পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী চলতি বছরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন—এমন খবর প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম আনন্দবাজার ও সংবাদ প্রতিদিন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ডিসেম্বরেই পাহাড়ি শহর কালিম্পঙে বসতে পারে মিমির বিয়ের আসর।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। চলছে শপিং ও নিমন্ত্রণপত্র বিলির কাজ। এমনকি বিয়ের আগে নভেম্বরেই আংটিবদল হতে পারে বলেও জানা গেছে। তবে বিয়ে নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি মিমি।
গুঞ্জনের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে অভিনেত্রীর হবু স্বামীর পরিচয়ও। শোনা যাচ্ছে, সিদ্ধার্থ নামের এক ব্যক্তি মিমির জীবনসঙ্গী হতে যাচ্ছেন, যিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর সদস্য। টালিপাড়ার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে মিমি কিংবা সিদ্ধার্থ—কেউই এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
মিমির প্রেম ও বিয়ে নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন সময় গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে অভিনেত্রী বরাবরই এসব বিষয়ে নীরব থেকেছেন। কয়েক বছর আগে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ে করতে হলে আগে পাত্র খুঁজতে হবে, দেখা-সাক্ষাতের জন্যও সময় প্রয়োজন—যেটা তখন তাঁর ছিল না। এবার সেই ব্যস্ত অভিনেত্রীর জীবনেই নাকি চুপিসারে এসেছেন বিশেষ কেউ।
২০১০ সালে ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকে ‘পুপে’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান মিমি। ২০১২ সালে ‘বাপি বাড়ি যা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। এরপর ‘বোঝে না সে বোঝে না’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। ২০২৪ সালে শাকিব খানের বিপরীতে রায়হান রাফীর ‘তুফান’ সিনেমায় অভিনয়ের পর বাংলাদেশেও তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়।
অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৯ সালে রাজনীতিতেও পা রাখেন মিমি। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন তিনি। বর্তমানে অভিনয়ের কাজ নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেত্রী। পূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’।