১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৭ দিনে বিদেশে পাড়ি জমালেন ৪০ হাজার ৫৯৩ বাংলাদেশি

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
১৭ দিনে বিদেশে পাড়ি জমালেন ৪০ হাজার ৫৯৩ বাংলাদেশি

চলতি মাসে ৪০ হাজারেরও বেশি বৈদেশিক কর্মসংস্থান
এ মাসের প্রথম ১৭ দিনে ৪০ হাজার ৫৯৩ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা কম হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জনশক্তি রপ্তানিতে যে বড় পতন ঘটেছিল, যা কাটিয়ে আবারও গতি ফিরছে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ৫৯ হাজার ৩২ জন। চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করলে পুরো মার্চ মাসে জনশক্তি রপ্তানি কমে ৪৪ হাজার ৬০০-তে নামে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়য়ের তথ্যে অনুযায়ী, প্রবাসে পাড়ি জমানো বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে যথারীতি শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। পর্যালোচনাধীন ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে একক দেশ হিসেবে সৌদি আরবে গেছেন সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৩৪১ জন কর্মী।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, যেখানে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে গেছেন ৪ হাজার ৫৮১ জন কর্মী। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ৩ হাজার ৮৫৬ জন, মালদ্বীপে ২ হাজার ৬০১ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ২ হাজার ৫৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী কান্ট্রি ক্লিয়ারেন্স নিয়ে পাড়ি জমিয়েছেন।

অন্যান্য দেশের মধ্যে কুয়েতে দুই হাজার ২২১ জন, পর্তুগালে ৬৩৮ জন, ইতালিতে ৬১৭ জন, লাওসে ৩৯৩ জন, জর্ডানে ২৯৪ জন, লেবাননে ২২৩ জন, মরিশাসে ২১২ জন, গ্রিসে ২০৫ জন, ফিজিতে ১৯৩ জন ও ভিয়েতনামে ১৭৪ জন কর্মী গেছেন।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনে জনশক্তি রপ্তানিতে আগের বছরের মতোই শীর্ষে ছিল সৌদি আরব। ১৭ দিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার ২৭৩ জন কর্মী গেছেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল কাতার, যেখানে গেছেন ৬ হাজার ১৯৩ জন এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরে গেছেন চার হাজার ৬৫ জন কর্মী।

অন্য দেশগুলোর মধ্যে– মালদ্বীপে ২ হাজার ৭১১ জন, কুয়েতে ১ হাজার ৩৪৫ জন, কম্বোডিয়ায় ১ হাজার ২৩০ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার ৯ জন, ইতালিতে ৯৮৯ জন, জর্ডানে ৭২১ জন, ইরাকে ৪৫২ জন, রাশিয়ায় ৩৪৯ জন, সাইপ্রাসে ৩৩৮ জন, লাওসে ২৮৯ জন, সার্বিয়ায় ২৭৪ জন এবং কঙ্গোয় ২৭১ জন।

প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে বোয়িংয়ের সঙ্গে কয়েক শ কোটি ডলারের উড়োজাহাজ চুক্তির সম্ভাবনা

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে বোয়িংয়ের সঙ্গে কয়েক শ কোটি ডলারের উড়োজাহাজ চুক্তির সম্ভাবনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন নিউইয়র্ক সফরের সময় বোয়িংয়ের সঙ্গে কয়েক শ কোটি ডলারের উড়োজাহাজ ক্রয়সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

প্রত্যাশা অনুযায়ী আলোচনা শেষ হলে আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে চুক্তিটি সই হতে পারে। উড়োজাহাজগুলোর ধরন, মোট মূল্য, অর্থায়নের কাঠামো ও সরবরাহের সময়সূচিসহ বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

গত এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য বোয়িংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে। ওই চুক্তির মূল্য ৩৭০ কোটি ডলার বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র টাইমসকে জানিয়েছে, অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে শুরু হয়েছিল। সূত্রটি বলেছে, ‘আশা করছি, নিউইয়র্কে চূড়ান্ত চুক্তি সই হবে।’

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডন নেলসন আগামী সপ্তাহে চুক্তিতে সই করতে পারেন।

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর গত ৩০ আগস্ট জানান, বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন এ প্রতিশ্রুতি ২০২৬ সালের এপ্রিলে বিমানের ৩৭০ কোটি ডলারে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির ধারাবাহিকতা।

বিমানের বহরে বর্তমানে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি টার্বোপ্রপ, চারটি বোয়িং ৭৭৭, চারটি ৭৮৭-৮, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ।

চুক্তিগুলো সম্পন্ন হলে এটি হবে বিমানের ইতিহাসে বহরের সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ।

জাতিসংঘ অধিবেশনে ব্যস্ত সূচি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে তারেক রহমানের সোমবার ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি নিউইয়র্কে চার রাত অবস্থান করে ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরতে পারেন।

২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। ভাষণে তিনি বহুপক্ষীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি তার সরকারের লক্ষ্য, অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো উপস্থাপন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি অঞ্চলজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

সেখানে বাংলাতেই ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ আয়োজিত দুটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং রোহিঙ্গা সংকট ও ধাত্রীসেবা নিয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত দুটি অনুষ্ঠানেও তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠক

বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সমন্বয় করছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন।

কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, মালদ্বীপের ভাইস-প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেসহ অন্য নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠকের কথা রয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ এবং মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্কসহ অন্যদের সঙ্গেও তার বৈঠক হতে পারে।

এসব সম্ভাব্য বৈঠকের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, হাইতি, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধানদের সঙ্গেও তার বৈঠক হতে পারে।

বেসরকারি খাতের সঙ্গে যোগাযোগ

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ উৎসাহিত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

এর মধ্যে মেটার চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলান, ভিওনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেপিমরগান আয়োজিত ‘ব্রেকফাস্ট মিটিং উইথ ওয়াল স্ট্রিট’-এ অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বৈঠক থাকতে পারে।

কেপিসি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান কালী প্রদীপ চৌধুরীসহ অন্যদের সঙ্গেও তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

১৭ দিনে বিদেশে পাড়ি জমালেন ৪০ হাজার ৫৯৩ বাংলাদেশি

প্রকাশ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
১৭ দিনে বিদেশে পাড়ি জমালেন ৪০ হাজার ৫৯৩ বাংলাদেশি

চলতি মাসে ৪০ হাজারেরও বেশি বৈদেশিক কর্মসংস্থান
এ মাসের প্রথম ১৭ দিনে ৪০ হাজার ৫৯৩ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা কম হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জনশক্তি রপ্তানিতে যে বড় পতন ঘটেছিল, যা কাটিয়ে আবারও গতি ফিরছে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ৫৯ হাজার ৩২ জন। চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করলে পুরো মার্চ মাসে জনশক্তি রপ্তানি কমে ৪৪ হাজার ৬০০-তে নামে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়য়ের তথ্যে অনুযায়ী, প্রবাসে পাড়ি জমানো বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে যথারীতি শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। পর্যালোচনাধীন ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে একক দেশ হিসেবে সৌদি আরবে গেছেন সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৩৪১ জন কর্মী।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, যেখানে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে গেছেন ৪ হাজার ৫৮১ জন কর্মী। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ৩ হাজার ৮৫৬ জন, মালদ্বীপে ২ হাজার ৬০১ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ২ হাজার ৫৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী কান্ট্রি ক্লিয়ারেন্স নিয়ে পাড়ি জমিয়েছেন।

অন্যান্য দেশের মধ্যে কুয়েতে দুই হাজার ২২১ জন, পর্তুগালে ৬৩৮ জন, ইতালিতে ৬১৭ জন, লাওসে ৩৯৩ জন, জর্ডানে ২৯৪ জন, লেবাননে ২২৩ জন, মরিশাসে ২১২ জন, গ্রিসে ২০৫ জন, ফিজিতে ১৯৩ জন ও ভিয়েতনামে ১৭৪ জন কর্মী গেছেন।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনে জনশক্তি রপ্তানিতে আগের বছরের মতোই শীর্ষে ছিল সৌদি আরব। ১৭ দিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার ২৭৩ জন কর্মী গেছেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল কাতার, যেখানে গেছেন ৬ হাজার ১৯৩ জন এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরে গেছেন চার হাজার ৬৫ জন কর্মী।

অন্য দেশগুলোর মধ্যে– মালদ্বীপে ২ হাজার ৭১১ জন, কুয়েতে ১ হাজার ৩৪৫ জন, কম্বোডিয়ায় ১ হাজার ২৩০ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার ৯ জন, ইতালিতে ৯৮৯ জন, জর্ডানে ৭২১ জন, ইরাকে ৪৫২ জন, রাশিয়ায় ৩৪৯ জন, সাইপ্রাসে ৩৩৮ জন, লাওসে ২৮৯ জন, সার্বিয়ায় ২৭৪ জন এবং কঙ্গোয় ২৭১ জন।

এক দশকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রায় দ্বিগুণ, জানাল জাতিসংঘ

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
এক দশকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রায় দ্বিগুণ, জানাল জাতিসংঘ

বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স গত এক দশকে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০২৫ সালে এসব দেশে মোট ৭২৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ২০১৬ সালের তুলনায় ৯৪ শতাংশ বেশি।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (আইএফএডি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো থেকে অভিবাসীর সংখ্যা বেড়েছে ২৮ শতাংশ। অর্থাৎ শুধু অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ার কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে—বিষয়টি এমন নয়; বিদেশে থাকা প্রবাসীরা গড়ে আগের তুলনায় বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন।

আইএফএডির হিসাবে, বর্তমানে প্রায় ২২ কোটি প্রবাসী ও প্রবাসী-সম্প্রদায়ের মানুষ আনুমানিক ১১০ কোটি স্বজনকে আর্থিকভাবে সহায়তা করছেন। সাধারণত প্রতিবার ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার পাঠানো হয় এবং বছরে গড়ে ৯ থেকে ১০ বার অর্থ পাঠানো হয়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৫ সালে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৈশ্বিক সরকারি উন্নয়ন সহায়তার চার গুণেরও বেশি ছিল। একই সময়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে রেমিট্যান্স।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ লাখ লাখ পরিবারের দৈনন্দিন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আইএফএডির হিসাবে, রেমিট্যান্সের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ খাবার, বাসস্থান ও ইউটিলিটি বিলের মতো তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় হয়।

বাকি প্রায় এক-চতুর্থাংশ অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আবাসন, সঞ্চয় ও ব্যবসায় ব্যবহৃত হয়। ২০২৫ সালে প্রায় ২৩৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স গ্রামীণ অর্থনীতিতে পৌঁছেছে। এর একটি অংশ কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থায়ও বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

আইএফএডির ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি ফর রেমিট্যান্সের ব্যবস্থাপক পেদ্রো দে ভাসকনসেলোস বলেন, রেমিট্যান্সের পরিমাণ বিপুল হলেও এর পেছনে রয়েছে পরিবারগুলোর প্রয়োজন। পরিবারের জন্য রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি সরকারি বিনিয়োগ, সামাজিক সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা বা জলবায়ু অর্থায়নের বিকল্প হতে পারে না।

রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীলতার ক্ষেত্রে মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালে হন্ডুরাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩০ শতাংশের সমান ছিল। এল সালভাদরে এই হার ২৮ শতাংশ এবং নিকারাগুয়ায় ২৭ শতাংশ।

আইএফএডির উদ্ধৃত এক গবেষণায় দেখা গেছে, গুয়াতেমালায় জরিপে অংশ নেওয়া দেশে ফিরে আসা অভিবাসীদের ৬১ শতাংশই তাঁদের পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন। ফলে কোনো প্রবাসী বাধ্য হয়ে দেশে ফিরলে তাঁর পরিবারের আয় হঠাৎ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

২০২৫ সালে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে রেমিট্যান্স সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে। এক দশকে অঞ্চলটিতে রেমিট্যান্স ১৩২ শতাংশ বেড়ে ১৬৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে মোট রেমিট্যান্স পাওয়ার দিক থেকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল শীর্ষে। ২০২৫ সালে এ অঞ্চলে গেছে ৩৮৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা বৈশ্বিক মোট রেমিট্যান্সের ৫৩ শতাংশ। আফ্রিকার দেশগুলো পেয়েছে ১২৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যা এক দশকে ৮৬ শতাংশ বেশি। আফ্রিকায় সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাওয়া দেশের তালিকায় নাইজেরিয়াকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠেছে মিসর।

রেমিট্যান্স পাঠানোর পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে অর্ধেকের বেশি রেমিট্যান্স ডিজিটাল মাধ্যমে শুরু হয়। তবে প্রেরক থেকে গ্রহীতা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটালভাবে সম্পন্ন হয় এমন সেবার হার ২০২৫ সালে ছিল ৩৫ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিজিটাল মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর গড় খরচ ছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। অ-ডিজিটাল সেবায় এ হার ৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ আরও কমানো এবং লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে আইএফএডি। পাশাপাশি প্রবাসীদের পরিবারের জন্য সঞ্চয়, বিমা ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি।

তবে প্রবাসীদের ওপর নির্ভরশীল পরিবার ও অর্থনীতিগুলো বিভিন্ন ঝুঁকির মধ্যেও রয়েছে। প্রবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানো, কর্মসংস্থানে বিধিনিষেধ কিংবা বিদেশের শ্রমবাজারে চাহিদা কমে গেলে রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইএফএডি।

দে ভাসকনসেলোসের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্সে বড় ধরনের সামগ্রিক পতন দেখা যায়নি। সংকটের সময়ও পরিবারের প্রয়োজন থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল থাকে।

থার্ড টার্মিনালে যাত্রীসেবা দিতে প্রথম বছরেই ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা

প্রকাশ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
থার্ড টার্মিনালে যাত্রীসেবা দিতে প্রথম বছরেই ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের দ্বিতীয় অপারেটর হিসেবে যাত্রীসেবা (প্যাসেঞ্জার হ্যান্ডলিং) প্রদানের চুক্তি পেলে প্রথম বছরই ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বৈশ্বিক এভিয়েশন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘মেনজিস এভিয়েশন’।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রথম বছরেই ১ হাজারের বেশি মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সার্বিক অর্থনীতি ও সরবরাহশৃঙ্খলে (সাপ্লাই চেইন) আরও সাড়ে ৪ হাজারের বেশি পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে তারা অনুমান করছে।

গতকাল ঢাকার একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে এসব বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মেনজিস এভিয়েশনের মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশনস) জন হেন্ডারসন, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়া অঞ্চলের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট চার্লস উইলি এবং ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিরেক্টর সাকিব এরশাদ।

মেনজিস জানায়, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কেবল বিমানবন্দর পরিচালনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও বিশেষভাবে জোর দেওয়া হবে।

এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক মানের এভিয়েশন প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ারের সুযোগ তৈরিতে ঢাকায় একটি ‘মেনজিস ট্রেনিং একাডেমি’ গড়ে তোলা হবে।

এ ছাড়া এভিয়েশন সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ইন্টার্নশিপ ও গ্র্যাজুয়েট পাথওয়ে তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে কোম্পানিটির।

মেনজিস জানায়, এ উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জ্ঞান ও দক্ষতার আদানপ্রদান সহজ হবে। ফলে স্থানীয় অপারেশনাল, টেকনিক্যাল ও ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশি কর্মীদের আন্তর্জাতিক এভিয়েশন খাতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

দ্বিতীয় প্যাসেঞ্জার হ্যান্ডলিং অপারেটর নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভূরাজনৈতিক বিবেচনা বা রাজনৈতিক প্রভাব কোনো ভূমিকা রাখবে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিরেক্টর সাকিব এরশাদ জানান, তাঁরা দৃঢ় আশাবাদী যে এ প্রক্রিয়াটি কোনো ভূরাজনৈতিক প্রভাবের ওপর নয়, বরং সম্পূর্ণ মুক্ত ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন হবে।

মেনজিস মনে করে, তাদের প্রস্তাবিত এ বিনিয়োগ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে অবদান রাখবে।

বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ ঘোষণা

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন কাজের অনুমতিপত্র বা ওয়ার্ক পারমিট, শ্রমিক আমদানির পরিকল্পনা এবং শ্রম প্রকল্পগুলোর অনুমোদন স্থগিত করেছে লাওস। দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, এই স্থগিতাদেশ গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

কাতারে ফাইভ স্টার হোটেলে দারোয়ান পদে চাকরির সুযোগ

গত ৯ সেপ্টেম্বর জারি করা এক নির্দেশনায় মন্ত্রণালয় জানায়, অবৈধ প্রবেশ, মানবপাচার, অনুমোদনহীন শ্রম দালাল এবং শ্রমিক এনে তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নিয়োগকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেই কেন এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দেশনায় স্পষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

নির্ধারিত চুক্তির সময়সীমা রয়েছে এমন বড় ধরনের সরকারি অনুমোদিত অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলো এই স্থগিতাদেশের আওতামুক্ত থাকবে।

কাতার প্রবাসীদের জন্য কিছু নতুন চাকরির খবর

এই আদেশের ফলে ব্যক্তি, কোম্পানি, নিয়োগকর্তা এবং লেবার অপারেটররা স্বাধীনভাবে কোনও বাংলাদেশি নাগরিকের প্রবেশ বা কর্মসংস্থানের অনুমতি দিতে পারবেন না। এছাড়া ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত তাদের জন্য লেবার ভিসা পারমিট অনুমোদন দেওয়াও বন্ধ রাখা হয়েছে।

আইন অমান্যকারীদের জরিমানা, বাধ্যতামূলক নিজ দেশে ফেরত পাঠানো এবং ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল করার মতো শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

কাতার প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ আপডেটের খবর

অনুমোদন ছাড়া শ্রমিক আমদানি বা নিয়োগ করলে প্রতি শ্রমিক ও প্রতি লঙ্ঘনের জন্য নিয়োগকর্তাকে ২৫ লাখ লাও কিপ বা ১১০ ডলার জরিমানা দিতে হবে। অন্য শ্রম ইউনিটে পুনর্বণ্টনের জন্য শ্রমিক আমদানি করলেও একই পরিমাণ জরিমানা প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে ভিন্ন শ্রম ইউনিটে নিয়োজিত কর্মী ব্যবহার বা গ্রহণকারী নিয়োগকর্তাদের প্রতি কর্মী প্রতি ২০ লাখ লাও কিপ বা ৮৯ মার্কিন ডলার জরিমানা দিতে হবে।

অনুমতি ছাড়া শ্রমিক নির্ধারিত কর্মস্থল ছেড়ে অন্য জায়গায় কাজ করতে গেলে প্রতি ব্যক্তি ও প্রতি ঘটনার জন্য ১০ লাখ লাও কিপ বা ৪৪ ডলার জরিমানা এবং ৩০ দিনের মধ্যে বহিষ্কারের বিধান রাখা হয়েছে। ওই শ্রমিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সব খরচ নিয়োগকর্তা বা সংশ্লিষ্ট লঙ্ঘনকারীকে বহন করতে হবে।

কাতার এয়ারওয়েজে চাকরির খবর

একই ধরনের অপরাধ পুনরায় করলে জরিমানার পরিমাণ তিন গুণ হবে। পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন সংশ্লিষ্টরা।

লাওসে বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, সে সংখ্যা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে, এই স্থগিতাদেশে কোন কোন খাতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে, তাও জানানো হয়নি। উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে লাওসে শ্রম অভিবাসন ঐতিহাসিকভাবে মূলত নির্মাণ ও উৎপাদনখাত কেন্দ্রিক হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন

কাতারে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা

কাতারে না জানিয়ে কারো ছবি বা ভিডিও ধারণ করলেই জেল-জরিমানা

সবুজে সেজে উঠছে কাতার: সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণে নতুন মাইলফলক

পাবলিক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া ট্যাক্সি, লিমুজিন ও বাস চালানো নিষিদ্ধ: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মায়ের স্মরণে কাতারের আল খোরে চালু হলো মহিলাদের জন্য ফ্রি কোরআন হিফজ কেন্দ্র

আরও পড়ুন

পারিবারিক পর্যটনে উপসাগরীয় অঞ্চলে সবার শীর্ষে কাতার

মানব পাচার রুখতে ‘হিউম্যান ট্র্যাফিকিং’ চালু করেছে কাতার

গ্রীষ্মে কাতারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সমুদ্র ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস

কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্ভাবন ‘গ্লুকোওয়াচ’: এআই দিয়ে মাপা যাবে ডায়াবেটিস

দোহার ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামে বিরল হজ-দলিলসহ ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের প্রদর্শনী

আরও পড়ুন

কাতারে নির্মিত হচ্ছে প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ির কারখানা

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রিতে শাটল সার্ভিস চালু

কাতারে খোলা জায়গায় গাড়ি ধোয়া নিষিদ্ধ: অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা

সহানুভূতি নয়, দক্ষতা! প্রতিবন্ধীদের সরাসরি কর্মসংস্থানে যুক্ত করছে কাতার

কাবা শরিফের শত বছরের পুরোনো ‘বাব আল-তাওবা’র গিলাফ এখন কাতারে

মুসলিম নারীদের ইতিহাস ও অবদান সংরক্ষণে কাতারের উদ্যোগ ‘আলফু মুসলিমাহ"

আরও পড়ুন

কাতারে লাইসেন্সবিহীন ওষুধ বিক্রিতে কঠোর ব্যবস্থা

কাতার ১০ বছরের ভিসা দিচ্ছে কাদের এবং কীভাবে?

স্যামসাং ওয়ালেটে যুক্ত হলো কাতারের জাতীয় পেমেন্ট কার্ড ‘হিময়ান’

কাতারে অনুমতি ছাড়া ড্রোন ওড়ালে ৭ বছরের জেল ও ৩ লাখ রিয়াল জরিমানা

মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ ১০০ ব্যবসায়িক নেতার তালিকায় কাতারের ৯ করপোরেট ব্যক্তিত্ব!

কাতারে জুমার নামাজের সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকান বন্ধ রাখার নতুন নিয়ম চালু