১১ আগস্ট ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

সিরিয়ার একটি আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার ভাই মাহের আল-আসাদ এবং তার চাচাতো ভাই আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। প্রায় ১৪ বছরের দীর্ঘ যুদ্ধকালীন অপরাধের বিচার শেষে দামেস্কের ফৌজদারি আদালত মঙ্গলবার এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে।

২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বর্তমানে রাশিয়ায় নির্বাসিত থাকা বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যা, নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়ায় অনুপস্থিতিতেই এ রায় কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই অপরাধে তার ছোট ভাই মাহের আল-আসাদকেও অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের সাবেক প্রধান আতেফ নাজিবকে সরাসরি আদালতে হাজির করে এই দণ্ড শোনানো হয়। গত বছরের জানুয়ারিতে গ্রেফতার হওয়া নাজিব বন্দীদের খাঁচায় দাঁড়িয়ে বিচারকের মুখে নিজের শাস্তি শোনেন।

২০১১ সালে দ্রা প্রদেশে আন্দোলনকারীদের ওপর তার নির্মম দমন-পীড়নই পরবর্তীতে দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধের জন্ম দিয়েছিল। নাজিবের বিরুদ্ধে শিশু হত্যা এবং নির্যাতনের মাধ্যমে প্রাণহানির মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

আদালতের বিচারক আল-আরিয়ান জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বাশার আল-আসাদ সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী হিসেবে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে এসব অপরাধে ব্যবহার করেছিলেন।

ওমান উপকূলে ট্যাংকার দুর্ঘটনা, ৪০০ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তেল

প্রকাশ: মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
ওমান উপকূলে ট্যাংকার দুর্ঘটনা, ৪০০ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে তেল

ওমান উপকূলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের কাছে দুর্ঘটনায় পড়ে আটকে যাওয়া তেলবাহী ট্যাংকার থেকে নির্গত ক্রুড অয়েল সমুদ্রের প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার দেশটির পরিবেশ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই বড় ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়ের তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তেল সামলাতে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

'ক্যারোলিন বেজেঙ্গি' নামের ২৭৪ মিটার দীর্ঘ এই রাশিয়ান তেলবাহী ট্যাংকারটি প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে এশিয়ার দিকে যাওয়ার পথে গত জুন মাসে ইয়েমেন উপকূলে প্রথম দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাহাজটিতে একটি বিস্ফোরণ ঘটেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাহাজটি রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দর থেকে তেল বোঝাই করার পর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ভুয়া তথ্য ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। পরবর্তীতে ওমানের হালানিয়াত দ্বীপের কাছে সংরক্ষিত এলাকায় এটি আটকা পড়ে তেল নিঃসরণ শুরু করে।

ওমান সরকার জানিয়েছে, ছড়িয়ে পড়া তেলের আস্তরণটি দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং উপকুলের প্রায় ৭ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত মিষ্টি পানির প্ল্যান্ট বা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে এর সরাসরি কোনো প্রভাব পড়েনি।

এদিকে আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা গ্রিনপিস কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে দাবি করেছে, তেলের আস্তরণটি ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রের ওপর ভেসে থাকা এই তেল দ্রুত নিষ্কাশন করতে না পারলে এটি ওমানের বিরল প্রজাতির সামুদ্রিক তিমি, কোরাল ও হাজারো জলজ প্রাণীর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ডেকে আনবে।

গাজায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হতে দেবেন না নেতানিয়াহু, ভেস্তে যাচ্ছে চুক্তি!

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
গাজায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হতে দেবেন না নেতানিয়াহু, ভেস্তে যাচ্ছে চুক্তি!

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৫ দফার পরিকল্পনা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা উপত্যকা থেকে কোনো সেনা সরাবে না ইসরায়েল।

রোববার (৯ আগস্ট) এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু জানান যে ইসরায়েল এই ১৫ দফার নথি প্রত্যাখ্যান করছে এবং তাদের বাহিনী গাজায় যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করা অব্যাহত রাখবে। তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার কথা স্বীকার করে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু প্রস্তাব তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও কিছু বিষয় মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থানের জবাবে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস। তবে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, তারা পূর্বের এই পরিকল্পনা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে সমঝোতার প্রক্রিয়া ভেস্তে যাতে না যায়, সে বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টর দেশগুলোকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

এর আগে গত জুনে হামাস ট্রাম্পের এই ১৫ দফা প্রস্তাব মেনে নেওয়ার পর ৩০ জুলাই ট্রাম্প এই চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে ঘোষণা করেন। বোর্ড অব পিসের আওতায় হওয়া এই পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসনকে একটি প্রযুক্তিভিত্তিক ফিলিস্তিনি কমিটির হাতে হস্তান্তরের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

রোববারের বৈঠকে নেতানিয়াহু দৃঢ়তার সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করেন, তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালীন সময়ে কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত হতে দেওয়া হবে না। তিনি কেবল ভারী অস্ত্র নয়, বরং হালকা অস্ত্রসহ হামাসের সর্বাত্মক ও প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ দাবি করেছেন।

ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক প্যাটি কালহেন জানান, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। অন্যদিকে গাজা ও পশ্চিম তীরের প্রতিবেদক হাওয়া ও ওদে জানান যে নেতানিয়াহুর এই অবস্থানে সেখানে শান্তি ও গাজার প্রশাসনিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে নামমাত্র যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৮৬ জনে।

দক্ষিণ লেবাননকে নিজেদের অংশ দেখানো মানচিত্র সরিয়ে নিল ইসরায়েল

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননকে নিজেদের অংশ দেখানো মানচিত্র সরিয়ে নিল ইসরায়েল

দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা ইসরায়েলের সীমানার মধ্যে দেখানো একটি বিতর্কিত মানচিত্র সরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর শাফাক নিউজের।

রোববার (৯ আগস্ট) শিশুদের মধ্যে গাজায় তীব্র অপুষ্টির হার নিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশের সময় মানচিত্রটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে দক্ষিণ লেবাননের কিছু অংশকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডের মধ্যে দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে লেবাননে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

পরে লেবাননের কূটনৈতিক তৎপরতার পর ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইংরেজি ভাষার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে মানচিত্রটি মুছে ফেলে। তবে ইসরায়েলের আরবি ভাষার অ্যাকাউন্টে মানচিত্রটি রাখা হয়েছে।

এ নিয়ে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের পর গত এপ্রিলে ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছিল, দেশটির সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট সামরিক এলাকা তৈরি করেছে। ওই এলাকায় দক্ষিণ লেবাননের ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফিরে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল।

প্রকাশ্যে এলেন ইরানের নতুন শীর্ষ নেতা মোজতবা খামেনি!

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০৯, ২০২৬
প্রকাশ্যে এলেন ইরানের নতুন শীর্ষ নেতা মোজতবা খামেনি!

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে নিয়ে টেলিগ্রামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি। শনিবার প্রকাশিত ওই ভিডিওটি ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, মোজতবা খামেনিকে কয়েকজন মানুষ ঘিরে রেখেছেন। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি তার আশেপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন।

তবে ভিডিওটি কখন বা কোথায় ধারণ করা হয়েছে, মেহেরের প্রতিবেদনে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এমনকি তাকে ঘিরে রাখা মানুষগুলোর পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানসহ ইরানের অন্যান্য শহরে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার এবং সাধারণ নাগরিক নিহত হন।

এর জবাবে ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। মার্চের শুরুর দিকে দেশটির ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ তাকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে। সূত্র: সিনহুয়া

এফ-১৫সহ মার্কিন বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে আনল ইরান

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ০৮, ২০২৬
এফ-১৫সহ মার্কিন বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে আনল ইরান

ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শনে রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের গুলিতে ভূপাতিত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অংশবিশেষও রয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি প্রকাশিত একটি টিজারে প্রদর্শনীর বিভিন্ন সামগ্রী তুলে ধরা হয়েছে। এতে এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটের ইজেকশন সিট, বিমানের ককপিটের ক্যানোপির একটি অংশ এবং লেজের একটি অংশ দেখা যায়।

প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অন্যান্য সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষের পাশাপাশি ভূপাতিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশও রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ এবারই প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এর আগে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানিয়েছিলেন, ১২ দিনের যুদ্ধের পর আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সকে নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তার দাবি, দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হয় এবং এর মাধ্যমে একটি নতুন দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে যুদ্ধের সময় ওই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে।

মোহেবি আরও দাবি করেন, সংঘাতের সময় ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

এদিকে, আইআরজিসি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসের দাবি করেছে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (এডব্লিউএসিএস) বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, চালকসহ ও চালকবিহীন যুদ্ধবিমান এবং বিমান রাখার সুরক্ষিত স্থাপনাও রয়েছে। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ।