১০ আগস্ট ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননকে নিজেদের অংশ দেখানো মানচিত্র সরিয়ে নিল ইসরায়েল

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননকে নিজেদের অংশ দেখানো মানচিত্র সরিয়ে নিল ইসরায়েল

দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা ইসরায়েলের সীমানার মধ্যে দেখানো একটি বিতর্কিত মানচিত্র সরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর শাফাক নিউজের।

রোববার (৯ আগস্ট) শিশুদের মধ্যে গাজায় তীব্র অপুষ্টির হার নিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশের সময় মানচিত্রটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে দক্ষিণ লেবাননের কিছু অংশকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডের মধ্যে দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে লেবাননে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

পরে লেবাননের কূটনৈতিক তৎপরতার পর ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইংরেজি ভাষার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে মানচিত্রটি মুছে ফেলে। তবে ইসরায়েলের আরবি ভাষার অ্যাকাউন্টে মানচিত্রটি রাখা হয়েছে।

এ নিয়ে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের পর গত এপ্রিলে ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছিল, দেশটির সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট সামরিক এলাকা তৈরি করেছে। ওই এলাকায় দক্ষিণ লেবাননের ৫৫টি গ্রামের বাসিন্দাদের ফিরে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল।

গাজায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হতে দেবেন না নেতানিয়াহু, ভেস্তে যাচ্ছে চুক্তি!

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
গাজায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হতে দেবেন না নেতানিয়াহু, ভেস্তে যাচ্ছে চুক্তি!

গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৫ দফার পরিকল্পনা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা উপত্যকা থেকে কোনো সেনা সরাবে না ইসরায়েল।

রোববার (৯ আগস্ট) এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে নেতানিয়াহু জানান যে ইসরায়েল এই ১৫ দফার নথি প্রত্যাখ্যান করছে এবং তাদের বাহিনী গাজায় যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করা অব্যাহত রাখবে। তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার কথা স্বীকার করে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু প্রস্তাব তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও কিছু বিষয় মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থানের জবাবে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস। তবে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, তারা পূর্বের এই পরিকল্পনা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে সমঝোতার প্রক্রিয়া ভেস্তে যাতে না যায়, সে বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টর দেশগুলোকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

এর আগে গত জুনে হামাস ট্রাম্পের এই ১৫ দফা প্রস্তাব মেনে নেওয়ার পর ৩০ জুলাই ট্রাম্প এই চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে ঘোষণা করেন। বোর্ড অব পিসের আওতায় হওয়া এই পরিকল্পনায় গাজার প্রশাসনকে একটি প্রযুক্তিভিত্তিক ফিলিস্তিনি কমিটির হাতে হস্তান্তরের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

রোববারের বৈঠকে নেতানিয়াহু দৃঢ়তার সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করেন, তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালীন সময়ে কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত হতে দেওয়া হবে না। তিনি কেবল ভারী অস্ত্র নয়, বরং হালকা অস্ত্রসহ হামাসের সর্বাত্মক ও প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ দাবি করেছেন।

ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক প্যাটি কালহেন জানান, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। অন্যদিকে গাজা ও পশ্চিম তীরের প্রতিবেদক হাওয়া ও ওদে জানান যে নেতানিয়াহুর এই অবস্থানে সেখানে শান্তি ও গাজার প্রশাসনিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে নামমাত্র যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ১ হাজার ২৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৮৬ জনে।

প্রকাশ্যে এলেন ইরানের নতুন শীর্ষ নেতা মোজতবা খামেনি!

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০৯, ২০২৬
প্রকাশ্যে এলেন ইরানের নতুন শীর্ষ নেতা মোজতবা খামেনি!

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে নিয়ে টেলিগ্রামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি। শনিবার প্রকাশিত ওই ভিডিওটি ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, মোজতবা খামেনিকে কয়েকজন মানুষ ঘিরে রেখেছেন। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি তার আশেপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন।

তবে ভিডিওটি কখন বা কোথায় ধারণ করা হয়েছে, মেহেরের প্রতিবেদনে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। এমনকি তাকে ঘিরে রাখা মানুষগুলোর পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানসহ ইরানের অন্যান্য শহরে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার এবং সাধারণ নাগরিক নিহত হন।

এর জবাবে ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। মার্চের শুরুর দিকে দেশটির ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ তাকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে। সূত্র: সিনহুয়া

এফ-১৫সহ মার্কিন বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে আনল ইরান

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ০৮, ২০২৬
এফ-১৫সহ মার্কিন বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে আনল ইরান

ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শনে রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের গুলিতে ভূপাতিত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অংশবিশেষও রয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি প্রকাশিত একটি টিজারে প্রদর্শনীর বিভিন্ন সামগ্রী তুলে ধরা হয়েছে। এতে এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটের ইজেকশন সিট, বিমানের ককপিটের ক্যানোপির একটি অংশ এবং লেজের একটি অংশ দেখা যায়।

প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অন্যান্য সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষের পাশাপাশি ভূপাতিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশও রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ এবারই প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এর আগে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানিয়েছিলেন, ১২ দিনের যুদ্ধের পর আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সকে নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তার দাবি, দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হয় এবং এর মাধ্যমে একটি নতুন দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে যুদ্ধের সময় ওই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে।

মোহেবি আরও দাবি করেন, সংঘাতের সময় ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।

এদিকে, আইআরজিসি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসের দাবি করেছে।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (এডব্লিউএসিএস) বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, চালকসহ ও চালকবিহীন যুদ্ধবিমান এবং বিমান রাখার সুরক্ষিত স্থাপনাও রয়েছে। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ।

মক্কায় সই হলো সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের মেগা প্রতিরক্ষা চুক্তি!

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ০৮, ২০২৬
মক্কায় সই হলো সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের মেগা প্রতিরক্ষা চুক্তি!
সৌদি আরবের মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। । ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় তিন দেশের প্রতিনিধিরা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। যেকোনো ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানোই চুক্তির মূল লক্ষ্য।

চুক্তি সইয়ের পর দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক ও এর বাইরের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে এই চুক্তি। তবে প্রতিটি দেশ কী ধরনের সামরিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বা কী দায়িত্ব নেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

তুরস্কের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চুক্তিতে সম্মিলিত প্রতিরক্ষার একটি ধারা রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক এবং আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে তিন দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আরও জানান, চুক্তিটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। আঞ্চলিক অন্যান্য দেশও চাইলে এতে যোগ দিতে পারবে। একই সঙ্গে এটি বিদ্যমান কোনো দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির বিকল্প নয়।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান—তিন দেশই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এবং সুন্নি-প্রধান দেশ। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানি অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনায় তিন দেশই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকে অঞ্চলজুড়ে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও জ্বালানি রপ্তানি ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিন দেশের মধ্যে নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মক্কা চুক্তি নিয়ে ইরানি আইনপ্রণেতার সতর্কতা

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ০৮, ২০২৬
মক্কা চুক্তি নিয়ে ইরানি আইনপ্রণেতার সতর্কতা

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সই হওয়া ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা। তিনি দাবি করেছেন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করলেই সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সই হয়। এতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সম্মিলিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করাই চুক্তিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

চুক্তি সইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য ইব্রাহিম রেজাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সৌদি আরবকে নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেন।

ইব্রাহিম রেজাই এক্সে লিখেছেন, 'সৌদিদের অবশ্যই জানা উচিত তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে একটি কাগুজে চুক্তি তাদের নিরাপত্তা দেবে না। যেমনটা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বছরের পর বছর একপাক্ষিক সম্পর্ক তাদের কোনো নিরাপত্তা এনে দেয়নি।'

তিনি আরও বলেন, 'আপনারা (সৌদি আরব) নিজেদের নীতিতে সংস্কার আনুন যেন অন্যদের কাছে নিরাপত্তা ভিক্ষা না চাইতে হয়।'

ইব্রাহিম রেজাই ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা এবং পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের সদস্য।