১৪ জুলাই ২০২৬

গ্রিসে বাংলাদেশি টিকটকারের রেসিডেন্স পারমিট বাতিল

প্রকাশ: শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬
গ্রিসে বাংলাদেশি টিকটকারের রেসিডেন্স পারমিট বাতিল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করার অভিযোগে মো. হাসান নামে বাংলাদেশি যুবকের রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করেছে গ্রিস সরকার। একইসঙ্গে তাকে বহিষ্কারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

যুবকটি বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। বিগত ৩-৪ বছর ধরে তিনি গ্রিসে বসবাস করছেন।

সম্প্রতি গ্রিসের ঐতিহাসিক শহর নাফপ্লিওতে অবস্থানরত ওই যুবকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গ্রিসের বিভিন্ন শীর্ষ টিভি চ্যানেল ও একাধিক পত্রিকায় ফলাও করে সেই ভিডিও সংক্রান্ত সংবাদ প্রচার করা হয়।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম প্রথোথেমার খবরে বলা হয়েছে, ভিডিওটিতে ওই যুবক অন্যান্য বাংলাদেশিদের গ্রিসে আসার আহ্বান জানান। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা গ্রিসের নাফপ্লিওতে কাজের জন্য আছি, যাদের কাগজপত্র নেই তাদের চিন্তার কারণ নেই। ৫০ বছর এই জায়গাগুলোতে থাকলেও পুলিশ আসবে না।’

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর গ্রিক কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তদন্তের মাধ্যমে গ্রিক পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানোস প্লেভরিস। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করা এবং বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়ানোর বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিকের রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করে তাকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, “এ ধরনের প্রচারণা মানবপাচারকারী চক্রের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে পারে এবং অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশে আগ্রহী ব্যক্তিদের ভুল বার্তা দেয়। তাই এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকার ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করবে।”

গ্রিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের অভিবাসন নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন যেকোনও কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

গ্রিসের আরেকটি জাতীয় দৈনিক ‌‘দিমোক্রাতিয়ায়’ প্রকাশিত অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানোস প্লেভরিসের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং এটি ছিল সুপরিকল্পিত প্রচারণার অংশ, যার মাধ্যমে দেশে বিদ্যমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে তুলে ধরা হয়েছে। এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপহাসের বিষয় হয়ে উঠছে। এই প্রচারণার উদ্দেশ্য ছিল খুবই নির্দিষ্ট। আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের আরও সম্ভাব্য অবৈধ অভিবাসীদের গ্রিসে আসার জন্য উৎসাহিত করা এবং তাদের এই যাত্রা শুরু করতে প্ররোচিত করা।

এদিকে, গ্রিসে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জনের উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে- তা প্রবাসী বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে।

প্রবাসীদের অভিযোগ, গত ২-৩ বছরে লিবিয়া হয়ে সাগরপথে গ্রিসে প্রবেশ করা কিছু টিকটকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা ও ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন।

কয়েকজন ব্যক্তির ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের’ কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের কাছে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশি কমিউনিটি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

কাতারের ফাদার আমিরের প্রয়াণে বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী কমিউনিটির গভীর শোক

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬
কাতারের ফাদার আমিরের প্রয়াণে বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী কমিউনিটির গভীর শোক

কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পিতা সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটি.

রবিবার (১২ জুলাই) দূতাবাসের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিশেষ শোকবার্তায় মরহুম ফাদার আমিরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়.

বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম বন্ধু

বাংলাদেশ দূতাবাসের বার্তায় উল্লেখ করা হয়, মরুভূমির সাধারণ একটি রাষ্ট্র থেকে কাতারকে আজকের অবস্থানে নিয়ে আসার পেছনে প্রধান রূপকার ছিলেন শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি. এই অসামান্য দূরদর্শী নেতা আজীবন বাংলাদেশ এবং কাতারে কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি অত্যন্ত সদয় ও অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন.

তাঁর অনন্য নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রনায়কোচিত অবদান বিশ্বমঞ্চের পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে শোকবার্তায় জানানো হয়.

কাতার সরকার ও জনগণের প্রতি সমবেদনা

ফাদার আমিরের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে কাতারের মহামান্য আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, রাজকীয় আল থানি পরিবার এবং ভ্রাতৃপ্রতিম কাতার সরকার ও শোকাহত জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং দূতাবাস.

একই সাথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই মহান নেতার আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছেন.

প্রবাসীর স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে গ্রেফতার হতেই পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা

প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬
প্রবাসীর স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে গ্রেফতার হতেই পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করে।

শুক্রবার (৯ জুলাই) জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিটি বলছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়াও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে কেএম ইলিয়াসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর কাতার প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬
ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর কাতার প্রবাসীর  স্ত্রী নিখোঁজ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের লহরাজপুর গ্রামের কাতারপ্রবাসী আফজল মিয়ার স্ত্রী সৈয়দা ঈশা আক্তার আয়শা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই তিনি কটারকোনা অগ্রণী ব্যাংক শাখা থেকে ১ লাখ ২২ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে। নিখোঁজ নারীকে উদ্ধারে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ সৈয়দা ঈশা আক্তার আয়শার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে ০১৭১৬-৯৬৭৫০১ অথবা ০১৬৪৬-৪৬৬৫২৬ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশি ফুড ডেলিভারি কর্মীকে মাথায় গুলি করে হত্যা

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬
বাংলাদেশি ফুড ডেলিভারি কর্মীকে মাথায় গুলি করে হত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার কিংসেসিং এলাকায় গত মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদ মাহফুজুল হক নামে এক ব্যক্তিকে মাথার পেছনে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান ‘ডোরড্যাশ’–এর কর্মী ছিলেন। তিনি ফুড ডেলিভারি বা বাড়িতে বাড়িতে অনলাইন গ্রাহকদের খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন।

এনবিসি১০ ফিলাডেলফিয়া নিহত মাহফুজুল হক কোন দেশের নাগরিক বা কোন দেশ থেকে অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশিদের বিভিন্ন কমিউনিটি সংবাদমাধ্যমে তাঁকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া পুলিশের প্রধান পরিদর্শক স্কট স্মল জানান, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাউথ ইথান স্ট্রিটের ১০০০ ব্লকে গুলির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তারা ৪৩ বছর বয়সী মোহাম্মদ মাহফুজুল হক নামে এক ব্যক্তিকে মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর মাথার পেছনে গুলির আঘাত ছিল।

পুলিশ যখন মাহফুজুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন, তখন পাশেই ইঞ্জিন চালু অবস্থায় একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। সেখানে ‘ডোরড্যাশ’–এর একটি বড় ডেলিভারি ব্যাগও পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা স্মল।

স্কট স্মল বলেন, গুলিবিদ্ধ মাহফুজুলকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মাহফুজুল যেখানে পড়ে ছিলেন, তার কয়েক ইঞ্চির মধ্যেই রাইফেলের দুটি ব্যবহৃত গুলির খোসা পাওয়া গেছে, যা থেকে বোঝা যায় তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছিল।’

তদন্তকারীদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে গুলি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কালো পোশাক পরা মুখোশধারী তিনজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক তাদের ছবি প্রকাশ করা হয়নি।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে ইঞ্জিন চালু অবস্থায় পাওয়া গাড়িটি নিহত ব্যক্তির ছিল।

পুলিশ কর্মকর্তা স্মল বলেন, নিহত ব্যক্তি যে ঠিকানায় খাবার পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন, পুলিশ সেই ঠিকানায় খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছে, সেখানে বসবাসকারীদের কেউ ‘ডোরড্যাশ’–এ কোনো কিছু অর্ডার করেননি।

ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক ব্লক দূরে খাবারসহ একটি ব্যাগ পাওয়া গেছে, তবে ওই ব্যাগের সঙ্গে গুলির ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা তদন্তকারী ব্যক্তিরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।

ঘটনাটি নিয়ে এক বিবৃতিতে ‘ডোরড্যাশ’-এর এক মুখপাত্র বলেন, প্রাণঘাতী এই গুলির ঘটনার পর তাদের কোম্পানি পুলিশকে তদন্তে সহযোগিতা করছে।

ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘এই অযৌক্তিক ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে সহায়তা করার লক্ষ্যে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছি।’

ঘটনাটি সম্পর্কে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে তাঁকে ফিলাডেলফিয়া পুলিশ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বা অনলাইনে বেনামে তথ্য দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ : সরকারের সতর্কবার্তা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ : সরকারের সতর্কবার্তা

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা আর্থিক লেনদেন না করার আহ্বান জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৮ জুলাই) জারি করা এক জরুরি সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার আগে কোনো ধরনের মেডিকেল পরীক্ষা করানো বা এ-সংক্রান্ত অর্থ লেনদেন থেকেও বিরত থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, সরকারি অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে কোনো এজেন্সি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে না। একই সঙ্গে কোনো কর্মীর পাসপোর্ট সংগ্রহ, মেডিকেল পরীক্ষা করানো কিংবা কোনো ধরনের অর্থ গ্রহণ বা লেনদেনও করা যাবে না।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করলে তা যথাসময়ে গণমাধ্যম এবং সরকারি মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত গুজব বা অননুমোদিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

মালয়েশিয়া গমন-সংক্রান্ত তথ্য বা অভিযোগ জানাতে দেশের ভেতর থেকে ১৬১৩৫ এবং বিদেশ থেকে +৮৮০৯৬১০১০২০৩০ নম্বরে প্রবাসী কল সেন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া, মালয়েশিয়া-সংক্রান্ত ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডলের সঙ্গে টেলিফোন, ই-মেইল বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।