৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ০৫, ২০২৬
পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ
টপ স্টোরিজ

আগামী অর্থবছরের শুরু থেকেই ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ রূপান্তরের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ সরকার। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে সরকারি ক্রয়ে কোনো ধরনের অফলাইন বা ম্যানুয়াল (কাগজে-কলমে) দরপত্র আহ্বান করা যাবে না। দেশের ক্রয় খাত সংস্কারের যাত্রায় এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কোনো টেন্ডার প্রক্রিয়া ১ জুলাই, ২০২৬ এর আগে ম্যানুয়ালি শুরু হলে সেই প্রক্রিয়ার বাকি ধাপগুলো ম্যানুয়ালি চলতে পারে। তবে ওই তারিখের পর নতুন কোনো অফলাইন টেন্ডারিং প্রক্রিয়া অনুমোদিত হবে না। ই-জিপি ব্যবহার থেকে অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদনও ২০২৬ সালের ৩০ জুনের পর আর অনুমোদিত হবে না।

তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা, জবাবদিহিতা এবং প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

সরকারি ক্রয়: একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সুশাসনে সরকারি ক্রয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাতীয় বাজেটের প্রায় ৪৫ শতাংশ এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ব্যয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশ সরকারি ক্রয়ে ব্যয় হয়। তাই জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং সেবা প্রদানের মান বাড়াতে এই খাতে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বজায় রাখা জরুরি।

ক্রয় ব্যবস্থাপনা জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করে, যা ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়। পরে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাসের মাধ্যমে এই অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করা হয়। এর পাশাপাশি, পিপিআর-২০০৮-এর পরিবর্তে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ প্রবর্তন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের ক্রয় ব্যবস্থায় একটি ব্যাপক সংস্কার হয়েছে।

ই-জিপি: ক্রয় খাত সংস্কারের মেরুদণ্ড
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনের অধীনে সবচেয়ে যুগান্তকারী সংস্কারগুলোর অন্যতম হলো সব ধরনের ক্রয় কার্যক্রমে ই-জিপি বাধ্যতামূলক করা। ২০১১ সালে বাংলাদেশে প্রবর্তিত এই ই-জিপি ব্যবস্থা দরপত্র আহ্বান থেকে শুরু করে চুক্তি সম্পাদন, চুক্তি ব্যবস্থাপনা এবং অর্থ পরিশোধ প্রক্রিয়া—অর্থাৎ সম্পূর্ণ ক্রয় চক্রকে ডিজিটালাইজড করার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ক্রয় ব্যবস্থাপনায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।

বাধ্যতামূলক ই-জিপি বাস্তবায়নের এই পদক্ষেপের ফলে ম্যানুয়াল বা সনাতন পদ্ধতির দরপত্রের সাথে জড়িত দীর্ঘদিনের বহু সমস্যা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কাজের দীর্ঘসূত্রতা, স্বচ্ছতার অভাব, মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ এবং অনিয়মের সুযোগ।

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই সংস্কারের সুফল ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি:
দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের গড় সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পিপিআর, ২০২৫ বাস্তবায়নের আগে যেখানে দরপত্র প্রতি গড় দরদাতার সংখ্যা ছিল মাত্র ২.২ জন, সেখানে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৪ জনে।

ই-জিপি নিবন্ধনের জোয়ার:
নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর দৈনিক ই-জিপি নিবন্ধনের আবেদন নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০টি আবেদন জমা পড়ত, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০টিতে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তারাও এখন সরকারি ক্রয়ে ক্রমবর্ধমান হারে অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে ই-জিপি সিস্টেমে ৭ হাজার ৪০৮ জন নারী দরদাতা নিবন্ধিত রয়েছেন, যার মধ্যে পিপিআর, ২০২৫ কার্যকর হওয়ার পর নতুন করে নিবন্ধিত হয়েছেন ১ হাজার ৪৭ জন।

মূল্যের যৌক্তিকতা বৃদ্ধি:
নির্মাণ বা উন্নয়নমূলক কাজের ক্রয়ের ক্ষেত্রে দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয়ের সাথে দরপত্রের প্রস্তাবিত মূল্যের গড় পার্থক্যের হার ঋণাত্মক ১০ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। মূল্যের এই উন্নতি অস্বাভাবিক কম মূল্যে দরপত্র দাখিলের আশঙ্কা বা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করেছে।

‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫’ এ ১৫৪টি বিধি এবং ২১টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সংস্কারের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে একটি সাধারণ প্রশাসনিক কাজের পরিবর্তে কৌশলগত সুশাসনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন বিধিমালার প্রধান বৈশিষ্ট্য ও সংস্কারগুলো হলো: জাতীয় কাজের ক্রয়ে ১০ শতাংশ মূল্যসীমা বাতিল করে বাজারভিত্তিক মূল্য নিশ্চিতকরণ; সব ধরনের সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি ব্যবহার; চুক্তি সম্পাদনকারী বা কার্যাদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সুবিধাভোগী মালিকানার তথ্য প্রকাশ; টেকসই সরকারি ক্রয় (এসপিপি) প্রবর্তন; ক্রয় কৌশল ও প্রাথমিক বাজার সম্পৃক্ততা; ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি ও দর-কষাকষি প্রক্রিয়ার সম্প্রসারণ; নারী, ক্ষুদ্র ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য পরিচালন ক্রয় বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ; প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ‘ক্রয় ইউনিট’ প্রতিষ্ঠা এবং ভৌত সেবাকে ক্রয়ের একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

ই-জিপির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি
২০১১ সালে দেশে ই-জিপি ব্যবস্থা চালুর পর থেকে সরকারি ক্রয়ে অভূতপূর্ব দক্ষতা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ক্রয়ের গড় সময়সীমা কমে ৫৪ দিনে নেমে এসেছে। মূল দরপত্রের বৈধতার মেয়াদের মধ্যেই ৯৯ শতাংশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দরপত্র বিজ্ঞপ্তি এবং কার্যাদেশ বা চুক্তি অনুমোদনের তথ্য শতভাগ অনলাইনে প্রকাশ করা হচ্ছে। এই অর্জনগুলো দেশের ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ
ক্রয় প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি সত্ত্বেও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)। সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মতে, ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ও দরদাতাদের দক্ষতার অভাব, দুর্বল চুক্তি ব্যবস্থাপনা, নৈতিক দুর্বলতা এবং আচরণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক ধরনের অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সংস্কার প্রক্রিয়া টেকসই করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত যোগাযোগ, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।

আগামীর পথচলা
বিপিপিএ’র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণ, পর্যবেক্ষণ, নীতি সহায়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে ক্রয় ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউট অব পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (আইপিপি) জাতীয় পর্যায়ে ক্রয় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পেশাগত উন্নয়নের উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সার্বিকভাবে যেভাবে সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ক্রয় ব্যবস্থায় রূপান্তর হচ্ছে, তা কেবল একটি প্রযুক্তিগত পরিবর্তনই নয়, বরং স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং উন্নত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি ব্যাপক শাসনতান্ত্রিক সংস্কার।

বিপিপিএ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে শতভাগ ই-জিপি বাধ্যতামূলক এবং সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এই অঞ্চলে ডিজিটাল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রূপান্তরের অন্যতম অগ্রগণ্য দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি ক্রয় সংস্কারের বিভিন্ন অর্জন টিকিয়ে রাখতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য। বিশেষ করে, প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগের আগে তাদের জন্য ব্যাপক ও সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিপিপিএ সিইও আরও জানান, প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউট অব পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (আইপিপি)-কে ভবিষ্যতে একটি ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেখানে সরকারি ক্রয় এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত সকল অংশীজনদের সমন্বিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

গুগলের এআই মোড: ফ্লাইট ও হোটেলের বুকিং এখন হাতের মুঠোয়

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
গুগলের এআই মোড: ফ্লাইট ও হোটেলের বুকিং এখন হাতের মুঠোয়
টপ স্টোরিজ

গত বছর সার্চ অপশনে এআই মোড চালু করেছিল গুগল। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রশ্ন করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় লিংকসহ প্রাসঙ্গিক উত্তর পান। এবার এই অপশনে আরও নতুন কিছু সুবিধা যুক্ত করেছে গুগল, যার মাধ্যমে ভ্রমণপ্রেমীরা বেশ উপকৃত হবেন। গুগল ভ্রমণকেন্দ্রিক নতুন কিছু সুবিধা যুক্ত করে এআই মোডের পরিধি বাড়াচ্ছে বলে গ্যাজেট ৩৬০-এর প্রতিবেদনে জানা যায়।

গুগল এআইর সর্বশেষ হালনাগাদে দেখা যায়, ব্যবহারকারীরা ফ্লাইটের দাম ট্র্যাক করতে, পয়েন্ট ও মাইলের মূল্য তুলনা করতে এবং এআই মোডের মাধ্যমেই থাকার জায়গা খুঁজে বুক করতে পারবেন। নতুন এসব সুবিধার ফলে গুগল সার্চ থেকে বের না হয়েই ভ্রমণের পরিকল্পনা করা এবং প্রয়োজনীয় বুকিং দেওয়া যাবে।

নতুন এক ব্লগ পোস্টে সার্চের এআই মোডে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ সুবিধাগুলোর ঘোষণা দিয়েছে গুগল। গুগল ফ্লাইটসের জনপ্রিয় মূল্য ট্র্যাকিং সুবিধাটি সরাসরি এআই মোডে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে কথোপকথনের সময়ই ব্যবহারকারীরা ফ্লাইটের দামের সতর্কবার্তা (প্রাইস অ্যালার্ট) চালু করতে পারবেন। কোথা থেকে যাত্রা করবেন, কোথায় যাবেন এবং কখন উড়বেন—এসব তথ্য দিলে এআই মোড ৩শটির বেশি এয়ারলাইন ও ভ্রমণসাইটের সর্বশেষ মূল্যের ভিত্তিতে পাওয়া বিকল্পগুলো দেখাবে।

গুগল আরও জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা এআই মোডেই পুরো ভ্রমণসূচি তৈরি করতে পারবেন এবং এয়ারলাইনটির ওয়েবসাইট বা পছন্দের বুকিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন।

ব্যবহারকারীরা এআই মোডকে ফ্লাইটের দাম ট্র্যাক করতে বলতে পারবেন। নির্বাচিত গন্তব্য ও ভ্রমণের তারিখের ভাড়ায় পরিবর্তন হলে প্রতিবার ব্যবহারকারীর কাছে ই-মেইল পাঠানো হবে। এআই মোডে ফ্লাইটের দাম ট্র্যাক করার সুবিধা এখন বিশ্বের ১৮০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে চালু হয়েছে বলে জানিয়েছে গুগল।

এ ছাড়া সার্চের এআই মোড এখন ব্যবহারকারীদের ফ্লাইট ও হোটেলের খরচ পয়েন্ট বা মাইলে দেখাতে পারবে। এই সুবিধা ব্যবহার করতে হলে ব্যবহারকারীকে তাঁর ভ্রমণের বিবরণ দিতে হবে এবং কোন লয়্যালটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে চান, তা উল্লেখ করতে হবে।

এরপর গুগলের ভ্রমণ অংশীদারদের কাছ থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে এআই মোড যোগ্য ফ্লাইটের জন্য কত মাইল প্রয়োজন, তা দেখাবে। হোটেলের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারীরা অংশীদার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের লিংকে গিয়ে সার্চ থেকেই সরাসরি তাঁদের রিওয়ার্ড ব্যবহার করে বুকিং সম্পন্ন করতে পারবেন।

এআই মোডে পয়েন্ট ও মাইলের মূল্য দেখার সুবিধা এখন বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হয়েছে। গুগল জানিয়েছে, আলাস্কা এয়ারলাইনস, হাওয়াইয়ান এয়ারলাইনস, আমেরিকান এয়ারলাইনস, চয়েস হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল, হিলটন এবং উইন্ডহ্যাম হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসসহ বিভিন্ন লয়্যালটি ও ভ্রমণ অংশীদার এই সুবিধার আওতায় থাকবে। শিগগিরই অ্যাঙ্কর, ফ্লাইং ব্লু, হায়াত, লাতাম এয়ারলাইনস এবং লুফথানসা গ্রুপের জন্যও এ সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়ছে তারা।

এ ছাড়া সার্চের এআই মোডের মাধ্যমে সরাসরি হোটেল বুকিংয়ের সুবিধা চালু করেছে গুগল। ব্যবহারকারীরা তাঁদের গন্তব্য, ভ্রমণের তারিখ এবং হোটেলসংক্রান্ত পছন্দ জানালে এআই মোড অতিথিদের দেওয়া পর্যালোচনা এবং তুলনা করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সহ বিভিন্ন বিকল্পের তালিকা দেখাবে।

কোনো হোটেল পছন্দ হওয়ার পর ব্যবহারকারী এআই মোডকে বুকিংয়ে সহায়তা করতে বলতে পারবেন। কোনো সমন্বিত হোটেল চেইন বা অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির পাশে ‘কনটিনিউ অন গুগল’ নির্বাচন করলে ব্যবহারকারী বুকিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং গুগল পের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।

এআই মোডে হোটেল বুকিংয়ের সুবিধা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এবং ইংরেজি ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে। শিগগিরই বুকিং ডটকম, চয়েস হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল, এক্সপিডিয়া, হিলটন, হোটেলস ডটকম, আইএইচজি হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস, ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনাল, প্রাইসলাইন, ট্রিপ ডটকম এবং উইন্ডহ্যাম হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসের মতো অংশীদারদের মাধ্যমেও এই সুবিধা চালু করা হবে।

বাজারে এল স্যামসাংয়ের নতুন ফ্ল্যাগশিপ কিলার ‘গ্যালাক্সি এস২৬ এফই’

প্রকাশ: রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬
বাজারে এল স্যামসাংয়ের নতুন ফ্ল্যাগশিপ কিলার ‘গ্যালাক্সি এস২৬ এফই’
টপ স্টোরিজ

প্রিমিয়াম গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজের নতুন ফোন বাজারে এনেছে টেক জায়ান্ট স্যামসাং। নতুন মডেলটির নাম গ্যালাক্সি এস২৬ এফই (ফ্যান অ্যাডিশন)। খবর ইন্ডিয়া টুডে।

স্যামসাংয়ের তথ্যানুযায়ী, এস২৬ এফইতে রয়েছে ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডাইনামিক অ্যামোলেড ২এক্স ডিসপ্লে। ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ ও পিক ব্রাইটনেস ১৯০০ নিটস পর্যন্ত। ধুলো ও পানি থেকে সুরক্ষার জন্য ডিভাইসে রয়েছে আইপি৬৮ রেটিং। ৩ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি স্যামসাংয়ের নিজস্ব এক্সিনোস ২৫০০ প্রসেসর দিয়ে ফোনটি পরিচালিত হবে। এতে ৮ জিবি র‍্যামের পাশাপাশি ১২৮ জিবি থেকে ৫১২ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা রয়েছে।

ছবি তোলার জন্য ফোনটির পেছনে তিনটি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। এর মূল ক্যামেরাটি ৫০ মেগাপিক্সেলের, যাতে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (ওআইএস) সুবিধা আছে। এছাড়া ১২ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং তিন গুণ অপটিক্যাল জুম সুবিধার ৮ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য সামনে দেয়া হয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

ফোনটিতে ৪৯০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি রয়েছে। এটি ৪৫ ওয়াটের দ্রুত চার্জিং ও ১৫ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট করে।

৭ দশমিক ৪ মিলিমিটার পুরুত্বের ফোনটির ওজন প্রায় ১৯৩ গ্রাম। এটি ব্লুবেরি, গ্রাফাইট ও পেস্তা রঙে পাওয়া যাবে। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের নির্দিষ্ট কিছু বাজারে ফোনটির বিক্রি শুরু হবে বলে জানান কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা।

ইউরোপের বাজারে ৮ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম শুরু হচ্ছে ৭৯৯ ইউরো থেকে (বাংলাদেশী মুদ্রায় যা ১ লাখ টাকার ওপরে)।

দক্ষিণ কোরিয়ান টেক জায়ান্ট স্যামসাংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন সিরিজ হলো ‘এস’। নতুন উদ্ভাবন, সবচেয়ে শক্তিশালী প্রসেসর, বিশ্বমানের ডিসপ্লে ও সেরা ক্যামেরা প্রযুক্তি স্যামসাং প্রথম এএস সিরিজের ফোনগুলোয়ই নিয়ে আসে।

বিনামূল্যে গুগল এআই ব্যবহারের সুবর্ণ সুযোগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২৬
বিনামূল্যে গুগল এআই ব্যবহারের সুবর্ণ সুযোগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের
টপ স্টোরিজ

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য এক বছরের বিনা মূল্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে গুগল। ‘ব্যাক টু স্কুল’ কর্মসূচির আওতায় এ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে অফারটি নিতে হলে শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের পরিচয় যাচাই করতে হবে।

এই সুবিধার আওতায় শিক্ষার্থীরা গুগলের জেমিনাইয়ের উন্নত সংস্করণ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি জেমিনাই ব্যবহারের সীমা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ এবং ৪০০ জিবি বিনা মূল্যের ক্লাউড সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়া হবে।

কারা পাবেন
বাংলাদেশের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ১৮ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীরা এ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এজন্য প্রয়োজন হবে ব্যক্তিগত জিমেইল অ্যাকাউন্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার প্রমাণপত্র। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া পরিচয়পত্রও ব্যবহার করা যাবে।

যেভাবে নিতে হবে
প্রথমে ব্যক্তিগত জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে গুগল ওয়ানের শিক্ষার্থী পেজে যেতে হবে। সেখানে ‘শিক্ষার্থী সুবিধা গ্রহণ করুন’ অপশনে ক্লিক করে দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচন করতে হবে।

এরপর শিক্ষার্থীর নাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের নামসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। গুগল যে তথ্য ও কাগজপত্র চাইবে, সেগুলো জমা দিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

পড়াশোনায় মিলবে বাড়তি সুবিধা
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা করতে জেমিনাইয়ে যুক্ত হচ্ছে বেশ কিছু নতুন সুবিধা। শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্লাসের নোট ও পাঠ্যসূচি আপলোড করলে সেগুলোর ভিত্তিতে ব্যক্তিগত পড়ার নোট, ছোট শিক্ষামূলক পাঠ এবং কুইজ তৈরি করতে পারবে এআই।

শিক্ষার্থীর পড়াশোনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণেও সহায়তা করবে এই প্রযুক্তি। জটিল বিষয় সহজে বোঝাতে তৈরি করা যাবে ইন্টারঅ্যাকটিভ ভিজ্যুয়ালাইজেশন, ত্রিমাত্রিক সিমুলেশন ও তথ্যের সারণি। ফলে বিজ্ঞান, গণিতসহ বিভিন্ন কঠিন বিষয় শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা বাড়তি সহায়তা পাবেন।

এ ছাড়া জেমিনাই লাইভ ও গভীর গবেষণার সুবিধাও থাকছে এ অফারে। যোগ্য শিক্ষার্থীরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

খেলা দেখলেই উপহার! কাতারে এল ‘হায়োহ’ অ্যাপ

প্রকাশ: সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬
খেলা দেখলেই উপহার! কাতারে এল ‘হায়োহ’ অ্যাপ
টপ স্টোরিজ

স্টেডিয়ামে গিয়ে সরাসরি ম্যাচ উপভোগ করা ক্রীড়াপ্রেমীদের পুরস্কৃত করতে কাতার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে সম্পূর্ণ নতুন স্পোর্টস লয়ালটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ ‘হায়োহ’ (Hayoh)। এই বিনামূল্যের অ্যাপটির মাধ্যমে দেশজুড়ে আয়োজিত বিভিন্ন যোগ্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে টিকিট ক্রয় এবং শেষ পর্যন্ত স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকার বিনিময়ে ব্যবহারকারীরা আকর্ষণীয় পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন।

আয়োজকদের মতে, ভক্তরা যত বেশি ম্যাচে সরাসরি মাঠে উপস্থিত থাকবেন, তাঁদের সংগৃহীত পয়েন্টের পরিমাণও তত বৃদ্ধি পাবে। পরবর্তীতে এসব পয়েন্ট দিয়ে আকর্ষণীয় নানা ডিজিটাল ও ভৌত উপহার সংগ্রহ করা যাবে।

পয়েন্ট অর্জনের পদ্ধতি ও সদস্যপদ

‘হায়োহ’ অ্যাপে ব্যবহারকারীদের মূল পয়েন্ট ব্যবস্থা দুটি ভাগে বিভক্ত:

টিয়ার পয়েন্ট (TP): প্রতিটি যোগ্য ইভেন্টে অংশ নিলে ১টি করে টিয়ার পয়েন্ট পাওয়া যাবে, যা সদস্যের মেম্বারশিপ লেভেল বা স্তর নির্ধারণ করবে। এই পয়েন্ট অন্য কারো কাছে হস্তান্তর বা রিডিম করা যাবে না।

হায়োহ পয়েন্ট (HP): স্টেডিয়ামে নিশ্চিত উপস্থিতির জন্য প্রতি ম্যাচে ১,০০০ হায়োহ পয়েন্ট জমা হবে। এই পয়েন্টগুলো সরাসরি ক্যাটাগরি অনুসারে পুরস্কার পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

রিওয়ার্ডস ক্যাটালগ ও টিকিট লিঙ্কিং প্রক্রিয়া

সহজ কয়েকটি ধাপে টিকিট লিঙ্কিং সম্পন্ন করে পয়েন্ট দাবি করা যাবে:

১. টিকিট লিঙ্কিং: টিকিট কেনার সময় ব্যবহারকারীকে তাঁর ‘হায়োহ আইডি’ (Hayoh ID) ইনপুট দিতে হবে অথবা অ্যাপের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট পার্টনারের ওয়েবসাইটে গিয়ে টিকিট কিনতে হবে।

২. উপস্থিতি যাচাই: স্টেডিয়ামে উপস্থিতি পুরোপুরি নিশ্চিত ও যাচাই হওয়ার পরেই কেবল অ্যাকাউন্টে পয়েন্ট জমা হবে।

৩. পুরস্কার ক্যাটালগ: অর্জিত পয়েন্ট দিয়ে খাদ্য ও পানীয়, ফ্যাশন ও রিটেইল, টেলিকমিউনিকেশন, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, হোটেল, অটোমোবাইল সার্ভিস এবং বিনোদন খাতের বিভিন্ন বিশেষ ডিসকাউন্ট বা পণ্য গ্রহণ করা যাবে।

অ্যাকাউন্ট ও রেজিস্ট্রেশনের শর্তাবলী

অ্যাপটিতে অভিভাবকেরা তাঁদের ওপর নির্ভরশীলদের (Dependents) অ্যাকাউন্টও যুক্ত করার সুযোগ পাবেন।

অ্যান্ড্রয়েডের গুগল প্লে (Google Play) এবং আইওএসের অ্যাপ স্টোর (App Store)—উভয় প্ল্যাটফর্মেই অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাচ্ছে।

রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে ব্যবহারকারীর একটি বৈধ কাতার আইডি (QID) থাকা বাধ্যতামূলক।

এবার গুগলের জেমিনির বিজ্ঞাপনে শাহরুখ খান!

প্রচারণার বিজ্ঞাপনচিত্রগুলোতে জেমিনিকে এমন এক কণ্ঠ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যে ব্যবহারকারীর কথা শোনে, বোঝে এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬
এবার গুগলের জেমিনির বিজ্ঞাপনে শাহরুখ খান!
টপ স্টোরিজ

ভারতে জেমিনিকে নিয়ে নতুন একটি প্রচারণা শুরু করেছে গুগল ইন্ডিয়া। এতে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান। প্রচারণাটির থিম ও চিত্রনাট্য লিখেছেন প্রসূন যোশি। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবহারকারীদের জন্য জেমিনির বহুভাষিক সক্ষমতা তুলে ধরাই এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য। গুগল, ম্যাকক্যান ইন্ডিয়া ও নির্ভানা ফিল্মস যৌথভাবে প্রচারণাটি তৈরি করেছে।

প্রচারণার বিজ্ঞাপনচিত্রগুলোয় জেমিনিকে এমন এক কণ্ঠ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যে ব্যবহারকারীর কথা শোনে, বোঝে এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। জেমিনি টেক্সট, ভিডিও, কণ্ঠস্বর ও ছবি—বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করলেও প্রচারণার সৃজনশীল কাজটিতে ব্যক্তিগত যোগাযোগের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য, এআইকে মানুষের কাছে কম ভীতিকর ও আরো স্বাভাবিক করে তোলা।

গুগল ইন্ডিয়ার মার্কেটিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখর খোসলা বলেন, প্রযুক্তি তখনই সত্যিকার অর্থে তার জাদু ছড়ায়, যখন এটি শুধু একটি হাতিয়ার হিসেবে না থেকে জীবনের প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোর সঙ্গী হয়ে ওঠে।

তিনি আরো বলেন, গুগল জেমিনির মাধ্যমে আমরা শুধু আকাঙ্ক্ষা ও অর্জনের মধ্যকার দূরত্ব কমাচ্ছি না; আমরা ভারতের হৃদয়ের সঙ্গে কথা বলছি—আমাদের নিজেদের ভাষায়, নিজেদের আবেগে এবং নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্যের পরিসরে। শাহরুখ খান ও প্রসূনের সঙ্গে কাজ করে এই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, এটি আপনাদের প্রতিদিনের সাফল্যের প্রেরণা হয়ে উঠবে এবং প্রতিটি মুহূর্তে নতুন ভাবনা ও সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।’

প্রসূন যোশি বলেন, ‘এগুলো শুধু দৈনন্দিন জীবনের গল্প নয়। এগুলো এমন কিছু মুহূর্ত থেকে এসেছে, যেগুলো আমার মনে থেকে গেছে। আশা করি, দর্শকরাও এগুলোর সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন।’