১০ আগস্ট ২০২৬

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন উড়বে রিয়াদ এয়ারের ড্রিমলাইনার!

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন উড়বে রিয়াদ এয়ারের ড্রিমলাইনার!

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন সরাসরি ফ্লাইট চালু করল রিয়াদ এয়ার

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে সৌদি আরবের নতুন বিমান সংস্থা ‘রিয়াদ এয়ার’। ৭ আগস্ট থেকে এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

গত ১০ জুন কার্যক্রম শুরুর পর মাত্র আট সপ্তাহের মাথায় রিয়াদ এয়ার তাদের নবম আনুষ্ঠানিক গন্তব্য হিসেবে ঢাকাকে যুক্ত করল। আজ রোববার রিয়াদ এয়ারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রিয়াদ এয়ারের ঢাকা-রিয়াদ রুটের উদ্বোধনী ফ্লাইটটি গত শনিবার সকালে ঢাকায় অবতরণ করে। এর আগে শুক্রবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে ছেড়ে এসে পরদিন সকালে ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। নতুন এই রুটে প্রতিদিন বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ চলাচল করবে।

ব্যবসা, পর্যটন ও ধর্মীয় ভ্রমণে সুবিধা
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রাক্কলন (হিসাব) অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যাত্রী পরিবহনের দিক থেকে বাংলাদেশ-সৌদি আরব রুটটির অবস্থান নবম। মূলত ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদার প্রেক্ষাপটেই নতুন এই রুট চালু করা হয়েছে।

রিয়াদ এয়ারের এই সরাসরি ফ্লাইট চালুর ফলে বাংলাদেশি যাত্রীদের ব্যবসা, সাধারণ ভ্রমণ, ওমরাহ ও হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়া আরও সহজ হবে। পাশাপাশি সৌদি আরবের নাগরিক ও পর্যটকেরাও সহজে বাংলাদেশে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক, বিনিয়োগ, ধর্মীয় পর্যটন ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। নতুন এই রুট চালুর ফলে জ্বালানি, লজিস্টিকস (পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থা), কৃষি, প্রযুক্তি, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকা থেকে সংযোগকারী ফ্লাইট
নতুন এই সেবার মাধ্যমে রিয়াদ ও ঢাকার মধ্যে প্রতিদিন সরাসরি উড়োজাহাজ যোগাযোগ বজায় থাকবে। রিয়াদ এয়ারের ক্রমবর্ধমান নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জেদ্দাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে সংযোগকারী (কানেক্টিং) ফ্লাইটে ভ্রমণের সুযোগও থাকবে।

রিয়াদ এয়ার জানিয়েছে, এই রুটে ব্যবহৃত বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে যাত্রীদের জন্য প্রিমিয়াম সিটিং, আধুনিক বিনোদনব্যবস্থা এবং বিশেষ সৌদি আতিথেয়তার সুবিধা থাকবে।

যাত্রীরা রিয়াদ এয়ারের অ্যাপ, ওয়েবসাইট অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্ট ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন। এ ছাড়া রিয়াদ এয়ারের লয়্যালটি প্রোগ্রামের আওতায় ‘স্ফিয়ার’-এর ‘ফাউন্ডিং মেম্বার’ হিসেবে নিবন্ধন করলে যাত্রীরা প্রথম যাত্রা থেকে ‘সেরা অফার’, ফ্লাইটে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সেবাসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন উড়বে রিয়াদ এয়ারের ড্রিমলাইনার!

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন উড়বে রিয়াদ এয়ারের ড্রিমলাইনার!

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন সরাসরি ফ্লাইট চালু করল রিয়াদ এয়ার

ঢাকা-রিয়াদ রুটে প্রতিদিন সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে সৌদি আরবের নতুন বিমান সংস্থা ‘রিয়াদ এয়ার’। ৭ আগস্ট থেকে এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।

গত ১০ জুন কার্যক্রম শুরুর পর মাত্র আট সপ্তাহের মাথায় রিয়াদ এয়ার তাদের নবম আনুষ্ঠানিক গন্তব্য হিসেবে ঢাকাকে যুক্ত করল। আজ রোববার রিয়াদ এয়ারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রিয়াদ এয়ারের ঢাকা-রিয়াদ রুটের উদ্বোধনী ফ্লাইটটি গত শনিবার সকালে ঢাকায় অবতরণ করে। এর আগে শুক্রবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে ছেড়ে এসে পরদিন সকালে ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। নতুন এই রুটে প্রতিদিন বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ চলাচল করবে।

ব্যবসা, পর্যটন ও ধর্মীয় ভ্রমণে সুবিধা
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রাক্কলন (হিসাব) অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যাত্রী পরিবহনের দিক থেকে বাংলাদেশ-সৌদি আরব রুটটির অবস্থান নবম। মূলত ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদার প্রেক্ষাপটেই নতুন এই রুট চালু করা হয়েছে।

রিয়াদ এয়ারের এই সরাসরি ফ্লাইট চালুর ফলে বাংলাদেশি যাত্রীদের ব্যবসা, সাধারণ ভ্রমণ, ওমরাহ ও হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়া আরও সহজ হবে। পাশাপাশি সৌদি আরবের নাগরিক ও পর্যটকেরাও সহজে বাংলাদেশে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক, বিনিয়োগ, ধর্মীয় পর্যটন ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। নতুন এই রুট চালুর ফলে জ্বালানি, লজিস্টিকস (পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থা), কৃষি, প্রযুক্তি, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকা থেকে সংযোগকারী ফ্লাইট
নতুন এই সেবার মাধ্যমে রিয়াদ ও ঢাকার মধ্যে প্রতিদিন সরাসরি উড়োজাহাজ যোগাযোগ বজায় থাকবে। রিয়াদ এয়ারের ক্রমবর্ধমান নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জেদ্দাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে সংযোগকারী (কানেক্টিং) ফ্লাইটে ভ্রমণের সুযোগও থাকবে।

রিয়াদ এয়ার জানিয়েছে, এই রুটে ব্যবহৃত বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে যাত্রীদের জন্য প্রিমিয়াম সিটিং, আধুনিক বিনোদনব্যবস্থা এবং বিশেষ সৌদি আতিথেয়তার সুবিধা থাকবে।

যাত্রীরা রিয়াদ এয়ারের অ্যাপ, ওয়েবসাইট অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্ট ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন। এ ছাড়া রিয়াদ এয়ারের লয়্যালটি প্রোগ্রামের আওতায় ‘স্ফিয়ার’-এর ‘ফাউন্ডিং মেম্বার’ হিসেবে নিবন্ধন করলে যাত্রীরা প্রথম যাত্রা থেকে ‘সেরা অফার’, ফ্লাইটে বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই সেবাসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে অল্পের জন্য বাঁচল কাতার এয়ারওয়েজের বিমান!

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২৬
মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে অল্পের জন্য বাঁচল কাতার এয়ারওয়েজের বিমান!

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিমানবন্দরের রানওয়ে ও টারম্যাকে এক ভয়াবহ মুখোমুখি দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে দুটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ। শেষ মুহূর্তে উড়োজাহাজ দুটি থামানো সম্ভব হলেও এই আকস্মিক ঘটনায় একজন কেবিন ক্রু আহত হয়েছেন এবং কাতার এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রবিবার সিডনি বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরো (ATSB)। সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।

কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা?

অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরোর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী:

অস্ট্রেলীয় বিমান সংস্থা জেটস্টারের (Jetstar) একটি এয়ারবাস এ৩২০ (A320) উড়োজাহাজ কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্টের উদ্দেশ্যে উড্ডয়নের পূর্বপ্রস্তুতি নিচ্ছিল। রানওয়ে অতিক্রমের সময় ক্রসিং ট্যাক্সিওয়েতে ফ্লাইট ক্রুরা একটি এয়ারক্রাফট টাগ (Tug) দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া কাতার এয়ারওয়েজের একটি বোয়িং ৭৭৭-এর মুখোমুখি চলে আসেন। বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে উভয় উড়োজাহাজকে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি ব্রেক কষে আকস্মিকভাবে থামানো হয়।

আকস্মিক ও জোরে ব্রেক করার ঝাঁকুনিতে জেটস্টারের একজন কেবিন ক্রু সদস্য আহত হন। অন্যদিকে, কাতার এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজটির সামনের চাকা এবং সেটিকে টেনে নিয়ে যাওয়া টাগবোটের মধ্যকার সংযোগ অংশটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত

ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থা কোয়ান্টাস (Qantas) তদন্ত শুরু করেছে।

জেটস্টারের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁদের পাইলটরা সম্পূর্ণভাবে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (ATC) নির্দেশনা অনুসরণ করছিলেন। তবে অন্য উড়োজাহাজটি বিপজ্জনকভাবে কাছে চলে আসায় দুর্ঘটনা এড়াতে জরুরি ব্রেক প্রয়োগ করতে বাধ্য হন তাঁরা।

এ বিষয়ে কাতার এয়ারওয়েজের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশাল দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে এমন মুখোমুখি পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় সিডনি বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ট্রাফিক কন্ট্রোল ও এয়ার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সেফটি ব্যুরোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পর ঘটনার আসল কারণ স্পষ্ট হবে।

(তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরো)

ক্যান্সারে আক্রান্ত জো বাইডেন, ছড়িয়ে পড়েছে হাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০৯, ২০২৬
ক্যান্সারে আক্রান্ত জো বাইডেন, ছড়িয়ে পড়েছে হাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ৮৩ বছর বয়সী জো বাইডেনের প্রোস্টেট ক্যান্সার হাড়সহ শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেন। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ায় বাবা প্রচণ্ড শারীরিক যন্ত্রণা ও দুর্বলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হান্টার বাইডেন বলেন, বাবার শারীরিক অবস্থা দেখা তাঁর জন্য অত্যন্ত কঠিন ও বেদনাদায়ক। পরিস্থিতি ভালো নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জো বাইডেনের আরও বেশি করে নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ করা উচিত।

হান্টার জানান, তাঁর বাবার ক্যানসার হাড়সহ শরীরের দূরবর্তী বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তিনি প্রচণ্ড ব্যথা ও দুর্বলতায় ভুগছেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও দেশের প্রতি গভীর বিশ্বাস থেকে জো বাইডেন সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি।

২০২৫ সালের মে মাসে জো বাইডেনের আগ্রাসী ধরনের প্রোস্টেট ক্যান্সার শনাক্ত হয়। পরে চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি হরমোন থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি নেন।

সাক্ষাৎকারে হান্টার বাইডেন তাঁর বাবার প্রেসিডেন্ট মেয়াদের শেষ দিকে দেওয়া ক্ষমার সিদ্ধান্ত নিয়েও কথা বলেন। নিজের প্রতি বাবার এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নিজেকে এ বিষয়ে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি’ বলে উল্লেখ করেন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জো বাইডেন বিশেষ আদেশের মাধ্যমে তাঁর ছেলে হান্টার বাইডেনকে ক্ষমা করেন। এর ফলে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা কেন্দ্রীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও কর ফাঁকিসংক্রান্ত মামলার সাজা কার্যকর হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জো বাইডেন আগে দেওয়া ‘হস্তক্ষেপ না করার’ প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছিলেন বলে সে সময় ব্যাপক আলোচনা হয়।

ইসরায়েলকে ‘অবৈধ রাষ্ট্র’ ঘোষণা করে মুসলিম জোটের ডাক পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০৯, ২০২৬
ইসরায়েলকে ‘অবৈধ রাষ্ট্র’ ঘোষণা করে মুসলিম জোটের ডাক পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

সৌদি আরব এবং তুরস্কের সঙ্গে ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক একদিন পরই ইসরায়েলকে ‘অবৈধ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। শনিবার নিজ দেশের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইসরায়েলকে পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য সরাসরি বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এই ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্ব মুসলিমকে একটি ঐক্যবদ্ধ সামরিক ফ্রন্ট বা জোট গঠনের জোর আহ্বান জানান।

এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে খাজা আসিফ বলেন, ইসরায়েলের প্রেক্ষাপটে সমস্ত মুসলিম দেশকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এ নিয়ে আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই। ১৯৪০-এর দশকের বালফোর ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও যোগ করেন, ইসরায়েল হলো বালফোর ঘোষণারই এক ফসল, যা ১৯৪০-এর দশকে একটি অবৈধ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি এই অঞ্চলের যেকোনো দেশের জন্যই সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

উল্লেখ্য, ১৯১৭ সালের ব্রিটিশ ঘোষণার ওপর ভিত্তি করে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও, তার ঠিক এক বছর আগে ১৯৪৭ সালে একই রকম ব্রিটিশ ঘোষণার মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল।

পূর্বে ইসরায়েলকে ‘মানবজাতির জন্য অভিশাপ’ এবং ‘ক্যানসার আক্রান্ত রাষ্ট্র’ বলে আখ্যা দেওয়া এই পাকিস্তানি মন্ত্রী জানান, আসন্ন ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পরাজিত হলেও ইসরায়েলের প্রতি তার এই কঠোর অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না। তিনি বলেন, জেরুজালেমের ক্ষমতায় কে আসল—নফতালি বেনেট নাকি অন্য কোনো নেতা—তাতে পরিস্থিতির খুব সামান্যই ফারাক ঘটবে।

ফিলিস্তিনিদের প্রতি তাদের বৈরী মনোভাব এবং ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতা কখনো দূর হবে না। তারা একের পর এক মুসলিম দেশকে পরস্পরের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে চলেছে। যতক্ষণ না ফিলিস্তিন-সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান হচ্ছে, ততক্ষণ পুরো ইসলামিক বিশ্বকে এক হয়ে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

খাজা আসিফের এই নতুন হুমকির বিষয়ে ইসরায়েল তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসিফের দেওয়া এক বিতর্কিত পোস্টের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

সে সময় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মার্কিন-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় ইসলামাবাদের নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, মধ্যস্থতাকারী কোনো দেশের মন্ত্রীর মুখে ইসরায়েল ধ্বংসের এমন ডাক অত্যন্ত মর্মান্তিক ও অগ্রহণযোগ্য।

উল্লেখ্য, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। ১৯৬৭ সালের আগের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দেওয়ার নীতিতে অটল রয়েছে ইসলামাবাদ।

এদিকে, শনিবার এক পৃথক বিবৃতিতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, শুক্রবার তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা কার্যত ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫-এর মতো একটি যৌথ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। এর অর্থ হলো, এই তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে তা সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

তিনি জানান, আঙ্কারা, রিয়াদ ও ইসলামাবাদের এই জোটে ন্যাটোর আদলে একটি মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটি গঠিত হবে এবং এর প্রধান সচিবালয় থাকবে সৌদি আরবে। কারিগরি কিছু বিষয় সমাধান হলে মিসরও এই জোটে যোগ দিতে পারে বলে জানান তিনি। প্রায় দুই বছর আট মাসের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা এই জোটটি ন্যাটোর বিকল্প নয় এবং আঞ্চলিক অন্যান্য দেশের জন্যও এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বলে আঙ্কারা নিশ্চিত করেছে।

হরমুজ চুক্তির বিনিময়ে ইরানের বন্দর অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: শনিবার, আগস্ট ০৮, ২০২৬
হরমুজ চুক্তির বিনিময়ে ইরানের বন্দর অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ইরান ও ওমানের মধ্যে চুক্তি হলে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। শিগগিরই এ বিষয়ে একটি চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে চলছে। যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, শিগগিরই একটি চুক্তি হবে।

ওই কর্মকর্তা জানান, চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই স্বাভাবিক করার বিষয়টি নিশ্চিত হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ তুলে নেবে।

তিনি বলেন, ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ ইরান তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে কি না, তার ওপর নির্ভর করবে।

মার্কিন কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেই যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি। মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাসের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা হয়। সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।