২৯ আগস্ট ২০২৬

স্থানীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক ফিটনেস সুবিধার সমন্বয়ে কাতারে উন্মুক্ত হলো নতুন তিনটি পার্ক

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
স্থানীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক ফিটনেস সুবিধার সমন্বয়ে কাতারে উন্মুক্ত হলো নতুন তিনটি পার্ক

আল উকাইর এলাকায় সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা, খেলাধুলা ও অবসরে সময় কাটানোর জন্য নতুন তিনটি পার্কের উদ্বোধন করেছে পৌর মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক মানের এই পার্কগুলো তৈরি করেছে পাবলিক পার্কস ডিপার্টমেন্ট এবং পাবলিক ওয়ার্কস অথরিটি (আশগাল)।

উদ্বোধন হওয়া নতুন পার্কগুলোর নাম রাখা হয়েছে স্থানীয় পরিবেশের সাথে মিলিয়ে—আল ওয়াকরাহ এলাকায় ‘আল মাশমুম’ ও ‘আল খুজামা’ এবং আল উকাইর এলাকায় ‘আল আরাক’। জাতীয় ঐতিহ্য রক্ষা এবং স্থানীয় পরিচয় তুলে ধরতে এই নামকরণ করা হয়েছে। পৌর মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২০৩০ কৌশলগত পরিকল্পনা এবং কাতার জাতীয় ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল মিউনিসিপাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিন আলী আল-আতবে এবং পৌর মন্ত্রণালয়ের পাবলিক সার্ভিস অ্যাফেয়ার্সের সহকারী আন্ডারসেক্রেটারি আবদুল্লাহ আহমেদ আল-করানিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পৌর মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পার্কগুলোতে সাধারণ মানুষের হাঁটার জন্য পথ, দৌড়ানোর ট্র্যাক, শিশুদের খেলার জায়গা এবং ব্যায়ামের আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে।

নতুন পার্কগুলোর বিবরণ:

আল মাশমুম পার্ক: মোট আয়তন ৪,৩৯৪ বর্গমিটার, যার মধ্যে প্রায় ২,৩৯৬ বর্গমিটারে গাছপালা ও সবুজায়ন করা হয়েছে। এখানে ৬৮টি গাছ, ২০৪ মিটার দীর্ঘ রানিং ট্র্যাক এবং শিশুদের খেলার আলাদা জায়গা রয়েছে।

আল খুজামা পার্ক: ৩,২৮৪ বর্গমিটার আয়তনের এই পার্কে ৫৯টি গাছ এবং ১,৩৬৭ বর্গমিটার সবুজ এলাকা রয়েছে। এখানে ১৭৮ মিটার দীর্ঘ রানিং ট্র্যাক ও আধুনিক ফিটনেস সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়েছে।

আল আরাক পার্ক: ৩,৯৩৬ বর্গমিটার আয়তনের এই পার্কে ৫৬টি গাছ ও ২,১২৬ বর্গমিটার সবুজ জায়গা রয়েছে। এছাড়া ১৬৪ মিটার দীর্ঘ রানিং ট্র্যাক এবং খেলাধুলার নানা সুবিধা রাখা হয়েছে।

স্থানীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক ফিটনেস সুবিধার সমন্বয়ে কাতারে উন্মুক্ত হলো নতুন তিনটি পার্ক

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
স্থানীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক ফিটনেস সুবিধার সমন্বয়ে কাতারে উন্মুক্ত হলো নতুন তিনটি পার্ক

আল উকাইর এলাকায় সাধারণ মানুষের হাঁটাচলা, খেলাধুলা ও অবসরে সময় কাটানোর জন্য নতুন তিনটি পার্কের উদ্বোধন করেছে পৌর মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক মানের এই পার্কগুলো তৈরি করেছে পাবলিক পার্কস ডিপার্টমেন্ট এবং পাবলিক ওয়ার্কস অথরিটি (আশগাল)।

উদ্বোধন হওয়া নতুন পার্কগুলোর নাম রাখা হয়েছে স্থানীয় পরিবেশের সাথে মিলিয়ে—আল ওয়াকরাহ এলাকায় ‘আল মাশমুম’ ও ‘আল খুজামা’ এবং আল উকাইর এলাকায় ‘আল আরাক’। জাতীয় ঐতিহ্য রক্ষা এবং স্থানীয় পরিচয় তুলে ধরতে এই নামকরণ করা হয়েছে। পৌর মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২০৩০ কৌশলগত পরিকল্পনা এবং কাতার জাতীয় ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল মিউনিসিপাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিন আলী আল-আতবে এবং পৌর মন্ত্রণালয়ের পাবলিক সার্ভিস অ্যাফেয়ার্সের সহকারী আন্ডারসেক্রেটারি আবদুল্লাহ আহমেদ আল-করানিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পৌর মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পার্কগুলোতে সাধারণ মানুষের হাঁটার জন্য পথ, দৌড়ানোর ট্র্যাক, শিশুদের খেলার জায়গা এবং ব্যায়ামের আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে।

নতুন পার্কগুলোর বিবরণ:

আল মাশমুম পার্ক: মোট আয়তন ৪,৩৯৪ বর্গমিটার, যার মধ্যে প্রায় ২,৩৯৬ বর্গমিটারে গাছপালা ও সবুজায়ন করা হয়েছে। এখানে ৬৮টি গাছ, ২০৪ মিটার দীর্ঘ রানিং ট্র্যাক এবং শিশুদের খেলার আলাদা জায়গা রয়েছে।

আল খুজামা পার্ক: ৩,২৮৪ বর্গমিটার আয়তনের এই পার্কে ৫৯টি গাছ এবং ১,৩৬৭ বর্গমিটার সবুজ এলাকা রয়েছে। এখানে ১৭৮ মিটার দীর্ঘ রানিং ট্র্যাক ও আধুনিক ফিটনেস সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়েছে।

আল আরাক পার্ক: ৩,৯৩৬ বর্গমিটার আয়তনের এই পার্কে ৫৬টি গাছ ও ২,১২৬ বর্গমিটার সবুজ জায়গা রয়েছে। এছাড়া ১৬৪ মিটার দীর্ঘ রানিং ট্র্যাক এবং খেলাধুলার নানা সুবিধা রাখা হয়েছে।

লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির উপ-প্রধান সাদ্দাম হাফতারের সাথে কাতারের প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির উপ-প্রধান সাদ্দাম হাফতারের সাথে কাতারের প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক

লিবিয়ার বেনজাগি শহরে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাদ্দাম খলিফা হাফতারের সাথে বৈঠক করেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ বিন সালেহ আল-খুলাইফি।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মূলত আঞ্চলিক নানা ইস্যু এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে লিবিয়ার অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং স্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে কাতারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ড. আল-খুলাইফি। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, লিবিয়ার জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে একমাত্র শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধান।

শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনার ধারা অব্যাহত রাখা এবং জাতীয় ঐকমত্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান যে, একটি দীর্ঘস্থায়ী ও সামগ্রিক রাজনৈতিক সমঝোতার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে সফল করতে কাতার লিবিয়ার সব পক্ষের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবে।

হরমুজে ইরানের সঙ্গে মাইন সরাবে কাতার

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
হরমুজে ইরানের সঙ্গে মাইন সরাবে কাতার

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে মাইন অপসারণ এবং একটি অস্থায়ী শিপিং করিডোর চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছে ইরান ও কাতার।


বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তেহরানে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় অঞ্চলজুড়ে চলমান উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার লক্ষ্যে উত্তেজনা কমানোর বিভিন্ন প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মন্ত্রীরা সংলাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন।

এদিকে বৈঠকে হরমুজ প্রণালির জন্য একটি প্রস্তাবিত কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আওতায় প্রণালির মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য সাময়িক একটি শিপিং করিডোর বা নৌপথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য মাইন অপসারণে ইরান ও কাতারের মধ্যে একটি ‘যৌথ প্রকল্প’ বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মাইন অপসারণ করা গেলে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা বাড়ানো এবং গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে বাণিজ্যিক পরিবহন সচল রাখতে সহায়তা করতে পারে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, উত্তেজনা কমিয়ে সংলাপের পরিবেশ তৈরি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের পরিস্থিতি উন্নত করাই আলোচনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

ইরান-কাতারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যে বার্তা এলো

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
ইরান-কাতারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যে বার্তা এলো

ইরান ও কাতারের চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি।

বৃহস্পতিবারের এই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানায় ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাঈ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক আগ্রাসনের পর গত কয়েক মাসে অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কাতার যে উদ্যোগ নিয়েছে, সে বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দুই পক্ষ আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং সংলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেছে।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে একটি যৌথ নৌ-চলাচল করিডর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবিত ধাপভিত্তিক কাঠামো নিয়েও আলোচনা করেন আল থানি ও আরাগচি।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কাতারের কাছে এলএনজি সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন

প্রকাশ: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬
কাতারের কাছে এলএনজি সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন

কাতারের সঙ্গে জ্বালানি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ২৩তম ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের জরুরি সভার সাইডলাইনে জেদ্দায় কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় কাতারের ভূমিকার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আঞ্চলিক সংলাপ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাতারের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সামুদ্রিক যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পর বাংলাদেশে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কাতারের প্রতি অনুরোধ জানান।

কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে কাতারের আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়।