৭ অক্টোবর ২০২৬

শুরু হয়ে গেলো মেসির বিদায়ী ম্যাচ

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
শুরু হয়ে গেলো মেসির বিদায়ী ম্যাচ
শেষ ম্যাচের আগে অনুশীলনে মেসি

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে। বিদায়ী অনুষ্ঠানের কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধাঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয় মেসির ম্যাচটি।

শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় রাত ৮টা। অথচ, এস্টাডিও মনুমেন্টালে এত বেশি আনুষ্ঠানিকতা সারতে হলো মেসিকে, যে কারণে ৩০ মিনিট বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচটি।

শেষ ম্যাচেও আইকনিক ১০ নম্বর জার্সি পরেই আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেসি। তার সঙ্গে রয়েছেন ২০১৮ থেকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে খেলা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা।

মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে ক্ষমা ও নিজের শাস্তি চেয়ে রোনালদোর পোস্ট

বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশ

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

রক্ষণ: অগাস্তিন গিয়াই, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, নিকোলাস তালিয়াফিকো

মাঝমাঠ: রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার

আক্রমণ: লিওনেল মেসি, লাওতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ

কোচ: লিওনেল স্কালোনি

যে বল দিয়ে শেষ ম্যাচ খেলছেন মেসি, লেখা ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’

শেষ অনুশীলনের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের মনে দোলা দিয়েছেন মেসি

প্রধমার্ধে মেসির আর্জেন্টিনাকে গোল করতে দিলো না বেনিন

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
প্রধমার্ধে মেসির আর্জেন্টিনাকে গোল করতে দিলো না বেনিন
শেষ ম্যাচে মেসিকে ঘিরে ধরেছেন বেনিনের ডিফেন্ডাররা

জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচে বেনিনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা। ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে একাধিকবার বেনিনের গোলমুখে আক্রমণ করেও জালে বল পাঠাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, বেনিনও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছে, তবে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দৃঢ়তায় গোল পায়নি তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে সক্রিয় ছিল আর্জেন্টিনা। প্রথম কয়েক মিনিটেই বেনিনের রক্ষণে চাপ তৈরি করে তারা। ২ ও ৩ মিনিটে পরপর দুটি কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা।

তবে ৪ মিনিটে উল্টো আক্রমণ থেকে ফাউলের শিকার হয় বেনিন। ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর ফাউলে ফ্রি-কিক পায় আফ্রিকার দলটি। ৫ম মিনিটেই বেনিনকে আক্রমণে দেখা যায়। জুনিয়র ওলাইতানের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট আর্জেন্টিনার রক্ষণে আটকে যায়। একই মিনিটে মোহামেদ তিজানির পাস থেকে ইয়োহান রোশের বক্সের মাঝামাঝি থেকে নেওয়া শটও ব্লক হয়ে যায়।

৭ম মিনিটে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম বড় সুযোগটি আসে মেসির কাছ থেকে। রদ্রিগো ডি পলের পাস থেকে বক্সের বাইরে বাম পায়ের শটে গোলের চেষ্টা করেন মেসি। কিন্তু নিচের বাঁ দিকে যাওয়া শটটি বেনিনের গোলরক্ষক মার্সেল দান্দজিনু ঠেকিয়ে দেন।

একই মিনিটে আরেকটি আক্রমণ থেকে সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর সহায়তায় বক্সের বাঁ দিক থেকে এনজো ফার্নান্দেজের নেওয়া ডান পায়ের শটও বেনিন গোলরক্ষক রক্ষা করেন।

১৭ মিনিটে আবারও সুযোগ পায় বেনিন। কর্নার থেকে জুনিয়র ওলাইতানের ক্রসে তসিন আইয়েগুনের হেড লক্ষ্যের ওপর দিয়ে চলে যায়। ১৯ মিনিটে জুনিয়র ওলাইতান আবারও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন। রোদলফো আলোকোর ক্রস থেকে বক্সের মাঝামাঝি জায়গা থেকে নেওয়া ডান পায়ের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

১৫ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের পাস থেকে বক্সের ডান দিকে রদ্রিগো দে পল শট নেন। তবে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২৪ মিনিটে মেসি আবারও গোলের খুব কাছে চলে যান। ডি পলের থ্রু বল থেকে বক্সের মাঝখান থেকে নেওয়া বাম পায়ের শট সামান্য বাঁ পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

মেসির ওপর বেনিনের রক্ষণও বেশ চাপ তৈরি করছিল। ২৫ মিনিটে ফাউলের শিকার হয়ে ফ্রি-কিক আদায় করেন তিনি। এক মিনিট পর আবারও মেসির শট। বক্সের বাইরে থেকে বাম পায়ের জোরালো শট নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এবারও নিচের বাঁ দিকে যাওয়া বলটি দান্দজিনু অসাধারণভাবে ঠেকিয়ে দেন।

২৯ মিনিটে ডি পলের ক্রস থেকে লাউতারো মার্তিনেজের হেড বেনিনের রক্ষণে আটকে যায়। একই সময়ে কর্নারও পায় আর্জেন্টিনা। ৩২ মিনিটে দ্রুত আক্রমণ থেকে আবারও মেসির সামনে সুযোগ আসে। লাওতারো মার্তিনেজের সহায়তায় বক্সের মাঝখান থেকে বাঁ পায়ের শট নেন তিনি। কিন্তু বল লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ডান পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৩৬ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজ অফসাইডে ধরা পড়েন। ৩৭ মিনিটে বেনিনের জুনিয়র ওলাইতান হ্যান্ডবলের কারণে ফাউল করেন।

৪৩ মিনিটে মেসির পাস থেকে দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি হয় হুলিয়ান আলভারেজের জন্য। বক্সের ডান দিক থেকে তার নেওয়া ডান পায়ের শট গোলের বাঁদিকের ওপরের কোণ লক্ষ্য করে যাচ্ছিল। কিন্তু দান্দজিনু আবারও দুর্দান্তভাবে সেই বল ঠেকিয়ে দেন।

এরমাত্র কিছুক্ষণ পরই বেনিনের পাল্টা আক্রমণ। ইয়ামিরু ওউরুর বক্সের বাঁ-দিক থেকে নেওয়া বাম পায়ের শট নিচের বাঁ কোণে যাচ্ছিল। কিন্তু এবারও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের শেষ প্রহরী এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি রুখে দেন। ৪৩ মিনিটেই বেনিনের জুনিয়র ওলাইতান বক্সের বাইরে থেকে শট নেন। সেটিও নিচের বাঁ দিকে যাচ্ছিল, তবে মার্তিনেজ আবারও সেটি ধরে ফেলেন।

এরপর ৪৪ মিনিটে আর্জেন্টিনা আরেকটি কর্নার পায়। প্রথমার্ধে কয়েক দফা ভালো সুযোগ তৈরি করেও কোনো দলই গোল করতে পারেনি। মেসি একাধিকবার চেষ্টা করেছেন, জুলিয়ান আলভারেজ ও এনজো ফার্নান্দেজের শটও লক্ষ্যে ছিল। অন্যদিকে বেনিনের জুনিয়র ওলাইতান ও ইয়ামিরু ওউরুও আর্জেন্টিনার গোলমুখে বিপদ তৈরি করেছেন।

তবে দুই দলের গোলরক্ষক মার্সেল দান্দজিনু ও এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দৃঢ়তায় প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। মেসির বিদায়ী ম্যাচে তাই দ্বিতীয়ার্ধেই এখন নির্ধারিত হবে ম্যাচের ভাগ্য।

যে বল দিয়ে শেষ ম্যাচ খেলছেন মেসি, লেখা ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
যে বল দিয়ে শেষ ম্যাচ খেলছেন মেসি, লেখা ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ। বুয়েনস আয়ার্সের মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি তাই ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আবহ। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখতে ম্যাচের বলেও রাখা হয় বিশেষ আয়োজন।

মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে জানানো হয়, বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচে ব্যবহৃত প্রতিটি বলে থাকবে মেসিকে উৎসর্গ করা একটি বিশেষ প্যাচ। সোনালি রঙে তৈরি সেই প্যাচে লেখা থাকবে- ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’। মেসির বিদায়ী ম্যাচের বিশেষ এই স্লোগানের সঙ্গে থাকবে তার বিখ্যাত ১০ নম্বরও।

শুধু ১০ নম্বরই নয়, প্যাচটিতে ১০ নম্বরের দুই পাশে রয়েছে দুটি লরেল পুষ্পমুকুট। এর ওপরে থাকবে আর্জেন্টিনার পতাকা। সঙ্গে থাকবে ম্যাচটির তারিখও। ফলে ম্যাচে ব্যবহৃত প্রতিটি বলই হয়ে উঠবে মেসির জাতীয় দল থেকে বিদায়ের বিশেষ স্মারক।

মেসির শেষ ম্যাচের বলের এই বিশেষ নকশায় সোনালি রঙের ব্যবহারও রাখা হয়েছে। ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’ লেখা, ১০ নম্বর এবং অন্যান্য প্রতীক মিলিয়ে বলটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির শেষ নৃত্যের আবহ।

ম্যাচটি ঘিরে শুধু বলেই নয়, থাকছে মেসিকে উৎসর্গ করা বিশেষ জার্সিও। রোজারিওতে জন্ম নেওয়া এই তারকার বিদায়ী ম্যাচ উপলক্ষে তৈরি করা জার্সিতে থাকবে দুটি বড় উল্লম্ব আকাশি নীল স্ট্রাইপ। এর মাঝখানে থাকবে সাদা অংশ।

জার্সিটির মাঝখানে থাকবে আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার সূর্য। আর মেসির নাম ও জার্সির নম্বর লেখা হবে সোনালি রঙে। অর্থাৎ আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী জার্সির নকশার সঙ্গে মেসির বিদায়কে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে এই জার্সিতে।

মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি তাই শুধু আরেকটি প্রীতি ম্যাচ হয়ে থাকছে না। বল থেকে জার্সি- সবকিছুতেই রাখা হয়েছে মেসিকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন। আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামতে যাওয়া মেসির বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতেই এমন উদ্যোগ।

‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’- নামটিও যেন সেই বিদায়ের কথাই বলে দিচ্ছে। যে ১০ নম্বর জার্সি পরে মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন, সেই ১০ নম্বরই এবার তাঁর শেষ ম্যাচের বলের বিশেষ প্যাচে জায়গা করে নিয়েছে।

মনুমেন্টালে তাই শুধু মেসির শেষ ম্যাচের অপেক্ষা নয়, তার বিদায়ের প্রতিটি মুহূর্তকে স্মৃতিতে ধরে রাখার প্রস্তুতিও চলছে।

শুরু হয়ে গেলো মেসির বিদায়ী ম্যাচ

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
শুরু হয়ে গেলো মেসির বিদায়ী ম্যাচ
শেষ ম্যাচের আগে অনুশীলনে মেসি

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে। বিদায়ী অনুষ্ঠানের কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধাঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয় মেসির ম্যাচটি।

শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় রাত ৮টা। অথচ, এস্টাডিও মনুমেন্টালে এত বেশি আনুষ্ঠানিকতা সারতে হলো মেসিকে, যে কারণে ৩০ মিনিট বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচটি।

শেষ ম্যাচেও আইকনিক ১০ নম্বর জার্সি পরেই আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেসি। তার সঙ্গে রয়েছেন ২০১৮ থেকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে খেলা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা।

মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে ক্ষমা ও নিজের শাস্তি চেয়ে রোনালদোর পোস্ট

বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশ

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

রক্ষণ: অগাস্তিন গিয়াই, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, নিকোলাস তালিয়াফিকো

মাঝমাঠ: রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার

আক্রমণ: লিওনেল মেসি, লাওতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ

কোচ: লিওনেল স্কালোনি

যে বল দিয়ে শেষ ম্যাচ খেলছেন মেসি, লেখা ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’

শেষ অনুশীলনের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের মনে দোলা দিয়েছেন মেসি

মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে ক্ষমা ও নিজের শাস্তি চেয়ে রোনালদোর পোস্ট

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে ক্ষমা ও নিজের শাস্তি চেয়ে রোনালদোর পোস্ট

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার ভাষ্য-যদিও কোচ হোর্হে জেসুস তার দেওয়া কথা ভঙ্গ করেছেন, তারপরও আমার শাস্তি পাওয়া উচিত। আমি আমার জাতীয় দলের সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি আবারও পর্তুগালের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইছি।

যে বল দিয়ে শেষ ম্যাচ খেলছেন মেসি, লেখা ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’

নরওয়ের বিপক্ষে খেলায় অব্যবহৃত সাবস্টিটিউট খেলোয়াড় ছিলেন রোনালদো। পরে জানতে পারেন, ডেনমার্কের সঙ্গে খেলায় শুরুর একাদশে জায়গা পাচ্ছেন না। এরপরই ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ তারকা তার দলের নেশনস লিগের ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে যান।

আল নাসর ফরোয়ার্ড রোনালদো পর্তুগালের হয়ে ২৩৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৪৬টি গোল করেছেন। পর্তুগালকে দুইবার নেশনস লিগ জয়ের পাশাপাশি ২০১৬ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন করতেও রোনালদোর ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

এই ফুটবল তারকা মনে করেন নিজের কৃতকর্মের জন্য তার শাস্তি হওয়া উচিত।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচই হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাএর কিছুক্ষণ আগে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের উচিত আমার কৃতকর্মগুলো পর্যালোচনা করে আমাকে শাস্তি দেওয়া। আমি ক্ষমা চেয়েছি। কিন্তু আমি জানি সবকিছুরই একটা প্রতিক্রিয়া থাকে।

সম্প্রতি পাঁচবারের ব্যালন ডি অর জয়ী এই ফুটবলার দলের ট্রেনিং ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পর্তুগালের হেড কোচ হোর্হে জেসুস বলেছেন, রোনালদোর সঙ্গে তার কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

রোববার পর্তুগাল কোচ জানান, রোনালদোর জন্য এখনও জাতীয় দলের দরজা খোলা রয়েছে।

ফেসবুকে দেওয়া ওই বিবৃতিতে রোনালদো বলেন, আমার বরখাস্তের মেয়াদ শেষ হলে, আমি আবার খেলার জন্য তৈরি থাকবো। আমি সবসময়ই জাতীয় দলে খেলার জন্য এবং প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি থাকি।

বিবৃতিতে দলের কোচের সঙ্গে তার দ্বন্দ্বের বিষয়টি রোনালদো খোলাখুলিভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, কোচ জেসুস রোনালদোকে তার ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নরওয়ে এবং ডেনমার্ক ম্যাচে না খেলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। পরে নরওয়ে ম্যাচের দিন ৭২ বছর বয়সী কোচ জানান যে, ৩০ মিনিটের জন্য মাঠে নামতে পারবেন রোনালদো।

শেষ অনুশীলনের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের মনে দোলা দিয়েছেন মেসি

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বিবৃতিতে রোনালদো বলেন, বাকিটা সবাই জানে। কোচ তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। তিনি নতুন করে কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের আগেই আমি তাই দলের ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চেয়েছি।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তার বিবৃতিতে বলেন, ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য আমি আমার জাতীয় দলের সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি আবারও পর্তুগালের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইছি।

শেষ অনুশীলনের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের মনে দোলা দিয়েছেন মেসি

প্রকাশ: বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০২৬
শেষ অনুশীলনের ছবি শেয়ার করে ভক্তদের মনে দোলা দিয়েছেন মেসি

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে বিদায়ী ম্যাচের আগে শেষ অনুশীলনও সেরে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বিদায়ের ক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই আবেগী হয়ে উঠছে সময়টা। শেষ অনুশীলনের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে মেসিও জানালেন, বিশেষ কিছু মুহূর্ত তিনি মিস করবেন।

সোমবার এজেইজা প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সে আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গে শেষ অনুশীলনে অংশ নেন মেসি। এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির নাম তার নামেই রাখা হয়েছে। অনুশীলনে তাকে বেশ হাসিখুশি ও স্বচ্ছন্দ দেখা যায়। সতীর্থদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টার পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলনেও অংশ নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

অনুশীলন শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন মেসি। এর মধ্যে একটি ছবিতে পুরো দল, কোচিং স্টাফ ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীদের একসঙ্গে দেখা যায়। ছবিগুলোর সঙ্গে মেসি লেখেন, ‘বিশেষ কিছু মুহূর্ত, যেগুলো আমি জানি মিস করব।’

জাতীয় দলের হয়ে মেসির এই শেষ অধ্যায় ঘিরে আর্জেন্টিনায় চলছে ব্যাপক আবেগ ও আয়োজন। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে। ম্যাচটির সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন মেসির জন্য বিশেষ বিদায়ী আয়োজনও করেছে।

জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির পথচলা ছিল দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল। শুরুতে নানা সমালোচনা ও হতাশার মধ্য দিয়ে যেতে হলেও পরে তিনি আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকার শিরোপা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ এনে দেন। দুই দশকের বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ধীরে ধীরে দেশের মানুষের ভালোবাসার অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠেন তিনি।

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে সেই দীর্ঘ যাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হতে যাচ্ছে। মেসির শেষ অনুশীলনের ছবিতে তাই ফুটে উঠেছে শুধু একটি দলের অনুশীলন নয়, বরং আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি স্মরণীয় অধ্যায়ের শেষ মুহূর্তও।