১৭ জুলাই ২০২৬

ইরানি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন ধ্বংস

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
ইরানি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন ধ্বংস

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আন্দিমেস্ক শহরের আকাশসীমায় একটি শত্রুভাবাপন্ন ‘এমকিউ-৯’ মডেলের চালকবিহীন ড্রোনকে সফলভাবে বাধা প্রদান এবং তা ধ্বংস করার দাবি করেছে দেশটির এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।

ইরানের আকাশসীমা সুরক্ষায় নিয়োজিত বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী এই দূরনিয়ন্ত্রিত মার্কিন ড্রোনটিকে গুলি করে মাটিতে নামিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তেহরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে আন্দিমেস্ক শহরের ওপর দিয়ে অনধিকার প্রবেশ করা ওই শত্রু বিমানটিকে তাদের অ্যারোস্পেস বা মহাকাশ বাহিনীর সদস্যরা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।

বিবৃতিতে ড্রোনটি ধ্বংস করার কৌশলগত দিক উল্লেখ করে আইআরজিসি জানিয়েছে যে তাদের বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হওয়া সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তির একটি দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল ব্যবহারের মাধ্যমে এই আক্রমণাত্মক ড্রোনটিকে আকাশেই নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস করা হয়েছে। পারস্য উপসাগরে চলমান তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এই ড্রোনটি তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার একটি বড় প্রমাণ বলে তারা দাবি করেছে।

বন্দর আব্বাসসহ ইরানে রাতভর হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
বন্দর আব্বাসসহ ইরানে রাতভর হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের অন্যতম প্রধান বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসসহ দেশটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সর্বশেষ তরঙ্গ সমাপ্ত করার কথা ঘোষণা করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে এই নতুন ও বিধ্বংসী আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে পারস্য উপসাগরে চলমান এই সংঘাতের বিবরণ জানানো হয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখা সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তাদের এই বিশেষ অভিযানে ইরানের প্রধান প্রধান সামরিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা কেন্দ্র এবং উপকূলীয় নজরদারি চৌকিগুলোকে সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয় যে হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত ইরানের সর্ববৃহৎ বন্দর এবং দেশটির নৌবাহিনী ও এলিট ফোর্স রেভল্যুশনারি গার্ডসের প্রধান ঘাঁটি সংবলিত বন্দর আব্বাস শহরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অবস্থানে এই হামলা চালানো হয়েছে।

সেন্টকম তাদের বিবৃতিতে সামরিক অভিযানের আরও কিছু বিবরণ তুলে ধরে জানিয়েছে যে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে মার্কিন বিমান বাহিনী গ্রেটার তুনব দ্বীপে অবস্থিত ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে টানা নব্বই মিনিট ধরে তীব্র বোমাবর্ষণ সম্পন্ন করেছে।

এই নতুন হামলার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ক্ষেত্রগুলোতে আঘাত হানার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং একই সঙ্গে তেহরান আলোচনায় না ফিরলে আগামী সপ্তাহে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সেতুগুলোতেও হামলা চালানোর নতুন হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন।

এদিকে যুদ্ধের মানবিক আচরণ সংক্রান্ত ১৯৪৯ সালের ঐতিহাসিক জেনেভা কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক জনগণের জন্য অপরিহার্য বা অত্যাবশ্যকীয় কোনো স্থাপনায় সামরিক হামলা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ট্রাম্পের এই ধরনের বেসামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোতে আঘাত হানার হুমকির পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেছিলেন যে এই ধরনের আক্রমণ যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এর আগে গত এপ্রিল মাসেও ইরানের সম্পূর্ণ সভ্যতা ধ্বংস করার হুমকি দিয়ে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দার মুখে পড়েছিলেন, যার পরপরই তেহরানের সঙ্গে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যের এই বিধ্বংসী যুদ্ধের ইতিহাস টেনে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর আকস্মিক বড় ধরনের সামরিক আক্রমণ শুরু করলে এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়।

এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি পরিচালনাকারী পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। চলমান এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় এবং লেবাননে চালানো ইসরায়েলের আগ্রাসনে এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে কাঁপিয়ে দিয়েছে।

ইরানি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন ধ্বংস

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
ইরানি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন ধ্বংস

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আন্দিমেস্ক শহরের আকাশসীমায় একটি শত্রুভাবাপন্ন ‘এমকিউ-৯’ মডেলের চালকবিহীন ড্রোনকে সফলভাবে বাধা প্রদান এবং তা ধ্বংস করার দাবি করেছে দেশটির এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।

ইরানের আকাশসীমা সুরক্ষায় নিয়োজিত বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী এই দূরনিয়ন্ত্রিত মার্কিন ড্রোনটিকে গুলি করে মাটিতে নামিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তেহরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে আন্দিমেস্ক শহরের ওপর দিয়ে অনধিকার প্রবেশ করা ওই শত্রু বিমানটিকে তাদের অ্যারোস্পেস বা মহাকাশ বাহিনীর সদস্যরা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।

বিবৃতিতে ড্রোনটি ধ্বংস করার কৌশলগত দিক উল্লেখ করে আইআরজিসি জানিয়েছে যে তাদের বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হওয়া সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তির একটি দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল ব্যবহারের মাধ্যমে এই আক্রমণাত্মক ড্রোনটিকে আকাশেই নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস করা হয়েছে। পারস্য উপসাগরে চলমান তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এই ড্রোনটি তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার একটি বড় প্রমাণ বলে তারা দাবি করেছে।

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬
কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

সোমবার রাতে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির দাবি, তাদের ভূখণ্ডে বারবার মার্কিন আগ্রাসন ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবে এ সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করে কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর জ্বালানি ভাণ্ডার, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যোগাযোগ কেন্দ্র এবং গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এতে ওই ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।

একই সময়ে ইরানের নৌবাহিনী জানায়, মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর তারা পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর অংশ হিসেবে উপকূলীয় এলাকা থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এদিকে এ ঘটনার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে তারা ইরানের ভেতরে নতুন করে সামরিক হামলা চালিয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

সূত্র: প্রেস টিভি

হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের প্রতি শোক জানাল ইরান

প্রকাশ: সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬
হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের প্রতি শোক জানাল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। যারমধ্যে ছিল কাতারের রাজধানী দোহার আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি। এখানে ইরানি সেনারা মিসাইল ও ড্রোন ছুড়েছে। তবে কাতার জানিয়েছে, সবগুলো মিসাইলই তারা প্রতিহত করেছে। যদিও প্রতিহত করা মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছে।

এমন অবস্থার মধ্যেই কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে ইরান। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, রোববার (১২ জুলাই) সকালে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের প্রতি শোক বার্তা পাঠায় ইরান।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শোক বার্তায় বলেছে, “গভীর দুঃখ ও বেদনার সাথে আমরা সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, সম্মানিত আল থানি পরিবার এবং কাতারের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আমরা আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।”

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের এক লেফটেন্যান্ট নিহত

এদিকে রাতভর চালানো যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর এক লেফটেন্যান্ট নিহত হয়েছেন। আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা মেহের নিউজ।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মেহেরকে বলেছে, “ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সামরিক বাহিনীর নৌ শাখার লেফটেনেন্ট হামিদরেজা দেহঘানি গতকাল রাতে জাস্ক বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন।”

মার্কিনিদের হামলায় এখন পর্যন্ত একজন নিহত হওয়ার তথ্যই দিয়েছে ইরান।

কাতার,জর্ডান,কুয়েত ও বাহরাইনে বিমানঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলার দাবি ইরানের

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬
কাতার,জর্ডান,কুয়েত ও বাহরাইনে বিমানঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলার দাবি ইরানের

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, তারা জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা নিশানা করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ইরানে আজ রোববার নতুন দফায় মার্কিন হামলা শুরু হওয়ার পর আইআরজিসি এমন দাবি করেছে। আজই কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে তারা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, তাদের বাহিনী জর্ডানের বিমানঘাঁটির একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি এমকিউ-৯ ড্রোন রাখার জন্য নির্ধারিত হ্যাঙ্গারগুলোও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

আইআরজিসি অপর এক বিবৃতিতে বলেছে, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে তারা।

আইআরজিসির দাবি, হামলায় বিমানঘাঁটির যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কেন্দ্র এবং একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস হয়েছে।

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও আজ সকালে দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কীকরণ সাইরেন বাজিয়েছে। সেই সঙ্গে নাগরিকদের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এর আগে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছিল, তারা তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করে সফলভাবে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করেছে। কাতার কর্তৃপক্ষ দেশের সাধারণ নাগরিকদের শান্ত থাকার এবং প্রশাসনের সব নিরাপত্তা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

আইআরজিসি ওমানের দুকম বন্দরেও হামলা চালানোর দাবি করেছে। তারা বলেছে, ওই বন্দরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলোর ব্যবহৃত রসদ সহায়তা কেন্দ্র ও জ্বালানি সরবরাহ প্ল্যাটফর্মকে নিশানা করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

আইআরজিসি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার জবাবে ওমানে এই হামলা চালানো হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা কার্যকরভাবে প্রতিহত করছে তারা। নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করে এগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে।

আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, সেগুলো মূলত তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার শব্দ।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন বাজানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়, দেশটির সেনাবাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করে তারা কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর একটি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি গোলাবারুদের গুদাম ও একটি রাডার স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর একটি যোগাযোগব্যবস্থা ও একটি রাডার স্থাপনা ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হামলার জবাব হিসেবেই এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।