১৭ জুলাই ২০২৬

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

আবারও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আলবিসেলেস্তেরা। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

ম্যাচের একেবারে শুরুতেই ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।

৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক আটকে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে দুই দল শারীরিকভাবে বেশ আক্রমণাত্নক ছিল।

মোট ১৯টি ফাউল করেছে দুই দল। আর্জেন্টিনার ১২টির বিপরীতে ৭টি ফাউল করেছে ইংল্যান্ড। অন টার্গেটেও কোনো শট নিতে পারেনি কোনো দল। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে লিড নেয় ইংল্যান্ড। ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন।

এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।

পিকফোর্ডের পানির বোতলে মিলল আর্জেন্টিনাকে রুখে দেওয়ার কৌশল

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
পিকফোর্ডের পানির বোতলে মিলল আর্জেন্টিনাকে রুখে দেওয়ার কৌশল

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার উদযাপনের মাঝেই সামনে আসে আরেকটি চমকপ্রদ ঘটনা। ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের পানির বোতলে ছিল আর্জেন্টিনাকে আটকে দেওয়ার একটি গোপন পরিকল্পনা।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা যখন সমর্থকদের সঙ্গে বিজয় উদযাপনে ব্যস্ত, তখন দলের ম্যাসাজ থেরাপিস্ট মার্সেলো ‘ড্যাডি’ ডি’আন্দ্রেয়ার হাতে আসে পিকফোর্ডের পানির বোতল। বোতলের গায়ে লাগানো একটি কাগজে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের নাম। তারা সাধারণত কোন দিকে শট নেন, সেই তথ্য সেখানে লেখা ছিল।

টেলিভিশনের ক্যামেরায় দেখা যায়, বোতলটি লিওনেল মেসি, নিকোলাস গঞ্জালেস ও মার্কোস সেনেসির কাছে নিয়ে যান ডি’আন্দ্রেয়া। মেসি মনোযোগ দিয়ে কাগজটি পড়ার চেষ্টা করেন। পরে সবাই মিলে সেটি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে ম্যাচ শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে গড়ালে সেই নোটই হতে পারত পিকফোর্ডের বড় অস্ত্র।

সেই কৌশলে ছিল ম্যাচে গোল করা এনজো ফার্নান্দেজের নামও। নিজের নাম খুঁজে পেয়ে হেসে ফেলেন এই মিডফিল্ডার। এরপর আকাশের দিকে তাকিয়ে ইশারা করেন, যেন টাইব্রেকারে যেতে না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন তিনি।

পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই কাগজের বিস্তারিত ছবিও প্রকাশ করেন আর্জেন্টিনার ফিটনেস কোচ লুইস মার্তিন। তাতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের জন্য আলাদা আলাদা নির্দেশনা লিখে রেখেছিলেন পিকফোর্ড।

ম্যাচজুড়েই অবশ্য পিকফোর্ড ও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কয়েক দফা বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কির পর ইংল্যান্ডের অ্যান্থনি গর্ডন গোল করলে বিতর্কিত ভঙ্গিতে উদযাপন করেন পিকফোর্ড। পরে আর্জেন্টিনা সমতা ফেরালে পিকফোর্ডের সামনে উদযাপনে মাতেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।

বিতর্কিত উদযাপনে ফাইনালের আগে বড় শাস্তি হতে পারে আর্জেন্টিনার

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
বিতর্কিত উদযাপনে ফাইনালের আগে বড় শাস্তি হতে পারে আর্জেন্টিনার

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। এ জয়ের পরই “লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস” বা মালভিনাস আর্জেন্টিনার লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা যায় কয়েকজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়কে।

ব্যানারটি মূলত ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ডস যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে নির্ধারিত সময় শেষ হতে পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে শেষ মুহূর্তে দ্রুত দুটি গোল করে দলটি টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে। আগামী রোববার নিউ জার্সিতে ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।

ব্যানারে উল্লেখ করা ‘মালভিনাস’ হচ্ছে দক্ষিণ আটলান্টিকের সেই দ্বীপপুঞ্জ, যাকে ব্রিটেনে ফকল্যান্ডস আইল্যান্ডস এবং আর্জেন্টিনায় ইসলাস মালভিনাস নামে ডাকা হয়।

এ দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার উপকূল থেকে মাত্র ৩০০ মাইল দূরে, আর ব্রিটেন থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৮ হাজার মাইল। ঐতিহাসিক সূত্র ধরে আর্জেন্টিনা দাবি করে, এ দ্বীপপুঞ্জ তাদের ভূখণ্ডের অংশ। অন্যদিকে ব্রিটেন ১৮৩৩ সাল থেকে সেখানে স্থায়ীভাবে শাসন করে এসেছে। দ্বীপের বাসিন্দারাও ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত।

এ দ্বীপের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ৪৪ বছর আগে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়েছিল। ওই সংঘাতে ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন, যার মধ্যে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ ছিলেন।

যুদ্ধে জয় পায় ব্রিটেন। এর প্রায় ৩০ বছর পর ২০১৩ সালে ফকল্যান্ডে বসবাসকারীদের মধ্যে একটি গণভোট হয়। ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ বাসিন্দা গণভোটে ব্রিটিশ ভূখণ্ড হিসেবে থাকার পক্ষে ভোট দেন।

আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও জিওভানি লো সেলসো হাসিমুখে ব্যানারটি তুলে ধরেন এবং গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের উদ্দেশে নাড়ান। তবে ব্যানারটি কোথা থেকে এসেছে, তা স্পষ্ট নয়।

বিশ্বকাপে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার নিয়ে এটিই প্রথম ঘটনা নয়। গত মাসে লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরানের ম্যাচে তেহরান সরকারের বিরোধিতার প্রতীক হিসেবে দেশটির বিপ্লবের আগের একটি পতাকা প্রদর্শন করেছিলেন ইরানি-আমেরিকান সমর্থকেরা। তবে ওই ম্যাচগুলোতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড়কে বলতে শোনা যায়, “মালভিনাসের জন্য, দিয়েগো (মারাদোনা)-র জন্য এবং লিও (মেসি)-র শেষ বিশ্বকাপের জন্য।”

এ প্রসঙ্গে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল বলেন, “আমরা জানি, এই ম্যাচটি শুধু ফুটবল নয়; এটি দিয়েগোর স্মৃতিও ফিরিয়ে আনে। আমরা মালভিনাসের বীরদের স্মরণে গান গাই। তবে এটাও বুঝতে হবে, এটি একটি ফুটবল ম্যাচ।

মালভিনাস ইস্যু নিয়ে আলোচনা অন্য জায়গায় হওয়া উচিত। যা ঘটেছিল, তা ছিল মর্মান্তিক ঘটনা। আমরা নিহতদের সবসময় স্মরণ করি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ছিল এই ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠা।”

ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী, রাজনৈতিক, আপত্তিকর বা বৈষম্যমূলক বার্তাসংবলিত ব্যানার, পতাকা, লিফলেট, পোশাক বা অন্যান্য সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ। এ ঘটনায় মন্তব্য চেয়ে যোগাযোগ করা হলেও ফিফা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড

আবার পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলো আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সাত মিনিটে যেন নতুন করে লেখা হলো মেসিদের রুপকথা।

আটলান্টার স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা লিওনেল স্কালোনির দল অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ডকে।

এতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আলবিসেলেস্তেরা। এবার শিরোপার লড়াইয়ে তাদের শেষ প্রতিপক্ষ স্পেন। তবে এই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এই লড়াইয়ে গোলশূন্য প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণের চেয়ে বেশি লড়েছে মাঝমাঠের দখল নিয়ে। শুরু থেকেই ছিল ফাউল, সংঘর্ষ আর স্নায়ুযুদ্ধ।

ইংল্যান্ড বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনার শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। প্রথমার্ধের সেরা সুযোগটি পান এনজো ফার্নান্দেজ, তবে তার দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে মরগান রজার্সের নিখুঁত ক্রস থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের ট্যাপ-ইনে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। এরপর একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও সমতা ফেরাতে পারছিল না আর্জেন্টিনা।

শেষ পর্যন্ত ৮৫ মিনিটে শর্ট কর্নার থেকে মেসির পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন এনজো ফার্নান্দেজ।

যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ডান প্রান্তে জেড স্পেন্সকে কাটিয়ে নিখুঁত ক্রস তোলেন মেসি। দূরের পোস্টে অরক্ষিত থাকা লাওতারো মার্তিনেজ হেডে বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে দেন।

আর এই জোড়া অ্যাসিস্টের মাধ্যমেই বিশ্বকাপ ফুটবলের আধুনিক ইতিহাসের পাতায় নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ ও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

এটি ছিল বিশ্বকাপে মেসির ১২তম অ্যাসিস্ট (গোল করানো)।ছয়টি বিশ্বকাপ আসরে অংশ নিয়ে তিনি এই চোখধাঁধানো কীর্তি গড়লেন। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে লিওনেল মেসিই একমাত্র ফুটবলার, যিনি পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন আসরে অ্যাসিস্ট করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।

২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ দিয়ে এই যাত্রার শুরু হয়েছিল। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং চলমান বিশ্বকাপের প্রতিটি বিশ্বকাপেই সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর এই ধারা বজায় রেখেছেন তিনি। ৮ অ্যাসিস্ট নিয়ে দুইয়ে দিয়েগো ম্যারাডোনা।

দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬
দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

আবারও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আলবিসেলেস্তেরা। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে জায়গা করে নিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

ম্যাচের একেবারে শুরুতেই ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যাান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে রেফারির হস্তক্ষেপে ঘটনা বেশিদূর এগোয়নি।

৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক আটকে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে দুই দল শারীরিকভাবে বেশ আক্রমণাত্নক ছিল।

মোট ১৯টি ফাউল করেছে দুই দল। আর্জেন্টিনার ১২টির বিপরীতে ৭টি ফাউল করেছে ইংল্যান্ড। অন টার্গেটেও কোনো শট নিতে পারেনি কোনো দল। এতে গোলশূন্য সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে লিড নেয় ইংল্যান্ড। ডান প্রান্তে মরগান রজার্সের ক্রসে দারুণ এক গোলে ইংলিশদের এগিয়ে দিয়েছেন অ্যান্থনি গর্ডন।

এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্টিনেজ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।

চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন মেসি, কী হয়েছিল সেখানে?

প্রকাশ: রবিবার, জুলাই ১২, ২০২৬
চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন মেসি, কী হয়েছিল সেখানে?

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন লিওনেল মেসি। ডান চোখে আঘাত পান আর্জেন্টিনার এই তারকা। এরপর তাকে চিকিৎসা নিতে হয় মাঠেই।

ইউরোপিয়ান দলটি সমতায় ফেরার পর হাইড্রেশন ব্রেকের সময় নজর কাড়ে একটি দৃশ্য। মেডিকেল স্টাফরা সরাসরি ছুটে যান আর্জেন্টিনার অধিনায়কের কাছে। কিছুক্ষণ আগে পাওয়া আঘাতের জন্য তার ডান চোখে বরফ লাগিয়ে দেওয়া হয়।

এই ম্যাচেও নিজের কীর্তি ধরে রেখেছেন মেসি। আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে দিয়ে গোল করিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডে পেলের সমান হয়ে যান তিনি।

এছাড়া ম্যাচে রেফারি জোয়াও পিনেইরোর সঙ্গেও একটি ঘটনায় জড়ান মেসি। রেফারির কথা বলার ধরন নিয়ে তার সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে যান তিনি, রেগে যান এতে।

তিনি বলেন, ‘ঠিকভাবে কথা বলুন, অসম্মান করবেন না। আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন, আমিও তো আপনার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেছি।’ পরে অবশ্য পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়।