৪ আগস্ট ২০২৬

ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ ঘোষণার অঙ্গীকার নাফতালি বেনেটের

বেনেট আরো জানান, শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভুক্ত না করাটা একটি ‘অমার্জনীয় ভুল’
প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ০৩, ২০২৬
ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ ঘোষণার অঙ্গীকার নাফতালি বেনেটের
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট

ইসরায়েলে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কাতার ইসরায়েলের জন্য ‘ইরানের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

ইসরায়েলি সংবাদ মাধ্যম ‘টেলিভিশন চ্যানেল ১২’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নাফতালি বেনেট এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাতারকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভুক্ত না করাটা তেল আবিবের জন্য একটি ‘অমার্জনীয় ভুল’।

নিজের দাবির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বেনেট বলেন, ‘‘ইরান প্রকাশ্যেই ইসরায়েলকে বিশ্বমানচিত্র থেকে মুছে ফেলার কথা বলে, তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু কাতার পর্দার আড়ালে থেকে কাজ করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নুখবা ফোর্সের পরিচালিত হামলার মূল অর্থায়ন করেছে কাতার। এ ছাড়া কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’ বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিষাক্ত ও আক্রমণাত্মক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।’’

কাতারকে সরাসরি হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বেনেট আরও অভিযোগ করেন, দোহা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ঢেলে সেখানে তাদের নিজস্ব প্রভাব বিস্তার করছে।

এমনকি ইসরায়েলের সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রাণকেন্দ্র তথা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত কাতারের এই প্রভাব পৌঁছে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। বেনেটের মতে, কাতার সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে না নেমেও ইসরায়েলকে ভেতর থেকে প্রতিনিয়ত দুর্বল ও নিঃশেষ করে দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করেছে।

উপসাগরে উত্তেজনা প্রশমনে কাতারের জোর কূটনৈতিক তৎপরতা

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ০৩, ২০২৬
উপসাগরে উত্তেজনা প্রশমনে কাতারের জোর কূটনৈতিক তৎপরতা

উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে কাতার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি সৌদি আরব, জর্ডান ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেছেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, জর্ডানের আয়মান সাফাদি এবং কুয়েতের শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহর সঙ্গে আলাপে শেখ মোহাম্মদ উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা কমানোর সব প্রচেষ্টার প্রতি কাতারের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

ফোনালাপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কূটনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা এবং সাম্প্রতিক উত্তেজনা মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

কাতারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, নেতারা সব পক্ষকে সংলাপ ও কূটনীতির পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ২০ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ওই সমঝোতা স্মারকের লক্ষ্য হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কাতারের এই কূটনৈতিক যোগাযোগকে উপসাগরীয় স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ ঘোষণার অঙ্গীকার নাফতালি বেনেটের

বেনেট আরো জানান, শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভুক্ত না করাটা একটি ‘অমার্জনীয় ভুল’
প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ০৩, ২০২৬
ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ ঘোষণার অঙ্গীকার নাফতালি বেনেটের
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট

ইসরায়েলে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কাতার ইসরায়েলের জন্য ‘ইরানের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

ইসরায়েলি সংবাদ মাধ্যম ‘টেলিভিশন চ্যানেল ১২’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নাফতালি বেনেট এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাতারকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে তালিকাভুক্ত না করাটা তেল আবিবের জন্য একটি ‘অমার্জনীয় ভুল’।

নিজের দাবির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বেনেট বলেন, ‘‘ইরান প্রকাশ্যেই ইসরায়েলকে বিশ্বমানচিত্র থেকে মুছে ফেলার কথা বলে, তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু কাতার পর্দার আড়ালে থেকে কাজ করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নুখবা ফোর্সের পরিচালিত হামলার মূল অর্থায়ন করেছে কাতার। এ ছাড়া কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আল জাজিরা’ বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিষাক্ত ও আক্রমণাত্মক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।’’

কাতারকে সরাসরি হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বেনেট আরও অভিযোগ করেন, দোহা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় অঙ্কের অর্থ ঢেলে সেখানে তাদের নিজস্ব প্রভাব বিস্তার করছে।

এমনকি ইসরায়েলের সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রাণকেন্দ্র তথা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত কাতারের এই প্রভাব পৌঁছে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। বেনেটের মতে, কাতার সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে না নেমেও ইসরায়েলকে ভেতর থেকে প্রতিনিয়ত দুর্বল ও নিঃশেষ করে দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করেছে।

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়ালো কাতার

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ০৩, ২০২৬
ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়ালো কাতার

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর চেয়ার এখন কাঁপছে। ইউরোপের শক্তিশালী সংস্থা উয়েফা সরাসরি আস্থা হারানোর কথা জানিয়েছে। কনকাকাফও কড়া সমালোচনা করেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন চাপের সময়েই কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সোচ্চার হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে ইনফান্তিনোর।

সম্প্রতি বিতর্কিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ প্রস্তাব প্রত্যাহারের পর কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সভাপতির এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তারা বলেছে, জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মধ্যে ঐক্য ধরে রাখা এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি। কাতারের মতে, প্রস্তাবটিতে কিছু ইতিবাচক দিকও ছিল; যেমন প্রতিটি সদস্য দেশকে এককালীন ২ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার বিষয়টি। তবে ঐক্য ও দূরদর্শিতাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন ইনফান্তিনো, যা প্রশংসার দাবি রাখে।

কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে বলা হয়, “প্রস্তাবটিতে বিচার-বিশ্লেষণের মতো কিছু ভালো দিক থাকলেও বর্তমান সময়ে সব সদস্য জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনের ধারাবাহিক ঐক্য বজায় রাখা এবং এই সিদ্ধান্তের পেছনের দূরদর্শিতাকেই আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি। বিশ্বজুড়ে ফুটবলের বিকাশ ও প্রসারে সভাপতি ইনফান্তিনোর চলমান প্রচেষ্টার প্রতি আমরা পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি।”

২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক দেশটির এমন বিবৃতি ইনফান্তিনোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যখন বড় বড় কনফেডারেশন থেকে সমালোচনার ঝড় উঠছে, তখন কাতারের এই অবস্থান সভাপতির পক্ষে একটা শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে।

আপনার যা জানা প্রয়োজন

কাতারে খোলা জায়গায় গাড়ি ধোয়া নিষিদ্ধ: অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০২, ২০২৬
কাতারে খোলা জায়গায় গাড়ি ধোয়া নিষিদ্ধ: অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা

কাতারের সরকারি ও বেসরকারি পার্কিং লট, শপিং মল এবং বাণিজ্যিক রাস্তার খোলা জায়গাসহ সব ধরনের উন্মুক্ত স্থানে গাড়ি ধোয়ার কার্যক্রমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় (MOCI)। দেশজুড়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, অননুমোদিত এবং অবৈধ কার্যকলাপ দমন ও সার্বিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই নির্দেশনা মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যানুযায়ী, উন্মুক্ত স্থানে গাড়ি ধোয়ার পরিষেবা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এই নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোথায় গাড়ি ধোয়া যাবে এবং শর্তাবলী?

সাধারণ গাড়ির মালিক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট কিছু স্থান ও নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছে:

অনুমোদিত স্থান: গাড়ি ধোয়ার সার্ভিস কেবল লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোম্পানির মাধ্যমেই পরিচালিত হতে পারবে এবং তা শুধুমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র বা শপিং মলের ভূগর্ভস্থ পার্কিং লটে (বেসমেন্ট) সীমাবদ্ধ থাকবে।

প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন: ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মলে উপযুক্ত পানি নিষ্কাশন সুবিধাসহ নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ থাকতে হবে এবং মল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকতে হবে।

সার্ভিস প্রদানকারী কোম্পানির জন্য আবশ্যকীয় নিয়ম

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ভূগর্ভস্থ স্থানে কর্মরত লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোম্পানিগুলোর জন্য কিছু জরুরি শর্ত আরোপ করেছে:

  • নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও আধুনিক সরঞ্জাম: গাড়ি ধোয়ার জন্য উপযুক্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং আধুনিক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে।

  • পোশাক ও পরিচয়: কর্মীদের সর্বদা পরিষ্কার ইউনিফর্ম পরতে হবে, যেখানে কোম্পানি ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

  • পরিচ্ছন্নতা ও আচরণ: কাজের স্থান ও তার আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোনোভাবেই গ্রাহকদের অনুসরণ করা বা বিরক্ত করা যাবে না।

কেন এই নিষেধাজ্ঞা?

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই বিধিনিষেধের মূল উদ্দেশ্য হলো কাতারজুড়ে বাণিজ্যিক সেবাগুলোর তদারকি বৃদ্ধি করা, অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অবৈধভাবে গাড়ি ধোয়া বন্ধ করা এবং পাবলিক ও প্রাইভেট পার্কিং স্পেসগুলোর সার্বিক সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।

সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ সার্ভিস প্রোভাইডারদের আইনি শাস্তি এড়াতে সম্পূর্ণরূপে এই সরকারি নির্দেশনা ও নিয়মাবলী মেনে চলতে বলা হয়েছে।

জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্ট প্রধানদের বৈঠকে কাতারের অংশগ্রহণ

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ০২, ২০২৬
জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্ট প্রধানদের বৈঠকে কাতারের অংশগ্রহণ

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর পাসপোর্ট মহাপরিচালকদের ৪১তম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে কাতার। রিয়াদে অবস্থিত জিসিসি সাধারণ সচিবালয়ের সদর দপ্তরে সদস্য দেশগুলোর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পাসপোর্ট মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আহমেদ আল আতিক আল দোসারী।

সমন্বয় ও সেবার মানোন্নয়নে জোর

৪১তম এই বৈঠকে জিসিসি অঞ্চলজুড়ে পাসপোর্ট ও অভিবাসন সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল:

সেবার মানোন্নয়ন: জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতে পাসপোর্ট কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং নাগরিকদের জন্য সেবার মান বৃদ্ধি করা।

আন্তঃআঞ্চলিক সমন্বয়: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পাসপোর্ট ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিষয়ে একীকরণ, তথ্য বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা।

বৈঠক শেষে আলোচিত বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে পাসপোর্ট ও সাধারণ সেবা আরও সহজ করার লক্ষ্যে একাধিক যৌথ সুপারিশ গ্রহণ করা হয়।