১২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর

মেসি নয়, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর চোখে আর্জেন্টিনার ‘আসল নায়ক’ প্রেসিডেন্ট মিলে!
প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এছাড়া ইসরাইলপন্থি অবস্থানের কারণে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেকে বারবার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি। খবর আই২৪ নিউজের।

সম্প্রতি একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির চেয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের বন্দনাতেই বেশি মুখর নেতানিয়াহু। ইসরাইলের প্রতি অটল সমর্থনের কারণে মিলেকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

মিলের শাসনামলে ইসরাইল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সম্পর্ক যখন আরও গভীর হচ্ছে, ঠিক তখনই ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য সামনে এল। দেশ দুটি সম্প্রতি ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হলো কৌশলগত, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

ইসরাইলপন্থি অবস্থানের জন্য মিলেকে বারবার সাধুবাদ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। এই অবস্থানের অংশ হিসেবে শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়ের মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

‘মোজো পডকাস্ট’-এ কথা বলার সময় বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে বিশ্বকাপ এবং এই প্রতিযোগিতায় তিনি কোন দলকে সমর্থন করছেন, তা নিয়ে কথা বলেন। বিশ্বকাপে কাকে সমর্থন করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি আর্জেন্টিনার দিকে কড়া নজর রাখছেন।

সঞ্চালক তাৎক্ষণিকভাবে লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করলেও নেতানিয়াহু প্রথমেই অন্য একটি কারণ সামনে আনেন—আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে। তিনি আর্জেন্টাইন নেতার প্রশংসা করে বলেন, তাকে ইসরাইলের একজন গুরুত্বপূর্ণ মিত্র বলে মনে করেন তিনি। নেতানিয়াহু বলেন, ‘মিলে ইসরাইলের একজন বড় বন্ধু।’

নেতানিয়াহু স্বীকার করেন যে তারা দুজন এই অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে বেশ পছন্দ করেন। তবে আলাপের পরের অংশে তিনি আর্জেন্টিনার ক্রীড়া শক্তির কথাও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, দেশটির একটি ‘খুব ভালো দল’ এবং একজন ‘বিশেষভাবে অভিজ্ঞ’ খেলোয়াড় রয়েছে, যা দিয়ে তিনি স্পষ্টতই লিওনেল মেসিকে বুঝিয়েছেন।

সঞ্চালক যখন উল্লেখ করেন যে মেসি প্রায় দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলছেন এবং নেতানিয়াহু নিজেকে তার সঙ্গে মেলাতে পারেন কিনা, তখন প্রধানমন্ত্রী একটি ম্যাচের জন্য মেসির ইসরাইল সফরের সময় তার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন।

এদিকে, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে (রাউন্ড-অফ-১৬) মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পর রেফারিং নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছে, ঠিক এর কয়েক দিনের মাথায় নেতানিয়াহুর এ মন্তব্য সামনে এলো।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর

মেসি নয়, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর চোখে আর্জেন্টিনার ‘আসল নায়ক’ প্রেসিডেন্ট মিলে!
প্রকাশ: শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এ আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এছাড়া ইসরাইলপন্থি অবস্থানের কারণে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেকে বারবার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি। খবর আই২৪ নিউজের।

সম্প্রতি একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির চেয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের বন্দনাতেই বেশি মুখর নেতানিয়াহু। ইসরাইলের প্রতি অটল সমর্থনের কারণে মিলেকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

মিলের শাসনামলে ইসরাইল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সম্পর্ক যখন আরও গভীর হচ্ছে, ঠিক তখনই ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য সামনে এল। দেশ দুটি সম্প্রতি ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হলো কৌশলগত, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

ইসরাইলপন্থি অবস্থানের জন্য মিলেকে বারবার সাধুবাদ জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। এই অবস্থানের অংশ হিসেবে শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়ের মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

‘মোজো পডকাস্ট’-এ কথা বলার সময় বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে বিশ্বকাপ এবং এই প্রতিযোগিতায় তিনি কোন দলকে সমর্থন করছেন, তা নিয়ে কথা বলেন। বিশ্বকাপে কাকে সমর্থন করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি আর্জেন্টিনার দিকে কড়া নজর রাখছেন।

সঞ্চালক তাৎক্ষণিকভাবে লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করলেও নেতানিয়াহু প্রথমেই অন্য একটি কারণ সামনে আনেন—আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে। তিনি আর্জেন্টাইন নেতার প্রশংসা করে বলেন, তাকে ইসরাইলের একজন গুরুত্বপূর্ণ মিত্র বলে মনে করেন তিনি। নেতানিয়াহু বলেন, ‘মিলে ইসরাইলের একজন বড় বন্ধু।’

নেতানিয়াহু স্বীকার করেন যে তারা দুজন এই অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে বেশ পছন্দ করেন। তবে আলাপের পরের অংশে তিনি আর্জেন্টিনার ক্রীড়া শক্তির কথাও স্বীকার করেন। তিনি বলেন, দেশটির একটি ‘খুব ভালো দল’ এবং একজন ‘বিশেষভাবে অভিজ্ঞ’ খেলোয়াড় রয়েছে, যা দিয়ে তিনি স্পষ্টতই লিওনেল মেসিকে বুঝিয়েছেন।

সঞ্চালক যখন উল্লেখ করেন যে মেসি প্রায় দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলছেন এবং নেতানিয়াহু নিজেকে তার সঙ্গে মেলাতে পারেন কিনা, তখন প্রধানমন্ত্রী একটি ম্যাচের জন্য মেসির ইসরাইল সফরের সময় তার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন।

এদিকে, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে (রাউন্ড-অফ-১৬) মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পর রেফারিং নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছে, ঠিক এর কয়েক দিনের মাথায় নেতানিয়াহুর এ মন্তব্য সামনে এলো।

স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ ট্রাম্পের

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬
স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ ট্রাম্পের

স্পেনকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ‘খুবই খারাপ অংশীদার’ বলে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন। এ সময় ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

ট্রাম্প বলেন, তিনি তাঁর অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘স্পেন একটি ব্যর্থ দেশ। আমরা আর স্পেনের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য করতে চাই না। আমি স্পেনের সঙ্গে (বাণিজ্যিক) সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করতে চাই। ন্যাটোতে স্পেন খুবই খারাপ অংশীদার। তারা যথাযথভাবে অংশগ্রহণ করে না, তারা অর্থও পরিশোধ করে না। আমি স্পেনের সঙ্গে কোনো সম্পর্কই রাখতে চাই না। অনুগ্রহ করে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করে দিন, এমনকি যাতায়াতও...তারপর দেখবেন, তারাই আবার আমাদের কাছে ফিরে আসবে।’

এদিন গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে ন্যাটোর অবস্থান নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমাদের জন্য একটি বড় সমস্যা। আর আরেকটি বড় বিষয় হলো, একসময় আমরা তাদের বলেছিলাম, যদি তারা চায়, তাহলে তারা আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। কিন্তু তারা সবাই “না” বলেছিল।’ অবশ্য খুব জোর দিয়ে তখন বলা হয়নি বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যখন তাদের আমাদের পাশে থাকার সুযোগ ছিল, তখন তারা আমাদের পাশে ছিল না। কিন্তু আমরা সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প এদিন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ করারও ঘোষণা দেন।

বিশ্বমঞ্চে প্রশংসার চেয়ে হাসির খোরাক মোদির পুরস্কার

প্রকাশ: শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬
বিশ্বমঞ্চে প্রশংসার চেয়ে হাসির খোরাক মোদির পুরস্কার

বিদেশ সফরে গিয়ে একের পর এক নতুন পদক ও সম্মাননা সংগ্রহ করে ঝুলি ভারী করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২৭ থেকে ২৯ জুন সেশেলস সফরে গিয়ে তিনি লাভ করেছেন গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন নামক এক ট্রফি ও সম্মাননা। তবে এই নতুন পদকপ্রাপ্তি বিশ্বমঞ্চে প্রশংসার চেয়ে বেশি কুড়িয়েছে কৌতুক আর সমালোচনা। কারণ মোদির সফরের মাত্র তিন দিন আগে তড়িঘড়ি করে এই পুরস্কার তৈরি করা হয় এবং এর সার্টিফিকেটটি ছিল বানান ভুলে ভরা।

পুরস্কার প্রদানকারী দেশটি নিজের নামই লিখেছে ভুল করে, রিপাবলিক অব সেশেলসের বদলে লেখা হয়েছে রিপাবলিক অব সেশেলিস। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে মোদির এই পদক কূটনীতির পেছনের আসল রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে।

সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনি মোদিকে পরিবেশবান্ধব অবদানের জন্য পদকটি দিলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর ছবি আসতেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। শুধু বানান ভুলই নয়, বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা গেছে সার্টিফিকেটটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।

এ নিয়ে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনাতে বলেছেন, বিশ্ব এখন মোদিকে চিনে গেছে, যেকোনো একটা পুরস্কারের লোভ দেখান, তিনি দৌড়ে চলে আসবেন, এতটাই তাড়াহুড়ো ছিল যে সেশেলস নিজের দেশের নামটাই ভুল লিখে ফেলল। তীব্র বিতর্কের মুখে সেশেলস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফাই গেয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেটি ছড়িয়েছে সেটি একটি ওয়ার্কিং ড্রাফট বা খসড়া ছিল, আসল সনদটি নির্ভুল।

শুধু মোদির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ পদক
যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক নিতাশা কাউল আলজাজিরাকে বলেন, এই পুরস্কারগুলোর সঙ্গে ভারতের বৈদেশিক কূটনীতির কোনো সম্পর্ক নেই, এগুলো স্রেফ মোদির ব্যক্তিগত ইমেজ তৈরির প্রচারণা। ১২ বছরের শাসনামলে মোদি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন, যার অনেকগুলোই তাঁর সফরের ঠিক আগে তৈরি করা হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে মোদির ইসরায়েল সফরের ঠিক আগে সে দেশের পার্লামেন্ট স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল নামক একটি সম্পূর্ণ নতুন পুরস্কার তৈরি করে, যা মোদি ছাড়া আজ পর্যন্ত আর কোনো বিশ্বনেতা পাননি। গত জুন মাসে স্লোভাকিয়া সফরকালে মোদিকে সে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস ফার্স্ট ক্লাস দেওয়া হয়। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া সফরেও তিনি পেয়েছেন বিনতাং আদিপূর্ণা পদক।

ফিলিপ কোটলার পুরস্কারের অদ্ভুত ইতিহাস
২০১৯ সালে মোদি ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং সামিটের প্রথম ফিলিপ কোটলার প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ড পান, যা প্রতি বছর বিশ্বনেতাদের দেওয়ার কথা থাকলেও মোদির পর গত সাত বছরে আর কোনো বিশ্বনেতাকে এই পদক দেওয়া হয়নি।

ব্যক্তিগত প্রচার নাকি দেশের স্বার্থ
মোদি ও তাঁর দল বিজেপি সবসময় দাবি করে এই আন্তর্জাতিক পদকগুলো ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সম্মান। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা এতে কোনো কূটনৈতিক বা অর্থনৈতিক সুবিধা দেখছেন না। অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইয়ান হল বলেন, নয়াদিল্লি যুক্তি দিতে পারে যে এগুলো বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের প্রমাণ, কিন্তু সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক বা কৌশলগত স্বার্থে এর কোনো বাস্তবিক অবদান নেই, উল্টো এটি প্রমাণ করে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসল কাজের চেয়ে নিজের প্রচারণায় বেশি মনোযোগী।
মোদির জীবনীকার নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের মতে, এই পুরস্কার শিকারের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ভক্ত ও ভোটারদের কাছে নিজেকে বিশ্বনেতা হিসেবে জাহির করা। তবে সেশেলসের মতো দেশগুলোতে তড়িঘড়ি করে বানান ভুল ও এআই দিয়ে তৈরি সার্টিফিকেট গ্রহণের এই প্রবণতা আন্তর্জাতিক মহলে ভারতকে সম্মানিত করার চেয়ে বেশি হাস্যরসের খোরাক জোগাচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/এবি

হাতে কিস করতে চেয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সরিয়ে নিলেন তুর্কি ফার্স্ট লেডি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
হাতে কিস করতে চেয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সরিয়ে নিলেন তুর্কি ফার্স্ট লেডি

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের নৈশভোজের আগে লালগালিচায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ানের শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ভিডিওটি প্রকাশ করে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোয়ানের আয়োজন করা অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় ম্যাক্রোঁ তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ানের হাতে চুম্বন করতে চান। তখন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি নিজের হাত সরিয়ে নেন। এরপর দুজন স্বাভাবিকভাবেই শুভেচ্ছা বিনিময় অব্যাহত রাখেন।

এ সময় ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত ম্যাক্রোঁও ফরাসি প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

ইউরোপের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার আগে ন্যাটো নেতারা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সমবেত হলে এ মুহূর্তটি ঘটে।

ইরান একটি ক্যান্সার, তাদের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা নয়

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৯, ২০২৬
ইরান একটি ক্যান্সার, তাদের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা নয়

ইরানের সঙ্গে আলোচনা করে কোনো সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা সময়ের অপচয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া পদক্ষেপই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। অথচ ইরান সরকার হচ্ছে একটি ক্যানসার। আর আপনারা তো জানেনই ক্যানসারের সঙ্গে কী করতে হয়, একে একদম শুরুতেই কেটে ছেঁটে ফেলে দিতে হয়।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী নন। তার মতে, দীর্ঘ সময় ধরে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াই বেশি কার্যকর। ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাবকে তিনি সময়ক্ষেপণ হিসেবে দেখছেন বলেও জানান।

ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক অবস্থানের কারণে ইরান বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

ইরান ইস্যুতে ন্যাটো মিত্রদের ভূমিকা নিয়েও নিজের অসন্তোষের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে মিত্র দেশগুলোর অবস্থান তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা ও প্রতিশ্রুতির একটি পরীক্ষা ছিল।

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করেই ইরান ইস্যুতে পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে উদ্যোগের কথা বলা হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনার চেয়ে চাপ প্রয়োগের নীতিতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী কৌশল এবং ন্যাটো মিত্রদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে দুই দেশের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।