অন্যটি জলসীমার ভেতরে গিয়ে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইউএইর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে।

মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি দেশের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে গিয়ে পড়ে, আর দ্বিতীয়টি আঞ্চলিক জলসীমার ভেতরে পড়ে।

এর আগে ইউএইর জাতীয় জরুরি সংকট ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দেশটির বাসিন্দাদের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা দিয়ে নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছিল।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন করতে পারে এমন যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাস ধরে ইউএইসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে। এর আগে ইউএইর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ইরান থেকে আসা শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শনাক্ত এবং বিপুলসংখ্যক ধ্বংস করা হয়েছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আরব আমিরাতে ছুটি ঘোষণা

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০৯, ২০২৬
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আরব আমিরাতে ছুটি ঘোষণা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আগামী ২৮ আগস্ট (শুক্রবার) দেশটিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানে শনিবার ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে, সেখানকার কর্মীরা শুক্রবারে এই ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন।

তবে শারজাহর সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে ছুটির হিসাব কিছুটা ভিন্ন, কারণ সেখানে আগে থেকেই শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় রয়েছে।

ইসলামি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়। তৎকালীন আরবের ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’ অর্থাৎ ঘোর সামাজিক অনাচার, বিশৃঙ্খলা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য থেকে মানবজাতিকে আলোর পথ দেখাতে একই দিনে ধরাধামে আগমন ঘটেছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর।

মহানবীর জীবন ও আদর্শ শান্তি, সততা ও মানবতার প্রতীক হওয়ায় বিশ্বজুড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিনটি উদযাপিত হয়।