১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম আরও কঠিন হলো

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম আরও কঠিন হলো

বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসার নিয়মে আরও কড়াকড়ির ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, এখন থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীরা আর তাঁদের সঙ্গে পরিবারকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে, যাঁরা দেশটিতে থাকার মেয়াদ বাড়াতে চান, তাঁদের উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো কোর্সে ভর্তি হতে হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই কঠোর নিয়ম করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার নিয়মও আরও কঠোর করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতে এসব ভিসাধারী শ্রমিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এসব ভিসার ক্ষেত্রে ব্যালট পদ্ধতি চালু করা হবে। তবে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন প্রযোজ্য হবে না।

অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা একটি অস্থায়ী ভিসা, যার মাধ্যমে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী এবং কিছু দেশের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত ব্যক্তিরা সর্বোচ্চ ১২ মাস অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস, কাজ ও ভ্রমণ করতে পারেন। ভ্রমণের পাশাপাশি কাজ করে ভ্রমণের খরচ চালাতে চান, এমন তরুণদের জন্য বিশেষভাবে এই ভিসা চালু করা হয়েছে।

টনি বার্ক বলেন, অভিবাসন অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি শক্তি হলেও এর ওপর উচ্চমাত্রার নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েট ভিসার বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসতে পারবেন—এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা আর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াব না।’

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম আরও কঠিন হলো

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার নিয়ম আরও কঠিন হলো

বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসার নিয়মে আরও কড়াকড়ির ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, এখন থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীরা আর তাঁদের সঙ্গে পরিবারকে অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যেতে পারবেন না। একই সঙ্গে, যাঁরা দেশটিতে থাকার মেয়াদ বাড়াতে চান, তাঁদের উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো কোর্সে ভর্তি হতে হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই কঠোর নিয়ম করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার নিয়মও আরও কঠোর করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতে এসব ভিসাধারী শ্রমিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় এসব ভিসার ক্ষেত্রে ব্যালট পদ্ধতি চালু করা হবে। তবে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন প্রযোজ্য হবে না।

অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা একটি অস্থায়ী ভিসা, যার মাধ্যমে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী এবং কিছু দেশের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত ব্যক্তিরা সর্বোচ্চ ১২ মাস অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস, কাজ ও ভ্রমণ করতে পারেন। ভ্রমণের পাশাপাশি কাজ করে ভ্রমণের খরচ চালাতে চান, এমন তরুণদের জন্য বিশেষভাবে এই ভিসা চালু করা হয়েছে।

টনি বার্ক বলেন, অভিবাসন অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি শক্তি হলেও এর ওপর উচ্চমাত্রার নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েট ভিসার বিষয়ে টনি বার্ক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে আসতে পারবেন—এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা আর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াব না।’

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতির পরিমাণ কত, জানা গেল

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতির পরিমাণ কত, জানা গেল

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভবন, সামরিক যান এবং উড়োজাহাজ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সিবিএস নিউজ প্রকাশিত নতুন কিছু ছবি ও প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র উঠে এসেছে। সামরিক নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা এই ছবিগুলো সরবরাহ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেই সত্য মার্কিন জনগণের কাছে গোপন রাখা হচ্ছে।

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে একটি বোয়িং ই-থ্রি সেন্ট্রি বিমানের অংশবিশেষ পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার ছবি সামনে এসেছে। এছাড়া কুয়েতের ক্যাম্প বুহরিংয়েও মার্কিন সেনা ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ মিলেছে।

পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার বা ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৬০টি বিমানও রয়েছে।

কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান এবং জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে এই হামলা চালিয়েছে ইরান।

তবে এ বিষয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ক্ষোভ প্রকাশ করে এক সেনাসদস্য জানিয়েছেন, তারা ঘাঁটিগুলো রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন এবং কেবল ধ্বংসলীলা দেখছেন।

ভারতসহ ১০ দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
ভারতসহ ১০ দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করতে এই প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি বিল মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ পেরিয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শীর্ষক প্রস্তাবিত বিলটির ওপর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে চূড়ান্ত ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিলটি পাস করার প্রাথমিক প্রক্রিয়া সংক্রান্ত প্রস্তাব ২১৪-২১১ ভোটে অনুমোদিত হয়। সিনেটে আগেই ৮৬-১১ ব্যবধানে পাস হওয়া আইনটি প্রতিনিধি পরিষদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে স্বাক্ষর করে আইনি রূপ দেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের জমা দেওয়া এক সংশোধনীতে বলা হয়, রাশিয়ার তেল বা জ্বালানি পণ্য ক্রয় অব্যাহত রাখায় সম্ভাব্য এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ১০টি দেশ হলো—ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তান। ওয়াশিংটনের মূল উদ্দেশ্য, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ও রাজস্ব আদায় সংকুচিত করে ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অর্থের যোগান পুরোপুরি বন্ধ করা।

কাতার এয়ারওয়েজকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশ: মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কাতার এয়ারওয়েজকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

বোর্ডিং পাস দেওয়ার পরও মাত্র ১০ মাসের এক স্তন্যপানরত শিশুকে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় কাতার এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন আদালত। যাত্রীদের সঙ্গে এমন আচরণকে ‘চূড়ান্ত অমানবিক’, পরিষেবায় গুরুতর ত্রুটি এবং অন্যায্য বাণিজ্যিক আচরণ হিসেবে অভিহিত করে এয়ারলাইন্সটিকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেরলের উপভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন।

কাতারে ফাইভ স্টার হোটেলে দারোয়ান পদে চাকরির বিশেষ সুযোগ

ইতালিতে বসবাসকারী এক ভারতীয় পরিবার কোচি বিমানবন্দর থেকে কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ইতালি ফেরার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। বিমানবন্দরে এয়ারলাইন্সের কর্মীরা যাত্রীদের সমস্ত নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করার পরই তাদের নামে বোর্ডিং পাস ইস্যু করেছিলেন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে শেষ মুহূর্তে পরিবারের দুই শিশুকে—যার মধ্যে একজন ১০ মাসের একটি স্তন্যপানরত শিশুও ছিল—বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া হয়।

কোনও ধরনের যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই এই অনুমতি বাতিল করায় ওই পরিবার চরম মানসিক যন্ত্রণা, হয়রানি ও আকস্মিক ভোগান্তির শিকার হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি।

কাতারে ড্রাইভার পদে বড় কোম্পানিতে চাকরির খবর

মামলার শুনানিতে কেরলের ভোক্তা কমিশন অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে একবার সমস্ত নথিপত্র যাচাই করে বোর্ডিং পাস ইস্যু করার পর কোনো যথাযথ কারণ ছাড়া কোনো যাত্রীকে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া যায় না। বিশেষ করে একটি দুধের শিশুকে নিয়ে ভ্রমণকারী পরিবারের সঙ্গে এমন সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য।

আদালত কাতার এয়ারওয়েজকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০ লক্ষ টাকা এবং মামলার খরচ হিসেবে অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অর্থ পরিশোধ না করলে তার ওপর সুদ দিতে হবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর কার্যপ্রণালীতে এই রায় একটি বড় বার্তা হয়ে থাকবে। বৈধ নথিপত্র ও বোর্ডিং পাস থাকার পরও যাত্রীদের শেষ মুহূর্তে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়ার মতো একতরফা সিদ্ধান্তের দায় যে এয়ারলাইন্সগুলোকে নিতেই হবে, এই রায়ের মাধ্যমে বিষয়টি আরও জোরালো হলো।

১৯১টি দেশের ১০ হাজার তরুণ প্রতিনিধিকে ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ বার্তা

প্রকাশ: সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
১৯১টি দেশের ১০ হাজার তরুণ প্রতিনিধিকে ভ্লাদিমির পুতিনের বিশেষ বার্তা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

বিশ্বের তরুণদের স্বপ্নপূরণে রাশিয়াকে সহযোগী হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার শুভেচ্ছা বার্তা ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার ইকাতেরিনবার্গে শুরু হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’।

গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) উৎসবের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলেও মূল আয়োজনের উদ্বোধন হয় আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এ উপলক্ষে বিকেলে ইকাতেরিনবার্গের ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় পুতিন বলেন, আন্তর্জাতিক যুব উৎসবের অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, এ বছর বিশ্বের তরুণরা সমবেত হয়েছেন উরাল অঞ্চলের রাজধানী ইয়েকাতেরিনবার্গে—এমন এক শহরে, যেখানে ইউরোপ ও এশিয়ার মিলন ঘটেছে এবং যেখানে ইতিহাস জীবন্ত হয়ে আছে।

পুতিন তার বক্তব্যে উরাল অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও বৌদ্ধিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই অঞ্চল এমন সব ধারণা সৃষ্টি করেছে, যা রাশিয়াকে এগিয়ে নিয়েছে। প্রথম কারখানা, রাশিয়ার শিল্পবিপ্লব এবং আধুনিক যুগের অসংখ্য বৈজ্ঞানিক সাফল্যের কথাও তিনি স্মরণ করেন।

তার মতে, নতুন প্রযুক্তির প্রভাবে বদলে যাওয়া বিশ্ব ও ভবিষ্যৎ মানবসমাজ নিয়ে আলোচনা করার জন্য ইয়েকাতেরিনবার্গের চেয়ে উপযুক্ত স্থান খুব কমই আছে।

তবে তার বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল তরুণদের প্রতি আহ্বান। পুতিন বলেন, রুশ ভাষায় ‘মির’ শব্দের অর্থ যেমন বন্ধুত্ব, শান্তি ও সম্প্রীতি, তেমনি এর অর্থ বিশ্বও। এই ধারণাই রাশিয়ার বহুজাতিক রাষ্ট্রচরিত্র, সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডকে ব্যাখ্যা করে।

তার ভাষায়, ‘আমরা যদি বন্ধু হই, তবে আমাদের বন্ধুত্ব হবে দৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী। আমরা যদি প্রতিবেশী হই, তবে আমরা ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সম্মান কামনা করি।’

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের অধিকার আছে মানুষ হিসেবে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার। কারও ভাগ্য তার জাতীয়তা, আর্থিক অবস্থা, সামাজিক মর্যাদা বা পারিবারিক পটভূমি দিয়ে নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে প্রতিটি জাতির স্বাধীনভাবে নিজের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে।

ওষুধ, খাদ্য, পানি, জ্বালানি, শিক্ষা এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সবার সমান প্রবেশাধিকার থাকা উচিত—এ কথাও জোর দিয়ে বলেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

তরুণদের উদ্দেশে পুতিনের বার্তার শেষ অংশে ছিল সরাসরি আহ্বান। তিনি বলেন, যারা রাশিয়ায় এসে বিভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত হতে চান, তাদের স্বাগত জানানো হবে। আবার যারা নিজ নিজ দেশে থেকে একটি নতুন, উন্মুক্ত ও ন্যায্য বিশ্ব গড়তে ভূমিকা রাখতে চান, তাদের প্রতিও রাশিয়ার সমান সমর্থন থাকবে।

তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই যে তোমরা সফল হবে। এটাই তোমাদের সময়। রাশিয়ার সঙ্গে তোমাদের স্বপ্ন অনুসরণ করো।’

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বিশ্বের ১৯১টি দেশের ১০ হাজার যুব প্রতিনিধি, পেশাভিত্তিক বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমকর্মীর অংশগ্রহণে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশনায় রাশিয়ার কেন্দ্রীয় যুব সংস্থা রজমলোদেজ এবং ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল অধিদপ্তর এই ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করছে।

বাংলাদেশ থেকে এবারের উৎসবে অংশ নিয়েছেন ৭০ জন যুব প্রতিনিধি এবং চারজন গণমাধ্যমকর্মী। প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের সব খরচ বহন করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।